প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জুমআর দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য রয়েছে অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ‘সুরা কাহফ’ তেলাওয়াত করা। যদি কেউ সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করতে না পারে, তবে এ সুরার প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করলেও ফজিলত রয়েছে। হাদিসে উল্লেখ রয়েছে-
"যে ব্যক্তি জুমার দিন সূরা আল কাহাফ পড়বে, তার ইমানের নুর এ জুমাহ থেকে আগামী জুমাহ পর্যন্ত চমকাতে থাকবে।" (মিশকাত ২১৭৫)
"যে ব্যক্তি সূরা আল কাহাফ এর প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জালের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ রাখা হবে।" (মুসলিম) (মিশকাত)
"যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পাঠ করবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য এমন একটি নুর হবে, যা তার অবস্থানের জায়গা থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করবে। আর যে ব্যক্তি এ সুরার শেষ দশটি আয়াত পাঠ করবে, তার জীবদ্দশায় দাজ্জাল বের হলেও সে তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।" (সিলসিলায়ে সহীহা -২৬৫১)।
"যে ব্যক্তি জুমার রাতে সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য স্বীয় অবস্থানের জায়গা হতে পবিত্র মক্কা পর্যন্ত একটি নুর হবে।" (সহীহ তারগীব ওয়াত্ তারহীব - ৭৩৬)।
"জুমার দিনে সূরা কাহফ পাঠ করলে কিয়ামত দিবসে তার পায়ের নীচ থেকে আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত নূর আলোকিত হবে এবং দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ মাফ হবে।" (আত তারগীব ওয়াল তারহীব- ১/২৯৮)
"একজন ব্যক্তি সূরাহ আল কাহফ পড়ছিল। তখন সে দেখতে পেল একখণ্ড মেঘ তাকে পরিবেষ্টন করে নিয়েছে। বারা ইবনু আযিব বর্ণনা করেছেন যে, লোকটি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এর কাছে বললেন। তিনি তাকে উদ্দেশ্য করে বললেন, হে অমুক তুমি সুরাটি পড়তে থাক। কারণ এটি ছিল আল্লাহর রহমত বা প্রশান্তি যা কোরআন তেলাওয়াতের কারণে বা কোরআন তেলাওয়াতের জন্য অবতীর্ণ হয়েছিল।" (মুসলিম- ১৭৪২)।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন