ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রিজভী: শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চলছে


রিজভী: শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চলছে

শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, পরাজিত শক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উসকানি দিচ্ছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে সিলেটে জেলা বিএনপি আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রুহুল কবির রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অনেক নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। তবে যদি কেউ চোরাপথে বা পেছনের দরজা দিয়ে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করে, তাহলে তা মেনে নেয়া হবে না। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখতে হবে।’

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে একই রাস্তা সকালে জামায়াতের, বিকেলে বিএনপির সাবেক এমপির উদ্বোধন

জামায়াতের আমিরের বিপ্লবের অপেক্ষায় থাকার বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘মাত্র আট মাসে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই এমন চেষ্টা চলছে। সংসদে আলোচনা না করে যারা লংমার্চ করছেন, জনগণ তাদের সম্পর্কে এমন ভাবনা পোষণ করবে না যে, তারা এ বিষয়ে ইন্ধন দিচ্ছেন।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না। তবুও জেলা পর্যায়ে নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এমপি, এমএ মালিক এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন: ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন সুপ্রিম কোর্টে বহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ পি.এম


মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন সুপ্রিম কোর্টে বহাল

সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন, বিমানবন্দরে হট্টগোলের ঘটনায় করা মামলায়, সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত কর্তৃক হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাষ্ট্রপক্ষের জামিন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ প্রদান করেন।

মুহাম্মদ শিশির মনির, আখতারুজ্জামানের আইনজীবী, সাংবাদিকদের বিষয়টি অবহিত করেছেন। এর আগে, বিমানবন্দরে হট্টগোলের মামলায় হাইকোর্টের জামিন স্থগিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদনটি করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার এবং বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ জামিন আদেশ দেন।

গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরবর্তীতে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ১ অক্টোবর সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-৩৩৮ ঢাকায় অবতরণ করে। এরপর ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলি-সংকট দেখা দেয়, যার ফলে লাগেজ পেতে বিলম্ব হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। অভিযোগ করা হয়, এ সময় আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে গিয়ে গালাগাল করেন এবং ‘আমি কিন্তু পিটাব ধইরা’ ও ‘ঘাড় ধরে বের করে দেব’ বলে হুমকি দেন। একই সাথে, তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও স্থাপনা (কেপিআই) এলাকায় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের বাধা দিলে আখতারুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।

এছাড়া, যাত্রীদের সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণ করার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিমানবন্দর থানায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব এই ঘটনার জন্য মামলা দায়ের করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় প্রেস ক্লাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুতির সংকট নিয়ে নাগরিক সংলাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


জাতীয় প্রেস ক্লাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুতির সংকট নিয়ে নাগরিক সংলাপ

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমাগত বাস্তুচ্যুত হয়ে শহরে আশ্রয় নেওয়া প্রান্তিক জনগণের বহুমুখী সংকট নিরসন ও তাদের জীবন সংগ্রামের বাস্তবতা তুলে ধরার লক্ষ্যে এবং তাদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় ৮ দফা দাবিতে আজ ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে একটি নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

‘জলবায়ু পরিবর্তন ও নগর দরিদ্র মানুষের সংকট’ শীর্ষক এই নাগরিক সংলাপের আয়োজন করে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক) এবং চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশন (সিডব্লিউএফ)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন। সভাপতিত্ব করেন বারসিক-এর পরিচালক মো. কামরুজ্জামান এবং সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম। সিডব্লিউএফ-এর চেয়ারম্যান শাহ ইসরাত আজমেরী সংলাপে ধারণাপত্র পাঠ করেন।

সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও সামাজিক কারণে গ্রামের প্রান্তিক মানুষ শহরমুখী হতে বাধ্য হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এই জনগণের জন্য মানসম্মত বসবাসের পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।

এ সময় তিনি বস্তি এলাকায় উচ্চ ভবন নির্মাণের মাধ্যমে স্বল্প জমিতে বেশি মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকারের কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষ ধীরে ধীরে স্বনির্ভর হয়ে উঠবে।

সংলাপে ঢাকা, রাজশাহী ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের বিভিন্ন বস্তিতে আশ্রয় নেওয়া প্রান্তিক জলবায়ু-উদ্বাস্তু পরিবারের প্রতিনিধি ও কমিউনিটি নেতারা তাদের নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরেন।

গবেষণার তথ্যে দেখা যায়, ২০০২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় (সিডর, আইলা, আম্পান, রেমল), তীব্র লবণাক্ততা, নদীভাঙন এবং উত্তরাঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী খরা ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ বস্তিবাসী গ্রাম থেকে শহরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

ভোলার লালমোহন ও চরফ্যাশন, বরিশাল, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও কয়রা থেকে বাস্তুচ্যুত এসব মানুষ নগরে এসে জরাজীর্ণ ঘর, অনিরাপদ পানি, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন, চরম তাপপ্রবাহ এবং বর্ষাকালে দূষিত পানি থেকে চর্মরোগ ও ডেঙ্গুর মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন।

বক্তারা জানান, গ্রাম ছাড়ার পর এই মানুষরা কেবল বাসস্থানই হারাননি, বরং হারিয়েছেন তাদের বহু বছরের প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। শহরে এসে তারা জরাজীর্ণ ঘর, অনিরাপদ পানি, অপরিশোধিত স্যানিটেশন, তীব্র তাপ প্রবাহে হিটস্ট্রোক, বর্ষায় ড্রেনের বর্জ্যমিশ্রিত পানিতে চর্মরোগ ও ডেঙ্গুর মতো স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভুগছেন। পাশাপাশি, দিনমজুর ও রিকশাচালকদের অনিয়মিত আয়, অপরাধের ভয়াবহতা এবং সমাজ ও নাগরিক পরিবেশের তুচ্ছতাচ্ছিল্য তাদের আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি কেড়ে নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বস্তিবাসীর পক্ষ থেকে সভার প্রধান অতিথির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের কাছে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন ও ক্ষতিপূরণ দাবির জন্য ১৩ দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপির প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জলবায়ু আক্রান্ত মানুষের জন্য অভিযোজন তহবিল নিশ্চিত করা, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ কমানো, পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চা ও শস্যবীমার জন্য আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানো, উন্নত অভিযোজন প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ প্রদান, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড সহজলভ্য করা এবং জলবায়ু তহবিলের শর্ত শিথিল করে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মাধ্যমে সরাসরি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা।

এ ছাড়া ধারণাপত্রে নগর দরিদ্রদের জন্য ৮ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর পরিকল্পনা, নগর স্থানীয় সরকারের অধীনে বিশেষ বাজেট বরাদ্দ, নিজস্ব এলাকা বা নিকটবর্তী শহরে আবাসন ও পুনর্বাসন, বস্তির ঘর ও অবকাঠামোর মানোন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষাসুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা, আগাম আবহাওয়া সতর্কবার্তা, উচ্ছেদহীন স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা এবং ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ থেকে সরাসরি বস্তিবাসীদের ক্ষতিপূরণ প্রদান।

সংলাপে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বস্তিবাসী সুরক্ষা কমিটির সভাপতি হোসনে আরা বেগম রাফেজা, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দেলনের (বাপা) ট্রেজারার আমিনুল রসুল, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তার লেলিন চৌধুরী, কাপ’র নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান-ইয়াত, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক নিখিল ভদ্র, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের কনভেনর মিহির বিশ্বাস এবং নাগরিক সংলাপের সভাপতি ও বারসিক পরিচালক মো. কামরুজ্জামান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেটলাইফের গবেষণা: ৫৫ শতাংশ কর্মী প্রতিদিন এআই ব্যবহার করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


মেটলাইফের গবেষণা: ৫৫ শতাংশ কর্মী প্রতিদিন এআই ব্যবহার করছে

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের ৫৫ শতাংশ কর্মী প্রতিদিনের কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছেন। এদের মধ্যে ৯১ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে, এ প্রযুক্তি কাজের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে, নিয়োগদাতারা কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছেন।

মেটলাইফ বাংলাদেশের ‘এমপ্লয়ি বেনিফিটস ট্রেন্ডস স্টাডি (ইবিটিএস) ২০২৬’-এর দ্বিতীয় সংস্করণে এ তথ্য উঠে এসেছে।

রাজধানীর মতিঝিলে মেটলাইফ বাংলাদেশের কার্যালয়ে রোববার এক অনুষ্ঠানে এই জরিপের তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেটলাইফ বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড প্রোডাক্ট নওফেল আনোয়ার এবং হেড অব কমিউনিকেশনস সাইফুর রহমান।

গবেষণায় দেখা গেছে, এআই কাজের চাপ কমাতে, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে, মানসিক ক্লান্তি কমাতে এবং আরও অর্থবহ কাজে মনোযোগ দিতে সহায়তা করে। তবে, মাত্র ৫৮ শতাংশ নিয়োগদাতা কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে উৎসাহ দেন বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রেখেছেন। তাদের মধ্যে মাত্র ৩৭ শতাংশ মনে করেন, কর্মীরা সহজেই এআই গ্রহণ করছেন।

গবেষণায় ২০২৫ সালে ৫৬ শতাংশ কর্মী জানিয়েছেন যে, আর্থিক দুশ্চিন্তার কারণে কাজের উৎপাদনশীলতা কমে যায়। ২০২৬ সালে এ হার বেড়ে ৭২ শতাংশ হয়েছে। ৬৯ শতাংশ কর্মী মনে করেন যে, নিয়োগদাতাদের আর্থিক নিরাপত্তার দায়িত্ব রয়েছে, যা ৮১ শতাংশে পৌঁছেছে। অবসরজীবনের জন্য সঞ্চয়ে সহায়তা করাও নিয়োগদাতাদের দায়িত্ব বলে মনে করেন ৮৬ শতাংশ কর্মী, যেখানে ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৬৭ শতাংশ।

বড় ধরনের অপ্রত্যাশিত আর্থিক সংকট বা খরচের সময় নিয়োগদাতার সহায়তা প্রত্যাশা করেন ৭২ শতাংশ কর্মী। অন্যদিকে, চাকরি নিয়ে কর্মীদের সামগ্রিক সন্তুষ্টির হার ২০২৫ সালের ৭৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৮৩ শতাংশ হয়েছে।

কর্মী ও তাদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষায় বীমাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার চাহিদাও বাড়ছে। ২০২৬ সালের গবেষণায় ৭৯ শতাংশ কর্মী জানিয়েছেন, বীমা ও সুস্থতাসংক্রান্ত সুবিধা পেলে প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের আনুগত্য বাড়বে। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৭৮ শতাংশ।

অবসরজীবনের প্রস্তুতি নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী কর্মীদের মধ্যে যাঁদের অবসরজীবনের কোনো পরিকল্পনা নেই, তাঁদের হার ২০২৫ সালের ৫৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ৮১ শতাংশ হয়েছে। এ বিষয়ে সঞ্চয় ও সঞ্চিত অর্থ থেকে নিয়মিত আয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিয়োগদাতাদের সহায়তা চান কর্মীরা।

নিজেদের প্রয়োজন ও জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের সঙ্গে মানানসই সুযোগ-সুবিধা পেতে আগ্রহী কর্মীর হারও বেড়েছে। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৬৫ শতাংশ, যা ২০২৬ সালে বেড়ে ৮৬ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ গড়ে তুলতে কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ৮৫ শতাংশ নিয়োগদাতা। ২০২৫ সালে এ হার ছিল ৭৮ শতাংশ। গত এক বছরে প্রায় অর্ধেক নিয়োগদাতা কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন।

মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র শুধুমাত্র নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের বিষয় নয়। কাজের জগৎ বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যেন তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়বারের মতো পরিচালিত আমাদের এ গবেষণায় বাংলাদেশের নিয়োগদাতা ও কর্মী, উভয়ের মতামত তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁদের পরিবর্তিত চাহিদা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি, আর্থিক নিরাপত্তা, সুস্থতা ও প্রাসঙ্গিক সুযোগ-সুবিধাকে একসঙ্গে নিয়ে কর্মক্ষেত্রে আরও বেশি সম্পৃক্ত, সংকট মোকাবিলায় সক্ষম এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত কর্মীবাহিনী গড়ে তুলতে সহায়তা করা সম্ভব।

গবেষণায় বিভিন্ন খাতের মোট ৭০৯ জন অংশ নেন। তাদের মধ্যে ৫৮৩ জন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মী এবং ১২৬ জন নিয়োগদাতা। তৈরি পোশাক, ব্যাংকিং, দ্রুত বিক্রয়যোগ্য ভোগ্যপণ্য, টেলিযোগাযোগ, রিটেইল, ম্যানুফ্যাকচারিং, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিনল্যান্ডে সিঙ্গেলদের জন্য বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


ফিনল্যান্ডে সিঙ্গেলদের জন্য বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে পরিচিত ফিনল্যান্ড। এবার সেই দেশে ভালোবাসার সন্ধানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অবিবাহিত ও সিঙ্গেল ব্যক্তিদের। শুধু ডেটিং বা নতুন পরিচয়ের সুযোগ নয়, নির্বাচিত ১৬ জনের জন্য ফিনল্যান্ডে চার দিনের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভ্রমণের ব্যবস্থা রয়েছে, যা অন্তর্ভুক্ত করছে বিমান টিকিট, হোটেলে থাকার ব্যবস্থা, খাবার এবং বিভিন্ন আয়োজন।

এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের নাম ‘ফিনিশ ডিনার ডেট’ (Finnish Dinner Date)। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে হেলসিঙ্কি ও ট্যাম্পিয়ারে বিশেষ এই ডিনার ডেটের আয়োজন করা হবে। সেখানে ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সিঙ্গেলদের সঙ্গে একই টেবিলে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত বিদেশি অতিথিরা।

ফিনল্যান্ডের পর্যটন সংস্থা ভিজিট ফিনল্যান্ড (Visit Finland) গত ২০ অক্টোবর এই বিশেষ প্রচারণার ঘোষণা দেয়। এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশটির খাবার, সংস্কৃতি, আতিথেয়তা এবং মানুষের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।

কী থাকছে এই ভ্রমণে?

ভিজিট ফিনল্যান্ডের ঘোষণার ভিত্তিতে, মোট ১৬ জন আন্তর্জাতিক সিঙ্গেলকে নির্বাচিত করা হবে। তাঁদের মধ্যে আটজন হেলসিঙ্কি অঞ্চলের আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন এবং বাকি আটজন ট্যাম্পিয়ারে যাবেন, যা ফিনল্যান্ডের লেকল্যান্ড অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।

২০২৭ সালের ৯ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চার দিনের এই ভ্রমণ আয়োজন করা হবে। নির্বাচিতদের জন্য থাকবে:

* ফিনল্যান্ডে আসা-যাওয়ার বিমান টিকিট।

* হোটেলে থাকার ব্যবস্থা।

* চার দিনের পরিকল্পিত ভ্রমণ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।

* খাবার ও বিশেষ ডিনার আয়োজন।

* স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ।

তবে এটি একান্তে দুজনের মুখোমুখি ‘ব্লাইন্ড ডেট’ নয়। বরং আটজন আন্তর্জাতিক অতিথি এবং স্থানীয় দুইজন সিঙ্গেলের অংশগ্রহণে গ্রুপ ডিনারের আয়োজন করা হবে। অর্থাৎ প্রতিটি আয়োজনে মোট ১০ জন একসঙ্গে খাবার টেবিলে বসবেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে তাঁদের জানানো হবে, হেলসিঙ্কি নাকি ট্যাম্পিয়ারে যেতে হবে। এই গন্তব্য নির্ধারণও রাখা হয়েছে চমক হিসেবে।

খাবারের টেবিলে থাকছে বিখ্যাত শেফদের বিশেষ আয়োজন।

এই উদ্যোগের অন্যতম আকর্ষণ হলো ফিনল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতি। নির্বাচিত অতিথিদের জন্য তৈরি করা হবে দেশটির বিশেষ টেস্টিং মেনু।

হেলসিঙ্কি অঞ্চলের মেনু তৈরি করবেন বিখ্যাত শেফ অ্যাডেলে কিনুনেন (Adele Kinnunen)। তিনি হেলসিঙ্কির জনপ্রিয় ক্যাফে সাভয়ের প্রধান শেফ। ফিনল্যান্ডের মাস্টারশেফ প্রফেশনালসেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে ট্যাম্পিয়ারের আয়োজনের খাবারের মেনু তৈরি করবেন শেফ হেনরি টিকানেন (Henry Tikkanen)। তিনি রেস্তোরাঁ গোস্তার (Gösta) সঙ্গে যুক্ত এবং আন্তর্জাতিক শেফ প্রতিযোগিতা Bocuse d’Or-এ ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০০১ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন ফিনল্যান্ডের বর্ষসেরা শেফ।

অতিথিরা শুধু খাবার উপভোগ করবেন না, বরং ফিনল্যান্ডের প্রকৃতি, স্থানীয় উপাদান, ঐতিহ্য এবং আঞ্চলিক খাদ্যসংস্কৃতি সম্পর্কেও জানার সুযোগ পাবেন।

কেন এমন উদ্যোগ নিল ফিনল্যান্ড?

এই আয়োজনের পেছনে রয়েছে ফিনল্যান্ডের একটি আলোচিত ডেটিং ট্রেন্ড, যার নাম ‘সিঙ্কুকোরি’ (Sinkkukori)। ফিনিশ ভাষায় শব্দটির অর্থ সিঙ্গেলদের ঝুড়ি।

ফিনল্যান্ডের কিছু সুপারমার্কেটে অবিবাহিত বা সিঙ্গেল ব্যক্তিরা কেনাকাটার সময় গোলাপি রঙের বিশেষ ঝুড়ি ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তাঁরা অন্যদের জানান যে, তাঁরা সিঙ্গেল এবং নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হতে আগ্রহী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ব্যতিক্রমী ট্রেন্ডটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। সেই ধারণা থেকেই এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন পরিচিতি ও সম্পর্ক তৈরির সুযোগ করে দিতে ‘ফিনিশ ডিনার ডেট’ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ভিজিট ফিনল্যান্ড।

দেশটির পর্যটন খাতের কর্মকর্তাদের মতে, খাবার মানুষের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে ফিনল্যান্ডের খাবার, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার পরিচয় তুলে ধরতে চায় দেশটি।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সিঙ্গেল প্রাপ্তবয়স্করা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।

আবেদনের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত রয়েছে:

* আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। সর্বোচ্চ বয়সের কোনো সীমা নেই।

* আবেদনকারীকে সিঙ্গেল হতে হবে অথবা নতুন সম্পর্কে পরিচিত হওয়ার জন্য উন্মুক্ত থাকতে হবে।

* ফিনল্যান্ডে বসবাসকারী ব্যক্তিরা এই আয়োজনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

* আবেদন করতে হবে ব্যক্তিগতভাবে। একসঙ্গে দুজনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

* ইংরেজিতে কথা বলা ও বোঝার সক্ষমতা থাকতে হবে, কারণ পুরো আয়োজন পরিচালিত হবে ইংরেজিতে।

যেভাবে আবেদন করবেন

আগ্রহীদের আবেদন করতে হবে দুটি ধাপে।

প্রথম ধাপ: ইংরেজিতে একটি ভিডিও তৈরি

আবেদনকারীকে ইংরেজিতে একটি ছোট ভিডিও তৈরি করতে হবে। সেখানে একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে:

“What would you serve on a dinner date, and why?”

অর্থাৎ, কারও সঙ্গে ডিনার ডেটে গেলে আপনি কী খাবার পরিবেশন করতে চাইবেন এবং কেন?

নিজের পছন্দ, ব্যক্তিত্ব ও সৃজনশীলতা তুলে ধরে ভিডিওটি তৈরি করতে হবে।

এরপর ভিডিওটি Instagram, TikTok অথবা YouTube-এ প্রকাশ করতে হবে। ভিডিওর সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে #FinnishDinnerDate হ্যাশট্যাগ।

প্ল্যাটফর্ম অনুযায়ী ভিজিট ফিনল্যান্ডের অ্যাকাউন্ট ট্যাগ করতে হবে:

* Instagram: @ourfinland

* TikTok: @visitfinland.com

* YouTube: @VisitFinland

Instagram ও TikTok-এ ভিডিও প্রকাশ করলে প্রোফাইল অবশ্যই Public রাখতে হবে। তবে প্রকাশ্যে ভিডিও দিতে না চাইলে YouTube-এ Unlisted ভিডিও হিসেবেও আপলোড করা যাবে।

দ্বিতীয় ধাপ: অনলাইন আবেদন ফরম পূরণ

ভিডিও প্রকাশের পর ভিজিট ফিনল্যান্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে নিজের ভিডিওর লিংক যুক্ত করতে হবে।

শুধু ভিডিও প্রকাশ করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে না। অনলাইন ফরমও পূরণ করতে হবে।

আবেদনের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইট:

Visit Finland – Finnish Dinner Date⁠

আবেদনের শেষ সময় ও বিজয়ী ঘোষণা

এই বিশেষ আয়োজনে আবেদনের শেষ সময় আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার। ফিনল্যান্ডের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্বাচিত ১৬ জনের নাম আগামী ১ ডিসেম্বর ২০২৬ তারিখে ভিজিট ফিনল্যান্ডের Instagram ও TikTok অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হবে। নির্বাচিত ব্যক্তিদের সঙ্গেও সরাসরি যোগাযোগ করবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

তবে আয়োজকরা কাউকে জীবনসঙ্গী খুঁজে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন না। বরং নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, ফিনল্যান্ডের খাবার উপভোগ এবং দেশটির সংস্কৃতি ও প্রকৃতিকে কাছ থেকে জানার সুযোগ করে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

ভালোবাসার খোঁজে এক অন্যরকম পর্যটন উদ্যোগ।

বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড। এবার সেই সুখের গল্পের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ভালোবাসা ও নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা।

হয়তো চার দিনের এই ভ্রমণে কেউ খুঁজে পাবেন নতুন কোনো বন্ধুত্ব, কারও জীবনে তৈরি হবে বিশেষ কোনো সম্পর্ক। আবার কেউ হয়তো ফিরে যাবেন ফিনল্যান্ডের প্রকৃতি, খাবার ও মানুষের সুন্দর কিছু স্মৃতি নিয়ে।

তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, প্রচলিত ডেটিং অ্যাপের বাইরে গিয়ে খাবারের টেবিলে নতুন পরিচয়ের এই আয়োজন বিশ্ব পর্যটনে এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%