বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২২ পি.এম
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল।
ডিএমপির পক্ষ থেকে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বুধবার এই গ্রেপ্তার অভিযান সম্পন্ন হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শেরেবাংলা নগর থানায় ২০ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২০ জন, তেজগাঁও থানায় ১০ জন, আদাবর থানায় ১০ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৮ জন এবং হাতিরঝিল থানায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ : কামরাঙ্গীরচর এলাকায় হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে এক ব্যক্তিকে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে মো. সোহান (২১) ও নার্গিস আক্তার নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে জিম্মি থাকা ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গতকাল বুধবার দুপুরে দুই অজ্ঞাতনামা নারী বাসা পরিবর্তনের অজুহাতে ভিকটিম মো. সামিউল ইসলাম (২৮) কে কৌশলে কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসায় নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে তার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে স্ত্রীর কাছে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় এবং তাকে মারধর করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য করা হয়।
ভিকটিমের বড় ভাই এই ঘটনার বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করলে কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে মো. সোহানকে গ্রেপ্তার করে। পরে ভিকটিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলার অন্য আসামি কৌশিক আহমেদ মন্টুর বাসা থেকে তার স্ত্রী নার্গিস আক্তারকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
এই ঘটনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ ‘ফুলব্রাইট’ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মাস্টার্স এবং পিএইচডি বৃত্তির সংখ্যা বৃদ্ধি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এ উদ্দেশ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে।
আজ ইউজিসি থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রস্তাবিত সমঝোতার আওতায় দু’দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষক ও গবেষক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে।
এই বিষয়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য ইউজিসি এবং ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে কমিশন ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি বিভাগের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। আমাদের শিক্ষক ও গবেষকরা যাতে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কাজের সুযোগ পান এবং বিদেশি শিক্ষাবিদরাও যাতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অবদান রাখতে পারেন, সেজন্য দ্বিমুখী অ্যাকাডেমিক বিনিময় জোরদার করা জরুরি।’
ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও জানান, কমিশন শিগগিরই ‘ইউজিসি-ফুলব্রাইট’ নামে একটি বিশেষ কর্মসূচি চালুর পরিকল্পনা করছে। এর আওতায় দেশের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক খাতগুলোতে গবেষণার জন্য বিশেষ পিএইচডি বৃত্তি চালু করা হবে।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিলর স্কট হার্টম্যান ফুলব্রাইট ফরেন স্টুডেন্ট প্রোগ্রামসহ বিশ্বজুড়ে এ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ফুলব্রাইট কর্মসূচি শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর জে. উইলিয়াম ফুলব্রাইটের উদ্যোগে ১৯৪৬ সালে এ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
সভায় ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আসলাম হোসেন, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা, ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান মাহমুদ ভূঁইয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট রায়হানা সুলতানাসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোগ দেওয়ার অভিযোগে তিন ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে একটি আদালত ইরাকের।
গত বছরে সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত হওয়া ফরাসি নাগরিকদের মধ্যে এই তিনজনের সাজা সর্বশেষ।
আজ বৃহস্পতিবার বাগদাদের কারখ এলাকার ফৌজদারি আদালত চার্লি সান, কামাল বেন এমবারেক ও আমির আমিন দালি আমারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
ইরাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ ২০ বছর।
বাগদাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
এএফপি’র একজন সংবাদদাতা জানান, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেটে যোগদান এবং সংগঠনটির সদস্যদের সঙ্গে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।’
চার্লি সানের বোন ক্যারোল সানকে উত্তর-পূর্ব সিরিয়া থেকে ফ্রান্সে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ডিসেম্বরে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৪ সালে কিশোর বয়সে ভাইয়ের সঙ্গে তিনিও জিহাদি গোষ্ঠীটিতে যোগ দিয়েছিলেন।
একই ধরনের অভিযোগে গত মঙ্গলবার আরও ছয় ফরাসি নাগরিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আরেকজনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
এখন পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত ১০ জনই গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি দলের সদস্য।
ওই দলে আদ্রিয়েন গিহালও রয়েছেন, যিনি ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিস শহরে আইএসের হামলার দায় স্বীকার করেছিলেন।
ইসলামিক স্টেটের সদস্যসহ সন্দেহভাজন জিহাদিদের ভিড়ে ইরাকের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি রয়েছে। সম্প্রতি প্রতিবেশী সিরিয়া থেকে স্থানান্তরিত হওয়া আরও কয়েক হাজার বন্দিকে এসব কারাগারে রাখা হয়েছে।
আসামিদের কয়েকজনের ফরাসি আইনজীবী সতর্ক করে বলেছেন, তাঁদের মক্কেলদের ন্যায়বিচারের যথাযথ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে এবং অন্যায্য বিচারে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে।
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমান ব্রুনো রদ্রিগেজকে তার আসনে ফিরে যেতে অনুরোধ করেন। কিউবার প্রতিনিধি ট্রাম্প প্রশাসনের নিযুক্ত দূতকে মিথ্যাবাদি হিসেবে উল্লেখ করেন, খলিলুর রহমানকে নয়।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধ নিয়ে বার্ষিক বিতর্কের সময় কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ পারিলা এবং তার প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা ওয়াল্টজকে চ্যালেঞ্জ জানাতে উঠে আসেন। এটি মূলত সেই ঘটনার একটি দৃশ্য।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো উল্লেখ করছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি ও সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।
‘বাংলাফ্যাক্ট’ হলো প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ