ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, মোট মৃত ১,২২৭


হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু, মোট মৃত ১,২২৭

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, এক হাজার ৩৫৬ জন হামে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হাম সংক্রান্ত বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন, সিলেটে একজন, চট্টগ্রামে দুইজন এবং ময়মনসিংহে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২২৭ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এক হাজার ১২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন: সেন্টমার্টিন দ্বীপ ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে, আরও যেসব সিদ্ধান্ত

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ২৮০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া যাওয়ার ফলে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ২১ হাজার ১৬৪ জনে। এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৬ জন। ফলে মোট নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৪০০ জনে।

গত ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে এক লাখ ৯৬ হাজার ৭০৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে, হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক লাখ ৮৮ হাজার ৬৭৪ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টা, ৩৪ মামলার আসামি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টা, ৩৪ মামলার আসামি গ্রেফতার

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়ার খুদিরামপুর এলাকায় ডাকাতির চেষ্টা করার সময় ৩৪ মামলার আসামি মো. মিজান (৫০) কে গ্রেফতার করেছে মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে পুলিশ। এ ঘটনার সময় নয়টি গরুসহ গরুবাহী একটি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকা হাইওয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজির (মিডিয়া) সেন্টার থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার (২৫ অক্টোবর) করটিয়ার খুদিরামপুর এলাকায় ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর একটি নীল রঙের গরুবাহী পিকআপ (রেজিস্ট্রেশন নং: ঢাকা মেট্রো-ন ২২-০৫৫৯) এর গতিরোধ করে ডাকাত দল। পিকআপে থাকা চারজনের মধ্যে তিনজনকে নামিয়ে দেয় এবং অপর ব্যক্তিকে নামানোর জন্য ধস্তাধস্তি করতে থাকে।

এ সময় মহাসড়কে টহলরত হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করে। এই অবস্থায় হাইওয়ে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে।

ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যরা মাইক্রোবাসে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ৯টি গরুসহ পিকআপটি জব্দ করা হয়। পুলিশ জানায়, ডাকাত দলের পলাতক সদস্যদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত মিজান একজন চিহ্নিত অপরাধী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় দস্যুতা, ডাকাতি, হত্যা এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের মোট ৩৪টি মামলা রয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, উক্ত ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে অনেক বিষয়ে সাদৃশ্য রয়েছে: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০২ পি.এম


বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে অনেক বিষয়ে সাদৃশ্য রয়েছে: স্পিকার

সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ এবং সুইডেনের মধ্যে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন উভয় দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের বিস্তারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সংসদ ভবনের স্পিকার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত উইকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই কথা বলেন।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে সুইডেন ও বাংলাদেশের মধ্যে অনেক বিষয়ে সাদৃশ্য বিদ্যমান।

সাক্ষাতকালে, স্পিকার এবং সুইডিশ রাষ্ট্রদূত উভয়েই দুই দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ ও ককাস গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সহ দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

স্পিকার সুইডেনকে দীর্ঘদিন ধরে দেশের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বঙ্গোপসাগরের উপকূলে মজুত তেল ও গ্যাস উত্তোলনে দেশটির কোম্পানিগুলোকে আমন্ত্রণ জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মরণ চত্বর ঢেকে যাচ্ছে চাকসুর ব্যানার-ফেস্টুনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৩ পি.এম


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মরণ চত্বর ঢেকে যাচ্ছে চাকসুর ব্যানার-ফেস্টুনে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এক বছর পূর্ণ হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাঙা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও নামফলক সংস্কার করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলো দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে রয়েছে। কোথাও ভেঙে পড়ে রয়েছে স্মৃতিফলক, কোথাও জমেছে শ্যাওলা, লতাপাতা ও ময়লা-আবর্জনা। স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে পেঁচিয়ে রয়েছে বৈদ্যুতিক তার, অকেজো হয়ে পড়েছে আলোকসজ্জা। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে সাত শহীদের স্মরণে নির্মিত স্মরণ চত্বর বারবার ঢেকে যাচ্ছে খোদ চাকসুর ব্যানার-ফেস্টুনে। এক বছরেও এসব স্থাপনার সংস্কার ও সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়িত না হওয়ায় চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘বিজয় ৭১ চত্বর’, যা পূর্বে ‘জয় বাংলা চত্বর’ নামে পরিচিত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চত্বরটি ‘বিজয় ৭১’ নামে পরিচিতি পেলেও পুরোনো নামফলক ভেঙে ফেলার পর সেখানে এখনো নতুন কোনো নামফলক স্থাপন করা হয়নি। বর্তমানে দেয়ালে রং দিয়ে ‘বিজয় ৭১’ লেখা থাকলেও ভাঙা ফলকটি পুনঃস্থাপন কিংবা নতুন নামফলক নির্মাণের কোনো উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিজয় ৭১ চত্বরের স্মৃতিস্তম্ভজুড়ে জমে রয়েছে শ্যাওলা। দীর্ঘদিন রং না করায় স্থাপনাটির বিভিন্ন অংশ বিবর্ণ হয়ে পড়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে জন্মেছে লতাপাতা, জমেছে ময়লা-আবর্জনা। স্মৃতিস্তম্ভের গায়ে পেঁচিয়ে রয়েছে বৈদ্যুতিক তার। এমনকি সেখানে স্থাপিত লাইটগুলোও দীর্ঘদিন ধরে জ্বলছে না। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারের অভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটির সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্ট অফিসসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের ভাঙা অংশও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভগুলো যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অযত্ন-অবহেলার শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এসব স্থাপনার সংস্কার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা যথাযথভাবে সংরক্ষণে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

এ বিষয়ে চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কেন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভগুলোর সংস্কার ও সংরক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি। তিনি জবাবে বলেন, "আমার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তুমি তো বলছো।" পোস্ট অফিসসংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের ভাঙা অংশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "ও ভাঙা পড়ে আছে না? এটা ঠিক করা দরকার ছিল।"

তবে স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে মোনায়েম শরীফ বলেন, "বুদ্ধিজীবী চত্বর সংস্কার ও শহীদ মিনারের আশপাশের এলাকা সংস্কারের জন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলাম। বিষয়গুলো সিরিয়ালে রয়েছে। ধাপে ধাপে এগুলো করা হবে বলে জানানো হয়েছিল। প্রায় দেড় মাস আগে এ বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে বসেছিলাম। এরপর আর বসা হয়নি।"

চাকসুর মেয়াদ শেষ হলেও নিজের অবস্থান থেকে এসব স্থাপনা সংস্কারের জন্য আবারও চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশমুখ জিরো পয়েন্টে অবস্থিত ‘স্মরণ চত্বর’ নির্মাণ করা হয়েছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতজন বীর সন্তানের স্মরণে। এখানে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নাম ও প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল অবদান তুলে ধরার ক্ষেত্রে চত্বরটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

তবে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী এসব বীর সন্তানের স্মরণে নির্মিত চত্বরটি প্রায়ই ঢেকে যায় খোদ চাকসুর ব্যানার ও ফেস্টুনে। বিশেষ করে ছাত্রসংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের প্রচারণামূলক ব্যানারের কারণে শহীদদের নাম ও প্রতিকৃতি আড়াল হয়ে যায়। এ নিয়ে একাধিকবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান হয়নি।

স্মরণ চত্বর চাকসুর ব্যানারে ঢেকে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মোনায়েম শরীফ বলেন, "স্মরণ চত্বর তো গোল। এক সাইডে ঢেকে থাকলে আরেক সাইডে দেখা যায়। সমস্যা নাই তো।" এরপর তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, "তাহলে মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক হিসেবে এটা আমার ব্যর্থতা নাকি?"

তিনি আরও বলেন, "চাকসুর বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য জিরো পয়েন্টে ব্যানারগুলো দেওয়া হয়। সবাই আসে, দেখে, এ জন্য আরকি। এর আগে একটা খেলাধুলার প্রোগ্রামের কারণে সেখানে ব্যানার দেওয়া হয়েছে। এখন বিতর্ক উৎসবের জন্য ব্যানার দেওয়া হয়েছে।"

তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে ব্যানারগুলো সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব স্টুডেন্টসের সভাপতি আশিকুর রহমান আশিক বলেন, "কিছুদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত স্মরণ চত্বর ছাত্রদল, ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যানারে ঢেকে যায়। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম এবং ব্যানার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছিলাম। এর পরপরই ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের ব্যানার সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও চাকসুর ব্যানারও দেখা যায়। বর্তমানে চাকসুর ব্যানারগুলো এখনো ঝুলে আছে, অথচ সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম শেষ হয়ে গেছে এবং চাকসুর মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "স্মরণ চত্বরটি দ্রুত ব্যানারমুক্ত করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যাতে দূর থেকেই চত্বরটি স্পষ্টভাবে দেখা যায় এবং শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত স্থাপনাটির পরিবেশ ও সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ থাকে।"

বিজয় ৭১ চত্বরের ভাঙা নামফলক নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে আশিকুর রহমান আশিক বলেন, "জয় বাংলা চত্বরকে অনেকেই বিজয় ৭১ চত্বর হিসেবে নামকরণ করেছেন। কিন্তু সেখানে এখনো আগের ভাঙা ফলকটি পড়ে আছে। বিজয় ৭১ নামটি শুধু দেয়ালে রং দিয়ে লেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। অথচ সেখানে নতুনভাবে একটি ফলক স্থাপন করা প্রয়োজন ছিল।"

চাকসুর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করলেও এসব স্মৃতিফলক সংস্কার ও পুনঃস্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে যেভাবে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, ঠিক একইভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা সেই উদ্যোগের প্রতিফলন দেখতে পাইনি। পরবর্তী সময়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিছু গ্রাফিতি আঁকা হলেও তা করা হয়েছে একেবারে শেষ মুহূর্তে। আমাদের মনে হয়েছে, স্বতঃস্ফূর্ত উদ্যোগের পরিবর্তে সমালোচনার কারণেই এসব গ্রাফিতি করা হয়েছে।"

তিনি বলেন, "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা স্তম্ভটির বর্তমান অবস্থাও অত্যন্ত দুঃখজনক। স্তম্ভটির চারপাশ ঝোপঝাড়ে ঘেরা, বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে। অথচ এটি সংস্কার ও যথাযথভাবে সংরক্ষণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ে না। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এমন একটি স্থাপনার প্রতি অবহেলা সত্যিই হতাশাজনক।"

তিনি আরও বলেন, "একজন দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে তার উচিত ছিল আমাদের জাতীয় ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া। কিন্তু তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অগ্রাধিকার দিলেও মহান মুক্তিযুদ্ধ ও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ভূমিকা পালন করতে পারেননি বলে আমরা মনে করি। যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও চেতনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অবমূল্যায়নেরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে, আরও যেসব সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


সেন্টমার্টিন দ্বীপ ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে, আরও যেসব সিদ্ধান্ত

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। তবে, এই পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন দ্বীপে দৈনিক সর্বোচ্চ তিন হাজার পাঁচশত পর্যটক যাতায়াত করতে পারবেন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য চিঠি প্রদান করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াতের বিষয়ে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে, দ্বীপটিতে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার পাঁচশত জনের বেশি পর্যটক থাকতে পারবে না।

এছাড়া, সেন্টমার্টিনে প্রতিটি পর্যটকের কাছ থেকে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায় করা হবে। এই বিষয়ে পরিবেশ অধিদফতর ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি-২৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এদিকে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং নৌপরিবহন অধিদফতর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি প্রদান করতে পারবে না। দুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজের চলাচল অব্যাহত থাকবে।

পর্যটক যাতায়াত-সংক্রান্ত এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদফতর, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার এবং ট্যুরিস্ট পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%