ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

দিনাজপুরে শিশুর পায়ুপথে বাতাস দেওয়ার অভিযোগে দোকানি গ্রেপ্তার


দিনাজপুরে শিশুর পায়ুপথে বাতাস দেওয়ার অভিযোগে দোকানি গ্রেপ্তার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একটি ভলকানাইজিং মেশিন ব্যবহার করে শিশুর (৮) পায়ুপথে বাতাস দেওয়ার অভিযোগে আফজাল হোসেন নামের এক দোকানিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) শিশুটির বাবা ঘোড়াঘাট থানায় মো. আফজাল হোসেন ও অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করে লিখিত এজাহার দাখিল করেন। এরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২ নভেম্বর উপজেলার পালশা ইউনিয়নের ডুগডুগীহাট বাজারে আফজাল হোসেনের ভলকানাইজিং দোকানে শিশুটির পায়ুপথে বাতাস প্রবেশ করানো হয়। এই ঘটনার ফলে শিশুটির পায়ুপথ ফেটে রক্তাক্ত ও জখম হয়েছে।

শিশুটির বাবা জানান, ছেলের মুসলমানি উপলক্ষে তিনি ২৫ অক্টোবর শ্বশুরবাড়ি চৌরিয়া গ্রামে গিয়েছিলেন। ২৬ অক্টোবর ছেলের মুসলমানি সম্পন্ন হওয়ার পর ২৭ অক্টোবর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন। এর মধ্যে ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় শ্বশুরের মাধ্যমে ছেলের অসুস্থতার খবর পান। পরে শিশুটিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পলাতক হাসিনাকে দেশে ফিরতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শিশুটির বাবার দাবি, হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন শরীরের ভেতরে বাতাস রয়েছে। পরে শিশুটির কাছে জানতে চাইলে সে জানায় অভিযুক্ত আফজাল হোসেনের দোকানে হাওয়া মেশিন দিয়ে তার পায়ুপথে বাতাস প্রবেশ করানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শিশুটিকে হত্যার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করার অভিযোগও তিনি করেছেন।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, বিষয়টি নিয়ে মামলা রুজু হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে ট্রাকভর্তি ভারতীয় কসমেটিকসসহ দুইজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


হবিগঞ্জে ট্রাকভর্তি ভারতীয় কসমেটিকসসহ দুইজন আটক

হবিগঞ্জ শহরের পোদ্দারবাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় কসমেটিকসসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়, ট্রাকসহ। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ট্রাকচালক সেলিম এবং তার সহকারী শিপন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহাসড়কে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকায় চোরাকারবারিরা বাইপাস ও আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করছে। শুক্রবার রাতে ভারতীয় কসমেটিকস বোঝাই একটি ট্রাক বহুলা আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে দ্রুতগতিতে চলছিল, এসময় গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ। পরে ট্রাকটি আটক করে তল্লাশি করা হয়।

তল্লাশির সময় ট্রাক থেকে কার্টনভর্তি ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, আটক ট্রাকচালকদের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে যে, জব্দ করা মালামাল বহুলা গ্রামের সোহেল আহমেদ চৌধুরী ও কুমিল্লার বাসার আহমেদের। জব্দ করা কসমেটিকসের বাজারমূল্য প্রায় ৭৮ লাখ টাকা।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো চোরাকারবারিকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠানো হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে পাঠানো হয়েছে

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন পূর্ব বাকাল গ্রামের মৃত সোলেমান সরদারের ছেলে ও বাকাল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. অলিউল রহমান, মধ্য শিহিপাশা গ্রামের হালিম খলিফার ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রবিউল খলিফা, এবং বাকাল গ্রামের হানিফ মৃধার ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য রাব্বি মৃধা। এছাড়া, গৈলা ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ও পূর্ব সুজনকাঠী গ্রামের রজব আলী সরদারের ছেলে কামরুল সরদার, উত্তর শিহিপাশা গ্রামের শাহে আলম সরদারের ছেলে ও গৈলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল সরদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও কালুপাড়া গ্রামের মৃত আশ্রাব সরদারের ছেলে সরোয়ার সরদার, এবং মুড়িহার গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রাজিব সরদারও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার রাতে আগৈলঝাড়া-পয়সারহাট সড়কের বাকাল পয়সা এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। এই ঘটনার পর রাতেই থানা-পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় শুক্রবার রাতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


খুলনায় নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা-ভাঙচুর

"নুর আজিমকে চেনেন?" মাসখানেক আগে নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দায়িত্বে থাকা একজনের কাছে ফোন করে জানতে চাওয়া হয়েছিল। উত্তরে না বলায় ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, "তাহলে এসে চিনিয়ে দেবানি।" এই হুমকির এক মাস পর, আজ শনিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ৮-৯ জন যুবক চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা চালায়।

হামলার সময় তারা রিসেপশন কাউন্টার, এসি এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। তারা রিসেপশনে থাকা এক নারীর মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেয়।

নগরীর খানজাহান আলী রোডে সুলতানা হামিদ আলী স্কুলের বিপরীতে অবস্থিত নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি খুলনা নগরীতে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর এবং চাঁদাবাজির আতঙ্ক যেন কাটছেই না। একের পর এক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে নগরীর ব্যস্ততম বাবুখান রোড এলাকার সন্ধানী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্সে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ৮ থেকে ১০ জন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত আকস্মিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রবেশ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে, হামলাকারীরা ক্লিনিকে ঢুকেই অতর্কিত ভাঙচুর শুরু করে। তারা চেম্বারের সামনের গ্লাস, বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং রিসেপশন কাউন্টারের থাই গ্লাস ও কাঁচের জিনিসপত্র চুরমার করে ফেলে। এ সময় প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণভয়ে অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন।

হামলাকারীরা ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত স্টাফদের ওপর চড়াও হয়। এ সময় রিপোর্ট প্রদানকারী কর্মী ইকবাল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। হামলায় ক্লিনিকের অপর এক কর্মকর্তা সুরেশ রায়ও আহত হন। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় বাইরে ফাঁকা গুলি ছুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ভীতি সৃষ্টি করে এবং পায়ে হেঁটে বাবুখান রোডের দিকে পালিয়ে যায়।

তবে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পক্ষ বলছে, তারা কোন অভিযোগ করবে না। তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অভিযোগ করলে আবারও হামলার আশংকাও তাদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও ওই প্রতিষ্ঠানে বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মুঠোফোনে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, খুলনা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে এ ধরনের হামলার প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে। বিশেষ করে শামসুর রহমান রোড এবং বাবুখান রোড এলাকার বেশ কয়েকটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরপর এমন নাশকতা ঘটলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এর আগে গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় নগরীর শামসুর রহমান রোডের রংধনু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং আব্দুল্লাহ প্যাথলজিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায় দুর্বৃত্তরা। তারও আগে ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় বাবুখান রোডের সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা হয়। একই প্রতিষ্ঠানের সোনাডাঙ্গা এলাকার মজিদ সরণিতে অবস্থিত সন্ধানী মেডিকেয়ার হাসপাতালেও ভাঙচুর চালানো হয়।

এসব ঘটনায় মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য দেওয়া হয়নি। বরং কারো কারো কাছে জানতে চাইলে তারা ভয়ে-আতঙ্কে মুখতে নারাজ।

চাঁদাবাজির অভিযোগে নগরীর টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড মোড়ের ঐতিহ্যবাহী চয়নিকা ফার্মেসিও গত ২৯ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাদের কেউ কেউ চেম্বার বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

এদিকে, একের পর এক চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে খুলনার স্বাস্থ্যসেবা খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের ঘটনা অব্যাহত থাকলে চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং নগরীর স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অপরদিকে খুলনা মহানগরীতে অন্তত নয়টি বাহিনী বিভিন্ন নামে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারে জড়িত বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। যার একটি হলো ‘নুর আজিম’ এর নেতৃত্বাধীন নুর আজিম বাহিনী।

অভিযোগ রয়েছে, মাঝেমধ্যে এসব বাহিনীর সদস্যদের অস্ত্রসহ কিংবা অস্ত্র ছাড়াই গ্রেপ্তার করা হলেও তাদের অনেকে দ্রুত জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্যসচিব এডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার বলেন, খুলনার বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান সমস্যা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবার। এসব অপরাধ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নগরবাসীও এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চান।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তিকে মাসখানেক আগে ফোন করে দুর্বৃত্তরা নুর আজিমকে চেনেন কি না, জানতে চেয়েছিল। এরপর শনিবার তারা প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। হামলাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, অভিযুক্তরা নুর আজিমের অনুসারী একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল মাঠে রয়েছে, অভিযানও চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের একটি স্থাপনা থেকে লুট করা ৩৭ রাউন্ড আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিসহ মুহিত সোবহান (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তারটি ঘটে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার সাভার মডেল থানার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সিংগাসার এলাকা থেকে। ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মুহিত সোবহান সাভার মডেল থানার কাউন্দিয়া ইউনিয়নের সিংগাসার এলাকার মর্তুজা আলীর ছেলে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ডিবির পরিদর্শক সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই রাশেদ মিয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স অংশ নেয়। অভিযানে মুহিত সোবহানকে আটক করা হয় এবং তার হেফাজত থেকে ৩৭ রাউন্ড আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুহিত স্বীকার করেছেন যে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের একটি স্থাপনা থেকে গুলিগুলো লুট করে নিজের কাছে রেখেছিলেন। এ ঘটনায় মুহিত সোবহানের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় সাভার মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার যুবককে শনিবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%