ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

জাটকা আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু


জাটকা আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত চলমান থাকবে, যা ৮ মাস মেয়াদি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদফতরের বাস্তবায়নে, ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

এর আগে, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষার জন্য ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়িত হয়। এই সময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা, তাদের বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করে। এই সময়ে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলে ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরন্নবীর পদত্যাগ

এ উদ্দেশ্যে, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উক্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

মৎস্য অধিদফতর সারা দেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থানে নেমে গেল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থানে নেমে গেল বাংলাদেশ

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ।

আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮ উইকেটের পরাজয়ের ফলে বাংলাদেশের অবস্থান চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে এক ধাপ অবনতি ঘটেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ৭ ম্যাচে ৩টি জয়, ৩টি হার এবং ১টি ড্র’তে ৪৭.৬২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সুযোগ বাংলাদেশর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে নামার পূর্বে বাংলাদেশ ৬ ম্যাচে ৩ জয়, ২ হার ও ১টি ড্র’তে ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছিল।

বাংলাদেশের অবনতির ফলে পয়েন্ট টেবিলে ভারতের এক ধাপ উন্নতি হয়েছে। টিম ইন্ডিয়া এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে, যেখানে তাদের ১১ ম্যাচে ৫ জয়, ৪ হার ও ২টি ড্র’তে ৫১.৫২ শতাংশ পয়েন্ট রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া ১২ ম্যাচে ৯ জয় ও ৩ হারে ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে, যা কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান টেস্টের আগ পর্যন্ত রয়েছে।

সাবেক চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ১ হারে ৭২.২২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যেখানে ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট রয়েছে প্রোটিয়াদের।

পয়েন্ট টেবিলে ষষ্ঠ থেকে নবম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে- ইংল্যান্ড (১৬ ম্যাচে ৩৮.৫৪ শতাংশ পয়েন্ট), শ্রীলংকা (৬ ম্যাচে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৩ ম্যাচে ২৬.৯২ শতাংশ পয়েন্ট) এবং পাকিস্তান (৯ ম্যাচে ৪.৬৩ শতাংশ পয়েন্ট)।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জয় লাভের ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট তালিকায় কোন পরিবর্তন না হলেও তাদের পয়েন্ট ৬.০৯ বেড়েছে। প্রথম টেস্টের আগে ক্যারিবীয়দের পয়েন্ট ছিল ১২ ম্যাচে ২০.৮৩ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ড. লতিফুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ড. লতিফুল ইসলাম

খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম মন্তব্য করেন যে, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার জন্য বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। এছাড়াও লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলীও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে কি?

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনযাত্রার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিছু সময় ফোন ছাড়া থাকলেই যেন কিছু একটা অভাব অনুভূত হয়। অভ্যাসবশত অনেকেই টয়লেটে ফোন নিয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা সেখানে ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস অজান্তেই মারাত্মক বিপদের সম্মুখীন করতে পারে। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।

এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয় বলে বিবেচিত। ওয়াশরুমে বসে মোবাইল ফোনে, অন্য কোনো মাধ্যমে অথবা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং এটি মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ হিসেবে গণ্য হয়। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।

তবে, ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেছে বা টিস্যু নেই, তাহলে সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যেতে পারে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে এটি মাকরূহ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা, দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


সাতক্ষীরায় বনদস্যু নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন

সাতক্ষীরা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি জেলে ও বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার বেলা ১১টায় ভেটখালী-কৈখালী মাদার নদীর ব্রিজে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাজারো জেলে, বাওয়ালি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা উল্লেখ করেন, সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহের মাধ্যমে হাজার হাজার পরিবার তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বনদস্যুদের অপতৎপরতা, অপহরণ এবং মুক্তিপণ আদায়ের আতঙ্কে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে বনে গিয়েও জেলে ও বাওয়ালিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বক্তারা এ সময় সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান জোরদার করার দাবি জানান। তারা অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার, মুক্তিপণ আদায় বন্ধ এবং বনদস্যুদের দমনে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শহিদুজ্জামান শহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন লিটন।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পিপি ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ্যাড. সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী শাহ-আলম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম লিটন।

এ সময় জেলেদের পক্ষে বক্তব্য দেন, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে জেলেদের উদ্ধার করে আনা ব্যক্তি আব্দুল গণি ওরফে টাইগার গণি, জেলে শফিকুল ইসলাম, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, সাংবাদিক আক্তার হোসেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী জেলে ও বাওয়ালিরা এ সময় নিরাপদে সুন্দরবনে যাতায়াত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাদের মতে, সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%