ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক


বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক

ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ এবং ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ক্রীড়াশিক্ষক বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক শোকবার্তায় উল্লেখ করেন, প্রয়াত বিশ্বনাথ দে ধারা ঠাকুরগাঁওয়ের ক্রীড়াঙ্গনের একটি উজ্জ্বল নাম ছিলেন।

তিনি বলেন, "তিনি একজন সজ্জন মানুষ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ের সবার কাছে জনপ্রিয় ছিলেন।" রাষ্ট্রপতি আরও যোগ করেন, "তার মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।"

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৮৬

রাষ্ট্রপতি প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে দেশে ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


হাম উপসর্গে দেশে ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৫

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাত জনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, হাম উপসর্গ এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৩১৫ জন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ১৪৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৫১ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ২৬ হাজার ৩৫৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬৪ জন, এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৬৯৫ জন।

১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই লাখ এক হাজার ৪৬৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৩০১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফের ঢাকায় আসছেন সঞ্জয় দেব, পারফর্ম করবেন টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


ফের ঢাকায় আসছেন সঞ্জয় দেব, পারফর্ম করবেন টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয় দেব, যিনি ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করেছেন, আবারো বাংলাদেশে আসছেন। তিনি ঢাকা শহরে টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য আসবেন।

সঞ্জয় নিজেই একটি বিশেষ ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টেকনোর স্পেশাল গেস্ট পারফর্মার হিসেবে মঞ্চ মাতাতে বাংলাদেশে আসছেন।

এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন,

“ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চে পারফর্ম করা আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত ছিল। তবে নিজের দেশের মানুষের সামনে পারফর্ম করার অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সবার সঙ্গে সেই আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ভাগ করে নিতে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। আমাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ করে দেয়ার জন্য আয়োজকদের অনেক ধন্যবাদ।”

অনুষ্ঠান সম্পর্কে টেকনো বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষক আইস্মার্টইউ টেকনোলজি বিডি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানুল হক বলেন,

“সঞ্জয় বাংলাদেশের সঙ্গে নিজের শিকড়ের সম্পর্ক অটুট রেখে তার মিউজিককে বিশ্বমঞ্চে নিয়ে গেছেন। টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।”

তিনি আরও বলেন,

“ফুটবল ও মিউজিকের এমন এক শক্তি রয়েছে যা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে মানুষকে একত্রিত করে। তাই আমরা চাই, উদ্বোধনী রাতটি দর্শকদের জন্য আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর স্মরণীয় মুহূর্তে ভরপুর হয়ে উঠুক যা তাদের মনে থেকে যাবে দীর্ঘদিন।”

উল্লেখ্য, টেকনো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বাংলাদেশ ২০২৬ আগামী ৫ থেকে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল দল অংশগ্রহণ করবে। ৫ নভেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সঞ্জয় দেব আবারো ঢাকার মাটিতে পা রাখবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ অসুস্থ হলেন প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


হঠাৎ অসুস্থ হলেন প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানি

ভারতের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি এবং ঐতিহাসিক আলেম দ্বীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন (প্রধান শিক্ষক) মাওলানা সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা ও অসুস্থতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে যে, সম্প্রতি তিনি বুকের কাছে বা হৃদযন্ত্রের কাছাকাছি অস্বস্তি ও ব্যথা অনুভব করেন। চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত এনজিওগ্রাফি করানোর পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। এ অবস্থায়, তার দেশ-বিদেশের অগণিত অনুসারী, ছাত্র, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ধর্মীয় সংগঠনগুলো মাওলানা আরশাদ মাদানীর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ুর জন্য বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ১৯৪১ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের দেওবন্দে এক ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নেতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেম শাইখুল ইসলাম মাওলানা সাইয়্যেদ হোসাইন আহমদ মাদানী (রহ.).

শৈশবেই তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন এবং দারুল উলুম দেওবন্দে ফার্সি ও আরবি ভাষা এবং উচ্চতর ইসলামি শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৯৬৩ সালে তিনি প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রথম বিভাগে সম্মানজনকভাবে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় মদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থান করে জ্ঞান অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পর ১৯৬৪ সালে শিক্ষকতার মাধ্যমে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে মুহাদ্দিস হিসেবে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা সচিবের গুরুদায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করেন।

বর্তমানে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন বা প্রধান শিক্ষক এবং অন্যতম শীর্ষ হাদিস বিশারদ হিসেবে সুনানুত তিরমিযী অধ্যাপনায় নিয়োজিত রয়েছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি বিশ্বখ্যাত মুসলিম বিশ্ব লিগ (রাবেতা আল-আলম আল-ইসলামী) এবং সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক হাদিস বোর্ডের নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

অধ্যাপনার পাশাপাশি দেশের সামাজিক ও ধর্মীয় রাজনীতিতেও মাওলানা আরশাদ মাদানী গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। ১৯৮৪ সালে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সাংগঠনিক জীবনের বড় অধ্যায় শুরু হয় এবং ২০০৬ সালে তিনি সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন।

পরবর্তীতে ২০২১ সালে তিনি উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সম্মাননা ‘আমিরুল হিন্দ’ হিসেবেও ভূষিত হন। তিনি ভারতে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর নাগরিক ও মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং শিক্ষাবিস্তারে অত্যন্ত সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।

ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তার অবদান ব্যাপক। তিনি হিন্দি ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ ও তাফসির রচনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন এবং প্রাচীন ইসলামি পান্ডুলিপি সম্পাদনায় অবদান রেখেছেন।

এছাড়াও 'মাদানি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট'-এর মাধ্যমে তিনি ভারতজুড়ে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসহ সার্বিক মানবসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলেমসমাজ ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষও তাঁর আশু আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনানী সৈকতে পর্যটকের মৃত্যু, ভেসে যাওয়ার সময় ১৫ জন উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ইনানী সৈকতে পর্যটকের মৃত্যু, ভেসে যাওয়ার সময় ১৫ জন উদ্ধার

কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে উত্তাল ঢেউ ও স্রোতে ভেসে গিয়ে শান্ত (১২) নামের এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ মোট ১৬ জন ভেসে যেতে থাকেন। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ এবং উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

মৃত শিশু শান্ত ঢাকার খিলগাঁওয়ের গোরান এলাকার বাসিন্দা মোজাম্মেল হোসেনের পুত্র। সে ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল।

উদ্ধারকৃত পর্যটকদের মধ্যে রয়েছেন- আফলাম (১৮), ইয়ামিন (১৬), কাওসার (১৭), সাইফুল ইসলাম (১৫), হারিস (১৩), আব্দুল্লাহ (৩৫), রিয়াদুল (১৮), তাহসিম (১২), হাসনাইন (১২), আদিল হাসান (১৫), মুসা (১৮), শিব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ (২২), জিহাদ (১৭) ও নাইম। তারা সকলেই ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।

ঘটনার পর ইনানী সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যটকদের অভিযোগ, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ এই সৈকতে বেড়াতে এলেও সেখানে দৃশ্যমান লাইফগার্ড ব্যবস্থা নেই। এছাড়া, পর্যাপ্ত উদ্ধার সরঞ্জামের অভাবও রয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঢাকার তেজগাঁওয়ের দারুল আরকাম ও ধানমন্ডির ফয়জুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন বৃহস্পতিবার সকালে ইনানী সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা সাগরে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতে তারা বিপদে পড়েন। তখন কয়েকজন স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ট্যুরিস্ট পুলিশ, বিচকর্মী ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে শিশু শান্ত নিখোঁজ থাকে। পরে দুপুর ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মো. কামাল হোসেন বলেন, একজন সাঁতার কাটতে কাটতে সাগরের মাঝামাঝি চলে গিয়েছিলেন। পরে তাকে স্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায়। তখন একটি নৌকা নিয়ে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়। ওই সময় আরেকজনকেও উদ্ধারের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চোখের সামনেই তিনি স্রোতে ভেসে যান।

ইনানী ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান জানান, দুটি মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাগরে গোসল করতে নামেন। কয়েকজন পানির স্রোতে ভেসে যেতে থাকলে তারা চিৎকার শুরু করেন। তখন দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। দুটি ট্রলারের সহায়তায় প্রায় সবাইকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ইনানী সৈকতে লাইফগার্ড না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘এখানে কোনো লাইফগার্ড নেই। কেন নেই, সে বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।’

সৈকতে বেড়াতে এসে এমন দুর্ঘটনা দেখে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পর্যটকেরা। গাজীপুরের বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, ইনানী সমুদ্রসৈকতে কোনো লাইফগার্ড দেখা যায় না। কক্সবাজারের অন্যান্য এলাকায় লাইফগার্ড থাকলেও এখানে তা চোখে পড়ে না।

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর কক্সবাজারের হিমছড়ির পেঁচার দ্বীপ সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু হয়।

পরপর এমন দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পর্যটকদের দাবি, সমুদ্রসৈকতে নিরাপত্তা জোরদার, লাইফগার্ড নিয়োগ ও প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম নিশ্চিত করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%