মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১১ এম
নভেম্বর মাসের শুরুতেই টানা তিন দিনের ছুটি পেতে চলেছে স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা। ৮ নভেম্বর (রবিবার) শ্যামাপূজার ছুটির কারণে এই ছুটি শিক্ষার্থীদের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে।
সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন এবং ২০২৬ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর (শনিবার) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হবে। এর পরের দিন, ৮ নভেম্বর (রবিবার), হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
৬ নভেম্বর (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। এরপর ৭ নভেম্বর (শনিবার) একই সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ছুটি থাকবে। ৮ নভেম্বর (রবিবার) শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটি থাকায় শিক্ষার্থীরা মোট তিন দিনের ছুটি পাবে।
ফলে শুক্র, শনি ও রবিবার—টানা তিন দিন সরকারি ও বেসরকারি স্কুল-কলেজ এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতেও এই ছুটি কার্যকর থাকবে।
এদিকে, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটির তথ্য নেই, তাই মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য একই ছুটি প্রযোজ্য হবে কিনা তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারিত রুটে মহানগর এক্সপ্রেসের চলাচল শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ফেনী গেছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব ট্রেনে চড়ে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ৫৫ মিনিটে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায় ট্রেনটি।
প্রতিমন্ত্রী মহানগর এক্সপ্রেসের প্রথম দিনের যাত্রায় ঢাকা থেকে ফেনী গমন করেন। পরে তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। যাত্রা শুরুর আগে ফেনী থেকে যাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, "রেলের যে কোনো ধরনের দুর্নীতি ও টিকিট সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এখন টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়। এরপরও কোথাও কোনো অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।"
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রেলওয়ের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী চান, দিন দিন রেলের উন্নয়ন ও সেবা বৃদ্ধি পাক। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কাজ করছেন। সারা দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি ফেনীর উন্নয়নেও সরকার সচেষ্ট রয়েছে।"
তিনি আরও জানান, মহানগর এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনার সময় ফেনীর সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু ট্রেনটির ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি এবং ফেনীর জন্য সর্বোচ্চ আসন বরাদ্দের দাবি জানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তার সেই দাবি পূরণ করেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও দলের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, রফিকুল আলম মজনু ফেনীবাসীর সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছেন। রেলওয়ের যেকোনো উন্নয়নে ফেনীবাসীর দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।"
তিনি রেলওয়ের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, অতীতে লোকোমোটিভ ও গ্যারেজের স্বল্পতা ছিল। সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মিটারগেজ ও লোকোমোটিভের স্বল্পতা কাটিয়ে ওঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব সুবিধা আরও বাড়াতে সরকার ও মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
ফেনীবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, মহানগর এক্সপ্রেসের যাত্রা মাত্র শুরু হয়েছে। যাত্রীরা বেশি করে টিকিট কেটে ট্রেনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ভ্রমণ করলে এ অঞ্চলে রেলের আসন ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকবে সরকার।
ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী মহানগর এক্সপ্রেসের ফেনী স্টেশনে যাত্রাবিরতি চালু হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষের রেল যোগাযোগে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সুবিধা ফেনীবাসীর যাতায়াত আরও সহজ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড় 'অর্ণব' ভারতের পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হানার পূর্বে ঝড়টি আরও শক্তিশালী হতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, এই সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার হতে পারে।
অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় জেলা এবং ওড়িশার দক্ষিণাঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশে প্রায় ৫ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। রাজ্য সরকার মাছ ধরার নৌকাগুলোকে উপকূলে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে।
ঝড়ের আশঙ্কায় মঙ্গলবার ও বুধবার পাঁচটি জেলার স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে ওড়িশা সরকার। নিচু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার প্রস্তুতিও চলছে। দুই রাজ্যেই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। একই সময়ে উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে আবহাওয়া বিভাগ পূর্বাভাস দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
৭০ বছর আগে ব্যালন ডি’অরের প্রথম আসরে ট্রফিটি ইংলিশ কিংবদন্তি স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউসের হাতে উঠেছিল। এই স্মৃতির স্মরণে এবারের ব্যালন ডি’অরের অনুষ্ঠান লন্ডনে আয়োজন করা হয়েছে। এবার মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি অর্জন করেছেন আরেক ইংলিশ ফুটবলার। বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন।
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের অধিনায়ক এবং টটেনহ্যামের সাবেক খেলোয়াড় হিসেবে কেইন এই পুরস্কারটি নিজের ‘ঘরের শহর’ লন্ডনে অর্জন করেছেন। এটি ছিল তার জন্য প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার জয়ের সুযোগ। কয়েক দিনের টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর বার্সেলোনার লামিন ইয়ামাল এবং রিয়াল মাদ্রিদের কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে কেইন এই সাফল্য অর্জন করেন।
১৯৯৩ সালে জন্মগ্রহণ করা কেইনের হাত ধরে ইংলিশদের ২৫ বছরের খরা কাটল ব্যালন ডি’অরে। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের কোনো ফুটবলারের হাতে উঠেছে ফ্রান্স ফুটবলের এই পুরস্কার। গত বছরের বিজয়ী পিএসজির স্ট্রাইকার উসমান দেম্বেলের উত্তরসূরি হলেন কেইন।
ব্যালন ডি’অর গ্রহণ করতে মঞ্চে উঠে আবেগঘন বক্তব্যে কেইন তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, "আমি প্রায় ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। লন্ডনে এই পুরস্কার জয় করায় মুহূর্তটি আমার কাছে আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। বিচারকদের জন্য ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত কতটা কঠিন ছিল, তা আমি কল্পনা করতে পারি। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ। আমার বায়ার্ন সতীর্থদেরও ধন্যবাদ, তোমরা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছ এবং আরও ভালো খেলোয়াড় হতে সাহায্য করেছ।"
অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকলেও কেইন বায়ার্নের কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানিকে স্মরণ করেছেন। তিনি বলেন, "কোম্পানিকে জানাই একরাশ ভালোবাসা। এই ট্রফি বায়ার্নে ফিরিয়ে নিতে পেরে আমি আনন্দিত। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হওয়াটাও আমার জন্য সম্মানের। আমি অত্যন্ত গর্বিত। টুখেল ও তার কোচিং স্টাফদেরও ধন্যবাদ জানাই।"
নিজের সাবেক ক্লাব টটেনহ্যামকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেইন। তিনি বলেন, "টটেনহ্যামকেও ধন্যবাদ দিতে চাই। টটেনহ্যাম ছাড়া আমি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারতাম না। যারা বিশ্বের সেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখে, আমি আশা করি তাদের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠতে পারব; যেমনটা আজ আমি হয়েছি।"
তিনি আরও বলেন, "আমার সন্তানদের বলতে চাই, আমি বাড়িতে অনেক ট্রফি নিয়ে এসেছি, কিন্তু এটি বিশেষ। আমি একজন ভালো পেশাদার ফুটবলার হওয়ার পাশাপাশি ভালো বাবাও হতে চাই। আর আমার স্ত্রী, আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুকে ধন্যবাদ। তুমি আমার চেয়েও বেশি এই পুরস্কারটি চেয়েছিলে। আমার স্বপ্ন পূরণে তুমি আমাকে সাহায্য করেছ।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জমির দলিল হাতে থাকলেও অনেক সময় জমিটির সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে পুরোনো দলিল, পরিবর্তিত দাগ নম্বর, মৌজা মানচিত্রের অস্পষ্টতা কিংবা জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলে জমি খুঁজে বের করতে ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়। তবে দলিল, খতিয়ান, দাগ নম্বর ও মৌজা মানচিত্র মিলিয়ে অনুসন্ধান করলে জমির অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব।
দলিল দেখে জমি শনাক্ত করবেন যেভাবে
জমি খুঁজে বের করার প্রথম ধাপ হলো দলিলে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করা। সাধারণত দলিলে জমির মৌজার নাম, জে.এল. নম্বর, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ এবং চারপাশের সীমানার বিবরণ উল্লেখ থাকে।
প্রথমে দলিল থেকে এসব তথ্য আলাদা করে লিখে নিতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকার খতিয়ান ও মৌজা মানচিত্র সংগ্রহ করে তথ্যগুলো মিলিয়ে দেখতে হবে। এতে জমিটি কোন মৌজায় এবং কোন দাগের অন্তর্ভুক্ত, তা শনাক্ত করা সহজ হয়।
খতিয়ান ও দাগ নম্বরের গুরুত্ব
জমি শনাক্ত করার ক্ষেত্রে খতিয়ান ও দাগ নম্বর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খতিয়ানে জমির মালিকানা ও জমির বিবরণ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, দাগ নম্বর মৌজা মানচিত্রে নির্দিষ্ট জমির অবস্থান চিহ্নিত করতে সহায়তা করে।
তবে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। বিভিন্ন জরিপে দাগ নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে। যেমন, সিএস বা এসএ জরিপের দাগ নম্বর পরবর্তী আরএস কিংবা বিএস জরিপে ভিন্ন হতে পারে। তাই শুধু পুরোনো দাগ নম্বর দেখে জমির বর্তমান অবস্থান নির্ধারণ করা ঠিক নয়। পুরোনো ও নতুন দাগ নম্বরের মধ্যে সম্পর্ক যাচাই করতে হবে।
মৌজা মানচিত্র দিয়ে জমি খুঁজুন
মৌজা মানচিত্রে জমির দাগ, অবস্থান, পাশের জমি এবং বিভিন্ন ভৌগোলিক চিহ্ন দেখানো থাকে। দলিলে উল্লেখ করা দাগ নম্বরের সঙ্গে মানচিত্রের তথ্য মিলিয়ে জমির অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এ জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার সঠিক জরিপের মানচিত্র সংগ্রহ করা প্রয়োজন। পুরোনো দলিল হলে সংশ্লিষ্ট পুরোনো জরিপের মানচিত্রের পাশাপাশি বর্তমান জরিপের মানচিত্রও যাচাই করা উচিত।
পুরোনো দলিলের জমি খুঁজবেন যেভাবে
পুরোনো দলিলে দাগ নম্বর, সীমানা বা জমির পরিমাণ বর্তমান রেকর্ডের সঙ্গে না মিললে কয়েকটি ধাপে অনুসন্ধান করা যেতে পারে।
১. দলিলে উল্লেখ করা মৌজা ও জে.এল. নম্বর যাচাই করুন।
২. সংশ্লিষ্ট জরিপের খতিয়ান ও মৌজা মানচিত্র সংগ্রহ করুন।
৩. পুরোনো দাগ নম্বরের সঙ্গে নতুন দাগ নম্বরের সম্পর্ক যাচাই করুন।
৪. দলিলে উল্লেখ করা জমির পরিমাণ ও চারপাশের সীমানা মিলিয়ে দেখুন।
৫. প্রয়োজনে ভূমি অফিসের সহায়তায় রেকর্ড যাচাই করুন।
৬. জমির সঠিক অবস্থান নির্ধারণে অভিজ্ঞ আমিন বা সার্ভেয়ার দিয়ে সরেজমিনে পরিমাপ করান।
জমি খুঁজতে কোথায় যাবেন?
জমির অবস্থান শনাক্ত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা উপজেলা ভূমি অফিস, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয় এবং জেলা রেকর্ড রুমে যোগাযোগ করা যেতে পারে। সেখানে খতিয়ান, দাগ নম্বর, মৌজা ও জরিপের রেকর্ড সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
প্রয়োজনে সরকারি ভূমিসেবা ব্যবস্থার মাধ্যমেও খতিয়ান ও ভূমিসংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান করা যায়। তবে অনলাইনে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে মূল দলিল ও সরকারি রেকর্ড মিলিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ হলে কী করবেন?
দলিলে জমির বিবরণ থাকলেও বাস্তবে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে শুধু দলিলের ওপর নির্ভর না করে খতিয়ান, মৌজা মানচিত্র, জমির পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট জরিপের তথ্য একসঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রয়োজনে পেশাদার সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করানো যেতে পারে। মালিকানা বা সীমানা নিয়ে বিরোধ থাকলে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত। কোনো বিরোধের ক্ষেত্রে নিজ উদ্যোগে সীমানা পরিবর্তন বা অন্যের দখল করা জমিতে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকুন।
যেসব ভুল এড়িয়ে চলবেন
- শুধু দলিলের দাগ নম্বর দেখে জমি চূড়ান্তভাবে শনাক্ত করবেন না।
- পুরোনো ও বর্তমান জরিপের দাগ নম্বরের পার্থক্য উপেক্ষা করবেন না।
- জমির পরিমাণ ও সীমানার বিবরণ যাচাই না করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
- শুধু অনলাইন তথ্যের ভিত্তিতে জমি কেনাবেচা করবেন না।
- জমির অবস্থান ও মালিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে কাউকে টাকা দেবেন না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ