বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৪৩ পি.এম
ঠাকুরগাঁওয়ে আট বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে, যার নাম মো. রাশেদ ইসলাম (২০)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঠাকুরগাঁওয়ের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটি তার জবানবন্দি রেকর্ড করে।
এমন জানা গেছে, ২৬ জুলাই (রোববার) বিকেলে শিশুটি নিজ বাড়ির কাছে টাঙ্গন নদীতে গোসল করতে যায়। তখন সেখানে একা পেয়ে প্রতিবেশী মো. রাশেদ ইসলাম (২০) শিশুটিকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নদীর পূর্ব পাড়ের একটি আখক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত রাশেদ ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে বাড়িতে ফিরে শিশুটি তার মা ও প্রতিবেশীদের কাছে ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে জানায়। পরে সোমবার (২৭ জুলাই) শিশুটির বাবা বাদী হয়ে রুহিয়া থানায় মামলা করেন।
মামলার পর শিশুটিকে ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। পরে বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম শিশুটির জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন।
রুহিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদিউজ্জামান জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মো. রাশেদ ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন। তার গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মহানগরের হারাগাছ থানাধীন এলাকায়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একজন তরুণীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলামকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাকে আদালতের মাধ্যমে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ আইনে মামলা করেন। মামলার পর অভিযুক্ত রাশেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। রাশেদুল লালমনিরহাট সদর উপজেলার হরিনচওড়া কালমাটি এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে ভুক্তভোগীর পরিচয় হয়। ওই সময় রাশেদুল নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে বিয়ের আশ্বাসে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ভুক্তভোগী তাকে জানান, তিনি তালাকপ্রাপ্ত এবং তার দুই বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এরপরও সন্তানসহ তাকে বিয়ে করে সংসার করার প্রতিশ্রুতি দেন অভিযুক্ত।
এজাহারে আরও বলা হয়, বিয়ের কথা বলে গত ২৮ জুলাই ফরিদপুর থেকে রংপুরে আসতে বলেন রাশেদুল। পরে তিনি ভুক্তভোগী এবং তার শিশুসন্তানকে হারাগাছ থানার বাহারকাছনা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরদিন রাতে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করেই তিনি দূর থেকে রংপুরে এসেছিলেন। পরে বিয়ে না করে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, ভুক্তভোগীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন আদালত পুলিশের ওসি আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের বারইখালী গ্রামে দুদিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে পুলিশের দ্বারা এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির উত্তর পাশে একটি ডোবার মধ্যে মরদেহটি ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার একটি দল সেখানে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহতের নাম নিজাম উদ্দিন (৯০), তিনি ওই গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের ছেলে।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টার সময় নিজাম উদ্দিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি, আশপাশের এলাকা এবং বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে তার খোঁজ করতে থাকেন। এ সময় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয় এবং মাইকিংও করা হয়। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান মেলেনি। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশে ডোবায় তার মরদেহ ভাসছে দেখতে পান।
নিহতের ছেলে আলী হোসেন বলেন, ‘আমার বাবা বার্ধক্যজনিত কারণে অনেকটাই অসুস্থ ছিলেন। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আমরা আত্মীয়-স্বজন, আশপাশের গ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেছি, থানায় জিডি করেছি এবং মাইকিংও করেছি। কিন্তু কোথাও তাকে পাইনি। আজ সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় তার মরদেহ দেখতে পাই।’
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিজাম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। এছাড়া তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। তাদের ধারণা, অসুস্থতার জন্য তিনি দুর্ঘটনাবশত ডোবায় পড়ে যেতে পারেন।
খবর পেয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে জমি বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে খুনের মামলায় আবুল কালাম নামের প্রধান আসামির মৃতুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে (চার্জশিটে) অভিযুক্ত অপর ২ নারীকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের কক্সবাজারের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এই আদেশ প্রদান করেছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন জানান, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী রাশেদা বেগম ও ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল ফেরদৌসকে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। এই ঘটনার পর ২২ জানুয়ারি আবুল কালামকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ঈদগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন আজিজুল হক। মামলার অপর অভিযুক্তরা ছিলেন প্রধান আসামির ভাই আবুল তাহের, প্রধান আসামির স্ত্রী হামিদা বেগম এবং আবু তাহেরের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম।
পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৪ জুলাই আবু তাহেরকে অব্যাহতি প্রদান করে অপর ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত বিচারকার্য শুরু করে এবং বৃহস্পতিবার এই আদেশ প্রদান করে। আদেশ প্রদানকালে আসামিদের ৩ জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরে ফুটবল খেলতে গিয়ে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলবেলা গাংনী উপজেলার আজান গ্রামে ফুটবল মাঠে এই ঘটনা ঘটে।
রাব্বি হোসেন (১৮) হচ্ছেন মেহেরপুর সদর উপজেলায় বুড়িপোতা গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র। তার নানা বাড়ি আজান গ্রামে অবস্থিত।
জানা গেছে, মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ও গাংনী উপজেলার আজান গ্রামের কিশোরদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলাটি চলাকালে রাব্বি আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাব্বির বন্ধুরা জানান, রাজিব হোসেন বলেন, আমাদের মধ্যে রাব্বি ছিল একজন বন্ধু। আজান গ্রামের যুবকদের সাথে প্রীতি ফুটবল খেলার প্রস্তাব সে দিয়েছিল। খেলা চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই সে অসুস্থ হয়ে মাঠে বুকে হাত দিয়ে বসে পড়ে। এটা কেমন হলো, আমরা বুঝতে পারছি না।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ হাসান জানান, রাব্বি নামের একজন ফুটবল খেলতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মৃত্যু ঘটে। যেহেতু তার বয়স মাত্র ১৮, তাই আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, থানা পুলিশের একটি টিম বর্তমানে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ