বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৫ পি.এম
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব, যিনি ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করেছেন, আবারো বাংলাদেশে আসছেন। তিনি ঢাকা শহরে টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য আসবেন।
সঞ্জয় নিজেই একটি বিশেষ ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেকনোর স্পেশাল গেস্ট পারফর্মার হিসেবে মঞ্চ মাতাতে বাংলাদেশে আসছেন।
এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন,
“ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত ছিল। তবে নিজের দেশের মানুষের সামনে পারফর্ম করার অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবার সঙ্গে সেই আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ভাগ করে নিতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আয়োজকদের অনেক ধন্যবাদ।”
অনুষ্ঠান সম্পর্কে টেকনো বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষক আইস্মার্টইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন,
“সঞ্জয় বাংলাদেশের সঙ্গে নিজের শিকড়ের সম্পর্ক অটুট রেখে তার মিউজিককে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছেন। টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”
তিনি আরও বলেন,
“ফুটবল ও মিউজিকের এমন এক শক্তি রয়েছে যা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। তাই আমরা চাই, উদ্বোধনী রাতটি দর্শকদের জন্য আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর স্মরণীয় মুহূর্তে ভরপুর হয়ে উঠুক যা তাদের মনে থেকে যাবে দীর্ঘদিন।”
উল্লেখ্য, টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬ আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। ৫ নভেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দেব আবারো ঢাকার মাটিতে পা রাখবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি এবং ঐতিহাসিক আলেম দ্বীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন (প্রধান শিক্ষক) মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে যে, সম্প্রতি তিনি বুকের কাছে বা হৃদযন্ত্রের কাছাকাছি অস্বস্তি ও ব্যথা অনুভব করেন। চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত এনজিওগ্রাফি করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ অবস্থায়, তার দেশ-বিদেশের অগণিত অনুসারী, ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো মাওলানা আরশাদ মাদানীর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ুর জন্য বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ১৯৪১ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে এক ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নেতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেম শাইখুল ইসলাম মাওলানা সাইয়্যেদ হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.).
শৈশবেই তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন এবং দারুল উলুম দেওবন্দে ফার্সি ও আরবি ভাষা এবং উচ্চতর ইসলামি শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রথম বিভাগে সম্মানজনকভাবে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থান করে জ্ঞান অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পর ১৯৬৪ সালে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে মুহাদ্দিস হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা সচিবের গুরুদায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করেন।
বর্তমানে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন বা প্রধান শিক্ষক এবং অন্যতম শীর্ষ হাদিস বিশারদ হিসেবে সুনানুত তিরমিযী অধ্যাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিশ্বখ্যাত মুসলিম বিশ্ব লিগ (রাবেতা আল-আলম আল-ইসলামী) এবং সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক হাদিস বোর্ডের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
অধ্যাপনার পাশাপাশি দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় রাজনীতিতেও মাওলানা আরশাদ মাদানী গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ১৯৮৪ সালে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সাংগঠনিক জীবনের বড় অধ্যায় শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে তিনি সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা ‘আমিরুল হিন্দ’ হিসেবেও ভূষিত হন। তিনি ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাগরিক ও মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষাবিস্তারে অত্যন্ত সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তার অবদান ব্যাপক। তিনি হিন্দি ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির রচনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন এবং প্রাচীন ইসলামি পান্ডুলিপি সম্পাদনায় অবদান রেখেছেন।
এছাড়াও 'মাদানি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'-এর মাধ্যমে তিনি ভারতজুড়ে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসহ সার্বিক মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলেমসমাজ ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষও তাঁর আশু আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে উত্তাল ঢেউ ও স্রোতে ভেসে গিয়ে শান্ত (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ মোট ১৬ জন ভেসে যেতে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
মৃত শিশু শান্ত ঢাকার খিলগাঁওয়ের গোরান এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল হোসেনের পুত্র। সে ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।
উদ্ধারকৃত পর্যটকদের মধ্যে রয়েছেন- আফলাম (১৮), ইয়ামিন (১৬), কাওসার (১৭), সাইফুল ইসলাম (১৫), হারিস (১৩), আব্দুল্লাহ (৩৫), রিয়াদুল (১৮), তাহসিম (১২), হাসনাইন (১২), আদিল হাসান (১৫), মুসা (১৮), শিব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ (২২), জিহাদ (১৭) ও নাইম। তারা সকলেই ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
ঘটনার পর ইনানী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যটকদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এই সৈকতে বেড়াতে এলেও সেখানে দৃশ্যমান লাইফগার্ড ব্যবস্থা নেই। এছাড়া, পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবও রয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন বৃহস্পতিবার সকালে ইনানী সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা সাগরে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতে তারা বিপদে পড়েন। তখন কয়েকজন স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিচকর্মী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে শিশু শান্ত নিখোঁজ থাকে। পরে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন বলেন, একজন সাঁতার কাটতে কাটতে সাগরের মাঝামাঝি চলে গিয়েছিলেন। পরে তাকে স্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায়। তখন একটি নৌকা নিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। ওই সময় আরেকজনকেও উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চোখের সামনেই তিনি স্রোতে ভেসে যান।
ইনানী ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান জানান, দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাগরে গোসল করতে নামেন। কয়েকজন পানির স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন। তখন দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় প্রায় সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ইনানী সৈকতে লাইফগার্ড না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘এখানে কোনো লাইফগার্ড নেই। কেন নেই, সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’
সৈকতে বেড়াতে এসে এমন দুর্ঘটনা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পর্যটকেরা। গাজীপুরের বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, ইনানী সমুদ্রসৈকতে কোনো লাইফগার্ড দেখা যায় না। কক্সবাজারের অন্যান্য এলাকায় লাইফগার্ড থাকলেও এখানে তা চোখে পড়ে না।
এর আগে গত ১৪ অক্টোবর কক্সবাজারের হিমছড়ির পেঁচার দ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়।
পরপর এমন দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পর্যটকদের দাবি, সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা জোরদার, লাইফগার্ড নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম নিশ্চিত করা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সৃজনশীলতার নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে আয়োজিত প্রাণ-আরএফএল প্রেজেন্টস প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর চূড়ান্ত প্রতিযোগী খুঁজতে অংশগ্রহণ করেছেন দেশের চলচ্চিত্র, বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, ফ্যাশন, সংগীত, মার্কেটিং ও সৃজনশীল যোগাযোগ শিল্পের বিশিষ্ট পেশাজীবীরা। চূড়ান্ত বিচারকাজের আয়োজন করা হয় দ্য ডেইলি স্টার কনফারেন্স হলে।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘হিউম্যান ক্রিয়েটিভিটি, এআই পসিবিলিটিস’। মানুষের কল্পনা, সৃজনশীল চিন্তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে নতুন ধরনের সৃজনশীল কাজকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের এআই ক্রিয়েটিভ কমিউনিটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
চূড়ান্ত বিচারকমণ্ডলীতে রয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব মার্কেটিং তানজিলা বাহার চৌধুরী, সিবস সল্যুশনের প্রতিষ্ঠাতা হাসিব হাসান চৌধুরী, হাভাস বাংলাদেশের সিইও ও লেখক কিংকর আহসান, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ও এক্সিকিউটিভ এডিটর সাজিদ মাহবুব, ড্রিক ড্রামার হাসিবুল হোসেন উপল, হাউস অব আহমেদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর আহমেদ তুহিন রেজা, শূন্য’র কমিউনিকেশনস স্ট্র্যাটেজিস্টের লিড গিটারিস্ট ইসমামুল ফারহাদ এবং এসিআই লজিস্টিকস লিমিটেডের মার্কেটিং ডিরেক্টর ও সংগীতশিল্পী মাহাদী ফয়সাল।
বিভিন্ন শিল্পে তাদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা এআই-নির্ভর সৃজনশীল কাজের মৌলিকত্ব, প্রযুক্তির ব্যবহার, গল্প বলার সক্ষমতা, নান্দনিকতা এবং সামগ্রিক প্রভাব মূল্যায়নে বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করেছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সৃজনশীল কাজের প্রচলিত পদ্ধতিকে দ্রুত পরিবর্তন করছে। এই বাস্তবতায় প্রিজমের লক্ষ্য হলো শুধু এআই প্রযুক্তির ব্যবহারকে স্বীকৃতি দেয়া নয় বরং প্রযুক্তির পেছনে থাকা মানুষের নিজস্ব ভাবনা, মৌলিক ধারণা, গল্প বলার দক্ষতা ও সৃজনশীল সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয়া।
চূড়ান্ত পর্যায়ে জমা পড়া কাজগুলোর বৈচিত্র্য বাংলাদেশের এআই-নির্ভর সৃজনশীলতার ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে। ফলে সেরা কাজ নির্বাচন করতে বিচারকদের সামনে মৌলিকত্ব, সৃজনশীল বাস্তবায়ন, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এবং সামগ্রিক প্রভাব বিবেচনার চ্যালেঞ্জ ছিল।
এবারের আয়োজনে চারটি বিভাগে কাজ মূল্যায়ন করা হচ্ছে—এআই বিজ্ঞাপন, এআই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, এআই মিউজিক ভিডিও এবং এআই ফ্যাশন। বিজ্ঞাপন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও ফ্যাশন শিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বহুমুখী ব্যবহার এবং নতুন সৃজনশীল সম্ভাবনাকে সামনে আনাই এসব বিভাগের উদ্দেশ্য।
স্পাইকস্টোরি লিমিটেডের উদ্যোগ প্রিজম এআই ক্রিয়েটিভ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মের ক্রিয়েটরদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, উদ্ভাবন ও নিজস্ব সৃজনশীল ভাষা বিকাশে উৎসাহিত করা। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ ক্রিয়েটরদের সঙ্গে শিল্পের অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সংযোগ তৈরি এবং বাংলাদেশের এআই-নির্ভর সৃজনশীল কাজকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করতে চায়।
প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে মানুষের সৃজনশীলতার সম্পর্ক কীভাবে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে, তা তুলে ধরার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার উপযোগী সৃজনশীল কাজ তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে চায় এই আয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৬ জন রোগী।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৪১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ১০৫ জন।
এর আগে গতকাল বুধবার ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং মঙ্গলবার একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়। এছাড়া গেল ৬ ও ১৫ অক্টোবর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন করে মারা গিয়েছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ