প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান এনসিপির জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে তিনি তার ফেসবুক পেজে এ নিয়ে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ জানাই।" এনসিপির ভাই ব্রাদারদের মধ্যে কেউ কেউ জানিয়েছেন, যদিও এখনই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই, তবে একপ্রকার পিসফুল ডিভোর্সের মতো শীঘ্রই জামায়াত জোট থেকে বের হয়ে আসবে এনসিপি। আজকের গণবিক্ষোভ কর্মসূচি এবং আসিফ মাহমুদের বক্তব্য শুনে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
গণবিক্ষোভ থেকে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে তেমন কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইতিবাচক দিক হলো, অনেক দিন পর এনসিপির আজকের গণবিক্ষোভে কয়েক হাজার লোকের সমাগম ঘটেছে। জামায়াতের সাথে জোট করার পর থেকে এনসিপির কর্মসূচিগুলোতে লোকের সংখ্যা খুব কম ছিল। দীর্ঘ সময় পর হাজারের উপরে লোকের উপস্থিতি এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির জন্য আশার সঞ্চার করেছে।
এভাবে যদি স্বতন্ত্র রাজনীতি পরিচালনা করা সম্ভব হয়, তাহলে আগামী এক বছরের মধ্যে এনসিপি একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। এবং আওয়ামী শূন্যতা পূরণে সক্ষম হবে।
এভাবে কাজ করতে থাকলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রধান বিরোধীদল হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। এনসিপি বারবার এই স্বপ্নের কথা বলছে। কিন্তু জামায়াতের পকেটে থেকে প্রধান বিরোধীদল হওয়া সম্ভব নয়। এই উপলব্ধি এনসিপির অনেকের মধ্যে প্রবল হয়ে উঠেছে, যার ফলে আজকের এই স্বতন্ত্র কর্মসূচি।
তবে এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এনসিপির ৮ জন এমপি। তারা আগামীবারও জামায়াতের ভোটে এমপি হতে জোটের রাজনীতি ধরে রাখতে মরিয়া। তবে এনসিপির অধিকাংশ সদস্য স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে। দেখা যাক, প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়, নাকি জামায়াতের পকেট সংগঠন হিসেবে থেকে যায় এনসিপি। পরিশেষে, এনসিপির স্বতন্ত্র রাজনীতির প্রতি শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন