বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৫৪ এম
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্টদের স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিকতা বজায় রেখে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর ইস্কাটনে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি ও সরকারি এলপিজির মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে এ কথা বলেন।
গণশুনানিতে সরকারের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত দাম ২ হাজার ২৩২ টাকা।
বিইআরসি প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের স্বার্থ ও যৌক্তিকতা বিবেচনায় নিয়ে দাম সমন্বয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তুরাগ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মরদেহ। নৌ পুলিশের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে, যা তার সঙ্গে থাকা আইফোনের মাধ্যমে জানা গেছে।
রাজধানীর উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী এলাকার ঘাট থেকে গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সৌরি উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টর এলাকায় বসবাস করতেন।
নৌ পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর আসে যে, উওরখান থানাধীন রাজাবাড়ী ঘাট সংলগ্ন তুরাগ নদীতে একটি মরদেহ ভাসছে। টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
মরদেহের পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো জামা, এবং হাতে একটি ঘড়ি ও পকেটে আইফোন পাওয়া যায়। তার সঙ্গে থাকা আইফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তাহসিফ সৌরি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন। মরদেহটি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আচরণবিধি বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, নির্বাচনে বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া এবং নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিধিমালার আওতায় অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং অনিয়মে প্রভাবিত ভোটকেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করা বা নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবে নির্বাচন কমিশন।
এ প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, "আমাদের বার্তা হলো, আচরণবিধি আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"
তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনের কাছে এলে তা যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রার্থিতা বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
ইসির হালনাগাদকৃত স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালায় নির্বাচনী অপরাধের জন্য শাস্তি, প্রার্থিতা বাতিল এবং অনিয়মপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল স্থগিতের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিধিমালার ৮০(ক) অনুযায়ী, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়া, ভয়ভীতি দেখানো, আঘাত করা কিংবা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও পর্যবেক্ষকের কাজে বাধা দেওয়া, তাদের শারীরিক ক্ষতি করা কিংবা দায়িত্ব পালনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নষ্ট করাও অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে বাধা দেওয়া, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে না দেওয়া বা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড, অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া হতে পারে।
এ ছাড়া, ভোট দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত বা অপেক্ষমাণ ব্যক্তিদের ভোট দিতে বাধা দিয়ে কেন্দ্র ত্যাগে বাধ্য করার চেষ্টার ক্ষেত্রেও সংশোধিত বিধিমালায় কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণের কথাও বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো উৎস থেকে পাওয়া রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে যে চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী কিংবা তার নির্বাচনী এজেন্ট বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন, কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে।
তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর কমিশন যদি সন্তুষ্ট হয় যে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট অথবা তাদের নির্দেশে অন্য কেউ বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন, তাহলে লিখিত আদেশের মাধ্যমে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা যাবে।
ভোটকেন্দ্রে বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি কিংবা অন্য কোনো অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করার ক্ষমতাও কমিশনের রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে কমিশন ফলাফল প্রকাশের নির্দেশ দিতে পারবে। অনুসন্ধানে ন্যায়সংগত মনে হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশও দেওয়া যেতে পারে।
সিইসি বলেন, নির্বাচনে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ। ভোটার স্লিপসহ নির্বাচনী প্রচারে কোন ধরনের উপকরণ কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা আচরণবিধিতে নির্ধারিত রয়েছে। এসব বিধান লঙ্ঘন করলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।
নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চাওয়ার কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসবে। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের উপস্থিতি থাকবে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা আচরণবিধি ষোলো আনা বাস্তবায়ন করতে চাই, কোনো ভয়ভীতি ছাড়া ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং ভোট দিয়ে নিরাপদে বাসায় ফিরতে পারেন, আমরা সেই ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।"
সিইসি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে কমিশনের প্রস্তুতি চলছে। বিভিন্ন পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, আনুমানিক ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। আইন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন। সাধারণত ভোটগ্রহণের প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হয়। আইনগতভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোর বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রতি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
সূত্র বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট গণনা সম্পন্ন হলেও কোনো রাজনৈতিক জোটকে স্পষ্ট বিজয়ী হিসেবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের ম্যাজিক ফিগার থেকে পিছিয়ে রয়েছে।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৯টা পর্যন্ত ৫০ লাখের বেশি ভোট গণনা হয়েছে, যা ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন কর্তৃক জানানো হয়েছে।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১২০ আসনের নেসেটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৩টি আসন পেতে যাচ্ছে। অপরদিকে, বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট ৪৮টি আসন পেতে পারে। ফলস্বরূপ, নির্বাচনের ফলাফলে কোনো জোটই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারছে না।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল ‘রা’আম এবং ‘জয়েন্ট লিস্ট’ বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, তারা নেসেটে রেকর্ড ১৯টি আসন জিততে পারে, যা বর্তমান সম্মিলিত ১০টি আসনের প্রায় দ্বিগুণ।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে, তবে কোনো জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
৫ লাখের বেশি বিশেষ ‘ডাবল-এনভেলপ’ বা দ্বৈত খামযুক্ত ব্যালট এখনও গণনা করা বাকি রয়েছে। এই ব্যালটগুলোর গণনার পর আসন বণ্টনের চিত্র পরিবর্তিত হতে পারে। ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন জানায়, দ্বৈত খামযুক্ত ব্যালট গণনা শুরু হয়ে গেছে।
এই ব্যালটের মধ্যে সেনাসদস্য, কূটনীতিক এবং নিবন্ধিত ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে ভোট দেওয়া ব্যক্তিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও, কারাবন্দি, চিকিৎসাকর্মী, শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোটকেন্দ্রে যেতে অক্ষম ব্যক্তি এবং বিদেশে ইসরাইলি মিশনে কর্মরত প্রতিনিধিদের ভোটও এই প্রক্রিয়ার অংশ।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর-এর হামলা এবং গাজায় সংঘটিত গণহত্যার পর অনুষ্ঠিত এবারের নির্বাচনকে নেতানিয়াহুর প্রধানমন্ত্রীর পদের ওপর গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন হয়নি, ৭৭ বছর বয়সী নেতানিয়াহু ভোটে পরাজিত হয়েছেন বলা যায় না।
নতুন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশের পর, আগামী সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ নতুন সরকার গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন।
চূড়ান্ত ফলাফল নিশ্চিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এরপর যিনি সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে করবেন, তাকেই সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সরকার গঠনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে শেষ পর্যন্ত ইসরাইলে আবারও নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
বুধবার জেরুজালেমে নিজের বাসভবনে এক বৈঠকে মঙ্গলবারের নির্বাচনে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট হারজোগ। গত দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এটি ছিল সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি।
তিনি বলেন, ‘এটি ইসরাইলি সমাজের জন্য গর্বের বিষয়। ইসরাইলে গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আকাঙ্ক্ষা কতটা গভীর, তা দেখে বিস্মিত হয়েছি।’
হারজোগ আরও জানান, আগামী সপ্তাহে তিনি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল হাতে পাওয়ার আশা করছেন। এরপর তিনি সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন।
তিনি বলেন, ‘গতকালের নির্বাচনের পর আমাদের অবশ্যই সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে, যাতে আরেকটি নির্বাচন এড়ানো যায়। সবার কাছে আমার প্রত্যাশা, এখানে আলোচনায় আসা প্রত্যেকেই খোলা মন নিয়ে আসবেন।
সূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ