ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাংলাদেশ ব্যাংক এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে


বাংলাদেশ ব্যাংক এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করছে

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ব্যাংক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও নতুন প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের ফলে সৃষ্ট সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এআইভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই লক্ষ্যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। দেশের আর্থিক খাতের পরিবর্তিত সাইবার নিরাপত্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো শক্তিশালী করা, সাইবার হামলা শনাক্ত করার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জটিল সাইবার আক্রমণ মোকাবিলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা হালনাগাদ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।

আরও পড়ুন: নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিকেএমইএ

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হাসান বাসসকে জানান, ‘আমরা শিগগিরই নীতিমালাটি প্রণয়ন করে তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেব। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা হালনাগাদ করবে।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে। এসব নির্দেশনা অনুসারে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে।

জাকির হাসান বলেন, সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ দল রয়েছে। সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ জন্য সার্বক্ষণিক সতর্কতা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার নিয়মিত হালনাগাদ প্রয়োজন।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সাইবার নিরাপত্তা উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী একটি বিষয়। তবে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো এ ধরনের কোনো সমস্যার মুখে পড়েনি।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামোর গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার

বাংলাদেশ ব্যাংক গত ২৯ মার্চ ‘সাইবার সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক, ভার্সন ১.০ (২০২৬)’ জারি করে। এর আওতায় তফসিলি ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রদানকারী এবং পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি অভিন্ন সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকসহ নিয়ন্ত্রণাধীন আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ কাঠামো বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

এ কাঠামোতে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও নিয়ন্ত্রণ, তথ্য ও প্রযুক্তি অবকাঠামোর সুরক্ষা, সাইবার হুমকি পর্যবেক্ষণ, নিরাপত্তাজনিত ঘটনা মোকাবিলা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, তৃতীয় পক্ষের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও আউটসোর্সিং কার্যক্রমের ঝুঁকি মোকাবিলা, নিরাপত্তা নিরীক্ষা এবং নির্দেশনা পরিপালন পর্যবেক্ষণের বিষয়ও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান জানালেন বাসসের প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

কাঠামোটি ছয়টি মূল কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এগুলো হলো—ঝুঁকি ও দুর্বলতা শনাক্ত করা, সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, হুমকি শনাক্ত করা, আক্রমণ মোকাবিলা করা, স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা এবং প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন তৈরি করা। এর মাধ্যমে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার হামলার আগেই প্রস্তুতি নেওয়া, হামলার সময় সম্ভাব্য ক্ষতি সীমিত রাখা এবং হামলার পর দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে আসার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আর্থিক খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তায় নানা চ্যালেঞ্জও তৈরি হচ্ছে। এআইভিত্তিক প্রযুক্তি বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, লেনদেনের অস্বাভাবিক ধরন শনাক্ত এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম চিহ্নিত করতে সহায়তা করতে পারে। অন্যদিকে, সাইবার অপরাধীরাও এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বাসযোগ্য ভুয়া বার্তা তৈরি, স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাইবার হামলা পরিচালনা, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নকল এবং গ্রাহকদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে পারে। এমনকি ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অনুপ্রবেশের চেষ্টাও হতে পারে।

এ কারণে ব্যাংকগুলোকে প্রযুক্তিগত সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি দক্ষ জনবল, কার্যকর ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যারের সময়মতো হালনাগাদ এবং সাইবার হামলা মোকাবিলার সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তাবিত নীতিমালার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিদ্যমান প্রযুক্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারবে। তবে নীতিমালার সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো কমিটির সুপারিশ ও চূড়ান্ত নীতিমালার ওপর নির্ভর করবে।

সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়েছে গত ২২ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘটনায়। আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওই দিন ওয়েবসাইটটি বন্ধ করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরও পড়ুন: পাইওনিয়ার ব্যাংকের নিলামে বিক্রি হওয়া ২৬৮ শতাংশ জমি হস্তান্তর

ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির কয়েকটি গুরুতর নিরাপত্তা দুর্বলতা নিয়ে এ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। গত ২১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর যৌথ সতর্কবার্তায় বলা হয়, এসব দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা আক্রান্ত সার্ভারে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে। দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি দল পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করার পর গত ২৫ অক্টোবর সকাল ৮টায় ওয়েবসাইটটি আবার চালু করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ওই সময় বাসসকে জানান, কোনো ব্যাংকের ওয়েবসাইট হ্যাক হয়নি। ডিজিটাল লেনদেনসহ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায়ও কোনো ঝুঁকি নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার হামলার ঘটনা নিশ্চিত না হলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, সময়মতো নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির গুরুত্ব তুলে ধরেছে ওয়েবসাইট সাময়িক বন্ধ রাখার এ ঘটনা।

আরও পড়ুন: দেশের বাজারে নতুন রূপে হান্টার ৩৫০ ও ক্লাসিক ৩৫০ আনল রয়্যাল এনফিল্ড

এদিকে, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে তাদের ব্যাংক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা আমাদের সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামো শক্তিশালী করছি। এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সাইবার হুমকি আরও জটিল হয়ে উঠছে। তাই ব্যাংকগুলোকে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং নিয়মিত নিরাপত্তাব্যবস্থা হালনাগাদ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু উন্নত প্রযুক্তি থাকলেই হবে না; দক্ষ জনবল, নিয়মিত কর্মী প্রশিক্ষণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি।

আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘সাইবার নিরাপত্তা এককালীন কোনো উদ্যোগ নয়, এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ব্যাংকগুলোকে আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে হবে, সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে এবং সন্দেহজনক কার্যক্রমের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যাংকিং সেবার নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আরও পড়ুন: পুলিশের ওপর হামলা ও ওসিকে হত্যার হুমকির ঘটনায় প্রিন্সসহ ৭ জন কারাগারে

সাইবার নিরাপত্তা জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি বাড়ানো এবং নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে উদীয়মান ঝুঁকি সম্পর্কে তথ্য বিনিময়ে ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

বাংলাদেশের আর্থিক খাত ক্রমেই ডিজিটাল ব্যাংকিং, মোবাইল আর্থিক সেবা, অনলাইন পেমেন্ট এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে। এসব সেবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষা, লেনদেনের নিরাপত্তা এবং আর্থিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

বড় ধরনের সাইবার হামলায় ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হতে পারে, সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস হতে পারে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যেতে পারে। তাই পুরো আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, সাইবার হামলা মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কার্যক্রম পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

এআইভিত্তিক নতুন সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা এবং বিদ্যমান সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো দেশের আর্থিক খাতকে দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি পদক্ষেপ। তবে এর কার্যকারিতা নির্ভর করবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর যথাযথ বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, দক্ষ জনবল এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার ধারাবাহিক উন্নয়নের ওপর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য নতুন প্রযুক্তি আর্থিক সেবার ধরন বদলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ, স্থিতিশীল ও আস্থাশীল ডিজিটাল ব্যাংকিং পরিবেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর পৌরসভার ২৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী পেলেন অবসরকালীন বকেয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


চাঁদপুর পৌরসভার ২৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী পেলেন অবসরকালীন বকেয়া

চাঁদপুর, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) পরিশোধের কাজ সম্পন্ন হয়েছে চাঁদপুর পৌরসভায়।

আজ রোববার বিকেল ৩টায় পৌর পাঠাগারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পৌরসভার ২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে মোট ২ কোটি ২১ লাখ ৬৬ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।

তিনি অনুষ্ঠানে বলেন, "অনেক দিন পর হলেও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের প্রাপ্য অর্থ পেয়েছেন।" তিনি পৌর প্রশাসককে অনুরোধ করেন, ভবিষ্যতে অবসরপ্রাপ্তদের জন্য প্রতি মাসে যে অর্থ কাটা হয়, তা যেন নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করা হয়।

সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক আরও বলেন, "অবসর জীবনে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে সবার আগে নিজেদের দেনা পরিশোধ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা সবাই দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই। যারা দুর্নীতি করবে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।"

তিনি চাঁদপুর পৌরসভাকে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হয়, তা সবার জানা। যারা ৩০ কোটি টাকা বকেয়া রেখে গেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর পৌর প্রশাসক দেবাশীষ চৌধুরী এবং নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নূর আজম শরীফ সঞ্চালনা করেন। বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তার হোসেন মাঝি, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী ও পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি মো. মফিজ উদ্দিন হাওলাদার।

বকেয়া পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী সামছুদ্দোহা এবং পৌর হাফেজ মাহমুদা উচ্চবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী সুরাইয়া বেগম তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আরিফ মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : আগামীকাল পালিত হবে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস। প্রতিবছর ২ নভেম্বর এই দিবসটি উদযাপন করা হয়ে থাকে।

দিবসটি দেশব্যাপী পালন করা হবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির উদ্যোগে। এবারের দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ হিসেবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ডিএমসিএইচ) ব্লাড ব্যাংকে ১৯৭৮ সালের ২ নভেম্বর প্রথমবারের মতো স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে সন্ধানী। এরপর ১৯৯৫ সালে, সন্ধানী আয়োজিত প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে রাখতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২ নভেম্বরকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

‘সন্ধানী’ বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান আন্দোলনের পথিকৃৎ। রক্তদানের পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানটি মানুষের চক্ষু ব্যাংক হিসেবেও কাজ করে। মৃত্যুর আগে স্বেচ্ছাপ্রণোদিত চক্ষুদানের জন্য মানুষকে উৎসাহিত করে সন্ধানী, যাতে মৃত্যুর পর সেই কর্নিয়া অন্যের চোখে প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয়।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, অন্ধত্ব বাংলাদেশের অন্যতম একটি সমস্যা। একজন অন্ধ ব্যক্তি তার পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য অনেক ক্ষেত্রেই বোঝা হয়ে দাঁড়ান। দেশে অন্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ, যার মধ্যে কর্ণিয়াজনিত অন্ধের সংখ্যা পাঁচ লক্ষাধিক। প্রতিবছর নতুন করে ৪০ হাজার মানুষ এই সমস্যায় যুক্ত হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে মরণোত্তর চক্ষুদানে অঙ্গীকারবদ্ধ মৃত ব্যক্তি ও বেওয়ারিশ মৃতদেহ থেকে কর্ণিয়া সংগ্রহ করে আসছে সন্ধানী। সংগৃহীত কর্ণিয়া সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের চোখে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত প্রতিস্থাপিত সব কর্ণিয়াই সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির মাধ্যমে সংগৃহীত হয়েছে।

একজন মানুষের কর্ণিয়া অন্য একজন কর্ণিয়াজনিত অন্ধ মানুষের চোখে প্রতিস্থাপন করলে সেই অন্ধ ব্যক্তি পৃথিবীর আলো দেখতে পায়, এই বিষয়টি সন্ধানী প্রথম এ দেশে তুলে ধরেছে। ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে এ তথ্য ছড়িয়ে দিতে পারলে কর্ণিয়া সংগ্রহ ও প্রতিস্থাপনের কাজ আরও সহজ হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বে নজির স্থাপন করতে পারবে।

দিবসটি উপলক্ষে আগামীকাল সকাল ৯ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি র‌্যালি বের হবে। র‌্যালিটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।

এদিকে, জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে আগামীকাল সকাল ১০ টায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শরীয়তপুরে ফ্যামিলি কার্ডের খানা জরিপ কার্যক্রম শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


শরীয়তপুরে ফ্যামিলি কার্ডের খানা জরিপ কার্যক্রম শুরু

শরীয়তপুর, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ইউনিয়নের ১, ৩, ৭ নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় খানা তথ্য সংগ্রহের জন্য খানা জরিপ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এবং সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এবং শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সুজা উদ্দিন, সখিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সরদার, বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম রাজিব, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদকসহ দুই জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদকসহ দুই জন আটক

কুষ্টিয়া, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানের বিভিন্ন পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

এই অভিযানের ফলে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদক ও অন্যান্য পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫০ টাকা।

আজ রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশ করেন, লে. কর্নেল আবু রাশেদ কামাল রনি।

বিজিবি জানায়, উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৪১ বোতল ভারতীয় মদ, ১ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, ৩ বোতল স্কাপ সিরাপ, ১শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৩ হাজার পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট, ৪ কেজি গাঁজা, ৯৯৮ পিস চকলেট বাজি, দুটি সিমকার্ড ও একটি মোবাইল ফোন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কাজিপুর ব্রিজ বাজার এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবি। এই সময় সাইদুর ইসলাম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ১ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও ৩ বোতল স্কাপ সিরাপসহ আটক করা হয়।

একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মোহাম্মদপুর মাঠে অভিযান চালিয়ে সুভেল (২৬) নামে আরেক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১০ বোতল ভারতীয় মদ, ১শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, দুটি সিমকার্ড ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া, রাত সাড়ে ১১টার দিকে তেঁতুলবাড়ি মোল্লাপাড়া মাঠ থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ ও ৩ হাজার পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পশ্চিম ধর্মদাহ মাঠ থেকে ২১ বোতল ভারতীয় মদ ও ৯৯৮ পিস চকলেট বাজি উদ্ধার করা হয়। একই দিন রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে প্রাগপুর বিওপির সদস্যরা প্রাগপুর চুলকানির ঘাট এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন।

বিজিবি আরও জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালানের মালামাল বিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানায় কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)। ভবিষ্যতেও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%