প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন মন্তব্য করেছেন যে, সরকার জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহাযোগ্য জ্বালানীতে গুরুত্ব প্রদান করছে।
আজ রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘সাইন্স পলিসি ডায়লগ অন ব্ল্যাক কার্বন অ্যান্ড আদার শর্ট লাইভড ক্লাইমেট পল্যুটেন্টস’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, অতীতের নীতির ফলে আমাদের জ্বালানি খাতে ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে সরকার জ্বালানির উৎসকে বহুমুখী করতে চায়। পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে সরকারের গুরুত্ব রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের প্রকল্পও চালু রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বৃদ্ধি করা। নতুন প্রকল্পগুলোতে বৈদ্যুতিক যানবাহনকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচি এবং বেগম খালেদা জিয়ার সিএনজির মতো পরিবেশবান্ধব যানবাহন চালুর উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিএনপির সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। এছাড়া, প্লাস্টিক ও পলিথিন নিষিদ্ধকরণ এবং পাটজাত ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের প্রসারে বিএনপি সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল।
বিগত বিএনপি সরকারের সময় দেশব্যাপী সাপ্তাহিক, মাসিক ও বার্ষিক ভিত্তিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা সেই সংস্কৃতিকে আবার নতুন করে ফিরিয়ে আনতে ও আরও বিকশিত করতে চাই।
মাহদী আমিন বলেন, আমরা একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে উন্নয়নের নামে প্রকৃতি ধ্বংস করা হবে না; বরং প্রকৃতিকে সংরক্ষণ করা হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমরা এমন প্রকল্প ও উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিতে চাই, যেখানে পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারণ, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশুদ্ধ ও নির্মল বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারবে। এজন্য আমাদেরকে বহুমুখী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা ব্যারেজের মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা জলাধার তৈরি করতে চাই। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ধরে রাখা ও পানিসম্পদের ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আব্দুস সালাম এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওরজান গুসটাফসোনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এ এস এম আব্দুল আওয়াল এবং সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন