প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জনের জন্য যে আবেদন ফি রয়েছে, তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) প্রস্তাব করেছে যে নাগরিকত্বের মূল আবেদনপত্র ‘Form N-400’-এর কাগজভিত্তিক ফি ৭৬০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার করা হতে পারে। এই হিসাবে, তা প্রায় ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধি। অপরদিকে, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি বর্তমান ৭১০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৮০ ডলার করার সম্ভাবনা রয়েছে, যা প্রায় ৮০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
তবে উল্লেখ্য যে, নতুন এসব ফি আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। সরকারের প্রকাশিত প্রস্তাবটির ওপর ২৪ আগস্ট পর্যন্ত সাধারণ মানুষের মতামত নেওয়া হবে। পরে, জনমত পর্যালোচনা করে মার্কিন প্রশাসন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।
প্রস্তাবিত নীতির ফলে নিম্ন আয়ের অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতি হতে পারে। এতদিন ধরে নির্ধারিত আয়সীমার নিচে থাকা যোগ্য ব্যক্তিরা ৩৮০ ডলারে আবেদন করতে পারতেন এবং কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে পুরো ফি মওকুফের সুবিধা পেতেন। কিন্তু নতুন প্রস্তাবে এই ছাড় ব্যবস্থা এবং ফি মওকুফ করার নিয়মটি পুরোপুরি তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি, আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে শুনানির আবেদন ফি (Form N-336) প্রায় দ্বিগুণ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদিও সশস্ত্র বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সদস্য ও সাবেক সদস্যদের জন্য ফি অব্যাহতির সুবিধার বিষয়টি রাখা হয়েছে।
ইউএসসিআইএস কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে, নাগরিকত্ব প্রক্রিয়াকরণের প্রশাসনিক খরচের জন্য যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের আর্থিক কাঠামো স্বাবলম্বী রাখতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া, ফি ছাড়ের আবেদন আলাদাভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তাদের বাড়তি সময় ও অর্থ অপচয় হচ্ছে।
তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, হঠাৎ করে কয়েক শ ডলার ফি বৃদ্ধি এবং সুবিধাবঞ্চিতদের ছাড় বন্ধ করার ফলে বহু যোগ্য গ্রিন কার্ডধারীর সামনে আমেরিকান নাগরিক হওয়ার পথ অসম্ভব হয়ে পড়বে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন