শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানা পুলিশের এএসআই মান্নানের অস্বাভাবিক আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এসআই মান্নান মানসিক রোগে আক্রান্ত এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এই ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের ৫ নম্বর খেয়াঘাট এলাকায়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এএসআই মান্নান গান গাইতে গাইতে উদ্যমের সঙ্গে নেচে চলেছেন এবং এলোমেলো কথাবার্তা বলছেন। এ অবস্থায় আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন। কিছু লোক বলছেন, তিনি নেশাগ্রস্ত হয়ে এমন আচরণ করছেন।
এই ঘটনার পর শনিবার এসআই মান্নানকে থানার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তের জন্য দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানার ওসি রকিবুজ্জামান এবং এসআই ফারুক আহমেদ পাটোয়ারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এসআই মান্নান মানসিক রোগে আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ২০ দিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানায় যোগদান করেছেন। এর আগে তিনি র্যাব-৩-এ কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে এএসআই মান্নান সিলেটে বসবাসরত তার স্ত্রীকে ভিডিও কল করে আত্মহত্যার ইচ্ছার কথা জানান। পরে মায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি কিছুটা শান্ত হন।
নারায়ণগঞ্জ নৌ পুলিশের এএসপি আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। তদন্তের আগে বলা সম্ভব নয় যে, তিনি নেশা করেছিলেন, নাকি মানসিক রোগী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট থেকে ১৪ কেজি ৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় বিমানের একজন টেকনিক্যাল হেলপারকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়। বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক ব্যক্তির নাম সজিব।
বিমানের পরিচালক (নিরাপত্তা) মেজর ফারহান তানভির জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ফ্লাইটে স্বর্ণ পাচারের সম্ভাবনা সম্পর্কে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। যাত্রীরা বিমান থেকে নামার পর বিমানের কর্মীদের নজরে আসলে সজিব পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে ধাওয়া করে আটক করা হয়।
সজিবের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইটের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ১৪ কেজি ৪ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক ব্যক্তি এবং উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা করা হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর ২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু মন্তব্য করেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি সকল পর্যায়ে একক প্রার্থী দিবে। একই উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়নে বিএনপির একাধিক প্রার্থী দাঁড়ানোর কোন সুযোগ থাকবে না। দলের পক্ষ থেকে যিনি সবচেয়ে জনপ্রিয়, তাকেই মনোনয়ন প্রদান করা হবে। এর ব্যতিক্রম কোনভাবেই করা হবে না। যারা ত্যাগী নেতারা মনোনয়ন পাবেন না, তাদের অবস্থান বিবেচনায় উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হবে। ত্যাগী কোন নেতাকেই বঞ্চিত করা হবে না।
আগামী নির্বাচনে আরও সক্রিয় হওয়ার জন্য দুলু আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগের সাথে জামায়াতের ব্যবধান আমাদের বুঝতে হবে।" জামায়াতে ইসলামী তাদের নারী কর্মীদের মাঠে নামিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জান্নাত যাওয়ার লোভ দেখাচ্ছে। বিএনপি প্রার্থীর বাড়ির নারী ভোট তারা নিয়ে নিলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এই কারণে বিএনপি নেতাকর্মীদের এসব বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।
দুলু আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৭ বছর ধরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে বাজেটে শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, "একটা জাতিকে ধ্বংস করতে হলে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন তার শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়া।" বাংলাদেশের মানুষ যেন এগিয়ে না যেতে পারে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে না পারে, এই উদ্দেশ্যে তারা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। আমাদের সন্তানদের তারা মূর্খ বানিয়ে রাখতে চেয়েছে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে আতাঁত করে পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করে দিয়েছে। শনিবার সকালে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত দোয়া মাহফিল এবং দুপুর ১২ টার দিকে নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগর ডিগ্রী কলেজের একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং নাটোর জেলা বিএনপির প্রয়াত আহবায়ক আমিনুল হকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক রহিম নেওয়াজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম ও এমদাদুল হক আল মামুন, নাটোর জেলা যুবদল সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম এবং মাধনগর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মালেক প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সম্পত্তির বিরোধের কারণে এবং দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় শালিশ বৈঠকে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। হামলার ফলে বিএনপি নেতা ও শালিশদারসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় ভিকটিম দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসী জাবেদ হোসেন একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে গত সোমবার (৩১ আগস্ট) উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সফিকুল ইসলামের দোকানে শালিশ চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন চরপার্বতী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আইয়ুব নবী বাবুল, শালিশদার জসিম উদ্দিন, শহিদ উল্যাহ, আবুল কাশেম এবং সফিকুল ইসলাম। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আলাবক্স মিস্ত্রি বাড়ির বাসিন্দা জাবেদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসে অবস্থান করছেন। বাড়িতে প্রবাসীর পরিবারের সদস্যরা না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ফরহাদ হোসেন তার মালিকানাধীন সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় হুমকি দিচ্ছিলেন।
প্রবাসী জাবেদ হোসেন অভিযোগ করেন, "আমার বসতঘর মেরামতের সময় ফরহাদ হোসেন কাজ বন্ধ করে দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।" চাঁদা না দেয়ায় গত ১৫ আগস্ট ভোরে তার বসতঘরে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ভবনের সামনের অংশ, দরজা, বারান্দা ও টাইলসসহ বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়। একই ঘটনায় তার চাচার টয়লেট ভাঙচুর করে আরও প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে উভয় পক্ষের সার্ভেয়ারের প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর অভিযুক্ত ফরহাদ হোসেন উত্তেজিত হয়ে সালিশদার সফিকুল ইসলামের হাত থেকে প্রতিবেদনটি ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে সালিশদার আইয়ুব নবী বাবুল, জসিম, শহিদ উল্যাহ, আবুল কাশেম ও সফিকুল ইসলামকে কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারার ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি নেতা ও শালিশদারসহ ৫ জন আহত হন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ফরহাদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে, তিনি শুধুমাত্র তার নিজের জায়গা দাবি করে প্রবাসী জাবেদের ঘরের সামনের অংশ ভেঙে দিয়েছেন।
একই বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, "একই ঘটনার পৃথক দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে চলমান তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্যে পাবনায় সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে যেতে পারে। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার পাগলা ও সুজানগরের মোবারকপুর থেকে আগামী ২০ বছর ধরে দৈনিক অন্তত ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
এমন আশাবাদে সাঁথিয়ার পাগলা গ্রামে গ্যাস কূপ পরিত্যক্ত না করে দ্বিতীয় কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লেরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স)। বর্তমানে পাবনার সুজানগর উপজেলায় গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য ছয় কিলোমিটার গভীরে কূপ খনন করবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি।
মোবারকপুর ডিপ-১ প্রকল্পের পরিচালক ও বাপেক্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (অপারেশনস) এস এ এম মেরাজুল আলম জানিয়েছেন, সুজানগর উপজেলার মোবারকপুরে এই কূপ খনন করা হবে। তিনি জানান, বর্তমানে আহমেদপুর ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামে প্রকল্পের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে একনেক তিনটি গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার ব্যয় ১ হাজার ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে একটি হচ্ছে মোবারকপুর ডিপ-১। যদি এটি সফল হয়, তাহলে এটি হবে উত্তরবঙ্গের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্যাস কূপ। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানিয়েছেন, উপজেলা প্রশাসন ওই জমি বাপেক্সের কাছে হস্তান্তর করেছে। অন্যদিকে, বাপেক্স জানায়, জমি উন্নয়ন ও রিগ ফাউন্ডেশনের জন্য ২৭ জুলাই থেকে প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজ আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। মূল কূপ খননের কাজ শুরু হবে ২০২৮ সালের জুনের মাঝামাঝি। খনন সফল হলে ওই বছরের শেষ নাগাদ গ্যাস উত্তোলন শুরু হতে পারে। প্রাথমিক হিসাবে, এখান থেকে আগামী ২০ বছর দৈনিক অন্তত ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে প্রায় ৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মোবারকপুরে সাড়ে চার কিলোমিটার গভীরে কূপ খননের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ভূগর্ভে গ্যাসের চাপ বেশি থাকায় এবং সে সময়ের প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে কাজটি স্থগিত করা হয়। এবার আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলেও তিনি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এবার ছয় কিলোমিটারের বেশি গভীরে কূপ খনন করা হবে। এ কাজে চীনের প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।
পাবনার এই এলাকায় গ্যাসের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানা যায় কয়েক দশক আগে। ১৯৮০-৮১ সালে পেট্রোবাংলা প্রথম জরিপ চালায়। পরে ১৯৮৩-৮৪ সালে একটি জার্মান প্রতিষ্ঠান এবং ২০০৬ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে বাপেক্স কয়েক দফা জরিপ করে। এসব জরিপে এলাকায় গ্যাসের সম্ভাবনার তথ্য পাওয়া যায়। ২০০৯ সালের দিকে সাঁথিয়ার পাগলা গ্রামে ২৮ বিঘা জমি লিজ নিয়ে গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খনন করা হয়। কূপ খননের পর তা থেকে পাইপ লাইনে আগুন জ্বালানো হলেও পরবর্তীতে তা ফেলে অন্যত্র চলে যায় বাপেক্স। বাপেক্স জানিয়েছে, আগের পাগলা অনুসন্ধানস্থল থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে এবার নতুন গভীর কূপ খনন করা হচ্ছে। এই কূপে সাফল্য এলে আশপাশের এলাকায় আরও কূপ খননের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ