০৭:১৫ পি.এম
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘রানফরপিস’ শীর্ষক সংহতি দৌড়, যা সামাজিক সম্প্রীতি, শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা ছড়িয়ে দিতে পরিচালিত হয়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ৭.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই দৌড়ে ৪০০-এর বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী এবং যুব নেটওয়ার্কের সদস্যরা ছিলেন।
দৌড়টি শনিবার সকাল ৬টায় লাবণী বিচ পয়েন্ট থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত রুট অনুসরণ করে লাবণী বিচ পয়েন্ট থেকে হলিডে মোড়, ঘুনগাছতলা ও নতুন ব্রিজ ঘুরে পুনরায় লাবণী বিচ পয়েন্টে এসে দৌড় শেষ করেন।
এমবোল্ডেন বাংলাদেশের আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশ, সোসাইটি ফর হেলথ এক্সটেনশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (শেড) ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরন্নবীর পদত্যাগ
আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন পটভূমির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে। দৌড়টি সামাজিক বিভেদ ভুলে মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দৌড় শেষে সকাল সাড়ে ৭টায় লাবণী বিচ পয়েন্টে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নারী ও পুরুষ বিভাগে প্রথম তিনজন বিজয়ীকে যথাক্রমে আর্থিক পুরস্কার ও স্বীকৃতি সনদ প্রদান করা হয়। নারী বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন বিপাশা আনোয়ার, দ্বিতীয় স্থান নুসরাত জাহান এবং তৃতীয় স্থান ভিওলি তুগাদে হোসেইন।
পুরুষ বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন যথাক্রমে আশরাফুল আলম, আলেক্স পারভেজ পলাশ ও জাকির হোসেন। পাশাপাশি উভয় বিভাগের সেরা ১০ জন দৌড়বিদকেও পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা শান্তির বার্তা ছড়ানোর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সকলকে সম্প্রীতি, শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: শিথিলের দিনেও আবরোধ চলছে দীঘিনালা-সাজেক সড়কে
এ সময় একশনএইড বাংলাদেশ-এর হেড অব হিউম্যানিটারিয়ান প্রোগ্রাম মো. আব্দুল আলীম আশা প্রকাশ করেন যে, রানফরপিসের চেতনা সমাজজুড়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। একশনএইড বাংলাদেশ-এর ইয়ুথ, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট জাস্টিস টিমের লিড মো. নাজমুল আহসান শান্তি ও সামাজিক সংহতি গড়ে তুলতে তরুণদের ক্ষমতায়িত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর হেড অব ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মো. রফিকুল ইসলাম এফসিএ; শেডের উপপরিচালক আবদুল মান্নান এবং এমবোল্ডেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইনজামামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন