প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব একদিনের জন্য গ্রহণ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছে।
৩৬ দিন অচল থাকার পর গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) থেকে চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম আংশিকভাবে শুরু হয়। কিন্তু ছয় দিনের মাথায় আবারও শূন্য হয়ে পড়ে চুয়েটের ক্লাস ও ল্যাবগুলো।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে এক ইমেইল বার্তায় রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি অর্পণ করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম ওই বার্তায় উল্লেখ করেন, সোমবার (২ নভেম্বর) ইউজিসির একটি সরকারি সভায় অংশ নিতে তিনি ঢাকায় অবস্থান করবেন। এ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেনকে উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১ নভেম্বর বিকেল থেকে এ দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে। ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় উপাচার্য কর্মস্থলে ফিরে পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন এ দায়িত্ব পালন করবেন।
পরে সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে উপাচার্যের দেয়া রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে বিবৃতি দেন উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করে আসা শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, শাটডাউনের আওতায় সোমবার সবে ক্লাস, পরীক্ষা এবং রুটিন দায়িত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত যেকোনো প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা হবে।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলক্বার নাঈন মিহাদ বলেন, ‘গত ২৮ অক্টোবর থেকে আমরা ক্লাসে কার্যক্রমে ফেরার সিদ্ধান্ত নিই। তবে আমরা এটি জানিয়ে দিয়েছিলাম যে, উপাচার্যের ক্যাম্পাস কেন্দ্রিক যেকোনো কার্যক্রম আমরা প্রত্যাখ্যান করব। তাই আমাদের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে ক্লাস বর্জন করেছি। রুটিন দায়িত্বের বিষয়টি যেহেতু আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত বহাল থাকবে তাই মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) থেকে যথারীতি আমরা আবার ক্লাসে ফিরে যাব।’
চুয়েটের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে আগামীকাল থেকে তারা ক্লাসে ফিরবেন।’
সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। পরে কর্মবিরতি দিয়ে আন্দোলনে অংশ নেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও। ৩৬ দিন পর গত বুধবার আংশিকভাবে শুরু হয় ক্লাস কার্যক্রম। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রমের পাশপাশি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম কিছুটা স্বাভাবিক হলেও এখনো তালাবদ্ধ রয়েছে প্রশাসনিক ভবন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন