ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চুয়েটে তিনদিন ক্লাসের পর আবারও শিক্ষাক্রম বন্ধ, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ


চুয়েটে তিনদিন ক্লাসের পর আবারও শিক্ষাক্রম বন্ধ, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব একদিনের জন্য গ্রহণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছে।

৩৬ দিন অচল থাকার পর গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) থেকে চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম আংশিকভাবে শুরু হয়। কিন্তু ছয় দিনের মাথায় আবারও শূন্য হয়ে পড়ে চুয়েটের ক্লাস ও ল্যাবগুলো।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে এক ইমেইল বার্তায় রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি অর্পণ করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম ওই বার্তায় উল্লেখ করেন, সোমবার (২ নভেম্বর) ইউজিসির একটি সরকারি সভায় অংশ নিতে তিনি ঢাকায় অবস্থান করবেন। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: এসএসসিতে বিয়ে, ১৪ বছর পর অদম্য রীতির জিপিএ-৫ অর্জন

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১ নভেম্বর বিকেল থেকে এ দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে। ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় উপাচার্য কর্মস্থলে ফিরে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন এ দায়িত্ব পালন করবেন।

পরে সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে উপাচার্যের দেয়া রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেন উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, শাটডাউনের আওতায় সোমবার সবে ক্লাস, পরীক্ষা এবং রুটিন দায়িত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত যেকোনো প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা হবে।

যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলক্বার নাঈন মিহাদ বলেন, ‘গত ২৮ অক্টোবর থেকে আমরা ক্লাসে কার্যক্রমে ফেরার সিদ্ধান্ত নিই। তবে আমরা এটি জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, উপাচার্যের ক্যাম্পাস কেন্দ্রিক যেকোনো কার্যক্রম আমরা প্রত্যাখ্যান করব। তাই আমাদের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে ক্লাস বর্জন করেছি। রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি যেহেতু আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বহাল থাকবে তাই মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) থেকে যথারীতি আমরা আবার ক্লাসে ফিরে যাব।’

চুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে আগামীকাল থেকে তারা ক্লাসে ফিরবেন।’

আরও পড়ুন: গভর্নিং বডির সভাপতির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। পরে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। ৩৬ দিন পর গত বুধবার আংশিকভাবে শুরু হয় ক্লাস কার্যক্রম। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমের পাশপাশি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনো তালাবদ্ধ রয়েছে প্রশাসনিক ভবন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমলকী জুস খেলে শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


আমলকী জুস খেলে শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে

আমলকী একটি ফল যা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। নিয়মিতভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণে আমলকীর জুস পান করলে শরীরে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে এর উপকারিতা নির্ভর করে পান করার পরিমাণ, প্রস্তুতির পদ্ধতি এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার উপর।

আমলকীর জুসের ৭ উপকারিতা

১. রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে: আমলকীর মধ্যে বিদ্যমান ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করে। তবে আমলকীর জুস পান করলেই সর্দি-কাশি বা সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

২. ত্বকের স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখে: ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরির জন্য অপরিহার্য। এটি ত্বকের স্বাভাবিক গঠন বজায় রাখতে সাহায্য করে। তবে আমলকীর জুস পান করলেই ত্বক ফর্সা বা বলিরেখামুক্ত হবে, এমন প্রমাণ নেই।

৩. আয়রন শোষণে সাহায্য করে: উদ্ভিজ্জ খাবারের মধ্যে থাকা আয়রন শরীরে শোষিত হতে ভিটামিন সি সহায়তা করে। ডাল, শাকসবজি এবং অন্যান্য উদ্ভিজ্জ আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে আমলকী খাওয়া উপকারী হতে পারে।

৪. কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করে: আমলকীতে পলিফেনলসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। এগুলো শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে আমলকী সব ধরনের রোগ প্রতিরোধ করে।

৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য ভূমিকা: কিছু গবেষণায় আমলকীর নির্যাস বা সাপ্লিমেন্ট রক্তে শর্করার মাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সাধারণ আমলকীর জুস ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ওষুধের বিকল্প নয়।

৬. কোলেস্টেরলের মাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে: সীমিত মানব গবেষণায় আমলকীর নির্যাস গ্রহণের পর ভালো কোলেস্টেরল (HDL) এবং খারাপ কোলেস্টেরল (LDL)-এর কিছু সূচকে উন্নতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে গবেষণা ছোট পরিসরের এবং জুসের ক্ষেত্রে একই ফল নিশ্চিত নয়।

৭. হজমে কিছুটা সহায়ক হতে পারে: আমলকী ফলের আঁশ হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। তবে শুধুমাত্র জুস পান করলে আঁশের বড় অংশ বাদ পড়ে যেতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমানোর জন্য গোটা ফল খাওয়া বা আঁশযুক্ত খাবার বেছে নেওয়া বেশি উপকারী।

কখন ও কীভাবে আমলকীর জুস খাবেন?

- পরিমাণ: অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করা উচিত। যেমন, ১–২টি ছোট আমলকী দিয়ে তৈরি জুস পানি মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। এর কোনো সর্বজনস্বীকৃত চিকিৎসাগত ডোজ নেই।

- চিনি না মেশানো ভালো: অতিরিক্ত চিনি যোগ করলে পানীয়টির ক্যালরি বৃদ্ধি পায়।

- খালি পেটে খেতেই হবে, এমন নয়: খালি পেটে খেলে বেশি উপকার হয়—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। অস্বস্তি হলে খাবারের পরে পান করা উচিত।

- প্রতিদিন পান করা বাধ্যতামূলক নয়: সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আমলকী খাওয়া যেতে পারে।

কারা সতর্ক থাকবেন?

- যাদের গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তি বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে টক জুস অস্বস্তি বাড়াতে পারে।

- ডায়াবেটিসের ওষুধ কিংবা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেলে নিয়মিত ঘন আমলকীর নির্যাস বা সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

- কিডনিতে পাথরের ইতিহাস থাকলে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুব দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


যুব দিবস উপলক্ষে ঝালকাঠিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

ঝালকাঠি, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যের আলোকে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আজ ঝালকাঠিতে একটি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পেয়ারা চত্বরে জেলা প্রশাসন এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. আলাউদ্দিন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসাইন এবং ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল আমীন উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, যুব সমাজ দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক উদ্যোগ। তরুণদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে রক্তের সঙ্কট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এ ধরনের কর্মসূচি তরুণদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী আজ উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


বাউল সাধক দুর্বিন শাহের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী আজ উদযাপন

মুহাম্মদ আমিনুল হক

সুনামগঞ্জ, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : ছাতক উপজেলা, সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত, একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে শিল্প ও খনিজ সম্পদের পাশাপাশি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, লেখক, শিল্পীসহ অনেক গুণীজন জন্মগ্রহণ করেছেন, যারা দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করেছেন।

বাংলার মরমী সংগীতের আকাশে যেসব নাম আলো ছড়ায়, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বাউল সাধক দুর্বিন শাহ। তিনি ১৯২০ সালের ২ নভেম্বর ছাতক উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

দুর্বিন শাহ শুধু একজন গীতিকার বা বাউলশিল্পী নন, তিনি ছিলেন মরমী দর্শন, আধ্যাত্মিক চিন্তা ও মানবপ্রেমের এক সাধক। তাঁর গানের কথায় জীবন, মৃত্যু, স্রষ্টার সন্ধান, আত্মার পরিচয় এবং মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ফুটে উঠেছে।

‘প্রেমশেল বিন্দিল বুকে মরি সে ব্যথায়, আমার অন্তরায় আমার কলিজায়/নির্জন যমুনার কূলে বসিয়া কদম্বতলে, বাজায় বাঁশি বন্ধু শ্যামরায়/ বন্ধু যদি হইত নদীর জল, পিপাসাতে পান করিয়া পোড়া প্রাণ করতাম শীতল।’

কালজয়ী গানগুলোর স্রষ্টা মরমী সাধক দুর্বিন শাহকে ‘জ্ঞানের সাগর’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। আজ, তাঁর জন্মদিনে, ‘জ্ঞানের সাগর’ খ্যাত মরমী গীতিকবি, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাউল সাধক দুর্বিন শাহের জন্মদিন উদযাপন করা হচ্ছে। তিনি সিলেট জেলার সুনামগঞ্জ মহকুমার ছাতক থানার নোয়ারাই গ্রামের তারামনি টিলায় জন্মগ্রহণ করেন। দুর্বিন শাহের পিতা সফাত আলি শাহ ছিলেন একজন সুফি সাধক এবং মা হাসিনা বানু ছিলেন একজন পীরানী (পীর)। এই কারণে, দুর্বিন শাহ সঙ্গীতচর্চার ক্ষেত্রে পারিবারিক ঐতিহ্যে বেড়ে উঠেছেন।

তাঁর রচিত অধিকাংশ গানে সুফি ও মরমীবাদ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে, তবে তিনি বিভিন্ন মেজাজের অসংখ্য গানও লিখেছেন। শ্রেণি বিভাজন করলে এসব গানগুলোকে বাউল, বিচ্ছেদ, আঞ্চলিক, গণসংগীত, মালজোড়া, জারি, সারি, ভাটিয়ালি, গোষ্ঠ, মিলন, রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলী, হামদ-নাত, মারফতি, পীর-মুর্শিদ স্মরণ, আল্লাহকে স্মরণ, নবী স্মরণ, ওলি আউলিয়াকে স্মরণ, ভক্তিগীতি, মনঃশিক্ষা, সুফিতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, কামতত্ত্ব, নিগূঢ়তত্ত্ব, পারঘাটাতত্ত্ব এবং দেশের গান বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। এছাড়াও, বিবিধ শিরোনামে তাঁর রচিত আরো বিভিন্ন পদাবলী চিহ্নিত করা যেতে পারে।

বাউল সাধক দুর্বিন শাহ ১৯৬৭ সালে প্রবাসী বাঙালিদের আমন্ত্রণে ইংল্যান্ড সফরে গিয়েছিলেন। তাঁর সফর সঙ্গী ছিলেন বাউল সাধক শাহ আব্দুল করিম। সেখানে দুর্বিন শাহের গানের কথা ও সুরে বিমোহিত হয়ে সঙ্গীত প্রেমীরা তাঁকে ‘জ্ঞানের সাগর’ উপাধিতে ভূষিত করেন। সাত বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারান।

১৯৪৬ সালে সুরফা বেগমের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তাঁর রচিত গানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হল-নির্জন যমুনার কূলে বসিয়া কদম্বতলে, আমার অন্তরায় আমার কলিজায়, সুখের নিশি প্রভাত হলো উদয় দিনমণি, শমন লইয়া পিয়ন খাড়া আর কত দিন দেরি, ছাড়িয়া যাইও না বন্ধু রে, পরদেশীরে দূর বিদেশে ঘর, নব যৌবন আষাঢ় মাসে, তোমার মতো দরদী কেউ নাই, বন্ধু যদি হইতো নদীর জল। বিখ্যাত এ বাউল সাধক ৫৭ বছর বয়সে ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ৩ ফাল্গুন, ১৯৭৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আহমেদ মঞ্জুরুল হক চৌধুরী পাবেল বাসসকে জানিয়েছেন, ‘জ্ঞানের সাগর’ মরমী গীতিকবি, বাউল সাধক দুর্বিন শাহ’র ১০৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদায় জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদীতে ৫ বছরের শিশুকে লিচুবাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৬ পি.এম


ঈশ্বরদীতে ৫ বছরের শিশুকে লিচুবাগানে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াতকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

পাবনার ঈশ্বরদীতে ৫ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে জামায়াতকর্মী মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের রেলগেট এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযুক্ত মোবারক হোসেন মুলাডুলি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কর্মী হিসেবে পরিচিত।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় জনগণ, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের বিপুলসংখ্যক মানুষ। বক্তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য আল্টিমেটাম দেন।

এসময় বক্তারা উল্লেখ করেন, গত ১৯ অক্টোবর বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময় শিশুটিকে কৌশলে মুলাডুলি ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের একটি লিচুবাগানে নিয়ে যান জামায়াতকর্মী মোবারক হোসেন। সেখানে শিশুটির উপর ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হলে তার চিৎকার ও কান্নাকাটিতে মোবারক হোসেন তাকে ছেড়ে দেন। পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, শিশুটির বাবা থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%