বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
ফুটবলে সম্ভাব্য সব শিরোপায় জয়ী আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওনেল মেসি এবার তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে একটি নতুন পরিচয় যুক্ত করতে চলেছেন, যা হলো ‘ডক্টর’ উপাধি। বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান করতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে এটি সর্বোচ্চ সম্মানসূচক স্বীকৃতি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
মেসিকে এই সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্তটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপিরিয়র কাউন্সিলের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। মূলত, মেসির অসাধারণত্ব, অধ্যবসায়, বিনয় এবং আর্জেন্টিনার প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে তার দায়বদ্ধতা বিশেষভাবে এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
আগামী ৬ অক্টোবর মেসির হাতে এই সম্মানসূচক ডক্টরেট তুলে দেওয়া হবে। ওই দিনটি তার জন্য বিশেষ আবেগঘন হবে, কারণ একই দিনে, কয়েক ঘণ্টা পর, আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামার কথা রয়েছে এই রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর।
মনুমেন্টালে বিশেষভাবে আয়োজিত বিদায়ী ম্যাচে আর্জেন্টিনা বেনিনের মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচের মাধ্যমে দুই দশকেরও বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন মেসি। দেশের হয়ে এটি তার ২০৮তম ও শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্ল Claudio Tapia জানিয়েছেন, মেসিকে “তিনি যে বিদায়ের যোগ্য, সেই বিদায় দেওয়ার জন্যই” এই ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।
মেসির দীর্ঘ পথচলায় আর্জেন্টিনার হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় অর্জন রয়েছে। ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ—সবই তার ট্রফি ক্যাবিনেটে স্থান করে নিয়েছে।
তার পায়ের জাদু আর্জেন্টাইন সমর্থকসহ বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীকে অসংখ্য অবিস্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। তবে বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সম্মানটি শুধুমাত্র মেসির ট্রফি বা পরিসংখ্যানের জন্য নয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিনয়, অধ্যবসায় এবং আর্জেন্টিনার সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের একজন প্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান রিকারদো গেলপি মেসিকে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের একজন আদর্শ এবং দূত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সব মিলিয়ে, আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি শেষবারের মতো গায়ে তোলার আগে মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ হতে যাচ্ছে আরও একটি বিশেষ পরিচয় ‘ডক্টর মেসি’।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর সাপাহারে এক মাদরাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে মো. মোহাম্মদ আলী (২৮) নামের এক মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাদরাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী একা অবস্থান করছিল। এই সুযোগে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী সেখানে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ রাখতে বলাসহ বিভিন্ন ধরনের অশোভন আচরণ করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এ বিষয়ে সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানের শাটার কেটে ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল চুরির পর, বাসে করে ঢাকায় পালানোর সময় পুলিশ আটজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে, ধুনট উপজেলা শহরের ইছামতি কমপ্লেক্সের মাসুদ টেলিকমে শাটার কেটে চোর চক্রটি দোকানে প্রবেশ করে মোবাইলগুলো চুরি করে। পরে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শেরপুরে চলে যায় এবং ঢাকা গামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে ওঠে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বরে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে বাসটিতে অভিযান পরিচালনা করে ধুনট থানা, সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য এবং তারা সবাই চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দা। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) আবারও বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ অর্থাৎ (দ্য) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস’-এ স্থান লাভ করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭ এর তালিকায় এক বছর বিরতির পর রুয়েটকে ১৪০১–১৬০০তম অবস্থানের ব্যান্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এবারের র্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের মোট ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) এবং তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে জায়গা করে নিয়েছে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি ও স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি।
এর আগে দ্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস’ ২০২৫ এ রুয়েটের অবস্থান ছিল ১২০১–১৫০০ ব্যান্ডে। তবে ২০২৬ সালের র্যাংকিংয়ের তালিকা থেকে রুয়েটের নাম বাদ পড়ে যায়। ফলে দীর্ঘ এক বছর তালিকার বাইরে থাকার পর ২০২৭ সালের র্যাংকিংয়ে আবারও স্থান করে নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য হারানো সম্মান পুনরুদ্ধারের মতো।
তবে র্যাংকিংয়ে প্রত্যাবর্তন ঘটলেও ২০২৫ সালের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান নিচের ব্যান্ডে রয়েছে। ২০২৫ সালে যেখানে রুয়েট ১২০১–১৫০০ ব্যান্ডে ছিল, তা এবার ১৪০১–১৬০০ ব্যান্ডে রয়েছে। এই ক্ষেত্রে দুই বছরের ফলাফল তুলনায় দ্য-এর র্যাংকিং পদ্ধতির পরিবর্তনও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। এবারের র্যাংকিংয়ে ৩০০তম অবস্থান পর্যন্ত পৃথক র্যাংক প্রকাশের পর বিভিন্ন ক্যাটাগরির ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে।
২০২৭ সালের (দ্য) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস এ বাংলাদেশ থেকে মোট ২৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ৮০১–১০০০ ব্যান্ডে রয়েছে এআইইউবি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। ১০০১–১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। আর ১৪০১–১৬০০ ব্যান্ডে রুয়েটের সঙ্গে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
এই র্যাংকিংয়ে অবস্থান করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার মান, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তালিকাভুক্ত করতে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ বিষয় ভিত্তিক তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। সে অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সায়েন্সে ৮০১–১০০০ এবং ফিজিক্যাল সায়েন্সেসে ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে ছিল।
এক বছর তালিকার বাইরে থাকার পর বিশ্বখ্যাত র্যাংকিংয়ে রুয়েটের পুনরায় অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক একাডেমিক উপস্থিতিকে আবারও সামনে এনেছে। তবে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৭ সালে রুয়েটের অবস্থান নিচের ব্যান্ডে থাকায় ভবিষ্যৎ র্যাংকিংয়ে আরও ভালো অবস্থান নিশ্চিত করতে গবেষণা, শিক্ষাদান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শিল্প-সম্পৃক্ততার মতো ক্ষেত্রগুলোতে অগ্রগতির গুরুত্বও সামনে এসেছে। সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে পুনরায় জায়গা করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে রুয়েটের উপস্থিতি বজায় থাকলেও সামনে আরও উন্নত অবস্থানে ওঠার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টিকটকে পরিচয় থেকে ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার সখিপুরের রাজু নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত পরশুদিন ঢাকার মিরপুরে অভিযান চালিয়ে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া রাজু ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর পুত্র।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন, সিপিসি-৩, মাদারিপুর জানায়, প্রায় তিন মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে রাজুর পরিচয় ঘটে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর হয়। পরে রাজু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে নড়িয়ার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠে দেখা করার জন্য ডাকেন।
১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ওই তরুণী অটোতে করে গোলারমাঠে পৌঁছালে রাজু তাকে মোটরসাইকেলে চাপিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান। একপর্যায়ে রাজু জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এসআরবি-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এসআরবি-৮, সিপিসি-৩, মাদারিপুর ও এসআরবি -৪, সিপিসি-১, মিরপুরের একটি যৌথ অভিযানিক দল আসামি রাজু গাজীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার মিরপুর থানায় হস্তান্তরের পর তাকে শরীয়তপুরের সখিপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন জানান, মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ