প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের তিন সদস্যকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি মো. তৌফিক এনামের নেতৃত্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই রুল জারি করে।
এর আগে, গত ২১ সেপ্টেম্বর, আইনজীবী রাশেদুল হক খোকন বিচারিক দায়িত্বের বাইরে নির্বাহী বিভাগে বিচারকদের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন।
এদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর ৪(১) বিধির উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তফসিলে থাকা পদগুলোকে সার্ভিসের ক্যাডার পদ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি তিন বিচারককে নির্বাহী বিভাগের যে পদ দেওয়া হয়েছে, তা ওই বিধিমালার তফসিলে অন্তর্ভুক্ত নয়।
যাদের পদায়ন করা হয়েছে, তাদের মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ও যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ কামরুল হাসানকে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ৯ মার্চ যুগ্ম জেলা জজ জি এম ফারহান ইসতিয়াককে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর পিএস এবং ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিককে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর পিএস হিসেবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
রিট আবেদনে এসব প্রজ্ঞাপনকে আইনগত ‘কর্তৃত্ববহির্ভূত’ ঘোষণা করার পাশাপাশি জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠন বিধিমালার তফসিলে নির্ধারিত পদের বাইরে কোনো বিচারিক কর্মকর্তাকে বদলি বা নিয়োগ না দেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই তিন বিচারককে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে প্রত্যাহার করে জুডিশিয়াল সার্ভিসে পুনরায় নিয়োগের আবেদন জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন