মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৫ পি.এম
আদনান সামি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় গায়কদের মধ্যে একজন। কিন্তু তার জন্মস্থান ভারত বা পাকিস্তান নয়, বরং যুক্তরাজ্য। বাবার চাকরির কারণে তার পরিবার পাকিস্তানে চলে আসে, ফলে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক হন। তবে, বহু বছর আগে তিনি পাকিস্তানি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। বর্তমানে তিনি ভারতের নাগরিক। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি তিনি মন্তব্য করেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তি আদনান সামিকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি ভারতীয় নাগরিক। গায়ক তার জবাবে লেখেন, "সত্যিই? এত বছর পরেও আপনি আমাকে এই প্রশ্ন করছেন? আপনার কী মনে হয়?"
এছাড়াও, গায়কের কাছে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি অর্থের জন্য ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। আদনান সামি স্পষ্টভাবে জানান যে, অর্থের কারণে তিনি কখনও নাগরিকত্ব পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেননি। বরং, তিনি পাকিস্তানে পেশাগত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার কথা তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে কিংবদন্তি ভারতীয় শিল্পী আশা ভোঁসলের সঙ্গে তার যৌথ অ্যালবাম ‘কভি তো নজর মিলাও’ প্রকাশিত হয়। এই কাজটি যুক্তরাজ্য থেকেই সম্পন্ন হয়েছিল, কারণ গায়কের শৈশব এবং পড়াশোনা সেখানেই।
অন্যদিকে, আদনান সামি ২০০১ সালে ভ্রমণ ভিসায় ভারতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি একের পর এক কাজের প্রস্তাব পান এবং ভারতের জনপ্রিয় সব তারকাদের সঙ্গে গান গাইতে শুরু করেন। এরপর থেকে তিনি আর পাকিস্তানে ফিরে যাননি।
এছাড়া, আদনান সামির পাকিস্তানি পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৫ সালে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু তিনি এরপর পাসপোর্ট পুনর্নবীকরণ করেননি। পরবর্তীতে, ২০১৬ সালের ১ জানুয়ারি তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশজুড়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে মশাবাহিত এই রোগে মোট মৃতের সংখ্যা এখন ২৩৯ জনে পৌঁছেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পক্ষ থেকে ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা বিভাগের বাইরে একজন এবং রাজশাহী বিভাগের বাইরে তিনজনের প্রাণহানি ঘটেছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) সর্বাধিক ৩৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খুলনা বিভাগে ২৬৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৮, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০১, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৯, বরিশাল বিভাগে ২১৩, রাজশাহী বিভাগে ১৭৯, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২০, রংপুর বিভাগে ৫৬ এবং সিলেট বিভাগে ৬ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সবমিলিয়ে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে, দুই সিটি করপোরেশনসহ, ১১৩ জন মারা গেছেন। এছাড়া, উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৪৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২০, বরিশাল বিভাগে ১৮, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩, রাজশাহী বিভাগে ১৪, রংপুরে ৫ জন এবং সিলেট বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হাতে চক ছিল ২৬ বছর ধরে, সামনে অসংখ্য শিক্ষার্থী। যাদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন, সেই প্রিয় শিক্ষক সজল কান্তি নাথ এবার কর্মজীবন থেকে বিদায় নিলেন। তার বিদায়ের দিন মীরসরাইয়ের ঐতিহ্যবাহী জোরারগঞ্জ জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
২০০০ সালে শিক্ষকতা শুরু করে সজল কান্তি নাথ দীর্ঘ ২৬ বছর নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান করেছেন। অবশেষে তিনি অবসরজনিত বিদায় নেন। সকালে শেষবারের মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য শেষ পাঠদান করেন তিনি। এরপর বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
বিদায়ী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু তুষার কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক সুভাষ সরকারের সঞ্চালনায় স্মৃতিচারণা করেন সহকারী শিক্ষক সুব্রত বড়ুয়া, হেড মাওলানা আনোয়ার হোসেন, টুংকেল বড়ুয়াসহ অন্যান্য শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার দীর্ঘ কর্মজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। এ সময় উপহার প্রদান ও কেক কাটার আয়োজনও করা হয়।
বিদায়ের শেষ মুহূর্তে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন প্রিয় শিক্ষক। স্কাউট সদস্য ও শিক্ষার্থীরা ফুল ছিটিয়ে তাকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে বিদায় জানান। অনেক শিক্ষার্থীকে এ সময় চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।
বিদ্যালয় ছাড়ার পর সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়। সজল কান্তি নাথকে বহনকারী গাড়ির পেছনে পেছনে বিদ্যালয় থেকে তার বাড়ি পর্যন্ত ছুটে যায় শিক্ষার্থীরা। প্রিয় শিক্ষকের প্রতি শিক্ষার্থীদের এমন ভালোবাসার দৃশ্য আশপাশের মানুষকেও আবেগাপ্লুত করে তোলে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত যোগ্য বাংলাদেশি পরিবারগুলো উইক কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের খাবার, নির্দিষ্ট ধরনের ইনফ্যান্ট ফর্মুলা এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার কেনার জন্য সহায়তা পেতে পারে। গর্ভবতী নারীরা, সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মায়েরা এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর পরিবারগুলো এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশিদের জন্য নয়; যোগ্য নিউইয়র্কবাসী সকলেই আবেদন করার সুযোগ রাখেন।
নিউ ইয়র্ক সিটির সরকারি তথ্যসেবা অ্যাকসেস এনওয়াইসি জানায়, উইকে আবেদন করার সময় ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসের তথ্য চাওয়া হয় না। তবে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বসবাস, পরিবারের আয় এবং কর্মসূচির অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। শিশুর বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি অথবা অন্য প্রধান পরিচর্যাকারীও শিশুর জন্য আবেদন করতে পারেন।
উইকের সুবিধা নগদ অর্থ হিসেবে প্রদান করা হয় না। যোগ্য ব্যক্তিরা ই-উইক কার্ড ব্যবহার করে অনুমোদিত খাবার ক্রয় করতে পারেন। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবারের পাশাপাশি পুষ্টি বিষয়ে পরামর্শ এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সহায়তাও প্রদান করা হয়। কোন শিশুর জন্য কী খাবার বা ফর্মুলা পাওয়া যাবে, তা উইক অফিস কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
আবেদন বা নিকটবর্তী উইক অফিসের তথ্য জানার জন্য ১-৮০০-৫২২-৫০০৬ নম্বরে কল করা যেতে পারে। ফোনে অথবা সরাসরি সাক্ষাতের সময় ঠিক করতেও এই নম্বর ব্যবহার করা সম্ভব।
উইকের বাইরে বিনামূল্যে খাবারের প্রয়োজন হলে নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি ফুড কানেকশন কর্মসূচির ফুড প্যান্ট্রি ও কমিউনিটি কিচেনের খোঁজ পাওয়া যায় ৩১১ নম্বরে কল করে। প্রচলিত ‘NYC FOOD’ লিখে ৩০৪-৩০৪ নম্বরে টেক্সট করার নির্দেশনাটি মূলত আগের বছরের গ্রীষ্মকালীন খাবার কর্মসূচির প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমান ফুড প্যান্ট্রির অবস্থান জানার জন্য সিটি কর্তৃপক্ষ ৩১১ নম্বর ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এর ফলে চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ১০৪ জনে পৌঁছেছে।
একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৩৯ জন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫১৯ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৩৯২ জন।
হাসপাতাল ভর্তির চিত্র পর্যালোচনা করার পর দেখা যায়, ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৫ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মৃত্যুর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুধু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩ জন। অন্যদিকে, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে এখন পর্যন্ত ১০১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ