বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
টিকটকে পরিচয় থেকে ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে শরীয়তপুর জেলার সখিপুরের রাজু নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত পরশুদিন ঢাকার মিরপুরে অভিযান চালিয়ে রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া রাজু ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর পুত্র।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন, সিপিসি-৩, মাদারিপুর জানায়, প্রায় তিন মাস আগে টিকটকের মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে রাজুর পরিচয় ঘটে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। মোবাইল ফোনে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক গভীর হয়। পরে রাজু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীকে নড়িয়ার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠে দেখা করার জন্য ডাকেন।
১৯ সেপ্টেম্বর সকালে ওই তরুণী অটোতে করে গোলারমাঠে পৌঁছালে রাজু তাকে মোটরসাইকেলে চাপিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান। একপর্যায়ে রাজু জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর কিশোরীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর এসআরবি-৮ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর মঙ্গলবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এসআরবি-৮, সিপিসি-৩, মাদারিপুর ও এসআরবি -৪, সিপিসি-১, মিরপুরের একটি যৌথ অভিযানিক দল আসামি রাজু গাজীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকার মিরপুর থানায় হস্তান্তরের পর তাকে শরীয়তপুরের সখিপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন জানান, মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) খুচরা পর্যায়ে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খুচরা ব্যবসায়ীরা ভোক্তা সাধারণের কাছ থেকে এলপিজি সিলিন্ডারের জন্য ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। তবে, বাস্তবতা হলো, এলপিজির সরবরাহ চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি) সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের নির্দেশ দিয়েছে।
এছাড়া, এলপিজি বিক্রি বেশি দামে হলে এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলওএবির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বার্তা প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে এলপিজির সরবরাহ সন্তোষজনক। সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ দশমিক ৫৬ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। আগস্ট মাসে আমদানি করা হয়েছিল ১ দশমিক ৫৮ লাখ মেট্রিক টন। ফলে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ যথেষ্ট রয়েছে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।
সংগঠনটি আরও জানায়, ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রীর সভাপতিত্বে এলপিজি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের এলপিজি সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও যদি কোনো এলপিজি অপারেটর, পরিবেশক, ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করে এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুত করে, তাহলে তা প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী এক অনলাইন সভায় জেলা প্রশাসকদের এলপিজির বাজার পরিস্থিতি মনিটর করার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। এলওএবির পক্ষ থেকে সকল সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাকে অবিলম্বে বিইআরসি নির্ধারিত মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছে এলওএবি।
এদিকে, প্রতি মাসে সরকার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সেই দামের চেয়ে বেশি দামে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছেন। তাদের দাবি, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয়, তাই সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না। পরিস্থিতি সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে।
বর্তমানে সরকার প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছে, কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সংকটের অজুহাতে ভোক্তাদের কাছ থেকে ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিচ্ছেন। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।
এমন অবস্থায় বাজারে এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পথে হাঁটছে সরকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রমের সময় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাম্মী আরা নিপাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. আবদুল আলিম বছিরের স্বাক্ষরিত একটি নোটিশে তাঁকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডা. শাম্মী আরা নিপা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের দপ্তরপ্রধানের রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, মেডিকেল সেন্টার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তিনি গত ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশে এই ঘটনাকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের নবম দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন।
অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে এই আন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলমান আন্দোলনের পরেও প্রশাসন থেকে বিষয়টির সমাধানে কোনো কার্যকর উদ্যোগ বা ভ্রুক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেন। মিছিল থেকে তারা উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন, যা প্রশাসনের নীরবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক ধরে স্বাধীনতা চত্বরকে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’, ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার বলেন, "গত আট দিন ধরেই আমাদের এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। আমরা দেখতেছি যে সরকার আসলে আমাদের এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোনো ধরণের আশ্বাস বা কোনো ধরণের পদক্ষেপও আমাদের জানাচ্ছে না। তো সেই প্রেক্ষিতে আমরা একটা আজকে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছি চোখে কালো কাপড় বেঁধে, যা আসলে বোঝায় যে আমাদের এই ক্ষেত্রে প্রশাসন আসলে কেন নীরব।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের দাবি ১০ টা না, ৫ টা না- আমাদের দাবি মাত্র একটা—আমরা আমাদের পূর্বের ভিসিকে পুনর্বহাল চাচ্ছি। তো সরকারের কাছে আমাদের এই আকুল আবেদন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন থাকবে যে আমাদের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে আমাদের পূর্বের ভিসিকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনর্বহালের আকুল আবেদন জানাচ্ছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২১ বছর বয়সে পদার্পণ উপলক্ষে বিলাসবহুল পার্টি বা লাস ভেগাসে ভ্রমণের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক উদ্যোগ গ্রহণ করে বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন মিরিয়াম হারেগোট। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে গৃহহীনদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্র সংস্কার ও চালু করেছেন, যা তার বিশেষ দিনটিকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে।
মানবিক এই উদ্যোগ সম্পর্কে মিরিয়াম মন্তব্য করেন, "মানুষকে মানবিকতার ছোঁয়া দিতে পেরে দারুণ লাগছে, কারণ বর্তমান বিশ্বে এর বড্ড অভাব। আপনি নিজে সমাজে যে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই পরিবর্তনের সূচনা আপনার নিজেকে দিয়েই করা উচিত।"
আশ্রয়কেন্দ্র চালুর পরপরই মিরিয়াম প্রতিষ্ঠা করেন ‘দ্য প্যাক প্রজেক্ট’ (P.A.C.K. - People Advocating Community Kinship) নামের একটি সংগঠন।
সাউথ সেন্ট্রাল লস অ্যাঞ্জেলেসের তরুণ, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনটি গৃহহীন ও সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের খাদ্য, বাসস্থান এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তাদের এই প্রজেক্টের আওতায় ‘ফিড দ্য হোমিস’ (Feed The Homies) নামের একটি মাসিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্কিড রো এলাকায় এ পর্যন্ত হাজার হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে গরম খাবার পরিবেশন করা হয়েছে।
সমাজ পরিবর্তনের জন্য কোনো প্রাতিষ্ঠানিক পদবি, বড় তহবিল বা অনুমোদনের অপেক্ষা না করে মিরিয়াম যেভাবে নিজেই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে এসেছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ