বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে জমি বিরোধের জেরে মা ও মেয়েকে খুনের মামলায় আবুল কালাম নামের প্রধান আসামির মৃতুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে (চার্জশিটে) অভিযুক্ত অপর ২ নারীকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরের কক্সবাজারের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এই আদেশ প্রদান করেছেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার মৃত জাফর আলমের ছেলে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কুতুব উদ্দিন জানান, ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী রাশেদা বেগম ও ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল ফেরদৌসকে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন। এই ঘটনার পর ২২ জানুয়ারি আবুল কালামকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ঈদগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন আজিজুল হক। মামলার অপর অভিযুক্তরা ছিলেন প্রধান আসামির ভাই আবুল তাহের, প্রধান আসামির স্ত্রী হামিদা বেগম এবং আবু তাহেরের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম।
পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৪ জুলাই আবু তাহেরকে অব্যাহতি প্রদান করে অপর ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আদালত বিচারকার্য শুরু করে এবং বৃহস্পতিবার এই আদেশ প্রদান করে। আদেশ প্রদানকালে আসামিদের ৩ জনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মেহেরপুরে ফুটবল খেলতে গিয়ে একজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলবেলা গাংনী উপজেলার আজান গ্রামে ফুটবল মাঠে এই ঘটনা ঘটে।
রাব্বি হোসেন (১৮) হচ্ছেন মেহেরপুর সদর উপজেলায় বুড়িপোতা গ্রামের মিজানুর রহমানের পুত্র। তার নানা বাড়ি আজান গ্রামে অবস্থিত।
জানা গেছে, মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা ও গাংনী উপজেলার আজান গ্রামের কিশোরদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলাটি চলাকালে রাব্বি আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাব্বির বন্ধুরা জানান, রাজিব হোসেন বলেন, আমাদের মধ্যে রাব্বি ছিল একজন বন্ধু। আজান গ্রামের যুবকদের সাথে প্রীতি ফুটবল খেলার প্রস্তাব সে দিয়েছিল। খেলা চলাকালীন সময়ে হঠাৎ করেই সে অসুস্থ হয়ে মাঠে বুকে হাত দিয়ে বসে পড়ে। এটা কেমন হলো, আমরা বুঝতে পারছি না।
গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ হাসান জানান, রাব্বি নামের একজন ফুটবল খেলতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তার মৃত্যু ঘটে। যেহেতু তার বয়স মাত্র ১৮, তাই আমরা বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছি।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, থানা পুলিশের একটি টিম বর্তমানে ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ৬২৬ বাংলাদেশির ভিসা অটো ক্যান্সেল হয়েছে। এই ৬২৬ জনের মধ্যে ৪১৭ জনের ভিসা নবায়নের জন্য আমিরাত সরকারকে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এ তথ্য দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আমিরাতে এখন পর্যন্ত ৬২৬ জন বাংলাদেশির ভিসা অটো ক্যান্সেল হয়েছে। এই ৬২৬ জনের মধ্যে ৪১৭ জনের তালিকা ইতোমধ্যে আমিরাত সরকারের কাছে ভিসা নবায়নের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের তথ্যও পর্যায়ক্রমে পাঠানো হচ্ছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, চাকরিচ্যুত হওয়ার কারণে ভিসা বাতিল হলে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানেরও কিছু দায়িত্ব থাকে। আমাদের দূতাবাস সরাসরি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও যোগাযোগ চলছে।
প্রবাসীদের সচেতনতা ও স্থানীয় আইন মেনে চলার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য নিজ নিজ দেশের ও গন্তব্য দেশের আইন মেনে চলা জরুরি। ফেসবুকে কোনো সংবেদনশীল বিষয় বা রাজনীতি নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট দেওয়া ও অস্থিতিশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হচ্ছে।
ভুয়া কাগজপত্র জমার প্রভাব নিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, জাল বা ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করলে পুরো দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এবং যারা বৈধ উপায়ে কাজ করতে যেতে চান, তাদের পথও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৩ সালের অভিবাসন আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ভুয়া তথ্য বা কাগজ জমা দিলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধানসহ জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শামা ওবায়েদ বলেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়ার খরচ অনেক বেশি। এই ব্যয় কমাতে এবং দালাল চক্রের প্রতারণা রুখতে মন্ত্রণালয় সমন্বিত কাজ শুরু করেছে। অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার রোধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো একটি স্বতন্ত্র মাইগ্রেশন উইং গঠন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্স থেকে অবৈধভাবে ব্রিটেনে প্রবেশের লক্ষ্য হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার দুটি পৃথক প্রচেষ্টায় চার অভিবাসীর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই তারিখে ফরাসি কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বুধবার রাতের দিকে সমুদ্র উপকূলীয় শহর হারদেলোর কাছে এক ডিঙ্গি নৌকা ডুবে যাওয়ার ফলে একজনের মৃত্যু হয়। সেখান থেকে বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে, একই দিন ডানকার্ক বন্দরের নিকটে সমুদ্র থেকে আরও তিন অভিবাসনপ্রত্যাশীর মরদেহ উদ্ধার করার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উন্নত জীবনের প্রার্থনায় বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ঝুঁকি নিয়ে ছোট নৌকায় করে সমুদ্রপথে ফ্রান্স থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এই বিপজ্জনক রুট পার হওয়ার সময় প্রায়ই হৃদয়বিদারক নৌডুবির ঘটনাগুলো ঘটে, যার ফলে বহু মানুষের প্রাণ গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কমান্ডারের সঙ্গে বিরোধের কারণে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ) গিভাতি ব্রিগেডের তজাবার ব্যাটালিয়নের কয়েক ডজন সেনা তাদের ঘাঁটি ছেড়ে চলে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই ঘটনা ঘটে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের এসদে তেইমান সামরিক ঘাঁটিতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’ এই খবর জানিয়েছে, যে কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সেনারা ঘাঁটি ত্যাগ করেন। তবে তারা নিজেদের ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো ঘাঁটিতে রেখে গেছেন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায় যে, ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ইউনিটের জন্য সজ্জাসংক্রান্ত কয়েকটি সাইনবোর্ড খুলে ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই নির্দেশের পরই সেনাসদস্যদের সঙ্গে তার মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়।
আইডিএফের দাবি, সাইনবোর্ডগুলোতে এমন কিছু বিষয় ছিল যা ইউনিটের নতুন সদস্যদের সভ্যতার উল্টো বা অসম্মানকরূপে উপস্থাপন করত। তবে প্রতিবাদী সেনাদের দাবি, সাইনবোর্ডগুলো তাদের ব্যাটালিয়নের দীর্ঘকালীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ ছিল।
ঘটনার বিষয়ে এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, পুরো বিষয়টি বর্তমানে তদন্তের আওতায় রয়েছে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডাররা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেনাবাহিনীর মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে এ ধরনের আচরণ মানানসই নয় বলেও উল্লিখিত হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীতে জ্যেষ্ঠ ও জুনিয়র সেনাদের মধ্যে বৈষম্যমূলক আচরণ কিংবা অসন্তোষের কারণে একযোগে ঘাঁটি ত্যাগের ঘটনা কিন্তু নতুন নয়। অতীতে বিভিন্ন পদাতিক ইউনিটে এই ধরনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ