বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৫ এম
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের জন্য গণশুনানি আয়োজন করতে যাচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক অজুহাত দেখিয়ে বারবার দাম বাড়াচ্ছেন, ফলে ভোক্তাদের পকেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দাম বাড়ানোর পরেও নতুন নতুন অজুহাতে বেশি দামে বিক্রি করার আশঙ্কা রয়েছে।
এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে কয়েকটি হাত বদল হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কমিশন বাণিজ্য চলে। সিন্ডিকেটের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পায়।
সিলিন্ডার কিনতে আসা এক ভোক্তা মন্তব্য করেন, ‘আগে আমাদের সিন্ডিকেট ঠিক করতে হবে। জায়গামতো ঠিক করতে পারলেই দোকানদার কম দামে পেলে কম দামে বিক্রি করতে পারবেন।’
সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা ছিল। অক্টোবরে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এবার সিলিন্ডারের প্রতি আরও ৩০০ টাকা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
গ্রাহকদের মধ্যে এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এক ভোক্তা অভিযোগ করেন, ‘এটা একটা সিন্ডিকেটের মতো। আরেকটা বিষয় হলো, টাকা বেশি দিলে পাওয়া যায়, কম দিলে পাওয়া যায় না।’
ডিলার ও বিক্রেতাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে সিলিন্ডার কিনতে। এক বিক্রেতা জানান, ‘আমাদের ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। অনেক সময় গাড়ি আসে না। তখন অন্যভাবে সিলিন্ডার আনতে হয়। সেখানেও আমাদের গাড়ি পাঠাতে হয়। সব মিলিয়ে কিছুটা বাড়তি টাকা নিতে হচ্ছে। সামনে শীত আসছে। শীতের সময় একটা সংকট থাকে। তখন দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে।’
এদিকে, ভোক্তাদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাবের দাবি, ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে আবারও দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘দাম বাড়ালেও আমরা নির্ধারিত দামে পণ্য পাব কি না, তা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, এর আগেও দাম বাড়ানোর পর নির্ধারিত দামে পণ্য পাওয়া যায়নি। তখন ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে সামনে আনেন।’
এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি দফতরগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। এলপিজির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর প্রকৃত ব্যয়, কমিশন ও মুনাফার হিসাব স্বচ্ছভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে ক্যাব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির মা ইউলালিয়া মারজেত্তি মারা গেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সান্টা ফে প্রদেশের পুজাতো শহরে ৭৪ বছর বয়সে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বিশ্বকাপজয়ী কোচ স্কালোনি ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনের পক্ষ থেকেও তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।
ইউলালিয়া মারজেত্তি তার স্বামী অ্যাঞ্জেল ‘চিচে’ স্কালোনির সঙ্গে পুজাতো শহরে বসবাস করতেন। তিনি স্থানীয় সমাজে একটি পরিচিত মুখ ছিলেন। এর আগে তিনি স্থানীয় বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দম্পতির তিন সন্তান লিওনেল, মাউরো ও কোরিনা। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যক্তিগত পরিসরে শেষকৃত্যের আয়োজন করা হবে।
স্কালোনির মা প্রায় পাঁচ বছর ধরে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০২১ সালের অক্টোবরে কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব চলাকালে মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আর্জেন্টিনার এই কোচ প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচের পর স্কালোনি বলেছিলেন, ‘আমি এখন বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবার মতো অবস্থায় নেই।’ তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের পথে এগিয়ে নেওয়ার সময়ও তাকে ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল।
এর কয়েক মাস আগে, ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিলকে হারিয়ে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের পর ঐতিহাসিক শিরোপাটি মাকে উৎসর্গ করেছিলেন স্কালোনি। তখন তার মা গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।
শিরোপা জয়ের পর স্কালোনি বলেছিলেন, ‘আমি এই জয় আমার মাকে উৎসর্গ করতে চাই। কয়েক দিন আগে তিনি বেশ গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়েছিলেন এবং এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন।’
আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে এটিই ছিল স্কালোনির প্রথম বড় শিরোপা। এরপর তার অধীনে দলটি ২০২২ সালের ফিনালিসিমা ও ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জয় করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে সর্বশেষ। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর) মূল্যবান এই ধাতু বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওই দিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে।
এর আগে, ২৫ অক্টোবর সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। ওই দিন ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ওই দিন সকাল ১০টা থেকে।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৬৫ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পরও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৩৯১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৪০ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরের অংশ হিসেবে নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি কারখানার গাড়ি সংযোজন প্রক্রিয়া পরিদর্শন করেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টায় টোকিও থেকে বুলেট ট্রেনে নাগোয়া পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
সফরের শেষ দিনে, তিনি জাপানের আধুনিক প্রযুক্তি, গাড়ি উৎপাদনব্যবস্থা ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছেন। এই পরিদর্শন বাংলাদেশের শিল্পায়ন ও উৎপাদন খাতের উন্নয়নে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করতে পারে।
পরিদর্শনের সময় টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা, টয়োটা সুশো করপোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যান্যরা।
এর আগে, জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বৈশ্বিক উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। চার দিনের সরকারি সফর শেষে, আজই তিনি দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একটি রানের জন্য পুরো রাত অপেক্ষা করেছেন সাদমান ইসলাম। তবে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে আর অপেক্ষা করতে হয়নি এই ওপেনারকে। দিনের দ্বিতীয় বলেই দৌড়ে ২ রান নিয়ে পৌঁছে গেলেন ম্যাজিক ফিগারে। এই বাঁহাতি ক্রিকেটার টেস্ট ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো তিন অঙ্কের রানের দেখা পেলেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ ব্যাটিং করছে। সকালের সেশনের দ্বিতীয় বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাদমান ইসলাম। বিশপের বলে ডাবলস নিয়ে আকাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
গতকাল আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত ওভারের চেয়ে কম খেলা মাঠে গড়ায়। দ্বিতীয় দফায় খেলা বন্ধ হলে দিনের খেলার ইতি ঘোষণা করা হয়। তখন সাদমান ৯৯ রানে ব্যাট করছিলেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লিউটিসি) সাদমানের প্রথম সেঞ্চুরি। তার আগের দুই সেঞ্চুরির প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে, যেই ম্যাচগুলো ডব্লিউটিসির অংশ ছিল না।
সেঞ্চুরির আগে সময়টা ভালো কাটছিল না সাদমানের। ১৭ ইনিংস পর পেলেন সেঞ্চুরির দেখা। এর আগে ২০২৫ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বশেষ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন তিনি।
সেঞ্চুরির পর সাদমান বেশিক্ষণ আর উইকেটে টেকেননি। বিশপের ফিরতি ওভারে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন। আউট হওয়ার আগে ২৩৪ বলে ১১ চারে ১০৫ রান করেন এই বাঁহাতি।
এই প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৭ ওভারে ৪ উইকেটে ২২১। লিটন দাস ১২ রানে ব্যাট করছেন। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আগের দিন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া তাওহীদ হৃদয়। তিনি অপরাজিত ৪২ রানে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ