০৪:৫০ পি.এম
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ছয়টি রুটে ছয়টি কোম্পানির অধীনে ৭৮০টি বাস চলাচল করছে। এসব বাস নির্দিষ্ট রঙয়ে সাজানো হয়েছে এবং কোম্পানিগুলো এগুলো পরিচালনা করছে। তবে যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে ওঠানো এবং নামানোর ক্ষেত্রে এখনও পুরোনো বিশৃঙ্খলা বিদ্যমান রয়েছে।
নির্দিষ্ট স্টপেজে বাস থামানো, সারিবদ্ধভাবে যাত্রী ওঠানো এবং টিকিটিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, দ্বিতীয় দিনেই নানা অনিয়ম দেখা গেছে।
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বাস গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা করলেও যাত্রী তোলা হচ্ছে যত্রতত্র। সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, পুরোনো বাস দিয়ে কতটা কার্যকর হবে এই উদ্যোগ।
আরও পড়ুন: মিরপুর-উত্তরায় হকারদের জন্য বিকল্প স্থান খোঁজা হচ্ছে: ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নতুন উদ্যোগ ১ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে। এতে নিয়ম মেনে নির্ধারিত স্টপেজে যাত্রী নেয়ার কথা ছিল 'ভিআইপি' বাসের।
তবে আজিমপুর এলাকায় দেখা যায়, সিগনাল ছাড়াই দ্রুত রাস্তা পার হচ্ছিল 'ভিআইপি' পরিবহনের একটি বাস। হাতের ইশারায় বাসের গতি মন্থর করে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে বাসে উঠছেন। অথচ সেখানে বাসের নির্ধারিত কোনো স্টপেজ ছিল না।
আজিমপুর থেকে গাজিপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া 'ভিআইপি' পরিবহন এবং মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া 'সিটি সার্ভিস' বাস যথাসময়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার প্রবণতা ছিল লক্ষণীয়। তবে কোনো বাসেই আলাদা টিকেটিং সিস্টেম ছিল না। মালিক পক্ষের বক্তব্য, পুরোপুরি রেশনালাইজেশন পদ্ধতি অনুসরণ করতে তাদের আরও সময় প্রয়োজন।
পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো বাস দিয়ে শুধু কোম্পানিভিত্তিক চলাচল শুরু করলেই প্রকৃত রুট রেশনালাইজেশন সম্ভব নয়। আধুনিক বাস, স্বয়ংক্রিয় ভাড়া আদায় ব্যবস্থা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: ফরিদপুরে বাস উল্টে খাদে, ২০ যাত্রী আহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন