ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

খুলনায় তাঁতি দল নেতা হত্যা মামলায় ৫ আসামির মধ্যে ১ জন গ্রেফতার


খুলনায় তাঁতি দল নেতা হত্যা মামলায় ৫ আসামির মধ্যে ১ জন গ্রেফতার

খুলনা, ২ নভেম্বর ২০২৬ : মহানগর তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ হুমায়ুন কবিরকে হত্যার ঘটনায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পুত্র সৈয়দ নুর আমিন সৌহার্দ্য গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) রাতে আড়ংঘাটা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরো ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এজাহারভুক্ত আসামি শেখ সিদ্দিক (৫৩) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে।

এ বিষয়ে আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হালিমুর রহমান সোমবার সকালে বাসসকে নিশ্চিত করে বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি সিদ্দিককে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, মূল অভিযুক্ত আরাফাতসহ অন্যান্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া শেখ সিদ্দিক রায়েরমহল পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত শেখ ইদ্রিস আলী ওরফে ইদিল ফকিরের পুত্র।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ৪ থেকে ৫ জন দুষ্কৃতিকারী (তাদের মধ্যে একজনের মুখ ঢাকা ছিল) দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইজি বাইকে এসে হুমায়ুন কবিরের নিজ প্রতিষ্ঠান 'আল-ক্যান্টিনো' নামক রেস্টুরেন্টে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছে মইন, আরাফাত, ফায়েক ও বায়েজিদ। তারা সবাই রায়ের মহল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ আরও জানায়, অভিযুক্ত আরাফাতের দোকান থেকে ক্রয়কৃত ফ্রিজের কিস্তির টাকা সময়মতো পরিশোধ না করায় ঘটনার আগে নিহত হুমায়ুন কবির এবং আরাফাত ও ফায়েকের মধ্যে তর্ক বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। এরপরই তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হুমায়ুন কবিরকে আঘাত করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদ এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত হন তাঁতি দল নেতা হুমায়ুন কবির। ঘটনার সময় তিনি নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আল-ক্যান্টিনো' নামক রেস্টুরেন্টে অবস্থান করছিলেন। তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত হুমায়ুন কবির রায়ের মহল বড় মসজিদ এলাকার সৈয়দ আনোয়ার আলীর পুত্র।

আরও পড়ুন: ইনানীতে নলকূপ খননে গ্যাস বেরিয়ে আগুন, মজুদ নিরূপণে জরিপ শুরু

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিসিবি ভর্তুকি ৫০০ কোটি টাকা কমাতে চায়, আর্থিক স্বনির্ভরতার লক্ষ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


টিসিবি ভর্তুকি ৫০০ কোটি টাকা কমাতে চায়, আর্থিক স্বনির্ভরতার লক্ষ্য

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চলতি অর্থবছরে ভর্তুকি ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, যা ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্জন করা হবে।

এছাড়া, টিসিবি আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা হ্রাস করে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে, সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা নেই।

টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ বাসসকে জানান, "সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সংস্থাটিকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, পণ্য কেনার খরচ, ব্যাংক ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "চলতি অর্থবছরে আমরা ভর্তুকির ব্যয় ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নিয়েছি। তবে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়লে সংস্থার মোট ভর্তুকির প্রয়োজনও বাড়তে পারে।"

২০২৫-২৬ অর্থবছরে টিসিবির ভর্তুকি ব্যয় ছিল ২ হাজার ৫১৪ কোটি ২২ লাখ টাকা, যেখানে বাজেটে বরাদ্দ ছিল প্রায় ৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। ভর্তুকির প্রধান দুটি উৎস হলো পণ্য কেনা ও বিক্রির দামের পার্থক্য এবং ব্যাংক ঋণের সুদ।

টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, "টিসিবির মূল সমস্যা হলো, যে দামে পণ্য কেনা হয়, সেই দামের চেয়ে অনেক কম দামে তা বিক্রি করতে হয়। কিছু পণ্য কেনা দামের তুলনায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কম দামে বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে ভোজ্যতেলে ভর্তুকির প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।"

২০২২ সাল থেকে টিসিবি প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১০০ টাকায় বিক্রি করছে, অথচ বর্তমানে ডিলার কমিশন ও সংশ্লিষ্ট ব্যয়সহ প্রতি লিটার তেল কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। ব্যাংক ঋণের সুদ যোগ করলে এ খরচ প্রায় ২০০ টাকায় দাঁড়ায়।

ব্যাংক ঋণের সুদ কমানোর লক্ষ্যে টিসিবি এখন ঋণপত্র (এলসি) ও ঋণপত্রের বিপরীতে ঋণ (এলটিআর) সুবিধার পরিবর্তে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কিনছে। এর ফলে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ব্যাংক ঋণের সুদ বাবদ প্রায় ১৪ কোটি ১৯ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে নগদ অর্থে চিনি ও মসুর ডাল কেনায় এলসি চার্জ ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমেছে প্রায় ৪২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

টিসিবির চেয়ারম্যান জানান, সংস্থাটির বার্ষিক ব্যাংক ঋণের সুদ ব্যয় বর্তমানে প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি টাকা। এ ব্যয় থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "আমরা ঋণপত্র (এলসি) এবং ব্যাংক ও সরকারের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার নির্ভরতা কমাচ্ছি। যেখানে সম্ভব, নগদ অর্থে পণ্য কেনা হচ্ছে।"

এছাড়া, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের তুলনায় ১ দশমিক ২৫ শতাংশ কম সুদে ঋণ সুবিধা পাওয়ায় টিসিবি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খোলা ও এলটিআর সুবিধা নেওয়া শুরু করেছে।

বিক্রির অর্থ দ্রুত সংস্থার ব্যাংক হিসাবে জমা নিশ্চিত করতে একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) চালু করেছে টিসিবি। আগে এ অর্থ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) হিসাবের মাধ্যমে আসত। নতুন ব্যবস্থায় ডিলারদের কাছ থেকে বিক্রির অর্থ দ্রুত টিসিবির হিসাবে জমা হবে। এতে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়বে এবং ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর না করে নগদে পণ্য কেনা সহজ হবে।

ভর্তুকির বাইরেও আয় বাড়াতে সাবান, ডিটারজেন্ট ও লবণকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে বাজারে এনেছে টিসিবি। এসব পণ্য প্রচলিত বাজারদরের চেয়ে কম দামে বিক্রি করা হলেও কেনা দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে ২৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা মুনাফা করেছে সংস্থাটি।

আয়ের উৎস বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ফয়সল আজাদ বলেন, "শুধু ব্যয় কমিয়ে ভর্তুকির চাপ কমানো সম্ভব নয়। আমাদের আয়ও বাড়াতে হবে।"

পরিবহন, পণ্য ওঠানো-নামানোসহ সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমাতে বিতরণব্যবস্থায়ও পরিবর্তন এনেছে টিসিবি। আগে আঞ্চলিক গুদাম থেকে পণ্য জেলা প্রশাসনের গুদামে পাঠানো হতো। এখন আঞ্চলিক গুদাম থেকেই সরাসরি পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বর থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে।

এছাড়া জরিপের কাজে পুনরাবৃত্তি ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। টিসিবির চেয়ারম্যান জানান, জরিপ ও এ-সংক্রান্ত কাজে বছরে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। একই ধরনের জরিপের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করা গেলে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব।

তবে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়লে ভর্তুকির মোট পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন টিসিবির চেয়ারম্যান। বর্তমানে অতিরিক্ত পণ্যসহ টিসিবির কার্যক্রমের আওতায় প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ পণ্য কিনছেন। চলতি অর্থবছরে এ সংখ্যা ৭০ থেকে ৮০ লাখে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে।

ফয়সল আজাদ বলেন, "চলতি বছর ৮০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারলে আগামী অর্থবছরে এক কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানোর আশা করছি।"

বিদ্যমান ভর্তুকির পণ্যের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই জানিয়ে টিসিবির চেয়ারম্যান বলেন, এসব পণ্য আগের দামেই বিক্রি হবে। নতুন বাণিজ্যিক পণ্যও যুক্ত করা হচ্ছে, তবে সেগুলো কেনা উপকারভোগীদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়।

ফয়সল আজাদ বলেন, "উপকারভোগীরা চাইলে নতুন পণ্য কিনতে পারবেন। এসব পণ্য কেনা সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। কাউকে তা কিনতে বাধ্য করা হবে না।"

টিসিবি চেয়ারম্যানের আশা, বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে আয় বৃদ্ধি, ঋণের সুদ ও পরিচালন ব্যয় কমানো এবং দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরে ধীরে ধীরে সরকারি ভর্তুকির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআরের তদন্তে দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


এনবিআরের তদন্তে দুই পোশাক কারখানায় ১০২ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : দুই পোশাক কারখানা ১০২ কোটি ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ১২৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে, যা বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় অবৈধভাবে খোলাবাজারে বিক্রি, কম মূল্যে রপ্তানি দেখানোসহ বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ঘটেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) পৃথক তদন্তে এই রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করেছে।

আজ এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড এবং লিশা টেক্স (প্রা.) লিমিটেড। এর মধ্যে রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেডের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিআইসির তদন্ত দল প্রতিষ্ঠান দুটির কারখানা ও গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাঁচামালের মজুদ যাচাই করে। পাশাপাশি আমদানি ও রপ্তানির তথ্য সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে অনিয়ম শনাক্ত করা হয়।

রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের (ইউডি) আওতায় বন্ড সুবিধায় ২ হাজার ৮৬২ টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করেছে। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২৩৭ টন বা ৭৮ শতাংশ কাপড় কারখানার গুদামে পাওয়া যায়নি। রপ্তানির হিসাবেও এসব কাপড়ের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তে দেখা গেছে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে কাপড় সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির রপ্তানির নথিতে সুতা ও নিট কাপড়ের হিসাব পাওয়া গেলেও ওভেন পলিয়েস্টার কাপড়ের বড় ধরনের ঘাটতি শনাক্ত হয়েছে। যেসব ৩১টি ইউডিতে কোনো রপ্তানি হয়নি, সেগুলোর ৩০টিতেই আমদানি করা কাপড়ের পুরোটা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আংশিক রপ্তানি হওয়া ১০টি ইউডিতেও আমদানি করা কাপড়ের প্রায় ৫৩ শতাংশের হিসাব পাওয়া যায়নি।

পরিদর্শনে পুরো কারখানায় ৬৯ হাজার ৩৮২ কেজি সুতা, ৮ লাখ ৪৫ হাজার ৩৯৭ পিস তৈরি পোশাক এবং মাত্র ২৫ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ কেজি ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় পাওয়া যায়। এই কাপড়ের পরিমাণ মোট আমদানির মাত্র শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়া কাপড়ের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য ১৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, লিশা টেক্সের বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড় কারখানায় পাওয়া যায়নি। এসব কাপড় বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। শুধু এ খাতেই প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকার শুল্ক-কর ফাঁকি শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনুমোদনের চেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করলেও চুক্তিমূল্যের তুলনায় কম রপ্তানিমূল্য দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। ইউডির বাইরে স্থানীয় উৎস থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার বিষয়টিও তদন্তে পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল অনুমোদন ছাড়াই মূসক পরিশোধ না করে স্থানীয় বাজার থেকে কেনা হয়েছে। পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহের মাধ্যমে মূসক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির মোট ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদঘাটন করা হয়েছে।

এনবিআর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার রোধে সিআইসির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হবে না: নির্বাচন কমিশন প্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হবে না: নির্বাচন কমিশন প্রধান

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : ইসরাইলের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগে চলমান তদন্তের ফলে নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হবে না, এমনটি জানিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান।

রোববার তিনি মন্তব্য করেন, এই পর্যন্ত যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো কেবল সন্দেহের পর্যায়ে রয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিটির প্রধানের অনুরোধে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত তদন্ত শুরু করে। এই তদন্তের উদ্দেশ্য ছিল ইসরাইলের আরব জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক দল রাম কাতার থেকে অর্থ পেয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা। তবে কাতার এবং দলটি উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার দল লিকুদ পার্টি আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে ভোট ‘চুরির’ অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। এবারের নির্বাচনে আরব দলগুলো অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, ফলে বিরোধী দলগুলোর নেতৃত্বে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

রোববার এক ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নোয়াম সোলবার্গ শিন বেতের প্রধান এবং দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেলের পাশে দাঁড়িয়ে ইসরায়েলিদের আশ্বস্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে আপনারা যে রায় দিয়েছেন, তার প্রতি সম্মান দেখানো হবে।’ একই সঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

সোলবার্গ আরও বলেন, ‘কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটে থাকলে তা বর্তমানে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এখন পর্যন্ত ‘সন্দেহগুলো কেবল সন্দেহই রয়ে গেছে’।

তিনি আরো বলেন, ‘সত্য উদ্ঘাটনে আমরা অভিযোগগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করব এবং ঘটনার গভীরে গিয়ে প্রকৃত সত্য বের করে আনব।’

তার ভাষ্য, ‘শেষ পর্যন্ত অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলেও তাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা কিংবা সামগ্রিক ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হবে না—এটাই আমাদের অবস্থান।’

তবে লিকুদ পার্টি রোববার এক বিবৃতিতে সোলবার্গের বক্তব্যকে ‘বিস্ময়কর’ বলে মন্তব্য করেছে। দলটির প্রশ্ন, অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করার পরও কীভাবে তিনি বলতে পারেন যে এসব অভিযোগ নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

লিকুদ পার্টি আরও বলেছে, ‘তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের নির্বাচনের ফলাফলের ওপর একটি কালো মেঘ ঝুলে থাকবে।’

অন্যদিকে নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোট সোলবার্গের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন। এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন, নেতানিয়াহু নির্বাচনের ফলাফলকে অগ্রহণযোগ্য প্রমাণের চেষ্টা করছেন।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আইজেনকোট বলেন, ‘নির্বাচনের ফল অস্বীকার করা, জনগণের মতামতকে দুর্বল করা, একটি পুরো জনগোষ্ঠীকে হেয় করা এবং ইসরাইলকে আবারও নির্বাচনের দিকে ঠেলে দেওয়ার ঘৃণ্য ও বিদ্বেষপূর্ণ চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’

সরকার গঠনে অনিশ্চয়তা

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে কোনো জোটই পার্লামেন্টে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। নেতানিয়াহু এবং তার মিত্ররা পেয়েছেন ৫৩টি আসন। অন্যদিকে আইজেনকোটের শিবির পেয়েছে ৪৮টি আসন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন।

তবে নির্বাচনের ফলাফলে আরব দল রাম এবং জয়েন্ট লিস্টের উত্থান স্পষ্ট হয়েছে। দল দুটি সম্মিলিতভাবে ১৯টি আসন পেয়েছে।

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের বিষয়ে বিবেচনা করছেন আইজেনকোট। তার অনেক সমর্থক এ পদক্ষেপ নেওয়ার পক্ষে থাকলেও সম্ভাব্য জোটের কয়েকটি শরিক দল এর বিরোধিতা করছে।

নির্বাচনের দিন থেকেই নেতানিয়াহু আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলতে শুরু করেন। এর আগে নির্বাচনী প্রচারেও তিনি দলগুলোকে দেশের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এ প্রচারণা ইসরাইলের আরব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার পর যারা দেশটিতে থেকে গিয়েছিলেন, তাদের বংশধররাই মূলত এই আরব সংখ্যালঘু জনগণের অংশ। দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ তারা।

রাম দলের প্রধান মানসুর আব্বাস বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি তদন্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে তাঁর দলের ‘কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই’।

অন্যদিকে কাতার অভিযোগগুলোকে ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে।

রোববার সোলবার্গ বলেন, অভিযোগগুলোর তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে চলবে। তবে এ ধরনের বক্তব্যের কারণে আরব জনগণের ভোটাধিকার নিয়ে কোনো সন্দেহ তৈরি হওয়া উচিত নয়।

তিনি বলেন, ‘যেসব নাগরিক ভোট দিতে কেন্দ্রে গিয়েছেন, তারা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন।’

ভোট কেনার অভিযোগে আটক একজন মুক্ত

এদিকে নির্বাচনের দিন রামের পক্ষে ভোট কেনার অভিযোগে পৃথক একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সন্দেহভাজনকে মুক্তি দিয়েছেন ইসরাইলের একটি আদালত। একই মামলায় আরেকজনের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং তৃতীয় একজনকে গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে রোববার পুলিশ জানিয়েছে।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, রামের পক্ষে ভোট কেনার সন্দেহে খামভর্তি টাকা নিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছে দলটি।

টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারক এরান জাবারি এক সন্দেহভাজনকে গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে গুরুতর সন্দেহ থাকলেও গ্রেপ্তারের পর থেকে মামলার পক্ষে নতুন কোনো শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি; বরং প্রমাণের ভিত্তি আরও দুর্বল হয়েছে বলে বিচারক মন্তব্য করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অন্য এক সন্দেহভাজনের আটকাদেশ বাড়ানোর পক্ষে নতুন কোনো প্রমাণ হাজির করতে না পারায় বিচারক পুলিশের সমালোচনা করেন।

নির্বাচনের দিন এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু এ গ্রেফতারের বিষয়টি প্রকাশ করেছিলেন। তখন তিনি তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেছিলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে কেন তাদের ভোটকেন্দ্রে গিয়ে লিকুদ পার্টিকে ভোট দেওয়া প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে এলিজা জামানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে এলিজা জামানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : নির্বাচন কমিশন (ইসি) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩’র উপনির্বাচনে।

আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৬ অক্টোবর বিএনপি ও জোটের মনোনীত প্রার্থী এলিজা জামান মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, যা শূন্য ঘোষিত ৩২৩ সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩’র উপনির্বাচনের জন্য নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে পড়ে। দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই শেষে এলিজা জামানের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত সময়সূচির অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য ১ নভেম্বর বিকাল ৪ টার মধ্যে নির্ধারিত সময় ছিল। উক্ত প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায়, জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪-এর ধারা ১২-এর উপধারা (১) অনুসারে এলিজা জামানের নাম চূড়ান্ত তালিকায় প্রকাশ করা হয়।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, গত ১ অক্টোবর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি পদত্যাগ করার পর আসনটি শূন্য হয়ে যায়। এরপর ১২ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন এ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৬ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই, ২৮ অক্টোবর বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল এবং ২৯ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তির দিন ধার্য করা হয়। ১ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং আজ ২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভোটগ্রহণের তারিখ আগামী ১২ নভেম্বর নির্ধারিত রয়েছে। তবে চূড়ান্ত বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর যদি কেবল একজন বৈধ প্রার্থী থাকে, তাহলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করার বিধান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%