মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজের কণ্ঠস্বরের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছেন কোটি ভক্ত। আজ সেই কণ্ঠস্বর নিয়ে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। সেলেনা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ভেপিংয়ের অভ্যাসের কারণে তার কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভক্তদের জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।
সম্প্রতি একটি ভিডিওতে সেলেনা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত নিকোটিন ভেপ করার ফলে তার গলার স্বর আগের মতো নেই। তিনি এও স্বীকার করেছেন যে, নিকোটিনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন।
সেলেনা নতুন করে ভেপিং শুরু করার কথা ভাবছেন এমন ব্যক্তিদের এই অভ্যাস থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের পর নেটদুনিয়ায় নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সুশীল সমাজে ভেপিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে।
অতীতে সেলেনা দীর্ঘদিন ধরে লুপাস নামের একটি জটিল অটোইমিউন রোগের সঙ্গে লড়াই করেছেন এবং এখনও করছেন। ২০১৭ সালে এই রোগের জটিলতায় তার কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়েছিল। এর ফলে তিনি দীর্ঘ সময় শারীরিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে ভেপিংয়ের কারণে কণ্ঠস্বর পরিবর্তনের সঙ্গে লুপাসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
এমন পরিস্থিতিতে ভক্তদের সতর্ক করে সেলেনা জানিয়েছেন, নিকোটিনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। তাই নতুন করে এই অভ্যাসে জড়ানোর আগে সতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বিচার ব্যবস্থায় যারা অবস্থান করে, আওয়ামী লীগ তাদেরকেও কিনে ফেলে।
তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগ যে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছে, সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি আমরা হতে দেব না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "তাদের প্রতিমন্ত্রীর যে ৫০০ বাড়ি, তাদের নেতার ছেলে ইহুদি বিয়ে করে আমেরিকাতে কয়েকটি বিশাল প্রাসাদ গড়ে তুলেছে।" স্পিকার বলেন, "এদের যে কি ধন-সম্পত্তি কল্পনা করতে পারবেন না। আসলে এগুলো হলো চোর। চুরি করে আর লুটপাট করে নিয়ে গেছে।"
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) লালমোহন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সংবর্ধনার আয়োজন করে লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, "এদের (আওয়ামী লীগ নেতা) টাকার এত শক্তি, এদেরকে শাস্তি দেয়াও খুব মুশকিল। সবকিছু তারা কিনে ফেলে। বিচার ব্যবস্থায় যারা থাকে তাদেরকেও কিনে ফেলে।" তিনি উল্লেখ করেন, "তাদের বিরুদ্ধে মামলাও শক্তভাবে করা হয় না। বিদেশের সরকারগুলোও ভাবে যে, হাজার হাজার কোটি টাকা আমার দেশে আনছে, আমার দেশে বিনিয়োগ করতেছে, আমার দেশে মিল-ফ্যাক্টরি করছে, ওরাও চুপ করে বসে থাকে।"
স্পিকার বলেন, "বিশ্বব্যবস্থায় নানা অনৈতিক কাজকর্ম হয়, সেগুলোতে প্রথম সারিতে আছে এই বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের নেতারা। তারা যে বিশাল লুটপাট করে গেছে, রাজার হালে এরা বিদেশে আছে।" তিনি বলেন, "ভারতে প্রসাদের মধ্যে থাকে, আমেরিকাতেও বড় বড় প্রাসাদ আছে। কানাডার বেগমপাড়া এলাকায় শত শত বাড়ি আছে আওয়ামী লীগের এমপিদের।"
তিনি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংশোধনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ইতোমধ্যেই দেখেছেন ঢাকায় একজন মহিলা এমপির নাম উঠে এসেছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে একটা হাসপাতাল দখল করার জন্য।" তিনি উল্লেখ করেন, "তাকে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন গতকালকে বা পরশুদিন সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, তিনিও পদত্যাগ করেছেন।"
স্পিকার বলেন, "ইশরাক হোসেন কাজটা ভালোই করেছেন।" তবে তিনি বলেন, "তবে তার হাতে অস্ত্র নেয়াটা ঠিক হয় নাই, এটা মানায় না।" তিনি বলেন, "সরকারের প্রতিমন্ত্রী, তার সাথে তো বডিগার্ড আছে, পুলিশ বাহিনী যদি দুর্বল হয় দলীয় কর্মী বাহিনী যেতে পারে। কিন্তু একজন নেতা, মন্ত্রী পর্যায়ের, তাদের হাতে অস্ত্র আইনি হোক কি বেআইনি হোক, এটা শোভা পায় না।"
স্পিকার বলেন, "আমাদের জন্য এই গত ১৫-১৬ বছর ছিল এক মসীদৃপ্ত কলঙ্কময় অধ্যায়।" তিনি বলেন, "এরকম লুটপাট পৃথিবীর কোনো দেশে রাজনৈতিক নেতারা করতে পারে নাই, যেটা আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং তার এই সন্ত্রাসী এমপিগুলো গত ১৫ বছরে করে গিয়েছে।"
তিনি বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেড় বছর ছিল, বিএনপি সরকারেরও তো প্রায় এক বছর হচ্ছে, এখন পর্যন্ত কারও তো বাড়িটাড়ি উঠে নাই কোনো জায়গায়।" তিনি বলেন, "বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পায় নাই, লুটপাট করার সুযোগ পায় নাই, মাঝখান থেকে অন্যায় করলে মন্ত্রিত্ব, এমপিত্ব চলে যাচ্ছে। সুতরাং আমরা ন্যায়বিচারের একটা দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে চাই।"
সভায় বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় নেতারা।
সভায় শুরুতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদক স্পিকারকে ধানের শীষ প্রতীকের সোনার স্মারক দেন।
এছাড়া ইউনিয়ন পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পিকারে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। সভায় দরিদ্রদের মধ্যে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জাতীয় দলে নিয়মিতভাবে সুযোগ পাচ্ছেন না বৈভব সূর্যবংশী। তবে নিউজিল্যান্ড এই কিশোর ব্যাটসম্যানকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে কিউইরা ভারতের বিস্ময় বালককে থামানোর জন্য পরিকল্পনা তৈরি করেছে। পেসার জেকব ডাফি এ তথ্য জানিয়েছেন।
১৫ বছর বয়সী বৈভব আইপিএলে ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনায় এসেছেন। গত জুনে ভারতের জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর থেকে তিনি দলের সঙ্গে থাকলেও নিয়মিত একাদশে জায়গা পাচ্ছেন না। অভিষেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন ও ইশান কিষাণের মতো ব্যাটসম্যানদের কারণে বাঁহাতি ওপেনারের জন্য একাদশে জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
কিউই পেসার ডাফি বলেন, "প্রথমত, সে অবিশ্বাস্য প্রতিভাবান এক ক্রিকেটার। আইপিএলে সে ঝড় তুলেছে এবং সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সে খুবই আগ্রাসী শট খেলে কিন্তু তা করে চলেছে দারুণ ধারাবাহিকভাবে। প্রতিটি ম্যাচেই ২৫০ স্ট্রাইক রেটে খেলছে এবং খুব কমই এমন হয়েছে যে সে রান করেনি। এই ব্যাপারটি এমনিতেও অবিশ্বাস্য ব্যাপার।"
তিনি আরও বলেন, "সে ইংল্যান্ডে খেলেছে। সেখানকার কন্ডিশন তার জন্য ছিল ভিন্ন এবং তাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর একটি উপায় সেটি। আমরা অবশ্যই তাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি এবং তাকে নিয়ে আমরা কী করতে চাই, তা নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা তৈরি করেছি।"
ইংল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচে ১৪, ১৩ ও ১৫ রান করে একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন বৈভব। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচে ১৮ বলে ফিফটি এবং আরেক ম্যাচে ৪৯ বলে ৮১ রান করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। এশিয়ান গেমসেও ব্যাট হাতে ঝলক দেখিয়েছেন এই তরুণ।
নিউজিল্যান্ডের কোচ রব ওয়াল্টার আগেই জানিয়েছিলেন, বাউন্সি উইকেটে বৈভবের পরীক্ষা নিতে চান তারা। ডাফিও ক্রাইস্টচার্চের উইকেটে বাউন্স থাকার প্রত্যাশা করছেন।
আগামী বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে। এরপর দুই দল পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্টেও মুখোমুখি হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে গ্রেফতারকৃত আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেছে তার সহযোগী ও স্বজনরা। এই ঘটনায় উজ্জ্বল নামের একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আহত হয়েছেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ রতন ব্যাপারী নামের ওই আসামিকে গ্রেফতার করে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ডে এই ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার হওয়া রতন ব্যাপারী ওই এলাকার বাদল ব্যাপারীর ছেলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রতন ব্যাপারীর বিরুদ্ধে চুরি, মাদক এবং ডাকাতির প্রস্তুতি সহ বিভিন্ন অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় ২৮টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, মঙ্গলবার দুপুরে দত্তবাড়ি সিএনজি স্ট্যান্ডে টহল দেয়ার সময় পাঁচ পকেটমার অপরাধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় পুলিশ রতনকে আটক করার পর তার সহযোগী ও আশপাশে থাকা স্বজনরা পুলিশের ওপর হামলা চালান। তারা রতনকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। এতে এএসআই উজ্জ্বল আহত হন।
পরে পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে রতনকে থানায় নিয়ে যান। আহত এএসআই উজ্জ্বলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তায় দীর্ঘদিনের অসুস্থতা কাটিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার আগে তাকে চিকিৎসা-পরবর্তী প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় খান সাইফুলের একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নজরে আসে। এরপর তিনি অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গত ১১ অক্টোবর সাইফুলকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামানের অধীনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
প্রায় ১০ দিনের চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার বাড়ি ফেরার আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খান সাইফুলের সঙ্গে হাসপাতালে গিয়ে সাক্ষাৎ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন)। তারা সাইফুলের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ খোঁজখবর নেন এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে চিকিৎসা-পরবর্তী প্রয়োজনীয় ওষুধ ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
সাক্ষাৎকালে অন্যদের মধ্যে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সিনিয়র সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. আর. হাসান এবং ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ উপস্থিত ছিলেন।
২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের নির্মম নির্যাতনের শিকার হন ছাত্রদল নেতা খান সাইফুল। সেই নির্যাতনের পর থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। এর আগে বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ