ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারত থেকে ইরান সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো হয়েছে, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্টি হয়েছে হুলস্থুল


ভারত থেকে ইরান সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো হয়েছে, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্টি হয়েছে হুলস্থুল

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মধ্যে উত্থিত উত্তেজনার মাঝখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি ভুয়া তথ্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। একটি অজ্ঞাত এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে ভারতের মাধ্যমে ছড়ানো ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কিত একটি ভিত্তিহীন বক্তব্য, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলি গণমাধ্যম, শীর্ষ রাজনীতিবিদ, এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

ভুয়া ওই তথ্যের ফাঁদে পড়ে যান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও। এক বক্তৃতায় তিনি এই ভিত্তিহীন দাবিকে ইরানের পারমাণবিক বোমার তৈরির প্রথম প্রকাশ্য প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হলে আন্তর্জাতিক সমাজে তীব্র হাস্যরস এবং আলোচনা শুরু হয়।

এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৫ আগস্ট। ভারতের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে দাবি করা হয়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ভাহিদি জানিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইরানও তার নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাবে। পোস্টটির সঙ্গে একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি পারমাণবিক বিস্ফোরণের একটি ছবি যুক্ত করা ছিল। তবে তদন্তের মাধ্যমে জানা যায়, ওই কর্মকর্তার দ্বারা এমন কোনো বক্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ভারতের অ্যাকাউন্ট থেকে এই তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই ইসরায়েলি এবং মার্কিন গণমাধ্যম ও রাজনীতিবিদরা কোনও যাচাই ছাড়াই এই খবরকে বিশ্বাস করেছিলেন। 'মোসাদ কমেন্টারি' নামক একটি এক্স অ্যাকাউন্ট এবং ইসরায়েলের 'চ্যানেল ১৪' এর মাধ্যমে খবরটি প্রচার হওয়ার পর নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু তা শেয়ার করেন। তিন ঘণ্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার সরকারি বক্তৃতায় সেই ভুয়া দাবির উল্লেখ করেন।

এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির মধ্যে সেই গুজবের হাওয়া মাধ্যমেও প্রবাহিত হয়। ট্রাম্প প্রশাসনে সাবেক জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ এবং রিপাবলিকান সিনেটর রিক স্কট ভুয়া পোস্টটি শেয়ার করে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজও বিষয়টি সম্প্রচার করে। কিন্তু সত্যতা উদঘাটিত হলে মাইক ওয়াল্টজ তার পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং ফক্স নিউজ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে যে খবরটি 'ভুল ও যাচাইহীন' ছিল।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন যে এটি 'ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে মিথ্যার বন্যা' এবং তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি বিশ্বরাজনীতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের 'ন্যারেটিভ লন্ডারিং'-এর একটি বড় উদাহরণ, যেখানে একটি ভুয়া তথ্য একের পর এক অসাধু চক্র এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হাত ঘুরে বিশ্বমঞ্চে একটি সাময়িক সত্য হওয়ার চেষ্টা করেছিল।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল ফোন নাপাক পানিতে পড়লে পবিত্র করবেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


মোবাইল ফোন নাপাক পানিতে পড়লে পবিত্র করবেন যেভাবে

দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোন একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। তবে দুর্ঘটনাবশত যদি মোবাইল নাপাক পানিতে পড়ে যায়, তবে তা পবিত্র করতে এবং নামাজে এই মোবাইল ব্যবহার করা যাবে কি না, এ নিয়ে অনেকের মনেই দ্বিধা দেখা দেয়।

সম্ভবত মোবাইল একটি সংবেদনশীল ও মূল্যবান ইলেকট্রনিক যন্ত্র হওয়ার কারণে, এটি সাধারণ কাপড়ের মতো পানিতে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব নয়। ইসলামী আইনশাস্ত্র বা ফিকহের দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, মোবাইল হলো একটি 'সাকিল' বা মসৃণ ও অছিদ্রযুক্ত বস্তু। যদি আয়না, কাচ, মসৃণ ধাতু বা প্লাস্টিকের মতো বস্তুর বাহ্যিক আবরণে নাপাকি লাগে তবে তা ভালোভাবে দূর করার মাধ্যমে সেই বস্তু পবিত্র হয়ে যাবে।

ফিকহি বিধানের আলোকে মোবাইল ফোন পবিত্র করার জন্য কয়েকটি নির্দিষ্ট নিয়ম নিচে আলোচনা করা হচ্ছে:

পানি দিয়ে ধোয়ার ক্ষেত্রে:

মোবাইলের যে অংশ পানি দ্বারা নষ্ট হয় না (যেমন ওয়াটারপ্রুফ কভার বা ব্যাককেসিং), সেটি যদি পানি দিয়ে তিনবার ধোয়া হয়, তবে সেটি পবিত্র হয়ে যাবে।

পানি ব্যবহারে ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে:

মোবাইলের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রাংশ যদি পানির সংস্পর্শে আসে, তবে সেগুলি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সে ক্ষেত্রে সরাসরি পানি ব্যবহার না করে অন্য উপায় অবলম্বন করাই শ্রেয়।

ভেজা কাপড়ের ব্যবহার: পরিষ্কার পানির হালকা আর্দ্রতাযুক্ত কাপড় বা টিস্যু পেপার দিয়ে নাপাক স্থানটি ভালোভাবে তিনবার মুছে নিলে সেই বস্তু পবিত্র হবে।

অন্যান্য তরলের ব্যবহার: হ্যান্ড স্যানিটাইজার, থিনার বা পেট্রলের মতো পবিত্র তরল দ্রাবক ব্যবহার করে নাপাক অংশটি তিনবার পরিষ্কার করা যেতে পারে।

তবে কাপড় বা তরল দিয়ে মোছার সময় একটি শর্ত রয়েছে, সেটি হলো, প্রতিবার মোছার পর স্থানটি শুকাতে সময় দেওয়া উচিত। অর্থাৎ, একবার মুছে শুকানোর পর দ্বিতীয়বার এবং শুকানোর পর তৃতীয়বার মুছে পবিত্র করতে হবে।

অভ্যন্তরীণ সকেটে নাপাকি প্রবেশালে:

যদি নাপাক পানি মোবাইলের ভেতরের ক্ষুদ্র ছিদ্র বা সকেটে (যেমন চার্জিং পোর্ট, স্পিকার কিংবা হেডফোন জ্যাক) ঢুকে যায়, তবে সেখানে শুধুমাত্র ওপরের অংশ মোছা যথেষ্ট নয়। সেক্ষেত্রে ভেতরে জমা নাপাকিও অবশ্যই দূর করতে হবে।

এসব নিয়ম অনুসারে মোবাইল ফোনকে পুরোপুরি নাপাকিমুক্ত করার পরে তা সাথে নিয়ে নামাজ আদায় করা যাবে। তবে, নাপাকি দূর না করে সেই মোবাইল পকেটে রাখা বা সঙ্গে নিয়ে নামাজ আদায় করা হলে নামাজ শুদ্ধ হবে না। (সূত্র: ফতোয়া-ই-শামি: ১/২৮২, ফতোয়া-ই-হিন্দিয়া: ১/৩৯)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চলতি অর্থবছরে শেষ হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


চলতি অর্থবছরে শেষ হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মীর শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের বাজেটে রয়েছে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ। এই তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভা শেষে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরও জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। এসব নির্বাচনে খরচ হবে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে আলোচনা করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে চলতি অর্থবছরে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন হবে এবং এতে কোন ব্যত্যয় হবে না।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা নিয়ে মীর শাহে আলম মন্তব্য করেন, ছয় মাস সময় খুব কম। তবে খাল, লেক ও রাস্তা নিয়ে কাজ চলছে। নিজেদের কাজে সন্তুষ্ট না হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তবে তারা অনেকদূর এগিয়েছেন।

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কাজ পরিচালনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এলে সেবার মান এবং কাজের গতি আরও বাড়বে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের ‘আবেদন ফি’ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের ‘আবেদন ফি’ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জনের জন্য যে আবেদন ফি রয়েছে, তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) প্রস্তাব করেছে যে নাগরিকত্বের মূল আবেদনপত্র ‘Form N-400’-এর কাগজভিত্তিক ফি ৭৬০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার করা হতে পারে। এই হিসাবে, তা প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি। অপরদিকে, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি বর্তমান ৭১০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৮০ ডলার করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।

তবে উল্লেখ্য যে, নতুন এসব ফি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। সরকারের প্রকাশিত প্রস্তাবটির ওপর ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হবে। পরে, জনমত পর্যালোচনা করে মার্কিন প্রশাসন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।

প্রস্তাবিত নীতির ফলে নিম্ন আয়ের অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারে। এতদিন ধরে নির্ধারিত আয়সীমার নিচে থাকা যোগ্য ব্যক্তিরা ৩৮০ ডলারে আবেদন করতে পারতেন এবং কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পুরো ফি মওকুফের সুবিধা পেতেন। কিন্তু নতুন প্রস্তাবে এই ছাড় ব্যবস্থা এবং ফি মওকুফ করার নিয়মটি পুরোপুরি তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি, আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে শুনানির আবেদন ফি (Form N-336) প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সদস্য ও সাবেক সদস্যদের জন্য ফি অব্যাহতির সুবিধার বিষয়টি রাখা হয়েছে।

ইউএসসিআইএস কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, নাগরিকত্ব প্রক্রিয়াকরণের প্রশাসনিক খরচের জন্য যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের আর্থিক কাঠামো স্বাবলম্বী রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া, ফি ছাড়ের আবেদন আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তাদের বাড়তি সময় ও অর্থ অপচয় হচ্ছে।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, হঠাৎ করে কয়েক শ ডলার ফি বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিতদের ছাড় বন্ধ করার ফলে বহু যোগ্য গ্রিন কার্ডধারীর সামনে আমেরিকান নাগরিক হওয়ার পথ অসম্ভব হয়ে পড়বে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়া পাচ্ছে বড় দুঃসংবাদ বাংলাদেশের কাছে হারের পর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


অস্ট্রেলিয়া পাচ্ছে বড় দুঃসংবাদ বাংলাদেশের কাছে হারের পর

ডারউইন টেস্টে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে বাংলাদেশের কাছে হারের পর অস্ট্রেলিয়া এবার আরও দুঃসংবাদের শঙ্কায় রয়েছে। তাদের অপেক্ষায় রয়েছে ধীরগতির ওভার রেটের কারণে আইসিসির শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা। প্যাট কামিন্সের দলের জন্য এটি শুধু আর্থিক জরিমানা নয়, বরং বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) পয়েন্টও হারানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে।

এবারের ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের কাছে এই হার অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে ইতিহাসের অন্যতম বড় পরাজয় হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের ওভার শেষ করতে না পারার বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ার জন্য নতুন একটি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইসিসির বিধিমালা অনুযায়ী, টেস্ট ম্যাচে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার বোলিং করতে হয়। অর্থাৎ, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দিনে অন্তত ৯০ ওভার শেষ করতে হবে। কিন্তু শনিবার (১৫ আগস্ট) অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৮৬ ওভার করতে সক্ষম হয়েছে, ফলে তারা নির্ধারিত সময়ের লক্ষ্যের তুলনায় চার ওভার পিছিয়ে রয়েছে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ওভারের তুলনায় প্রতি এক ওভার কম করার ক্ষেত্রে খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ করে জরিমানা হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি ২০ হাজার ডলার ধরে, সেখানে চার ওভারের ঘাটতিতে প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মোট ৪ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।

তবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য আর্থিক জরিমানার চেয়ে বড় একটি চিন্তার বিষয় হতে পারে ডব্লুটিসির পয়েন্ট হারানো। স্লো ওভার রেটের কারণে প্রতি ওভারের জন্য একটি করে পয়েন্ট কাটা যেতে পারে। সে অনুযায়ী, চার ওভার ঘাটতির জন্য অস্ট্রেলিয়ার চারটি ডব্লুটিসি পয়েন্ট কাটার সম্ভাবনা রয়েছে।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া ৮৪ পয়েন্ট ও ৭৭.৭৮ শতাংশ জয় নিয়ে ডব্লুটিসির পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ ৪০ পয়েন্ট ও ৬৬.৬৭ শতাংশ জয় নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে, অন্যদিকে ৩৬ পয়েন্ট ও ৭৫ শতাংশ জয় নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় স্থানে আছে।

বাংলাদেশের কাছে বড় হারের ধাক্কার প্রভাব কাটিয়ে ওঠার আগে যদি স্লো ওভার রেটের শাস্তি কার্যকর হয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার জন্য ডারউইন টেস্টের হতাশা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%