ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর


এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ২ ডিসেম্বর

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ আগামী ২ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির প্রকাশিত সময়সূচিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির সময়সূচি অনুযায়ী, সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়নের কাজ শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে, যা চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষার ফরম পূরণ প্রক্রিয়া ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ৩১ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুর ক্যাডেট কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ-৫

তবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদ্যমান বিধিমালায় এ ধরনের পরীক্ষা গ্রহণের সুযোগ নেই, ফলে পরীক্ষা আয়োজনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের লিখিত নির্দেশনা প্রয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, ৮ বছরে সর্বনিম্ন পাসের হার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


দিনাজপুর বোর্ডে ৪৯ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল, ৮ বছরে সর্বনিম্ন পাসের হার

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। এটি গত আট বছরের মধ্যে বোর্ডটির সর্বনিম্ন পাসের হার। এবারের পরীক্ষায় ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, মাত্র ছয়টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরার সময় দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিন সংবাদ সম্মেলন করেন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আটটি জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ফলে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৩৮৩ জন ছাত্র এবং ১ হাজার ৫৭০ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে।

বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৬৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭১ দশমিক ৭৮ শতাংশ, ২০২০ সালে ১০০ শতাংশ, ২০২১ সালে ৯২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, ২০২২ সালে ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ৫৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেন।

তবে ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় ভিন্ন পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২১ সালে সীমিতসংখ্যক বিষয়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়েছিল।

এবার বিভাগের ভিত্তিতে ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। এই বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

ফলাফলে ছেলেদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ, অন্যদিকে মেয়েদের পাসের হার ৫০ দশমিক ২৬ শতাংশ। অর্থাৎ, পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের অধিকার ও ভাগ্যোন্নয়নে অগ্রাধিকার দিতে চান ইশরাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


জনগণের অধিকার ও ভাগ্যোন্নয়নে অগ্রাধিকার দিতে চান ইশরাক

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার, ভাগ্যোন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের যেসব সমস্যা বিদ্যমান, সেগুলো সমাধানের জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ধোলাইখাল টং মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, "ধোলাইখাল পুরান ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী ও বিখ্যাত এলাকা। এই এলাকার সঙ্গে আমার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় এখানে ঢাকা শহরের একটি বড় সমাবেশ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সমাবেশ হয় এবং জনগণ আন্দোলনে যুক্ত হয়। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় এই মার্কেটের সামনে আমি প্রথম গুলিবিদ্ধ হই।"

তিনি আরও বলেন, মার্কেটের উন্নয়নের মাধ্যমে এর সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোর ভাগ্যোন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চান।

ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার বিষয়ে ইশরাক উল্লেখ করেন, "আমার বাবা মেয়র থাকাকালে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসায় কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এখন যেহেতু বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে, আপনারা এই ফাইলটা নিয়ে মুভ করেন। যেখানে যেখানে আপনাদের পক্ষে কথা বলার দরকার, সেটা আমি অবশ্যই করব।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ে করলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিসান শিকদার, পাত্রী হৃদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


বিয়ে করলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিসান শিকদার, পাত্রী হৃদি

দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক অবশেষে একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিসান শিকদার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামে পারিবারিকভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে শুক্রবার তাদের গাঁয়ে হলুদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

জিসান নিজেই সময় সংবাদকে বিয়ের খবরটি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পাত্রীটির নাম হৃদি। তিন বছরের প্রেমের পর তারা একসঙ্গে জীবন শুরু করেছেন।

জিসানের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত। জানা গেছে, পাত্রীও রাউজানের বাসিন্দা।

সামাজিক মাধ্যমে জিসান শিকদার ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি মূলত রাস্তায় মানুষের সাথে বিভিন্ন মজার এবং ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে কনটেন্ট তৈরি করেন। এছাড়া, তিনি সৃজনশীল ও ভিন্নধর্মী কনটেন্টের জন্যও পরিচিত, যেমন—মায়ের শাড়ি দিয়ে জামা তৈরি করার মতো অভিনব আইডিয়া নিয়ে কাজ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ৩২টি বাস রুট পুনর্বিন্যাস, ৬টির উদ্বোধন রোববার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


ঢাকায় ৩২টি বাস রুট পুনর্বিন্যাস, ৬টির উদ্বোধন রোববার

রাজধানী ঢাকায় বাস চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট কমানো এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে বর্তমানে কার্যরত ৯৮টি বাস রুটকে পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে রোববার (১ নভেম্বর) ৩২টি প্রস্তাবিত রুটের মধ্যে ছয়টি রুটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে বাকি রুটগুলোও এই ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমান সংকট ও পরিকল্পনার লক্ষ্য

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, দীর্ঘ সময় ধরে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় একই সড়কে একাধিক কোম্পানির বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা, অতিরিক্ত বাস চলাচল, নির্ধারিত স্টপেজ না মানা এবং যাত্রীদের ভোগান্তি একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একাধিক বাস কোম্পানি একই সড়কে যাত্রী সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় নামায়, ফলে সড়কে বিশৃঙ্খলা ও যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অন্যদিকে, অনেক এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত বাসের অভাব রয়েছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য যাত্রী চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানবাহন চলাচলের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের আওতায় এ পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।

পরিকল্পনার মধ্যে প্রতিটি নির্ধারিত রুটে একটি কোম্পানির মাধ্যমে বাস পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এতে বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে যাত্রী তোলার প্রতিযোগিতা কমবে, বাস চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।

ডিটিসিএ-র বক্তব্য

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান জানিয়েছেন, ‘রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে যে বিশৃঙ্খলা চলছিল, তা দূর করতেই বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ঢাকায় ৯৮টি সচল বাস রুট রয়েছে। এসব রুটকে পুনর্বিন্যাস করে ৩২টি সমন্বিত রুটে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, যাত্রীদের প্রকৃত চাহিদা, সড়কের ধারণক্ষমতা এবং যানবাহন চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণ করেই এ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। আমরা চাই, রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থা একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হোক।

উদ্যোগের পটভূমি ও সমন্বয়

ডিটিসিএ সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর বাস রুট পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ প্রথম ২০১১ সালে গ্রহণ করা হয়। সে সময় ঢাকা পরিবহন সমন্বয় বোর্ডের (ডিটিসিবি) মাধ্যমে বাস রুট পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলেও তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়নি। পরে ২০১৯ সাল থেকে ডিটিসিএ পূর্ববর্তী বিভিন্ন সমীক্ষা পর্যালোচনা করে একটি হালনাগাদ পরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ৪২টি রুটের প্রস্তাব করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৩২টি রুটের বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

জরিপ ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ

২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল থাকা ৯৮টি বাস রুটের প্রতিটিতে ১৮টি ট্রিপের যাত্রীদের ওঠানামা পর্যবেক্ষণ করে বোর্ডিং-অ্যালাইটিং সার্ভে পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন সার্ভে করা হয়েছে। অর্থাৎ যাত্রীরা কোথা থেকে যাত্রা শুরু করছেন এবং কোথায় যাচ্ছেন, সে তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঢাকা মহানগরীর ৭২টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একনাগাড়ে ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা বা ট্রাফিক কাউন্ট করা হয়েছে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের বর্তমান অবস্থা নিরূপণে ড্রোন ব্যবহার করে ছবি সংগ্রহ, রাস্তার অবকাঠামোগত পর্যালোচনা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রয়িং প্রস্তুত করা হয়েছে।

এসব তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি পাবলিক ট্রান্সপোর্ট মডেল তৈরি করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে যাত্রী চলাচলের প্রবণতা, রুটের প্রয়োজনীয়তা এবং পরিবহন নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

যাত্রী সুবিধা ও বিদ্যমান অবকাঠামো

ডিটিসিএর পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত ৩২টি রুটের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৩৭ থেকে ৩৮ লাখ যাত্রীর যাতায়াতের সুযোগ তৈরির হিসাব করা হয়েছে। এটি মোট পার্সন ট্রিপের প্রায় ৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত রুটগুলোর গড়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বিদ্যমান কোনো না কোনো বাস রুটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে বিদ্যমান বাস চলাচলের পথ ও পরিবহন অবকাঠামো ব্যবহার করেই নতুন ব্যবস্থাটি বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে বলে পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ঢাকার বাস রুট রেশনালাইজেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ধ্রুব আলম বলেন, ‘এই পরিকল্পনা কোনো অনুমাননির্ভর সিদ্ধান্ত নয়। আমরা ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সচল ৯৮টি বাস রুটের ওপর বিভিন্ন ধরনের জরিপ পরিচালনা করেছি। ১০ হাজারের বেশি যাত্রীর বোর্ডিং-অ্যালাইটিং তথ্য এবং ৩৫ হাজারের বেশি যাত্রীর অরিজিন-ডেস্টিনেশন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া মহানগরীর ৭২টি স্থানে একটানা ৭২ ঘণ্টা যানবাহন গণনা করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রায় ৪০০ কিলোমিটার বাস নেটওয়ার্কের অবকাঠামোগত অবস্থাও পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব তথ্য সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে ৩২টি রুটের প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, যেখানে যাত্রীর চাহিদা বেশি সেখানে পর্যাপ্ত বাস নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় রুটের পুনরাবৃত্তি কমিয়ে আনা।’

বিমানবন্দর, মিরপুর-১০, কুড়িল, গাবতলী, মহাখালী, ফার্মগেট, বাড্ডা ও যাত্রাবাড়ীকে কেন্দ্র করে একাধিক রুটের সংযোগ পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে চালু হতে যাওয়া ৬টি বাস রুট

১. গাজীপুরের শিববাড়ী চৌরাস্তা থেকে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী মন্দির (ভায়া আব্দুল্লাহপুর)

২. মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে চুলকুটিয়া (ভায়া সাইন্সল্যাব)

৩. মোহাম্মদপুরের বসিলার ঘাটারচর থেকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার পর্যন্ত (ভায়া শাহবাগ ও মৎস্য ভবন)

৪. মোহাম্মদপুরের বসিলা থেকে নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত (ভায়া সাইন্সল্যাব ও জিগাতলা)

৫. মোহাম্মদপুরের ঘাটারচর থেকে আব্দুল্লাহপুরের ধউর ব্রিজ পর্যন্ত (ভায়া মিরপুর ১০)

৬. টঙ্গী কলেজ গেট থেকে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী মন্দির পর্যন্ত (ভায়া আব্দুল্লাহপুর)

রুট ও বাস পরিচালনার রূপরেখা

প্রস্তাবিত প্রধান রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজীপুরের শিববাড়ী থেকে আজিমপুর, মিরপুর চিড়িয়াখানা থেকে কেরানীগঞ্জ, ঘাটারচর থেকে ডেমরা ও কাঁচপুর এবং ঘাটারচর থেকে মিরপুর হয়ে আব্দুল্লাহপুরের ধউর পর্যন্ত। এসব রুটে ৭০ থেকে ২৫০টি পর্যন্ত নন-এসি বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি টঙ্গী কলেজগেট থেকে আজিমপুর পর্যন্ত ২২ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার রুটে ২০টি এসি বাস চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া ফার্মগেট-পলাশী, মোহাম্মদপুরকেন্দ্রিক এবং উত্তরা এলাকায় তিনটি চক্রাকার (সার্কুলার) বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি রুটে ২০টি করে বাস পরিচালনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পরিকল্পনায় ঢাকা চাকা, রমজান আলী এন্টারপ্রাইজ, ফোর স্টার বাস লাইন, পিএনপি সিটি সার্ভিসসহ কয়েকটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ রয়েছে। বাস রাখার জন্যও বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%