বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৯ পি.এম
নওগাঁর সাপাহারে এক মাদরাসা শিক্ষিকার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করার অভিযোগে মো. মোহাম্মদ আলী (২৮) নামের এক মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাদরাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী একা অবস্থান করছিল। এই সুযোগে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী সেখানে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ রাখতে বলাসহ বিভিন্ন ধরনের অশোভন আচরণ করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।
এ বিষয়ে সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনটে একটি মোবাইল ফোনের দোকানের শাটার কেটে ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল চুরির পর, বাসে করে ঢাকায় পালানোর সময় পুলিশ আটজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে, ধুনট উপজেলা শহরের ইছামতি কমপ্লেক্সের মাসুদ টেলিকমে শাটার কেটে চোর চক্রটি দোকানে প্রবেশ করে মোবাইলগুলো চুরি করে। পরে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শেরপুরে চলে যায় এবং ঢাকা গামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে ওঠে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, যমুনা সেতুর পশ্চিম গোলচত্বরে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে বাসটিতে অভিযান পরিচালনা করে ধুনট থানা, সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ।
অভিযানের সময় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্য এবং তারা সবাই চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাসিন্দা। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) আবারও বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ অর্থাৎ (দ্য) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস’-এ স্থান লাভ করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস ২০২৭ এর তালিকায় এক বছর বিরতির পর রুয়েটকে ১৪০১–১৬০০তম অবস্থানের ব্যান্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এবারের র্যাংকিংয়ে বিশ্বের ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলের মোট ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) এবং তৃতীয় স্থানে যৌথভাবে জায়গা করে নিয়েছে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি ও স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি।
এর আগে দ্য ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস’ ২০২৫ এ রুয়েটের অবস্থান ছিল ১২০১–১৫০০ ব্যান্ডে। তবে ২০২৬ সালের র্যাংকিংয়ের তালিকা থেকে রুয়েটের নাম বাদ পড়ে যায়। ফলে দীর্ঘ এক বছর তালিকার বাইরে থাকার পর ২০২৭ সালের র্যাংকিংয়ে আবারও স্থান করে নেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য হারানো সম্মান পুনরুদ্ধারের মতো।
তবে র্যাংকিংয়ে প্রত্যাবর্তন ঘটলেও ২০২৫ সালের তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান নিচের ব্যান্ডে রয়েছে। ২০২৫ সালে যেখানে রুয়েট ১২০১–১৫০০ ব্যান্ডে ছিল, তা এবার ১৪০১–১৬০০ ব্যান্ডে রয়েছে। এই ক্ষেত্রে দুই বছরের ফলাফল তুলনায় দ্য-এর র্যাংকিং পদ্ধতির পরিবর্তনও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। এবারের র্যাংকিংয়ে ৩০০তম অবস্থান পর্যন্ত পৃথক র্যাংক প্রকাশের পর বিভিন্ন ক্যাটাগরির ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়েছে।
২০২৭ সালের (দ্য) ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিংস এ বাংলাদেশ থেকে মোট ২৫টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে ৮০১–১০০০ ব্যান্ডে রয়েছে এআইইউবি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। ১০০১–১২০০ ব্যান্ডে রয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সহ সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি ১২০১–১৪০০ ব্যান্ডে রয়েছে চারটি বিশ্ববিদ্যালয়। আর ১৪০১–১৬০০ ব্যান্ডে রুয়েটের সঙ্গে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
এই র্যাংকিংয়ে অবস্থান করা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণার মান, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনা করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তালিকাভুক্ত করতে প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ বিষয় ভিত্তিক তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। সে অনুযায়ী, ২০২৫ সালে রুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং ও কম্পিউটার সায়েন্সে ৮০১–১০০০ এবং ফিজিক্যাল সায়েন্সেসে ৬০১–৮০০ ব্যান্ডে ছিল।
এক বছর তালিকার বাইরে থাকার পর বিশ্বখ্যাত র্যাংকিংয়ে রুয়েটের পুনরায় অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক একাডেমিক উপস্থিতিকে আবারও সামনে এনেছে। তবে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৭ সালে রুয়েটের অবস্থান নিচের ব্যান্ডে থাকায় ভবিষ্যৎ র্যাংকিংয়ে আরও ভালো অবস্থান নিশ্চিত করতে গবেষণা, শিক্ষাদান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও শিল্প-সম্পৃক্ততার মতো ক্ষেত্রগুলোতে অগ্রগতির গুরুত্বও সামনে এসেছে। সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে পুনরায় জায়গা করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে রুয়েটের উপস্থিতি বজায় থাকলেও সামনে আরও উন্নত অবস্থানে ওঠার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টিকটকে পরিচয় থেকে ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার সখিপুরের রাজু নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত পরশুদিন ঢাকার মিরপুরে অভিযান চালিয়ে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া রাজু ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর পুত্র।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন, সিপিসি-৩, মাদারিপুর জানায়, প্রায় তিন মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে রাজুর পরিচয় ঘটে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর হয়। পরে রাজু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে নড়িয়ার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠে দেখা করার জন্য ডাকেন।
১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ওই তরুণী অটোতে করে গোলারমাঠে পৌঁছালে রাজু তাকে মোটরসাইকেলে চাপিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান। একপর্যায়ে রাজু জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এসআরবি-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এসআরবি-৮, সিপিসি-৩, মাদারিপুর ও এসআরবি -৪, সিপিসি-১, মিরপুরের একটি যৌথ অভিযানিক দল আসামি রাজু গাজীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার মিরপুর থানায় হস্তান্তরের পর তাকে শরীয়তপুরের সখিপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন জানান, মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা পর্যায়ে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খুচরা ব্যবসায়ীরা ভোক্তা সাধারণের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। তবে, বাস্তবতা হলো, এলপিজির সরবরাহ চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের নির্দেশ দিয়েছে।
এছাড়া, এলপিজি বিক্রি বেশি দামে হলে এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলওএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বার্তা প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে এলপিজির সরবরাহ সন্তোষজনক। সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। আগস্ট মাসে আমদানি করা হয়েছিল ১ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন। ফলে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ যথেষ্ট রয়েছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।
সংগঠনটি আরও জানায়, ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে এলপিজি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের এলপিজি সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করে এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করে, তাহলে তা প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী এক অনলাইন সভায় জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পরিস্থিতি মনিটর করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এলওএবির পক্ষ থেকে সকল সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাকে অবিলম্বে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে এলওএবি।
এদিকে, প্রতি মাসে সরকার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সেই দামের চেয়ে বেশি দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছেন। তাদের দাবি, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয়, তাই সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। পরিস্থিতি সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে।
বর্তমানে সরকার প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সংকটের অজুহাতে ভোক্তাদের কাছ থেকে ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিচ্ছেন। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।
এমন অবস্থায় বাজারে এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে হাঁটছে সরকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ