শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২৪ পি.এম
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১২৬২ জন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। ২০২৩ সালে এই রোগে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭০৫ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উত্তরাখণ্ডের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ছয়জন আরোহী ছিলেন। হেলিকপ্টারে পাইলটসহ পাঁচজন তীর্থযাত্রী উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার পর আরোহীদের উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু করেছে।
রাজ্যের চামোলি জেলার জোশিমঠের নিকটবর্তী একটি গ্রামের কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান বদরীনাথ থেকে উড্ডয়ন করার পর হেলিকপ্টারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। ওই এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও দৃষ্টিসীমা কমে যাওয়ার খবরের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হিমালয় অঞ্চলের রাজ্য উত্তরাখণ্ডে চীন ও নেপাল সীমান্তের নিকট বেশ কিছু পবিত্র তীর্থস্থান রয়েছে, যেখানে প্রতিবছর লাখ লাখ পুণ্যার্থী যান।
বদরীনাথ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চার ধাম তীর্থযাত্রার অন্যতম প্রধান স্থান। অন্যান্য তিনটি স্থান হলো কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রী। এই মন্দিরগুলোতে পৌঁছাতে দুর্গম পাহাড়ি উপত্যকা পার করতে হয়। শীতকালে তীব্র আবহাওয়ার কারণে বছরের নির্দিষ্ট সময় ছাড়া এসব মন্দির বন্ধ থাকে।
দুর্গম পাহাড়ি পথ এড়াতে তীর্থযাত্রীদের মধ্যে হেলিকপ্টার সেবা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে একাধিক দুর্ঘটনার কারণে এসব সেবার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শুক্রবারের দুর্ঘটনার সময় ওই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হচ্ছিল। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ এলাকায় কমলা সতর্কতা জারি করেছিল, যেখানে বজ্রঝড়, শিলাবৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী ধামি জানান, জেলা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ উদ্ধার অভিযান চলছে। তিনি বলেন, ‘আমি পুরো বিষয়টি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছি।’
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ বর্তমানে অন্যান্য দেশের সঙ্গে সমান অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে, এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, "এ সরকার গোলামির সরকার না। বর্তমান সরকারের ওপর দারুণ আগ্রহ আছে বিশ্বের।"
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে দুদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানিয়েছেন, যা ২ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
তিনি উল্লেখ করেন, "জাপান থেকে ৬ বিলিয়ন ডলার আসার সম্ভাবনা আছে। তা ঋণ বা বিনিয়োগ আকারে আসতে পারে। ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের বিষয়ে জাপান থেকে অর্থনৈতিক মিশন আসবে দ্রুতই।"
বিগ বি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা-টোকিওর মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা হয়েছে। তবে অন্য কোনো দেশের প্রসঙ্গে আলোচনা হয়নি। বিগ বি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের প্রসঙ্গ ছিল না।
হুমায়ুন কবির আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাপান থেকে এলএনজি আনতে যাননি। তিনি জাপানের এলএনজি টার্মিনাল দেখতে গিয়েছিলেন। কারণ বাংলাদেশও টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, "কোনো ধরনের ঊর্ধ্বতন বা অধস্তন হিসেবে নয়, বাংলাদেশ এখন অন্য দেশের সঙ্গে সমান সমান অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। এ সরকার গোলামির সরকার না। গত ১৫ বছর গোলামি করে বেড়িয়েছে বিগত সরকার। বর্তমান সরকারের ওপর দারুণ আগ্রহ বিশ্বের।"
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের মাতারবাড়ি নিয়ে করা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হুমায়ুন কবির বলেন, জামায়াতের আমির বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব নিয়ে মন্তব্য করেছেন যৌথ বিবৃতি না পড়েই। তিনি বলেন, "আগে যৌথ বিবৃতিটা পড়েন। পড়ে দায়িত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় শাস্ত্রীয় সুরের বাদ্যযন্ত্র তবলায় তাল ও ছন্দ তুলে একটি রেকর্ড স্থাপন করেছে ভারতের কর্ণাটকের উত্তর কন্নড় জেলার হোন্নাভারার বিস্ময়বালিকা স্বরশ্রী হেগড়ে। মাত্র ২ বছর ১০ মাস বয়সে, ১২টি ভিন্ন তাল বাজানোর পাশাপাশি মুখে সেগুলোর বোল আবৃত্তি করে ‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস’-এ নাম লিখিয়েছে এই ক্ষুদে প্রতিভা।
সাধারণত শাস্ত্রীয় সংগীতের তালগুলো আয়ত্ত করতে দীর্ঘ সময়ের অনুশীলন ও মনোযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু স্বরশ্রী ৩ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই নিখুঁত ছন্দজ্ঞান, সমন্বয় এবং হাতের সুনির্দিষ্ট সঞ্চালনে তা আয়ত্ত্বে এনেছে। এই অর্জন সংস্কৃতি অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে স্বরশ্রীর রেকর্ড গড়ার মুহূর্তের ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শুভ্র সাদা ফ্রক পরে তবলা ও মাইক্রোফোনের সামনে বসে আছে স্বরশ্রী। হাজার হাজার দর্শকের সামনে ছোট ছোট হাতে বাজিয়ে শোনাচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন তবলার ১২টি তাল।
স্বরশ্রীর পরিবার সংগীতের সাথে যুক্ত। তার বাবা গুরুরাজ হেগড়ে আদুকালা একজন পেশাদার তবলা বাদক এবং মা শ্রিলতা হেগড়ে হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের শিল্পী। বাবার কাছে শিক্ষার্থীদের তবলা শেখা দেখেই বাদ্যযন্ত্রটির প্রতি তার প্রবল আগ্রহ জন্মায়।
মেয়ের আগ্রহ দেখে তার বাবা-মা তার জন্য বিশেষভাবে ছোট আকারের দুটি তবলা তৈরি করে দেন, যা দিয়ে সে নিয়মিত অনুশীলন শুরু করে। আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে সংগীতচর্চার শুরু। যা এখন অসাধারণ সাফল্যে রূপ নিয়েছে।
এদিকে, স্বরশ্রীর রেকর্ড গড়ার মুহূর্তের ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই শিশুটির অসাধারণ প্রতিভা নিয়ে প্রশংসায় মেতেছেন সংগীতজ্ঞ ও নেটিজেনরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ’ বা বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করে।
প্রকল্পের সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুসরণ করে রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালব পরীক্ষার যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, সেটি সফলভাবে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
পরবর্তী ধাপ হিসেবে ‘বি-২’ শুরু হয়, যেখানে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করার পর প্রাথমিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ক্রিটিক্যালিটি’ পর্যায় শুরু হয়। ‘ক্রিটিক্যালিটি’ হচ্ছে একটি নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে চুল্লিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ বা পরমাণু বিভাজন শুরু হয় এবং ধাপে ধাপে স্থিতিশীল ও নিরাপদ উপায়ে শক্তি উৎপাদন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করা সম্ভব হলে জাতীয় গ্রিডে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ‘ভিভিইআর-১২০০’ রিঅ্যাক্টরের প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রমও রাশিয়া শুরু করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ