ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ


শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩২ লাখ টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের পৃথক অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ৩২ লাখ ২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের বিভিন্ন পণ্য জব্দ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ৯০ পিস ই-সিগারেট/ভেপ।

গত ৬ ও ৭ নভেম্বরের এই অভিযানে ই-সিগারেট/ভেপ ছাড়াও ১৬৬ কার্টন সিগারেট, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকারও জব্দ করা হয়।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: রাজনৈতিক সমর্থন ব্যালট বাক্সে, অফিসে নয়

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬ নভেম্বর কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেন। এ সময় কুয়ালালামপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৮৭ ফ্লাইটে আসা যাত্রী সুলতানা রাজিয়ার ব্যাগেজ স্ক্যান ও তল্লাশি করে ৯০ পিস ই-সিগারেট/ভেপ, ১২ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ওই যাত্রীর পাসপোর্টে গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আনার এন্ট্রি রয়েছে। একই বছরে পুনরায় ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নিয়ে আসার বিষয়টি শনাক্ত হওয়ায় এবার তা জব্দ করা হয়।

অপরদিকে, ৭ নভেম্বর কাতার থেকে ঢাকায় আসা কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের ব্যাগেজ বেল্ট থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬৬ কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়।

যাত্রীর ব্যাগেজে ই-সিগারেট/ভেপ বহনের এই ঘটনা চোরাচালানের নতুন প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩

রাজস্ব সুরক্ষার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের অবৈধ প্রবেশ প্রতিরোধে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে ভারত সরকারও শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে।

রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিচারকদের নিয়ে আয়োজিত ‘জুডিশিয়াল ইন্টিগ্রিটি ওয়ার্কশপে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ১৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা-সংক্রান্ত মামলার রায়ে বাংলাদেশ ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছে।

তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা বিরোধিতা করেছে এবং গণহত্যায় জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিহত ব্যক্তিদের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার থাকতে হবে।

আইনমন্ত্রী শহিদ জাফর, জয়নায়াল, দীপালী সাহা, কাঞ্চন, রাফুন, বসুনিয়া, জিহাদ ও ডাক্তার মিলনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও আনাসসহ ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন এবং প্রায় ৩০০ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন।

তিনি এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কথা বলার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের সমাজকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে বিভক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নীরব রয়েছেন। জুলাইয়ে এত মানুষ নিহত হয়েছেন, অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, অথচ তাদের বিষয়ে ওই অংশের কোনো বক্তব্য নেই।

তাহলে বিচার বিভাগের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি বিচার বিভাগে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির বিষয়েও আলোচনা করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বিচার বিভাগের সততা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছে, সেখানে সমস্যাটিকে শুধু আর্থিক দুর্নীতির দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে। তবে বিচার বিভাগের সংকটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি। আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বাংলাদেশের বিচার বিভাগ ও দেশের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে পোশাক শ্রমিকরা কাজে ফিরেছেন

কিছু দিনের শ্রমিক অসন্তোষের পর সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা আবার কাজে ফিরেছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) এসব শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা উৎপাদন কার্যক্রমে কর্মচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে। এই পরিস্থিতির মাধ্যমে তৈরি পোশাক শিল্পের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।

এদিকে, ৫ নভেম্বর থেকে পোশাক শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু আশা প্রকাশ করেছেন যে, আজ অধিকাংশ কারখানায় বেতন পরিশোধ সম্পন্ন হবে।

শিল্প পুলিশের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. ইসরাইল হাওলাদার জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। আশুলিয়ায় কিছু কারখানায় সমস্যা দেখা দিলে সেখানে ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কারখানা ত্যাগ করেন।

তিনি আরও জানান, আজ শিল্পাঞ্চলগুলোতে কোনো ধরনের বিক্ষোভ, সংঘর্ষ বা সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংকের অগ্রাধিকার, নারীরা পাবে নতুন সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংকের অগ্রাধিকার, নারীরা পাবে নতুন সুযোগ

বাংলাদেশে আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন কৌশলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং নতুন বিনিয়োগের পথ সুগম করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির।

২০২৭ থেকে ২০৩৩ অর্থবছর পর্যন্ত সম্ভাব্য মেয়াদে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (সিপিএফ) প্রণয়নের কাজ চলছে। এই কাঠামোর মাধ্যমে আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের তিনটি প্রতিষ্ঠান—ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ), ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) এবং মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সির (এমআইজিএ) কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক কান্ট্রি ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এই কাঠামো আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহযোগিতার ক্ষেত্র ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। বাংলাদেশের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সবচেয়ে জরুরি উন্নয়ন অগ্রাধিকার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে।

কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, গত এক দশকে প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ বাংলাদেশি শ্রমবাজারে প্রবেশ করেছেন। বিপরীতে এ সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ। নারীদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা আরও বেশি। ২০২২ সালে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ছিল ৪২ দশমিক ৮ শতাংশ, যা ২০২৪ সালে কমে ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলেন, এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন অংশীদারত্ব কাঠামোর মূল লক্ষ্য হবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বিশেষ করে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোকে ভিত্তি করেই এ পরিকল্পনা সাজানো হবে।

নতুন কাঠামো প্রণয়নে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনের মতামত নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বেসরকারি খাত, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তা, নাগরিক সমাজ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হচ্ছে।

জ্যঁ পেসমে বলেন, বড় পরিসরে বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য যেসব মৌলিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দূর করার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বর্তমান পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে যেসব ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহায়তা সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, সেসব ক্ষেত্রেই অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতা কেন্দ্রীভূত করা হবে।

তিনি বলেন, একদিকে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, অন্যদিকে নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও জোরদার করা হবে।

জ্যঁ পেসমে বলেন, বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য আরও বেশি এবং মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ কীভাবে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের পরামর্শ ও মতামত প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।

নতুন সিপিএফ প্রণয়নের অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ইতোমধ্যে একটি পরামর্শ কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে দেশের প্রধান উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ ও অগ্রাধিকার সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেওয়া হচ্ছে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, নাগরিক সমাজ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠী এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। এ ছাড়া ইংরেজি ও বাংলা—দুই ভাষায় একটি অনলাইন জরিপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে বিশ্বব্যাংকের।

জরিপে মূলত তিনটি বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অগ্রাধিকার কী হওয়া উচিত, অর্থায়ন, জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের কোন কোন খাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন এবং আরও বেশি ও মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কী ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।

কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক হলো কোনো দেশের সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কয়েক বছর মেয়াদি সহযোগিতার একটি কৌশলগত রূপরেখা। এর মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে অর্থায়ন, কারিগরি দক্ষতা, গবেষণা ও অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়।

এদিকে নতুন সিপিএফ প্রণয়নের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) এক কর্মকর্তা বলেন, আসন্ন সিপিএফে বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন দেখতে চাইবে বাংলাদেশ সরকার।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক নতুন সিপিএফের চূড়ান্ত খসড়া দিলে ইআরডি তা পর্যালোচনা করে দেশের অবস্থান ও মতামত তুলে ধরবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের ৩৭টি প্রকল্পে মোট ১ হাজার ১২০ কোটি ডলারের সহায়তা চলমান রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক প্রতিশ্রুতির পরিমাণ ২০২২ সালে ছিল ২২১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ২০২৩ সালে ২৩০ কোটি ডলার, ২০২৪ সালে ৩৩৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার, ২০২৫ সালে ৩০৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং ২০২৬ সালে ১৬২ কোটি ডলার।

এদিকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মৌলিক নীতিগত বিষয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে বড় ধরনের কোনো মতপার্থক্য নেই। যৌথ কর্মপরিকল্পনার আওতায় আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করা হবে।

গত মাসে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার এক ফাঁকে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। সংস্থাটির অর্থায়ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জ্বালানি খাতের অগ্রগতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামের মিলের কারণে ১০ মাস কারাবাস, হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পাচ্ছেন আলমাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


নামের মিলের কারণে ১০ মাস কারাবাস, হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পাচ্ছেন আলমাস

হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, অস্ত্র মামলায় নামের মিলের কারণে কারাগারে আটক থাকা নিরপরাধ মো. আলমাসকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে হবে। ভুক্তভোগী আলমাস দশ মাস ধরে জেলে রয়েছেন।

রোববার (৮ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই নির্দেশনা প্রদান করে।

অস্ত্র মামলায় দশ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আলমাস পলাতক রয়েছেন। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, একই নামের আরেক ব্যক্তি দশ মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন।

হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশ পায়। গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান এবং বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%