ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাত রোধে মাসব্যাপী তালবীজ রোপণের উদ্বোধন


রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাত রোধে মাসব্যাপী তালবীজ রোপণের উদ্বোধন

রাঙ্গামাটি, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : অতিরিক্ত বজ্রপাত প্রতিরোধ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে আজ জেলায় মাসব্যাপী তালবীজ রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার সকালে, শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাঙ্গামাটি সদর সেনাবাহিনীর জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো.একরামুল রাহাত। এই উদ্যোগটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হিল সার্ভিস’ দ্বারা আয়োজিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন হিল সার্ভিসের সভাপতি মিনারা বেগম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক, জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম শাকিল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু সাদাৎ মো. সায়েম, উপদেষ্টা শাহিদা আকতার, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহম্মেদ এবং জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হাবীব আজম।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় নিহত ৪০ বছর বয়সী মোটরসাইকেল চালক

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লে. কর্নেল মো.একরামুল রাহাত বলেন, "প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সকলকে যার যার অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে কাজ করতে হবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, "প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বজ্রপাত রোধে তাল বীজ লাগানোর যে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রম সফল করতে সদর জোনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।"

আলোচনা সভার পর, জোন কমান্ডার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তাল বীজ রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

আয়োজকরা বাসস’কে জানিয়েছেন, রাঙ্গামাটি শহরের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায়ও তাল বীজ রোপণ করা হবে।

আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৭৫০ বস্তা সিমেন্টসহ ১২ জন আটক

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে পালিত হলো জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


নাটোরে পালিত হলো জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস

নাটোর, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে নাটোরে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে আজ সোমবার সকাল ১০টায় নাটোর জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরীফুল হক।

বক্তারা সভায় উল্লেখ করেন, প্রতিবছর দেশে অন্তত ১০ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়ে থাকে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে এই চাহিদা মেটানো সম্ভব। তাছাড়া, দেশে কর্নিয়াজনিত অন্ধ মানুষের সংখ্যা ৫ লাখ, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ১৫ বছরের কম বয়সী। মৃত্যুর পরে কর্নিয়া দান করা হলে অন্ধ শিশুর চোখের আলো ফিরে আসবে এবং তারা পৃথিবী দেখতে পারবে। তাই রক্ত ও মরণোত্তর কর্নিয়া দানে সচেতন ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার জন্য বক্তারা আহ্বান জানান।

দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজনও করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুফতি তাকি উসমানি ২২ নভেম্বর বাংলাদেশে আসছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


মুফতি তাকি উসমানি ২২ নভেম্বর বাংলাদেশে আসছেন

মুসলিম বিশ্বের বিশিষ্ট আলেম, ইসলামি চিন্তাবিদ এবং ফকিহ মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি বাংলাদেশ সফরে আসার কথা জানিয়েছেন।

রোববার (১ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাজধানীর শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও শাইখুল হাদিস মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ।

তিনি উল্লেখ করেছেন, আগামী ২২ নভেম্বর রোববার বাদ জোহর রাজধানীর কাওলা নামাপাড়ায় শাইখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের উদ্যোগে ১৫ সালা দস্তারবন্দী মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি। বাংলাদেশ সফরের সময় তিনি আরও কয়েকটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন।

মুফতি তাকি উসমানি বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পণ্ডিত, আইনবিদ, বিচারক এবং দেওবন্দি আন্দোলনের বুদ্ধিবৃত্তিক নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি করাচি বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় (লাহোর) থেকে আরবি সাহিত্যে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন (১৯৭০)। আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি তিনি করাচির দারুল উলুম থেকে ইসলামি শিক্ষা সম্পন্ন করেন এবং হাদিস, ফিকহ ও তাসাউফে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।

১৯৮২ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের শরিয়ত আপিল বেঞ্চের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৮১ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি ফেডারেল শরিয়ত কোর্টের বিচারক ছিলেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত জিয়াউল হকের নেতৃত্বাধীন ইসলামি আদর্শ কাউন্সিলের (Council of Islamic Ideology) সদস্য হিসেবে কাজ করেন এবং হুদুদ অধ্যাদেশ প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামি ফিকহ একাডেমি (জেদ্দা) এবং বাহরাইনভিত্তিক ইসলামি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাব ও নিরীক্ষা সংস্থার (AAOIFI) শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও, দারুল উলুম করাচির শাইখুল হাদিস ও নায়েবে মুহতামিম হিসেবে কাজ করছেন। ২০২১ সাল থেকে তিনি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মুফতি তাকি উসমানি আধুনিক ইসলামি ব্যাংকিং ও সুদবিহীন অর্থব্যবস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ। তিনি মিযান ব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শরিয়াহ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন।

তিনি আরবি, উর্দু ও ইংরেজি ভাষায় ১৪৩টির বেশি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে:

১. ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ ও তাফসীর (তাওযীহুল কুরআন)।

২. সহিহ মুসলিমের ওপর ৬ খণ্ডের আরবি শরিহ গ্রন্থ ‘তাকমিলাতু ফাতহিল মুলহিম’।

৩. ইসলামি বাণিজ্যিক আইন ও অর্থনীতি নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ফিকহুল বুয়ূ’।

৪. ‘উসূমুল কুরআন’ ও ‘আপ্রোচ টু দ্য কুরআনিক সায়েন্সেস’।

ইসলামে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাকে ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ পদকে ভূষিত করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশনের দ্বিতীয় দিনেই অনিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


রাজধানীতে বাস রুট রেশনালাইজেশনের দ্বিতীয় দিনেই অনিয়ম

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ছয়টি রুটে ছয়টি কোম্পানির অধীনে ৭৮০টি বাস চলাচল করছে। এসব বাস নির্দিষ্ট রঙয়ে সাজানো হয়েছে এবং কোম্পানিগুলো এগুলো পরিচালনা করছে। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে ওঠানো এবং নামানোর ক্ষেত্রে এখনও পুরোনো বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান রয়েছে।

নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস থামানো, সারিবদ্ধভাবে যাত্রী ওঠানো এবং টিকিটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, দ্বিতীয় দিনেই নানা অনিয়ম দেখা গেছে।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা করলেও যাত্রী তোলা হচ্ছে যত্রতত্র। সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পুরোনো বাস দিয়ে কতটা কার্যকর হবে এই উদ্যোগ।

রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নতুন উদ্যোগ ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। এতে নিয়ম মেনে নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী নেয়ার কথা ছিল 'ভিআইপি' বাসের।

তবে আজিমপুর এলাকায় দেখা যায়, সিগনাল ছাড়াই দ্রুত রাস্তা পার হচ্ছিল 'ভিআইপি' পরিবহনের একটি বাস। হাতের ইশারায় বাসের গতি মন্থর করে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে বাসে উঠছেন। অথচ সেখানে বাসের নির্ধারিত কোনো স্টপেজ ছিল না।

আজিমপুর থেকে গাজিপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া 'ভিআইপি' পরিবহন এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া 'সিটি সার্ভিস' বাস যথাসময়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার প্রবণতা ছিল লক্ষণীয়। তবে কোনো বাসেই আলাদা টিকেটিং সিস্টেম ছিল না। মালিক পক্ষের বক্তব্য, পুরোপুরি রেশনালাইজেশন পদ্ধতি অনুসরণ করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন।

পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো বাস দিয়ে শুধু কোম্পানিভিত্তিক চলাচল শুরু করলেই প্রকৃত রুট রেশনালাইজেশন সম্ভব নয়। আধুনিক বাস, স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায় ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ভূমিকম্পের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতির উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণ এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এসব বিষয় তুলে ধরেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাগুলোতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি, ঝুঁকিপূর্ণ ও পুরোনো ভবন শনাক্তকরণ, ভবন নির্মাণে জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা পরিচালনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও তিনি আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, রাজউক, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

তিনি হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা, উদ্ধার সরঞ্জামের পর্যাপ্ততা, উদ্ধারকর্মীদের প্রশিক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভূমিকম্পবিষয়ক সচেতনতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজুসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%