ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাসের শেষ দিনে দূষিত শহরের তালিকায় ১৪তম অবস্থানে ঢাকা


মাসের শেষ দিনে দূষিত শহরের তালিকায় ১৪তম অবস্থানে ঢাকা

জলবায়ু পরিবর্তন এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা বিশ্বজুড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি একটি বড় উদ্বেগের বিষয় এবং বাংলাদেশও এই দূষণের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। চলতি মাসের বেশিরভাগ সময় ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর ছিল। তবে মাসের শেষ দিনে দূষণের মাত্রা কিছুটা কমে এসেছে। বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকা পিছিয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১৪তম। এ সময় রাজধানীর বায়ুমান সূচক (একিউআই) ছিল ১১৩, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচিত। এর আগের দিন শুক্রবার একই সময়ে ঢাকার বায়ুমান সূচক ছিল ১৪৪। এক দিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাতাসের মানে কিছুটা উন্নতি দেখা গেছে।

এদিকে, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান সূচক ৩১০, যা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ পর্যায়ের দূষণ নির্দেশ করে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের আরেক শহর করাচি, যার বায়ুমান সূচক ১৫৮, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য।

আরও পড়ুন: ছাদে সোলার প্যানেল বসালে কর ছাড়ের ঘোষণা জ্বালানিমন্ত্রীর

অন্যদিকে, অস্বাস্থ্যকর বায়ুমানের তালিকায় রয়েছে চীনের সাংহাই ও হাংজু এবং উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য শহরের বাতাসও সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এসব শহরের মধ্যে রয়েছে ভারতের দিল্লি ও মুম্বাই, চীনের উহান ও গুয়াংজু, ভিয়েতনামের হ্যানয় ও হো চি মিন সিটি, নেদারল্যান্ডসের রটারডাম, মিশরের কায়রো, কিরগিজস্তানের বিশকেক, আফগানিস্তানের কাবুল, দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল এবং বাহরাইনের মানামা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শহরের বায়ুমান পর্যবেক্ষণ করে। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুমান সূচক বা একিউআইয়ের মাধ্যমে বাতাসের দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বাতাসের মান ভালো বলে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা মাঝারি বা সহনীয়। সূচক ১০১ থেকে ১৫০ হলে এটি সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ হলে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত এটি খুব অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০০-এর বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

বায়ুদূষণের কারণে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা। তাই দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বাইরে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলার পাশাপাশি বাইরে গেলে উপযুক্ত মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ইউটিউব দেখে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা, যুবক গ্রেফতার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু পরিবর্তনে সংকট বাড়ছে, ঝুঁকিতে দেশের পৌনে ২ কোটি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


জলবায়ু পরিবর্তনে সংকট বাড়ছে, ঝুঁকিতে দেশের পৌনে ২ কোটি মানুষ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে। এর ফলে উপকূলের জনজীবন, কৃষি ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যদি উচ্চমাত্রার গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকে, তাহলে ২১০০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ মানুষ পরিবেশগত ঝুঁকিতে পড়তে পারে। দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এশিয়া-প্যাসিফিক ক্লাইমেট রিপোর্টে’ বাংলাদেশের জন্য এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চমাত্রার গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় বন্যার ঝুঁকি বাড়বে। এতে বার্ষিক অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ দেশের জিডিপির সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয়ভাবে ভূমি দেবে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় বদ্বীপ ক্রমশ ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বদ্বীপের কিছু অংশ বছরে ৪ থেকে ৫৫ মিলিমিটার পর্যন্ত দেবে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যনিরাপত্তা এবং মানুষের জীবন-জীবিকাকে আরও অনিশ্চিত করে তুলতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব শুধুমাত্র বসতভিটা ও কৃষিজমিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং উপকূলীয় মানুষের স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে। নিরাপদ পানি, জীবিকা ও বসবাসের অনিশ্চয়তায় উপকূলের একাংশের মানুষ অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বাড়ছে, স্থানীয় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার বলেছেন, অধিক লবণাক্ততা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে নানা সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে ওই অঞ্চলের নারী ও কিশোরীরা উপকূল ছেড়ে ঢাকা কিংবা অন্য শহরাঞ্চলে চলে যাচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ এই অভিবাসনের ফলে যেসব এলাকায় তারা আশ্রয় নিচ্ছেন, সেখানে নতুন করে পরিবেশের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

উপকূলীয় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসনে কার্যকর পরিকল্পনা। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে আমাদের খাপ খাইয়ে নিতে হবে। এজন্য জলবায়ু সহনশীল উপাদান ও বীজ ব্যবহার করতে হবে এবং উপকূলীয় এলাকার অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় কোথায় এবং কীভাবে আশ্রয় নেয়া যাবে, সে বিষয়ে প্রস্তুতি থাকতে হবে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নিজেদের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর শুধু পরিবেশগত সংকটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি দারিদ্র্য, বৈষম্য ও বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। ফলে উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কার্যকর অভিযোজন উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পোপ লিও চতুর্দশ মার্কিন নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


পোপ লিও চতুর্দশ মার্কিন নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দিয়ে ইতিহাস গড়লেন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট প্রদান করেছেন পোপ লিও চতুর্দশ। এর ফলে, তিনি প্রথম পোপ হিসেবে মার্কিন নির্বাচনে ভোট দিয়ে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার রিপোর্ট অনুযায়ী, পোপ লিও চতুর্দশ শিকাগোতে ডাকযোগে তার ব্যালট জমা দিয়েছেন।

ভ্যাটিকান শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নিশ্চিত করেছে যে, নাগরিক দায়িত্ব পালনের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসের ধারাবাহিকতায়, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পূর্বে পোপ ডাকযোগে তার ভোট প্রদান করেছেন।

ভ্যাটিকানের প্রেস অফিস একটি বিবৃতিতে জানায়, পোপ লিও আগে রবার্ট প্রিভোস্ট নামে পরিচিত মার্কিন নাগরিক হিসেবে ভোট দেয়ার অধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে, মার্কিন নির্বাচনে তিনি কোন প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন, সে সম্পর্কে ভ্যাটিকান কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি, লিও পেরুরও নাগরিক। সেখানে তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যাজক ও বিশপ হিসেবে বসবাস করেছেন। এছাড়া, তিনি ভ্যাটিকানেরও নাগরিক, যেখানে তিনি রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

মার্কিন ফেডারেল আইন অনুযায়ী, বিদেশে বসবাসকারী নাগরিকরা, এমনকি যারা বিদেশি সরকারের হয়ে কাজ করছেন, তারাও অ্যাবসেন্টি ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান করতে পারেন।

শিকাগোতে জন্মগ্রহণকারী পোপ লিও ইতিহাসের প্রথম মার্কিন বংশোদ্ভূত পোপ। শিকাগো সান-টাইমসের প্রতিবেদনে উইল কাউন্টি ক্লার্কের কার্যালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, জন্মসূত্রে পাওয়া নাম রবার্ট ফ্রান্সিস প্রিভোস্ট হিসেবে তিনি ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত। পোপ গত ৩ অক্টোবর ব্যালটের জন্য আবেদনও করেছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি কারখানায় আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


সৌদি কারখানায় আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছালো

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মধ্যে বাকি সাতজনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকেই মরদেহগুলো তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ২১ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া এই সাতজনের মধ্যে পাঁচজন নওগাঁর এবং দুজন নাটোরের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনের মরদেহ গ্রহণ করতে এসে কান্না ও আহাজারিতে ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মৃত সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিনামূল্যে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে আরও তিন লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া, মৃত সাতজনের মধ্যে চারজনের বিমা করা থাকায় তাদের পরিবার আরও ১০ লাখ টাকা করে পাবেন।

গত ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুনে মোট ১৬ বাংলাদেশি কর্মী প্রাণ হারান। তাদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ গত ২৭ আগস্ট দেশে পাঠানো হয়েছিল। পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় বাকি সাতজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় এবার তাদের মরদেহ দেশে ফেরত আনা হলো।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী জানিয়েছেন, ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদ থেকে সরাসরি ফ্লাইট বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো সড়কপথে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেই বিমানে করে মরদেহগুলো ঢাকায় আনা হয়েছে।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ জেলার সদর উপজেলার পার নওগাঁ গ্রামের শাহিন; আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের হাসিবুল হাসান, মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক, মাধবপুর গ্রামের মাসিদুল সরদার এবং সাহানগর গ্রামের সাগর আলী। এছাড়া নাটোরের লালপুর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের শরিফ হোসেন রয়েছেন।

প্রিয়জনকে হারানোর বেদনার পর এবার শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন স্বজনরা। নওগাঁ শহরের পার নওগাঁ তাজের মোড় এলাকার মৃত শাহিনের স্ত্রী পারভীন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মানুষটাক তো হারায়েই ফেলছি। যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এখন লাশটা অন্তত দেশে থাকলে ছাওয়াল-পোয়ালরা বাপের লাশটা দেখতে পাবে।’

মরদেহ বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করে নিজ নিজ গ্রামে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন স্বজনরা। আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জমান জানিয়েছেন, স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং মরদেহ দাফন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তা দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত আমির: আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


জামায়াত আমির: আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে দেশে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে।

তিনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চের আগে আয়োজিত সমাবেশে এই হুঁশিয়ারি দেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের অন্যতম দফা হচ্ছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন। এটা বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাকি ছয় দফা জন্ম নিয়েছে। যদি একটা দফা বাস্তবায়ন হতো, তাহলে বাকি ছয় দফাও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারতো না।’

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি জাতিকে হতাশ করেছে। কথা দিয়ে কথা ভঙ্গ করেছে। জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করেছে। আমরা বিএনপিকে বলেছিলাম, ভালোয় ভালোয় এখান থেকে ফিরে আসুন। গণরায় বাস্তবায়ন করুন। না হলে আপনাদের উচ্চ মূল্য দিতে হবে। সেদিকেই সম্ভবত বিএনপি এগোচ্ছে।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘মানুষের কপালে যখন দুর্ভোগ লেখা থাকে, তখন ওই দুর্ভোগের ঠিকানায় না পৌঁছে তার শান্তি হয় না। বিএনপি ইতিহাস থেকে কোনো শিক্ষা নেয়নি। অতীত স্বৈরাচারের ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নেয়নি। এর সঙ্গে প্রতিদিন নতুন নতুন জঞ্জাল জাতির জন্য সৃষ্টি করছে তারা।’

প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বিদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দুদিন আগে চার দিনের সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে ফিরেছেন। কী জন্য গিয়েছিলেন, কী করে এসেছেন, জাতির সামনে তাকে এটা খোলাসা করতে হবে। বিশেষ করে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নিয়ে কোনো লুকোচুরি হচ্ছে কি না, জাতি তা পরিষ্কার জানতে চায়। কানেক্টিভিটির নামে বাংলাদেশকে কারও কাছে ইজারা দেয়া চলবে না। অতীতে যারা দাসত্ব স্বীকার করেছিল, পরিণতি তারা এখন ভোগ করছে।’

দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘দাবিগুলো মেনে নেন, সুস্থ ধারায় ফিরে আসুন। আগামী ৯ নভেম্বর সংসদ বসার আগেই নিজেদের ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসে ঘোষণা দিন, আমরা গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করব। যদি এই ঘোষণা দেন, তাহলে পরবর্তী আর কোনো কর্মসূচি আপাতত বিরোধী দলের নেয়ার প্রয়োজন হবে না। যদি তা না দেন, তাহলে জনগণের এই দাবি আমরা আদায় করে ছাড়ব।’

বৃহত্তর ত্যাগের জন্য জাতিকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যুবসমাজকে কারো ছলনায় কান না দেয়ার জন্য বলবো। কারণ তোমরা রাজপথে লড়াই করে জাতিকে সাময়িক এই মুক্তি এনে দিয়েছ। এই মুক্তি দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য আরেকবার লড়াই করতে হবে। দেশে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লব আমাদের দরজায় টোকা দিচ্ছে।’

১১ দলীয় ঐক্যের সাত দফা দাবি

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার দায়ে অভিযুক্তদের বিচার নিশ্চিত, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উর্ধ্বমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস-সার সংকট নিরসন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, প্রশাসনে সংকীর্ণ দলীয়করণ বিলোপ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি-দখলদারি বন্ধ করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%