বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:০৬ পি.এম
ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকায় পাচারের সময় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ২৫০ বস্তা সরকারি সার জব্দ করেছে। এ সময় সার ডিলার এ কে এম ইলিয়াস হাওলাদার এবং ট্রাকের হেলপারকে আটক করা হয়েছে, পাশাপাশি সারবোঝাই ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে মালিগ্রাম ফ্লাইওভারের নিচ থেকে এই সারগুলো জব্দ করা হয়।
আটককৃত ইলিয়াস হাওলাদার চান্দ্রা ইউনিয়নের সমেদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি মেসার্স হাওলাদার ট্রেডার্সের মালিক এবং ওই ইউনিয়নের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) অনুমোদিত সার ডিলার।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাতে মালিগ্রাম ফ্লাইওভারের নিচে একটি সারবোঝাই ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা সন্দেহ প্রকাশ করে। এরপর তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশ ও প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ২৫০ বস্তা সারসহ ট্রাকটি জব্দ করেন এবং ডিলার ইলিয়াস হাওলাদার ও ট্রাকের হেলপারকে থানায় নিয়ে যান।
ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল মামুন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২৫০ বস্তা সারবোঝাই ট্রাক জব্দসহ ডিলার ইলিয়াস হাওলাদার ও হেলপারকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পাশাপাশি তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে।’
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, আটককৃত দুজন এবং জব্দ করা সারবোঝাই ট্রাক বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান জানান, পাচারের সময় সরকারি সারগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের তিন সদস্যকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি মো. তৌফিক এনামের নেতৃত্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই রুল জারি করে।
এর আগে, গত ২১ সেপ্টেম্বর, আইনজীবী রাশেদুল হক খোকন বিচারিক দায়িত্বের বাইরে নির্বাহী বিভাগে বিচারকদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন।
এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর ৪(১) বিধির উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তফসিলে থাকা পদগুলোকে সার্ভিসের ক্যাডার পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তিন বিচারককে নির্বাহী বিভাগের যে পদ দেওয়া হয়েছে, তা ওই বিধিমালার তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।
যাদের পদায়ন করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কামরুল হাসানকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ৯ মার্চ যুগ্ম জেলা জজ জি এম ফারহান ইসতিয়াককে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর পিএস এবং ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিককে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
রিট আবেদনে এসব প্রজ্ঞাপনকে আইনগত ‘কর্তৃত্ববহির্ভূত’ ঘোষণা করার পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালার তফসিলে নির্ধারিত পদের বাইরে কোনো বিচারিক কর্মকর্তাকে বদলি বা নিয়োগ না দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই তিন বিচারককে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে জুডিশিয়াল সার্ভিসে পুনরায় নিয়োগের আবেদন জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্ট্রোক একটি অত্যন্ত জরুরি স্বাস্থ্য সমস্যা, যেখানে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাস্তবে, স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দেয়ার পর অনেক সময় রোগী বা পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পারেন না কী করা উচিত। কেউ লক্ষণ কমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন, আবার কেউ বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করেন। অথচ স্ট্রোকের ক্ষেত্রে এমন বিলম্ব বিপজ্জনক হতে পারে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বহুল প্রচলিত উক্তি হলো— ‘Time is Brain’। অর্থাৎ, প্রতিটি মুহূর্তের বিলম্বে মস্তিষ্কের আরও কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথে রোগীকে উপযুক্ত জরুরি চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্ট্রোক প্রধানত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। ইস্কেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কের রক্তনালি রক্তের জমাট বা অন্য কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে, হেমোরেজিক স্ট্রোকে রক্তনালি ফেটে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটে। মস্তিষ্কের কোষ স্বাভাবিকভাবে কাজ করার জন্য অক্সিজেন ও পুষ্টিসমৃদ্ধ রক্তের ওপর নির্ভরশীল। রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হলে মস্তিষ্কের কোষ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দুই ধরনের স্ট্রোকের চিকিৎসাপদ্ধতি আলাদা। তাই জরুরি ভিত্তিতে ব্রেন সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে কি না, তা নির্ণয় করা এবং দ্রুত উপযুক্ত চিকিৎসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি।
থ্রম্বোলাইসিস: সময়মতো চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা
ইস্কেমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে উপযুক্ত রোগীকে শিরার মাধ্যমে ওষুধ দিয়ে রক্তের জমাট গলিয়ে দেয়ার চিকিৎসাকে ইন্ট্রাভেনাস থ্রম্বোলাইসিস (Intravenous Thrombolysis) বলা হয়। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ও আমেরিকান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনের (AHA/ASA) ২০২৬ সালের নির্দেশিকা অনুযায়ী, উপযুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে লক্ষণ শুরুর প্রথম ৪.৫ ঘণ্টার মধ্যে alteplase অথবা tenecteplase দিয়ে চিকিৎসার সুপারিশ করা হয়েছে। চিকিৎসা যত দ্রুত শুরু করা যায়, ততই ভালো। উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ইমেজিং পরীক্ষার জন্য অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ৪.৫ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সব চিকিৎসার সুযোগ শেষ হয়ে যায় না। উন্নত ইমেজিং পরীক্ষার মাধ্যমে মস্তিষ্কের এমন অংশ শনাক্ত করা গেলে, যেখানে রক্তপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করলে উপকার পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে লক্ষণ শুরুর ৪.৫ থেকে ৯ ঘণ্টার মধ্যে থ্রম্বোলাইসিস বিবেচনা করা যেতে পারে। ঘুম থেকে ওঠার পর স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দেয়া কিছু রোগীর ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ইমেজিং ও চিকিৎসাগত মানদণ্ড পূরণ হলে এই চিকিৎসার সুযোগ থাকতে পারে। তবে রোগীর উপযোগিতা ও চিকিৎসার সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নির্ধারণ করবেন।
থ্রম্বেকটমি ও অন্যান্য চিকিৎসা
মস্তিষ্কের বড় রক্তনালিতে রক্তের জমাট আটকে গেলে নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে মেকানিক্যাল থ্রম্বেকটমি (Mechanical Thrombectomy) পদ্ধতিতে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে সেই জমাট অপসারণ করা যায়। উপযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে সাধারণত লক্ষণ শুরুর প্রথম ৬ ঘণ্টার মধ্যে এই চিকিৎসা দেয়া হয়। নির্দিষ্ট চিকিৎসাগত ও ইমেজিং মানদণ্ড পূরণ করলে নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও থ্রম্বেকটমি করা সম্ভব।
হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলেও চিকিৎসার সুযোগ আছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্তক্ষরণ বাড়াতে পারে এমন ওষুধের প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারসহ অন্যান্য চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
স্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন
হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, কথা বুঝতে অসুবিধা, হঠাৎ দৃষ্টিতে সমস্যা কিংবা ভারসাম্য হারানো স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।
স্ট্রোকের লক্ষণ প্রথম কখন শুরু হয়েছে অথবা রোগীকে শেষ কখন স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গেছে—সময়টি মনে রাখুন। চিকিৎসকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।
লক্ষণ সাময়িকভাবে সেরে গেলেও অবহেলা করবেন না। এটি সাময়িক ইস্কেমিক অ্যাটাক (Transient Ischemic Attack বা TIA) হতে পারে, যা ভবিষ্যতে স্ট্রোকের ঝুঁকির একটি সতর্কসংকেত।
স্ট্রোকের সন্দেহ হলে কী করবেন?
* অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন এবং রোগীকে উপযুক্ত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করুন।
* রোগীকে খাবার, পানি বা মুখে খাওয়ার ওষুধ দেবেন না, কারণ তার গিলতে অসুবিধা থাকতে পারে।
* চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রক্তচাপ কমানোর ওষুধ বা অ্যাসপিরিন দেবেন না। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে অ্যাসপিরিন পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।
* রোগীর লক্ষণ কখন শুরু হয়েছে, তা লিখে রাখুন। ঘুম থেকে ওঠার পর লক্ষণ দেখা গেলে শেষ কখন স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন, সেটিও জানান।
* রোগী অচেতন হয়ে গেলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন।
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে যা করবেন
উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান পরিহার, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, খাবারে অতিরিক্ত লবণ কমানো, শাকসবজি ও ফলমূলসহ সুষম খাবার গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ সেবন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ।
স্ট্রোকের পর সুস্থ হতে পুনর্বাসন জরুরি
স্ট্রোকের পর অনেক রোগীর হাত-পা দুর্বল হয়ে যায়, কথা বলতে অসুবিধা হয় কিংবা হাঁটাচলা ও দৈনন্দিন কাজকর্মে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। এ অবস্থায় শুধু ওষুধই যথেষ্ট নয়; রোগীর অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী পুনর্বাসনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফিজিওথেরাপি, কথা বলার অনুশীলন, গিলতে অসুবিধার চিকিৎসা এবং দৈনন্দিন কাজকর্মের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রোগীর স্বাধীনভাবে চলাফেরা ও জীবনযাপনের ক্ষমতা উন্নত করার চেষ্টা করা হয়। রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলে চিকিৎসকের পরামর্শে উপযুক্ত পুনর্বাসন শুরু করা উচিত।
মনে রাখবেন
স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে অপেক্ষা নয়—অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা মস্তিষ্কের ক্ষতি কমাতে, জীবন বাঁচাতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি হ্রাস করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লেখক: চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট ও কো-অর্ডিনেটর ডা. সোমেন চৌধুরী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা (গার্ড অব অনার) ও দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় পিরোজপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি অংশের উদ্যোগে। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিচার দাবি করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের সামনে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ পিরোজপুর সদর উপজেলা কমান্ডের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আহমেদ শহিদুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলাইমান মল্লিক বীর প্রতীক, জেলা কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য রাজ্জাক সরদার ও আব্দুল মান্নান ধরানী, সদর উপজেলা কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুলতান আহমেদ এবং সদস্যসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী সরদারসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারা। বক্তারা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার ও দাফনে বাধা দেয়ার ঘটনায় তাদের তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।
এদিকে, ঘটনার তদন্তের জন্য জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় একটি প্রতিনিধিদল পিরোজপুরে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দলটি পিরোজপুর জেলা সার্কিট হাউসে অবস্থান নেয়। তবে, তদন্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা ক্লাবের তারকা লামিন ইয়ামালের পিতা মুনির নাসরাউইয়ের একটি রহস্যময় বার্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্সেলোনার সমর্থক ও কর্মকর্তাদের কাছে তিনি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে মুনির উল্লেখ করেছেন, 'হ্যালো, সুপ্রভাত বার্সেলোনা পরিবারের সবাইকে। একজন ব্যক্তি ও একজন মানুষ হিসেবে আমার সাহায্য প্রয়োজন।'
৩৯ বছর বয়সী মুনির তার বার্তায় বার্সেলোনার সভাপতি হোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে তোলা একটি সাদাকালো ছবিও প্রকাশ করেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার জানাচ্ছে, তার এই রহস্যময় বার্তায় বার্সেলোনা শিবিরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এমনকি ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর ফেরার পথে বার্সেলোনা-এল প্রাত বিমানবন্দরে ইয়ামালের বাবাকে ঘিরে ঘটে যাওয়া একটি কথিত ঘটনার সঙ্গেও বার্তাটির সম্পর্ক রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে একটি ক্যাফেতে এক ওয়েট্রেসকে উদ্দেশ্য করে কড়া মন্তব্য করার পর নাসরাউই তার মুখে থুতু দেন। এছাড়া ক্যাফেতে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
তবে রহস্যময় বার্তাটির প্রকৃত অর্থ সম্পর্কে মুনির নাসরাউই কিংবা লামিন ইয়ামালের ঘনিষ্ঠ কেউই এখন পর্যন্ত কিছু পরিষ্কার করেননি।
এর কিছু সময় পর ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আরেকটি বার্তা প্রকাশ করেন নাসরাউই। তিনি লেখেন, 'ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের সব পরিবারের প্রতি রইল পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি।'
এরপর তিনি র্যাপার লা ফোইনের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'আমার ভাই, আমার বাড়ি তোমারও বাড়ি।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ