০৪:০৪ পি.এম
সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় খনন-পুনঃখননের উদ্যোগের ছয় মাসের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ইতোমধ্যে ১০১ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বগুড়ায় করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নদী তীর প্রতিরক্ষা ও পুনঃখনন কাজের জন্য এসপি ঘাট পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার করতোয়া, গজারিয়া ও ইছামতী নদী পুনঃখননের জন্য ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। চলতি মাসেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৯৪ কিলোমিটার নদী এবং ৬ কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে একই রাস্তা সকালে জামায়াতের, বিকেলে বিএনপির সাবেক এমপির উদ্বোধন
তিনি উল্লেখ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীগুলোর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ও নান্দনিকতা ফিরে আসবে। এর ফলে বগুড়া শহরের সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি মানুষের জীবন-জীবিকা, বৃক্ষরোপণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নদীর দুই পাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যা বগুড়ার মানুষকে নতুন এক শহরের অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।
নদী থেকে অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের কোন নদী থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে এবং কোনটি থেকে যাবে না, তা নির্ধারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং তাদের তৈরি তালিকা জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো হবে।
তিনি আরও বলেন, যেসব নদী থেকে বালু উত্তোলন করলে নদীভাঙন কিংবা সরকারি অবকাঠামোর ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, সেসব নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধে উদ্যোগ নেয়া হবে। অন্যদিকে, ক্ষতির আশঙ্কা না থাকলে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলনের সুযোগ থাকবে।
আরও পড়ুন: জাতীয় প্রেস ক্লাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুতির সংকট নিয়ে নাগরিক সংলাপ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন