ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শান্তির বার্তা ছড়িয়ে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘রান ফর পিস’ সংহতি দৌড়


শান্তির বার্তা ছড়িয়ে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘রান ফর পিস’ সংহতি দৌড়

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে ‘রানফরপিস’ শীর্ষক সংহতি দৌড়, যা সামাজিক সম্প্রীতি, শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা ছড়িয়ে দিতে পরিচালিত হয়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ৭.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই দৌড়ে ৪০০-এর বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেন, যাদের মধ্যে শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী এবং যুব নেটওয়ার্কের সদস্যরা ছিলেন।

দৌড়টি শনিবার সকাল ৬টায় লাবণী বিচ পয়েন্ট থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত রুট অনুসরণ করে লাবণী বিচ পয়েন্ট থেকে হলিডে মোড়, ঘুনগাছতলা ও নতুন ব্রিজ ঘুরে পুনরায় লাবণী বিচ পয়েন্টে এসে দৌড় শেষ করেন।

এমবোল্ডেন বাংলাদেশের আয়োজনে এবং একশনএইড বাংলাদেশ, সোসাইটি ফর হেলথ এক্সটেনশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (শেড) ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই ক্রীড়া কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরন্নবীর পদত্যাগ

আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন পটভূমির মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে। দৌড়টি সামাজিক বিভেদ ভুলে মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দৌড় শেষে সকাল সাড়ে ৭টায় লাবণী বিচ পয়েন্টে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নারী ও পুরুষ বিভাগে প্রথম তিনজন বিজয়ীকে যথাক্রমে আর্থিক পুরস্কার ও স্বীকৃতি সনদ প্রদান করা হয়। নারী বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন বিপাশা আনোয়ার, দ্বিতীয় স্থান নুসরাত জাহান এবং তৃতীয় স্থান ভিওলি তুগাদে হোসেইন।

পুরুষ বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন যথাক্রমে আশরাফুল আলম, আলেক্স পারভেজ পলাশ ও জাকির হোসেন। পাশাপাশি উভয় বিভাগের সেরা ১০ জন দৌড়বিদকেও পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরকারের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা শান্তির বার্তা ছড়ানোর এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি সকলকে সম্প্রীতি, শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: শিথিলের দিনেও আবরোধ চলছে দীঘিনালা-সাজেক সড়কে

এ সময় একশনএইড বাংলাদেশ-এর হেড অব হিউম্যানিটারিয়ান প্রোগ্রাম মো. আব্দুল আলীম আশা প্রকাশ করেন যে, রানফরপিসের চেতনা সমাজজুড়ে ইতিবাচক পরিবর্তনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। একশনএইড বাংলাদেশ-এর ইয়ুথ, রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট জাস্টিস টিমের লিড মো. নাজমুল আহসান শান্তি ও সামাজিক সংহতি গড়ে তুলতে তরুণদের ক্ষমতায়িত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর হেড অব ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন মো. রফিকুল ইসলাম এফসিএ; শেডের উপপরিচালক আবদুল মান্নান এবং এমবোল্ডেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ইনজামামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাটকা আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


জাটকা আহরণে ৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই সংরক্ষণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শনিবার (৩১ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে সাগর ও নদীতে জাটকা আহরণে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত চলমান থাকবে, যা ৮ মাস মেয়াদি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং মৎস্য অধিদফতরের বাস্তবায়নে, ২৫ সেন্টিমিটারের ছোট ইলিশ (জাটকা) আহরণ, পরিবহণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুত সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে।

এর আগে, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে প্রজননক্ষম ইলিশ রক্ষার জন্য ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ বাস্তবায়িত হয়। এই সময় ডিমওয়ালা ইলিশ থেকে নিঃসৃত ডিমের পরিস্ফুটনের মাধ্যমে উৎপাদিত ইলিশের পোনা, তাদের বয়সের একটি নির্দিষ্ট সময় (৫-৮ মাস) পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় নদ-নদী ও মোহনাসমূহে বিচরণ করে। এই সময়ে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই নিষিক্ত ইলিশের পোনা রক্ষা করা অত্যাবশ্যক। এসব পোনা নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারলে ভবিষ্যতে দেশের ইলিশ উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে।

এ উদ্দেশ্যে, মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ (সংশোধিত) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ অনুযায়ী, উক্ত নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করলে অনধিক দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

মৎস্য অধিদফতর সারা দেশে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এবং স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় কঠোরভাবে এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থানে নেমে গেল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থানে নেমে গেল বাংলাদেশ

ঢাকা, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ : আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ।

আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে ৮ উইকেটের পরাজয়ের ফলে বাংলাদেশের অবস্থান চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে এক ধাপ অবনতি ঘটেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশ ৭ ম্যাচে ৩টি জয়, ৩টি হার এবং ১টি ড্র’তে ৪৭.৬২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এর ফলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার সুযোগ বাংলাদেশর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে নামার পূর্বে বাংলাদেশ ৬ ম্যাচে ৩ জয়, ২ হার ও ১টি ড্র’তে ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছিল।

বাংলাদেশের অবনতির ফলে পয়েন্ট টেবিলে ভারতের এক ধাপ উন্নতি হয়েছে। টিম ইন্ডিয়া এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে, যেখানে তাদের ১১ ম্যাচে ৫ জয়, ৪ হার ও ২টি ড্র’তে ৫১.৫২ শতাংশ পয়েন্ট রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া ১২ ম্যাচে ৯ জয় ও ৩ হারে ৭৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে, যা কেপ টাউনে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান টেস্টের আগ পর্যন্ত রয়েছে।

সাবেক চ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ১ হারে ৭২.২২ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যেখানে ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট রয়েছে প্রোটিয়াদের।

পয়েন্ট টেবিলে ষষ্ঠ থেকে নবম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে- ইংল্যান্ড (১৬ ম্যাচে ৩৮.৫৪ শতাংশ পয়েন্ট), শ্রীলংকা (৬ ম্যাচে ৩৩.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (১৩ ম্যাচে ২৬.৯২ শতাংশ পয়েন্ট) এবং পাকিস্তান (৯ ম্যাচে ৪.৬৩ শতাংশ পয়েন্ট)।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে জয় লাভের ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট তালিকায় কোন পরিবর্তন না হলেও তাদের পয়েন্ট ৬.০৯ বেড়েছে। প্রথম টেস্টের আগে ক্যারিবীয়দের পয়েন্ট ছিল ১২ ম্যাচে ২০.৮৩ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ড. লতিফুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৬ পি.এম


লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন ড. লতিফুল ইসলাম

খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম মন্তব্য করেন যে, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার জন্য বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। এছাড়াও লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলীও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৭ পি.এম


ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে কি?

বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনযাত্রার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানো এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিছু সময় ফোন ছাড়া থাকলেই যেন কিছু একটা অভাব অনুভূত হয়। অভ্যাসবশত অনেকেই টয়লেটে ফোন নিয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা সেখানে ফোন ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস অজান্তেই মারাত্মক বিপদের সম্মুখীন করতে পারে। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।

এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয় বলে বিবেচিত। ওয়াশরুমে বসে মোবাইল ফোনে, অন্য কোনো মাধ্যমে অথবা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং এটি মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ হিসেবে গণ্য হয়। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত।

তবে, ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেছে বা টিস্যু নেই, তাহলে সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যেতে পারে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে এটি মাকরূহ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা, দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%