শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৯ পি.এম
জুমআর দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ‘সুরা কাহফ’ তেলাওয়াত করা। যদি কেউ সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করতে না পারে, তবে এ সুরার প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করলেও ফজিলত রয়েছে। হাদিসে উল্লেখ রয়েছে-
"যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার ইমানের নুর এ জুমাহ থেকে আগামী জুমাহ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।" (মিশকাত ২১৭৫)
"যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ রাখা হবে।" (মুসলিম) (মিশকাত)
"যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নুর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করবে। আর যে ব্যক্তি এ সুরার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।" (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।
"যে ব্যক্তি জুমার রাতে সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নুর হবে।" (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।
"জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে।" (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)
"একজন ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ পড়ছিল। তখন সে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে। বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সুরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কোরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল।" (মুসলিম- ১৭৪২)।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুমার সুন্নত নামাজের কত রাকাত হওয়া উচিত, এ বিষয়ে হাদিস ও সাহাবিদের আমল কী নির্দেশ করে? জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলত রয়েছে। এ দিন দুই রাকাত ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নত নামাজ আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে জুমার আগে ও পরে কত রাকাত সুন্নত পড়তে হবে, এ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে। হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামের আমলের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা যাক।
প্রতিদিন ১২ রাকাত সুন্নত নামাজের ফজিলত সম্পর্কে জানা যায়। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিয়মিত সুন্নত নামাজ আদায়ের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। হজরত উম্মে হাবিবা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি দিনে-রাতে ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে।" সহিহ মুসলিমের ৭২৮ নম্বর হাদিসে উল্লেখিত ১২ রাকাত সুন্নত হলো জোহরের ফরজের আগে চার রাকাত ও পরে দুই রাকাত, মাগরিবের ফরজের পরে দুই রাকাত, ইশার ফরজের পরে দুই রাকাত এবং ফজরের ফরজের আগে দুই রাকাত।
জুমার নামাজে জোহরের চার রাকাত ফরজের পরিবর্তে দুই রাকাত ফরজ আদায় করা হয়। হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, জুমার ফরজের আগে চার রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা এবং ফরজের পরে চার রাকাত সুন্নতে মুআক্কাদা আদায় করা হয়। এ ছাড়া জুমার ফরজের পরে ছয় রাকাত নামাজ আদায়ের প্রচলনও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চার রাকাতের পর আরও দুই রাকাত নফল বা অতিরিক্ত সুন্নত হিসেবে পড়া হয়। জুমার পর দুই বা চার রাকাত নামাজ আদায়ের বিষয়ে হাদিসে বর্ণনা রয়েছে। তাই এ বিষয়ে ফিকহি মতপার্থক্যও বিদ্যমান।
জুমার আগে চার রাকাত নামাজের দলিল
সাহাবায়ে কেরামের আমলেও জুমার আগে চার রাকাত নামাজ আদায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বায় উল্লেখ করা হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) জুমার আগে চার রাকাত নামাজ আদায় করতেন। তাবেয়ি হজরত ইবরাহিম নাখঈ (রহ.) থেকেও জানা যায়, সাহাবায়ে কেরাম জুমার আগে চার রাকাত নামাজ আদায় করতেন। এসব বর্ণনা জুমার পূর্ববর্তী সুন্নত নামাজের বিষয়ে আলেমদের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত।
হাদিসে সুন্নত নামাজের গুরুত্ব
সুন্নত নামাজের ফজিলত সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
مَنْ صَلَّى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ بُنِيَ لَهُ بِهِنَّ بَيْتٌ فِي الْجَنَّةِ অর্থ: যে ব্যক্তি দিনে-রাতে ১২ রাকাত নামাজ আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭২৮)
এ হাদিস থেকে নিয়মিত সুন্নত নামাজ আদায়ের গুরুত্ব ও ফজিলত স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। জুমার দিন মুসলমানদের জন্য ইবাদত ও নেকি অর্জনের বিশেষ সুযোগ। তাই জুমার ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নত নামাজও গুরুত্বের সঙ্গে আদায় করা উচিত। একই সঙ্গে নামাজের রাকাতসংখ্যা ও বিধান সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকলে নির্ভরযোগ্য আলেমদের ব্যাখ্যা অনুসরণ করা এবং অন্যের আমল নিয়ে অযথা বিতর্ক এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বিরোধী দলকে আহ্বান জানিয়েছেন যে, লংমার্চসহ অন্যান্য কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সংসদে ফিরে এসে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সংবিধান সংস্কার কমিটিতে বিরোধী দলকে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্যও আহ্বান জানানো হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, "বিরোধী দলের কম-বেশি যাই হোক সংসদে মূল্যায়ন রয়েছে। তাই লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে সংসদে ফিরে এসে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "সংসদে অবাধে কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তবে বাকস্বাধীনতার পাশাপাশি বাকশালীনতাও বজায় রাখতে হবে।"
মীর শাহে আলম জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে বলেন, "নির্বাচনের আগে বেহেশতের টিকিটের কথা বলে জামায়াত ভোট নিয়েছে। নির্বাচনের আগে পূজামণ্ডপে গিয়ে ঢাকের তালে নেচেছে। কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের আর পূজামণ্ডপে দেখা যায়নি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স দাম্মাম ও রিয়াদগামী সমস্ত ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। দাম্মামগামী ফ্লাইটগুলো ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে এবং রিয়াদগামী ফ্লাইটগুলো ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে সৌদি আরবের দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ঢাকা থেকে দাম্মামগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবরের সমস্ত ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।
এছাড়া চলমান বিমান হামলার পরিস্থিতি বিবেচনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্স জানিয়েছে, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও সংশোধিত যাত্রাসূচি যথাসময়ে জানানো হবে।
তবে ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইটগুলো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।
জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে এবং বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন। এ জন্য টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে ওঠে। একসময় কাজের সম্পর্ক প্রেমের রূপ নেয়। ২০১০ সালে সেই সম্পর্ক পূর্ণতা পায়। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন বাঁক এবং ব্যক্তিগত জীবনের উত্থান-পতনে, শোবিজের দুই তারকা নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা একে অপরের জন্য বড় শক্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে এবার তাদের সংসারে ভাঙনের গুঞ্জন উঠেছে।
দীর্ঘ ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত দূরত্ব এবং বিচ্ছেদের সুর শোনা যাচ্ছে। হঠাৎ করে অন্তর্জালে তিশা ও ফারুকীর বিচ্ছেদের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর, ভক্তদের মধ্যে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে।
শোনা যাচ্ছে, দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে আলাদা থাকছেন এই তারকা দম্পতি। তাদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে প্রশ্ন উঠছে- তাহলে কি সত্যিই বদলে যাচ্ছে এ দুই তারকার সম্পর্কের সমীকরণ?
গুঞ্জন রয়েছে, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরির পেছনে মতের অমিল রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে আলোচনা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় কেনা একটি বাড়ি বিক্রি করার বিষয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ফারুকী বাড়িটি বিক্রি করতে চান, কিন্তু তিশার এতে সম্মতি নেই। এই বিষয়টি তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে এবং বিচ্ছেদের প্রস্তুতি চলছে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী কথা বলতে রাজি হননি। সামাজিক মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘অপ্রয়োজনীয় আলাপে’ তার আগ্রহ নেই। ফলে তাদের দাম্পত্যের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিশা ও ফারুকীর একসঙ্গে পথচলা, অসংখ্য স্মৃতি এবং ভালোবাসার গল্প- সবকিছুর পরিণতি কি সত্যিই বিচ্ছেদ? নাকি সময়ের সাথে এই দূরত্ব কেটে যাবে এবং সম্পর্কের পুরনো সমীকরণ ফিরে আসবে? এর উত্তর জানতে ভক্তদের দুই তারকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অফিসিয়াল মন্তব্যের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ