শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ এম
অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি অনলাইনে চটকদার ও বিভ্রান্তিকর শিরোনামের প্রবণতা এবং অপসাংবাদিকতা নিয়ে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তিনি মন্তব্য করেন, সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য মূল ঘটনা আড়াল করে এ ধরনের চর্চা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নিজেকে সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী হিসেবে উল্লেখ করে দীঘি জানান, সাংবাদিকতার প্রথম নীতিই হলো কাউকে হেয় বা ক্ষতিগ্রস্ত না করে প্রশ্ন করা। কিন্তু বর্তমানে চটকদার ক্যাপশন এবং সংবেদনশীল শিরোনাম ব্যবহার করে খবরের মূল বিষয়বস্তু পরিবর্তন করা হচ্ছে।
গণমাধ্যমের প্রতি তার শ্রদ্ধার কথা জানিয়ে দীঘি বলেন, তার নানা ছিলেন সাংবাদিক। মরহুম মায়েরও অনেক সাংবাদিক বন্ধু ছিলেন। নিকটজনদের মধ্যে অনেকেই এ পেশায় যুক্ত আছেন। তাই বর্তমান এই অপেশাদার চর্চা তাকে কষ্ট দেয়।
তিনি আরও বলেন, এখন নিয়ম না মেনে মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও দিয়ে চটকদার কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। ভিউ বাড়ানোর জন্য সাক্ষাৎকারের অপ্রাসঙ্গিক অংশ কেটে বিভ্রান্তিকর ক্যাপশন দেওয়া হচ্ছে, যা পাঠক ও দর্শকদের বিভ্রান্ত করছে।
উল্লেখ্য, দীঘি ২০০৬ সালে ‘কাবুলিওয়ালা’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি ৩৬টি সিনেমায় কাজ করেন। পরে পড়াশোনার জন্য বিরতি নিয়ে তিনি আবারও নায়িকা হিসেবে ফিরে আসেন। গত বছরের ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমা দিয়ে তিনি নতুন করে আলোচনায় আসেন। বর্তমানে তার অভিনীত ‘বিদায়’ নামে একটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইন আঘাত লেগে চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়। এর এক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ থেকে মাইন অপসারণ করেছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলের অননুমোদিত পথ দিয়ে চলাচল করার চেষ্টা করার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত পেয়ে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়।
পরে বৃহস্পতিবার ইরানের সেনাবাহিনী জানায়, প্রণালির পূর্বদিকে আরও একটি তেলবাহী জাহাজে মাইন বিস্ফোরণে আগুন লাগে। দাবি করা হয়েছে যে, জাহাজটি ‘নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক এলাকায়’ চলাচল করছিল।
আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথম তিনটি জাহাজ তাদের রাডার ও নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছিল এবং আইআরজিসি নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল।
তবে এসব ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় এবং জাহাজগুলোর পতাকাবাহী দেশ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এদিকে, ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জানায়, ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল বা ৪৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে আগুন লাগার খবর তারা পেয়েছে।
এর আগে একই এলাকায় আরও দুটি ঘটনার খবর দিয়েছিল সংস্থাটি। এর মধ্যে একটি ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনার পর আগুন ধরে ডুবে যায় একটি ঐতিহ্যবাহী আরবীয় নৌযান। অন্যটি ছিল হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি তেলবাহী জাহাজ।
গত কয়েক সপ্তাহে ইরান একাধিক জাহাজ সাগরে পুঁতে রাখা মাইনে আঘাত পাওয়ার খবর জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে দাবি করে, নৌযান চলাচলের প্রধান পথগুলো থেকে সব মাইন অপসারণ করা হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবার এই দাবি চ্যালেঞ্জ করেন আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি। সামাজিক মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘হরমুজ থেকে মাইন অপসারণের দাবির পক্ষে বিবৃতি নয়, স্বাধীন প্রমাণ দেখান।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে ইরান। বিশ্বের মোট ব্যবহৃত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই জলপথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়।
এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে সহায়তা করছে। রোববার সেন্টকম জানায়, গ্রীষ্মকাল থেকে এ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর ১৫০ কোটি ব্যারেল তেল রপ্তানিতে সহায়তা করেছে তারা।
ইরানের অবস্থান, ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণাঞ্চলীয় করিডর দিয়ে জাহাজ চলাচল অননুমোদিত।
বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালির অননুমোদিত পথটি মাইন পুঁতে বিপজ্জনক করে রাখা হয়েছে। এসব পথে চলাচলের দায় জাহাজের মালিক ও নাবিকদের। সামাজিক মাধ্যমে সেন্টকমের বিভ্রান্তিকর দাবিতে তাদের কান দেওয়া উচিত নয়।’
এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা ড্রোন জব্দ করার দাবিও করেছে আইআরজিসি।
বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমাঞ্চলে এক অভিযানে আইআরজিসি নৌবাহিনীর ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট সফলভাবে যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউএম-১৭০ মডেলের একটি ড্রোন জব্দ করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অনেকেই সারাজীবন উপার্জিত অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করবেন তা নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিছু মানুষ স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ করেন, অন্যরা সঞ্চয়পত্র বা বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। তবে মধ্যবিত্তদের জন্য সঞ্চয়ের একটি স্মার্ট মাধ্যম হলো প্রাইজবন্ড। মাত্র ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনে সর্বোচ্চ পুরস্কার ৬ লাখ টাকা পেতে পারেন।
সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে সরকার ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে এই বন্ড চালু করেছে। এটি যে কোনো সময় কেনা ও ভাঙানো সম্ভব।
প্রাইজবন্ড কী?
প্রাইজবন্ড হচ্ছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি বিনিয়োগ প্রকল্প, যেখানে বিনিয়োগকারী যেকোনো সময় বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যে কোনো সময় প্রাইজবন্ড ফেরত দিয়ে মূল অর্থ উত্তোলন করতে পারেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মুনাফা বা সুদ প্রদান করা হয় না। তবে প্রতি বছর তিন মাস অন্তর ড্র অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের বিভিন্ন মূল্যমানের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার নির্ধারিত তারিখগুলো হলো ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর। যদি নির্ধারিত তারিখে কোনো সরকারি ছুটি পড়ে, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।
তবে বিক্রিত সব বন্ড লটারির আওতায় আসে না। যে তারিখে ড্র অনুষ্ঠিত হবে, সেই তারিখ থেকে ২ মাস আগে যে নতুন বন্ড বিক্রি হবে, তা সহ পূর্বের বিক্রিত বন্ড ড্রয়ের আওতায় আসবে। অর্থাৎ বন্ডের বিক্রির তারিখ থেকে ন্যূনতম ২ মাস অতিক্রমের পর সেই বন্ড ড্র-এর আওতায় আসবে।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে 'ড্র' অনুষ্ঠিত হয় এবং সরকার নিয়োজিত 'ড্র' কমিটি এই অনুষ্ঠান পরিচালনা করে। একক সাধারণ পদ্ধতিতে 'ড্র' পরিচালিত হয়, অর্থাৎ প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর। বাজারে প্রচলিত প্রাইজবন্ড সিরিজগুলো এই 'ড্র'-এর আওতাভুক্ত।
প্রাইজবন্ড কেন প্রচলন করা হয়েছে?
বাংলাদেশ সরকার অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই স্কীমটি চালু করেছে। এই প্রকল্পটি সকল শ্রেণির মানুষের সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির কথা বিবেচনা করে প্রবর্তন করা হয়েছে। সরকারের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ আহরণ এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেকটাই সহজ। প্রাইজবন্ড বিক্রির মাধ্যমে সরকার সরাসরি জনগণের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে।
বর্তমানে বাজারে কত টাকা মূল্যের প্রাইজবন্ড চালু আছে? বাংলাদেশে এ পর্যন্ত তিনটি প্রাইজবন্ড প্রকল্প প্রবর্তিত হয়েছে। প্রথমটি ১৯৭৪ সালে ১০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড, যা ১৯৯৫ সালে বাতিল হয়। দ্বিতীয়টি ৫০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড, যা ১৯৯৫ সালে বাতিল হয়।
বর্তমানে শুধুমাত্র ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ড বাজারে চালু রয়েছে। ১৯৯৫ সালের ২ জুলাই থেকে এই বন্ড বাজারে প্রচলিত হয়েছে।
কেন কিনবেন প্রাইজ বন্ড?
আপনি সারাজীবন কষ্ট করে কিছু টাকা জমিয়েছেন। কিন্তু কোথায় টাকা বিনিয়োগ করবেন তা ভাবতে পারছেন না। কারণ যে কোনো বিনিয়োগের ঝুঁকি থাকে। তবে প্রাইজবন্ডে কোনো রিস্ক নেই। খুব ক্ষুদ্র সঞ্চয় দিয়ে আলাদাভাবে অর্থনীতিতে লাভজনক বিনিয়োগ সম্ভব নয়।
১০০ টাকায় অন্য কোনোভাবে সঞ্চয় বা বিনিয়োগ করা কঠিন। আবার অন্য কোনো বিনিয়োগ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে মূলধন প্রত্যাহার সম্ভব নয়। তবে প্রাইজবন্ড ভাঙিয়ে যে কোনো সময় নগদ অর্থ তোলা যায়। এটি সহজে হস্তান্তরযোগ্য। ব্যাংক বা অন্য কোথাও সঞ্চয় জমা রাখলে তা সহজে হস্তান্তরযোগ্য নয়। কিন্তু আপনার অধিকারে থাকা প্রাইজবন্ড যে কোনো সময় যে কাউকে হস্তান্তর করা সম্ভব। কোনো দালিলিক প্রক্রিয়ার প্রয়োজন পড়ে না। ড্র এর সময় বন্ড যার হাতে থাকবে, সেই পুরস্কার লাভ করবে।
কীভাবে কিনবেন?
প্রাইজবন্ড কিনতে কোনো আবেদন করতে হয় না। যেকোনো ইস্যু অফিসে গিয়ে নগদ অর্থের বিনিময়ে প্রাইজবন্ড ক্রয় ও ভাঙানো যায়। বর্তমানে দেশে চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাইজবন্ড কেনা ও ভাঙানো সম্ভব।
১) বাংলাদেশ ব্যাংক
২) শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংক ব্যতীত সকল তফসিলি ব্যাংক
৩) জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের অধীনস্থ সব সঞ্চয় ব্যুরো অফিস
৪) ডাকঘর
প্রাইজবন্ড 'ড্র' পদ্ধতি কেমন?
বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড স্কিমের অধীনে প্রাইজবন্ড বিক্রয়, 'ড্র' অনুষ্ঠান এবং পুরস্কারের টাকা প্রদানের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রাইজবন্ড 'ড্র' কমিটির চেয়ারম্যান (বিভাগীয় কমিশনার) কর্তৃক নির্দেশিত পূর্ব নির্ধারিত স্থানে 'ড্র' অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়। চেয়ারম্যান 'ড্র' অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং অনুমোদিত পদ্ধতি অনুযায়ী 'ড্র' অনুষ্ঠানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করেন।
'ড্র' অনুষ্ঠানটি বিটিভি বা অন্য কোনো চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় না, তবে বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে এই 'ড্র' অনুষ্ঠানে প্রচুর জনসাধারণ, মিডিয়া প্রতিনিধি, সংবাদ মাধ্যম উপস্থিত থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করে আসছে, কখনো কোনো বিরূপ পরিবেশ তৈরি হয়নি।
চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত গেজেটেড কর্মকর্তারা অর্থাৎ ড্রয়িং অফিসার 'ড্র' পদ্ধতিটি পাঠ, ড্রাম ঘুরানো, গুটি উত্তোলন, ড্রামের সঙ্গে রক্ষিত ট্রে-তে গুটিগুলো স্থাপন ইত্যাদি কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করেন এবং সদস্যগণ অন্যান্য কাজের সাথে পুরস্কার বিজয়ী নম্বর রেকর্ড করা ও নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী 'ড্র' অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন।
প্রাইজবন্ড 'ড্র' অনুষ্ঠানের প্রায় দেড় মাস পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশনার আলোকে মতিঝিল অফিসের প্রাইজবন্ড শাখার উপ-ব্যবস্থাপকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের 'ড্র' অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়। প্রাইজবন্ড 'ড্র' কমিটির সভাপতি মহোদয় ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরকে প্রাইজবন্ড নীতিমালায় বর্ণিত কার্যাবলী মোতাবেক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হয় এবং উক্ত দায়িত্ব পালনে ব্যত্যয় ঘটার সুযোগ নেই।
চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সহজেই প্রাইজবন্ডের ড্রয়ের ফলাফল জানবেন-
সহজেই প্রাইজবন্ড ড্রয়ের ফলাফল জানার পদ্ধতি
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইটের সার্চ বক্সে প্রতিবারে এক বা একাধিক নম্বর অনুসন্ধান করা যাবে। একটি নম্বরের জন্য শুধুমাত্র নম্বরটি টাইপ (সিরিজ নয়) করলেই ফলাফল জানা যাবে। যদি একাধিক প্রাইজবন্ড থাকে এবং তা যদি ক্রমানুসারে হয় তাহলে শুধুমাত্র প্রথম ও শেষ নম্বরের মাঝে হাইফেন (-) টাইপ করে সমস্ত নম্বর অনুসন্ধান করা যাবে। আর যদি একাধিক প্রাইজবন্ড থাকে এবং তা যদি ক্রমানুসারে না হয় তাহলে কমা (,) দ্বারা আলাদা করে সমস্ত নম্বরগুলো টাইপ করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ফলাফল জানা যাবে।
এছাড়া প্রাইজবন্ডের লটারির ফলাফল জানার জন্য বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ চালু করেছে প্রাইজ বন্ড রেজাল্ট ইনকুয়্যারি সফটওয়্যার (পিবিআরআইএস)। যার ওয়েব এড্রেস হলো www.irdbd.online।
এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ২টি পদ্ধতিতে ফলাফল অনুসন্ধান করা যাবে। সার্চ বক্সে সরাসরি নম্বর লিখে এবং নম্বর আপলোড করে অনুসন্ধান করা যাবে।
প্রথম পদ্ধতির ক্ষেত্রে সার্চ বক্সে প্রাইজবন্ডের নম্বরটি (সিরিজ ব্যতীত) বাংলায় অথবা ইংরেজিতে অনুসন্ধান করা যাবে। একসঙ্গে একাধিক নম্বর অনুসন্ধান করলে নম্বরগুলোকে কমা (,) দিয়ে আলাদা করতে হবে। ধারাবাহিক নম্বর অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে প্রথম ও শেষ সংখ্যার মধ্যে হাইফেন (-) ব্যবহার করতে হবে।
দ্বিতীয় পদ্ধতির ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট এক্সেল সিটের কলাম এ প্রাইজবন্ডের নম্বরগুলো (সিরিজ ব্যতীত) ইংরেজিতে লিখে শেষ করতে হবে। তারপর এক্সেল ফাইলটি সরাসরি সফটওয়্যারে আপলোড দিতে হবে। অনুসন্ধানের তারিখ শুরু করে পূর্ববর্তী ২ বছরের মধ্যে প্রকাশিত সব ফলাফলের বিপরীতে কোনো মিল পেলে ফলাফলের কপি দেখাবে।
এই সফটওয়্যার থেকে প্রাইজবন্ড ক্রেতারা পুরস্কারের টাকা দাবি ফরম ডাউনলোড করতে পারবেন। সেই সঙ্গে প্রাইজবন্ডের ড্র বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন।
ক্রেতারা এ সফটওয়্যারে বিনামূল্যে ই-মেইল সাবস্ক্রিপশন করতে পারবেন। এতে সাবস্ক্রিপশনপ্রাপ্ত নাগরিকরা প্রতি ৩ মাস পরপর প্রকাশিত ফলাফল সম্পর্কে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইলে অবহিত হতে পারবেন।
পুরস্কার
প্রাইজবন্ডে প্রথম পুরস্কার বিজয়ীকে ৬ লাখ টাকা দেয়া হয়। দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীকে দেয়া হয় তিন লাখ ২৫ হাজার টাকা করে। তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী এক লাখ টাকা করে এবং চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা করে পান। পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ী প্রত্যেককে দেয়া হয় ১০ হাজার টাকা করে। প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের জন্য ঘোষিত সংখ্যার প্রতিটি সিরিজের সেই সংখ্যার বন্ড একই পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়।
পুরস্কার দাবির সময়সীমা দুই বছর। সাধারণত পুরস্কার দাবির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে পুরস্কারের অর্থ প্রাপকের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা হয়ে যায়। তবে আয়কর আইন ২০২৩ এর ১১৮ ধারার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাইজবন্ডে পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটার বিধান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ দুর্বল হতে না হতেই দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী দুই দিন দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু স্থানে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের আশঙ্কাও প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটি প্রথমে স্থল গভীর নিম্নচাপে এবং পরে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় সারা তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
পরদিন শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। এ সময় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রাও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এছাড়া মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাপান সফরের একটি প্রধান অর্জন হলো বিশাল বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি। মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে ‘বিগ-বি ইনিশিয়েটিভ’ বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চলের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদদের মতে, এতে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তারা মনে করেন, এই সফরের মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় হচ্ছে, যা ভূরাজনৈতিক অবস্থানে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
চীন ও মালয়েশিয়া সফরের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে যান। চার দিনের এই সফরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ২৩টি নথিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী জাপানের সঙ্গে সম্পর্ক বর্তমানে কৌশলগত অংশীদারত্বের স্তরে পৌঁছেছে। দুই দেশের সরকারপ্রধান এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
সাবেক রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের জাপান সফরটি গতানুগতিক ছিল না। অটোমোবাইল, প্রযুক্তি এবং মাতারবাড়িতে বিজনেস হাব-এ বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে কূটনীতি ও অর্থনীতির বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি পূর্বের সফরগুলোর তুলনায় ব্যতিক্রমী ছিল।
তিনি বলেন, সফরের জন্য বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। সাধারণত বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে প্রস্তুতির অভাব দেখা যায়, কিন্তু যৌথ ঘোষণার ভাষা দেখে মনে হয়েছে, বাংলাদেশ যথেষ্ট তথ্য ও প্রস্তাবনা প্রদান করেছে। এটি আগের যেকোনো সফরের তুলনায় বড় ধরনের ব্যতিক্রম ছিল।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবির জানান, জাপান বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে এবং তারা তা বাস্তবায়নে আগ্রহী। ৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই বিনিয়োগের ঘোষণা বাস্তবায়িত হলে ২ লাখ অতিরিক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার। তবে বাংলাদেশের বাণিজ্যে ঘাটতি প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার। সম্প্রতি রফতানি বৃদ্ধি পেলেও, বিশ্লেষকরা মনে করেন, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং রফতানি আরও বাড়াতে ঢাকা গুরুত্ব দিয়েছে।
ড. মাহফুজ কবির বলেন, জাপান সরাসরি বেসরকারি বিনিয়োগে আগ্রহী। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং বাংলাদেশি জনশক্তি রফতানির বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
সফরের আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি হলো জাপানের ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ ইনিশিয়েটিভ’ বা বিগ-বি। এই উদ্যোগে ভারতের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে জাপানের আগ্রহও স্পষ্ট হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিগ-বির সম্ভাব্য পরিধি ভারতের সেভেন সিস্টারস অঞ্চল, মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরকে এই উদ্যোগের মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ কীভাবে এই উদ্যোগ থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেতে পারে, তা নিয়ে আরও বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
ড. মাহফুজ কবির বলেন, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্পাঞ্চলভিত্তিক হাব গড়ে তোলার বিষয়টিকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দেখতে হবে। অন্য কোনো কৌশলগত উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হলে সেটি হবে দ্বিতীয় লক্ষ্য। বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলো বিগ-বি উদ্যোগে একত্রিত হলে তা সকলের জন্য সুফল বয়ে আনতে পারে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান জানান, বাংলাদেশের পক্ষে পুরো বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব না হলেও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে সেই ভূমিকা পালনের জন্য উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। আঞ্চলিক সংহতির বিষয়টি নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা রয়েছে।
জাপান সফরে অর্থনৈতিক অর্জনের পাশাপাশি কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। সাবেক রাষ্ট্রদূত কামরুল হাসান জানান, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি জাপানের সমর্থন অর্জন সফরের অন্যতম বড় সাফল্য।
কামরুল হাসান বলেন, কীভাবে রোহিঙ্গারা পূর্ণ নাগরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে মিয়ানমারে ফিরে যাবে, সে বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থানের সঙ্গে একমত হয়েছে জাপান।
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ও সহায়তার আশ্বাস পাওয়া গেলেও, কতটা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, জাপান হিসাব-নিকাশ করেই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অনেকটাই নির্ভর করবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নীতি ও পরিবেশের ওপর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ