বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ এম
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের রাজস্ব খাতভুক্ত ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ৯৫ জন প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২৬ নভেম্বর ২০২৬।
চাকরির বিবরণ
১. পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ৯
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।
২. পদের নাম: সাঁটলিপিকার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৩) ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা।
৩. পদের নাম: উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।
৪. পদের নাম: সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৪
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৪) ২৩,৫০০-৫৬,৮০০ টাকা।
৫. পদের নাম: গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৫) ২২,৮০০-৫৫,২০০ টাকা।
৬. পদের নাম: অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৪০
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।
৭. পদের নাম: ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
পদসংখ্যা: ২
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-১৬) ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা।
৮. পদের নাম: অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৩৩
বেতন স্কেল ও গ্রেড
(গ্রেড-২০) ২০,০০০-৪৮,৪০০ টাকা।
বয়সসীমা
১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়সসীমা ১৮-৩২ বছর হতে হবে।
আবেদনের নিয়ম
যে প্রার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তারা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন।
আবেদন ফি
১ থেকে ৭ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ১১২ টাকা; ৮ নম্বর পদের জন্য ফি ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমা
আবেদনপত্র পূরণ ও পরীক্ষা ফি জমাদানের জন্য শুরু হবে ২৯ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে। আবেদনপত্র জমাদানের শেষ সময় ২৬ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৪টা।
বিস্তারিত দেখুন এই ঠিকানায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে জানানো হয়েছে, খুলনা বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবার সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে অন্ধ্র প্রদেশ ও তার সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আকারে অবস্থান করছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়ও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৭ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ২১ মিনিটে এবং শুক্রবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৩ মিনিটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ের বেশ কিছু এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নকাজের জন্য আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার বিষয়টি ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ কর্তৃক জানানো হয়েছে।
এ তথ্য বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ধামরাই জোনাল অফিসের এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়াড়িয়া (একমি) ৩৩ কেভি লাইন এবং ধামরাই উপকেন্দ্রের আওতাধীন ছোট চন্দ্রাইল, বড় চন্দ্রাইল, খাত্রা, ছয়বাড়ীয়া, বাড়ীগাঁও, বাশাইল, কুল্লা, জলসীন, তালতলা, ইসলামপুর, কুমড়াইল, হাসপাতাল রোড, নতুন দক্ষিণপাড়া, থানা কমপ্লেক্স, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, আমিন মডেল টাউন, বরাতনগর, বরাত সেন্টার, ধানসিঁড়ি আবাসিক এলাকা ও ঢুলিভিটায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে।
ধামরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লিপিয়া খাতুন জানিয়েছেন, ৩৩ কেভি লাইনের তার উন্নীতকরণ এবং জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপারেশন কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ সংকটের মূল কারণ হলো, অস্ত্রোপচারের জন্য অত্যাবশ্যক অ্যানেসথেসিয়া কনসালটেন্টের পদ বছরের পর বছর শূন্য রয়েছে। এর ফলে সাধারণ রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতে কম খরচে চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ না থাকায় অনেক রোগী বাধ্য হয়ে বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আবার অর্থের অভাবে অনেকের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অপারেশন থিয়েটার দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জামও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সম্পূর্ণরূপে অস্ত্রোপচার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক রোগী বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার অনেকের পক্ষে চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না। কিছু রোগী জেলার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের জন্য আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে।
অপারেশন কার্যক্রম চালু রাখতে তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই অ্যানেসথেসিয়া কনসালটেন্টের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এ পদ শূন্য থাকায় অপারেশন বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন অপারেশন থিয়েটার ব্যবহার না করার কারণে মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে এবং কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যানেসথেসিয়া, সার্জারি ও অর্থোপেডিক কনসালটেন্টের পদ শূন্য রয়েছে। দামুড়হুদায় অ্যানেসথেসিয়া, সার্জারি ও অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট নেই। অন্যদিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসব পদের পাশাপাশি গাইনি কনসালটেন্টের পদও শূন্য রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় দুই শতাধিক রোগী সার্জারি, গাইনি ও অর্থোপেডিক সমস্যায় এসব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এলেও অস্ত্রোপচারের সুযোগ পাচ্ছেন না।
মনোহরপুর গ্রামের রোগী হাসিবুল ইসলাম বলেন, "আমাদের মতো গরিব মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসি। কারণ, এখানে কম খরচে ওষুধ ও অপারেশন করানো সম্ভব। আমাদের পক্ষে বাইরে ক্লিনিকে অপারেশন করানো ও চিকিৎসক দেখানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে রোগ শরীরে পুষে রাখতে হয়। অপারেশন করার জন্য অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক নেই। তাহলে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কীভাবে চলছে?"
হাটবোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মিয়া জানান, "আমার স্ত্রী বেশ কিছুদিন ধরে পেটে ব্যথা অনুভব করছিলেন। আল্ট্রাসনোগ্রাফি করানোর পর জানতে পারি, তার অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে জানানো হয়, সেখানে এখন অপারেশন বন্ধ। এত টাকা খরচ করে কীভাবে স্ত্রীর অপারেশন করাব? আবার সংসারই বা কীভাবে চালাব?"
স্বাস্থ্য বিভাগ জানাচ্ছে, শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ দেয়া গেলে এ সংকটের সমাধান সম্ভব। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদ বলেন, "স্বাস্থ্য বিভাগে জনবলসংকটের কারণে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য রয়েছে। অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক ছাড়া কোনো অস্ত্রোপচার করা সম্ভব নয়। এ কারণে বাধ্য হয়ে অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়েছে। শূন্য পদগুলোর বিপরীতে জনবল চেয়ে মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অ্যানেসথেসিয়ার পাশাপাশি সার্জারি, গাইনি ও অর্থোপেডিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ কনসালটেন্ট পদও শূন্য রয়েছে। এতে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জনবল পাওয়া গেলে অল্প সময়ের মধ্যেই এ সংকটের সমাধান সম্ভব হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হিলি রেলওয়ে স্টেশনে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতির অনুমোদন লাভ করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাসিন্দা এবং যাত্রীরা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত খুশি। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি করলে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতের প্রক্রিয়া সহজতর হবে। এছাড়া, হিলি স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ২৮ অক্টোবরের এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা এবং রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনা করে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান মন্তব্য করেন, "হিলি স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।" তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় এবং ভোগান্তি কমবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, "হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের।" তিনি জানান, এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল, কিন্তু তাতে কোনো সুফল মেলেনি। তবে, দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর অত্যন্ত আনন্দের। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বর্তমান সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এই পরিস্থিতিতে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি এবং আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ