ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিশু চিত্রশিল্পীদের পুরস্কার বিতরণ করলো লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল


শিশু চিত্রশিল্পীদের পুরস্কার বিতরণ করলো লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল

ওয়ার্ল্ড লায়ন্স সার্ভিস ডে ২০২৬ এবং অক্টোবর সার্ভিস প্রোগ্রাম উপলক্ষে একটি জাঁকজমকপূর্ণ সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫ এ১।

রাজধানীর আগারগাঁও এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ক বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছে নুসাইবা নুজহাত, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে আজরিন খান রূপকথা, এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছে ইমাদ আলদিম তাজ।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

খ বিভাগে প্রথম স্থান দখল করেছে আফসানা মাহরিন, দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে এমডি সাদ, এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ওসমান গনি।

গ বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করেছে হুমায়রা তাসনিম, দ্বিতীয় স্থান মাইশা হাসান, এবং তৃতীয় স্থান পেয়েছে রিমঝিম খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ৩১৫ এ১ এর বাংলাদেশের জেলা গভর্নর লায়ন নওজাত ইসলাম পিএমজেএফ। উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন লায়ন কাজী সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুডউইল অ্যাম্বাসেডর ও বিএলএফ এর চেয়ারম্যান এ কে এম রেজাউল হক, ফাস্ট জেলা গভর্নর গোলাম ফারুক, ইউসিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. এম এ হালিম পাটোয়ারী, এবং লায়ন ডা: আবুল হোসেন খন্দকার।

অনুষ্ঠানে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ব, মানবিক মূল্যবোধ এবং সেবার মানসিকতাকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

লায়ন্স ক্লাবের সদস্যরা আগামী দিনে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন। আলোচনা সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও পরিবেশন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তোমার বাবা আকাশের তারা হয়ে গেছে’: নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফের হত্যার পর পরিবারে শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


‘তোমার বাবা আকাশের তারা হয়ে গেছে’: নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফের হত্যার পর পরিবারে শোক

নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফের মৃত্যুর পর তার পরিবার এখন অসহায় অবস্থায় রয়েছে। পিতৃহীন চার বছরের অবুঝ শিশু প্রান্থি তার মাকে সান্ত্বনা দিতে বলছে, “মা, তুমি কেঁদো না। বাবা তো আকাশের তারা হয়ে গেছে, কদিন পরেই ফিরবে।”

যদিও পিতৃহীন হওয়ার কষ্ট বোঝার বয়স তার হয়নি, কিন্তু মায়ের চোখের জল দেখে নিজের মতো করে সান্ত্বনা দেওয়ার এই আকুতি সত্যিই হৃদয়বিদারক।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে দুর্গাপুরের গ্রামের বাড়িতে এই দৃশ্য দেখা যায়।

মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে কান্না ধরে রাখতে পারেননি সাংবাদিক আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা। যে বয়সে প্রান্থির বাবার কোলে চড়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা, সেই বয়সেই বাবাকে হারিয়ে কাঁদতে থাকা মাকে সান্ত্বনা দিতে হচ্ছে তাকে।

আনন্দিতা বলেন, “মেয়ের মুখে এসব কথা শুনলে বুকটা ফেটে যায়। বাবা যে আর কোনোদিন ফিরে আসবে না, তা বোঝার বয়স এখনও হয়নি তার। ওর কথা শুনে আমার কান্না দ্বিগুণ হয়ে যায়। আমার কী হবে? আমার সন্তানদের কী হবে? আমার মা বিধবা! আমার বড় বোনও বিধবা! সন্ত্রাসীরা আমাকেও বিধবা করে দিলো!”

প্রান্থির ছোট ভাই আইয়ান সাফয়ানের বয়স মাত্র দেড় বছর। বাবার মৃত্যুর অর্থ বোঝার বয়স হয়নি তারও। দুই দিন ধরে বাবাকে কাছে না পেয়ে সে কিছুক্ষণ পরপর কেঁদে উঠছে। বাবা ডাকতে শিখেছে, কিন্তু সেই বাবা যে আর কোনোদিন তার ডাকে সাড়া দেবেন না, সেটি বোঝার ক্ষমতা হয়নি শিশুটির। এই দুই শিশুকে নিয়েই এখন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দাঁড়িয়ে আনন্দিতা। স্বামীকে হারানোর শোকের পাশাপাশি দুই সন্তানকে কীভাবে বড় করবেন, কীভাবে তাদের বাবার অভাব পূরণ করবেন- এসব প্রশ্নই এখন তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

স্বামীকে হারানোর পর স্বামীকে ‘সুপারহিরো’ মেনে আনন্দিতা বলছিলেন, “আমার স্বামী আমার কাছে সুপারম্যান ছিলেন। তাকে কে কীভাবে মূল্যায়ন করত, তা জানি না। তবে তিনি আমার কাছে সব সময়ই সুপারহিরো হয়ে থাকবেন।”

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “বিয়ের পর থেকে একটা রাতও আমাকে ছাড়া তিনি থাকতে পারতেন না। প্রতিদিন আমার মুখে ভাত তুলে দিতেন। আমি নিজের হাতে খেতাম না, তার হাতে খেতাম। আমার পড়ালেখার পেছনেও তার অবদান আছে। আমি নার্সিং পাস করেছি। তিনি আমার চাকরিরও ব্যবস্থা করবেন বলছিলেন। কিন্তু এখন সব শেষ হয়ে গেছে।”

আনন্দিতার ভাষ্য, ঢাকা বা সিলেটে চাকরি হলে স্বামী-সন্তান নিয়ে দুর্গাপুর থেকে চলে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছিলেন তিনি। সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়ন হলো না।

স্বামী হত্যার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও শংকিত আনন্দিতা। তিনি বলেন, “বাবাহীন ছোট ছোট ছেলে-মেয়েকে আমি কীভাবে মানুষ করব? আলিফ ছেলে-মেয়েকে খুব ভালোবাসত, অনেক আদর করত। ওরা তো আর কোনোদিন বাবার আদর পাবে না।”

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “যারা আমার সন্তানদের এতিম করেছে, বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত করেছে, আমি তাদের কঠিন শাস্তি দেখতে চাই। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হোক।”

আলিফের বড় বোন কল্পনা আক্তারও সরকারের কাছে হত্যাকারীদের বিচারের পাশাপাশি তার স্ত্রী-সন্তানদের সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “তার ভাইয়ের স্ত্রী নার্সিংয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিলে দুই সন্তানকে মানুষ করে তোলা সহজ হবে।”

আলিফের শাশুড়ি শিলা রাংসার কণ্ঠেও একই উদ্বেগ। তিনি বলেন, “আমার জামাতাকে এতগুলো গুলি করে মেরে ফেলল। এখন আমরা কার কাছে বিচার চাইব? ছোট দুটি বাচ্চা নিয়ে আমার মেয়েটা কীভাবে চলবে? আমিও তো গরিব।”

এর আগে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া আটটার দিকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলুঞ্জিয়া এলাকায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায়, শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে অপূর্ব (২৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির বেসরকারি আইপিটিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। ওই পেজে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখালেখি করতেন তিনি।

তার গ্রামের বাড়ি জেলার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামে। তিনি দুর্গাপুরের তেলুঞ্জিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থাকতেন। তার চার বছর বয়সী একটি মেয়ে ও দেড় বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ওপর হামলা, ইসরায়েল চাপের মুখে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ওপর হামলা, ইসরায়েল চাপের মুখে

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে মুখোশ পরা ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার শিকার হয়েছেন ইউরোপের একদল কূটনীতিক। এ ঘটনায় বেলজিয়ামের কনসাল জেনারেলসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও ঘটনাটিকে গুরুতর সহিংসতা হিসেবে উল্লেখ করে তদন্তের কথা জানিয়েছে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর বলছে, ঘটনার পুরো চিত্র স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহর কাছে খ্রিষ্টান-অধ্যুষিত তাইবেহ গ্রামে যান বেলজিয়াম, ফ্রান্স, পোল্যান্ড ও ক্যাথলিক গির্জার প্রতিনিধিদের একটি দল। ফিলিস্তিনিদের জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে প্রায় প্রতিদিন বসতি স্থাপনকারীদের হামলার অভিযোগ ওঠায় পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে সেখানে গিয়েছিলেন তারা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, মুখোশ পরা কয়েকজন বসতি স্থাপনকারী কূটনীতিকদের গাড়িবহরের সামনে বাধা দেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময় পাথর ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।

বেলজিয়ামের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির কনস্যুলেটের একটি গাড়ির জানালা ভাঙচুর করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সের এক মেয়র হামলার শিকার হয়েছেন। ভিডিওতে ফরাসি পতাকার রঙের ফিতা পরা এক ব্যক্তিকে গাড়ির পাশে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

হামলার শিকার ফ্রান্সের উত্তরের অউলনোয়া-আইমেরি শহরের মেয়র বার্নার্ড বোদু বলেছেন, বসতি স্থাপনকারীরা তাকে লাথি মেরেছেন এবং লোহার রড দিয়ে আঘাত করেছেন। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপিকে দেওয়া বক্তব্যে মেয়র বলেন, বিনা কারণে এমন সহিংসতার ঘটনা তাকে হতবাক করেছে। হামলাকারীরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ অবস্থায় সেখানে এসেছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বোদুর ভাষ্য, পশ্চিম তীরে কী ঘটছে, তা পুরো বিশ্বের জানা প্রয়োজন। তিনি নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবেন, কিন্তু সেখানে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদেরই সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বেলজিয়ামের কড়া বার্তা

বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাক্সিম প্রেভো এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তার বক্তব্য, হামলার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দায়িত্ব ইসরায়েলের।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা প্রতিদিন এমন সহিংসতার মুখোমুখি হচ্ছেন। জলপাই সংগ্রহ, সংবাদ সংগ্রহ কিংবা কূটনৈতিক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কারও হামলার শিকার হওয়া উচিত নয়।

প্রেভো আরও বলেন, দখলদার শক্তি হিসেবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ফিলিস্তিনিদের সুরক্ষা দেওয়া এবং কূটনীতিক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সহিংস বসতি স্থাপনকারীদের দায়মুক্তির অবসান হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ ঘটনায় দায়ীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবিতে বেলজিয়াম কাজ চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিন্দা, তবে প্রশ্নও

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা'আর হামলার নিন্দা জানিয়ে ঘটনাটিকে ইসরায়েলি দাঙ্গাকারীদের সহিংসতা বলে উল্লেখ করেছেন। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে তার মন্ত্রণালয় যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান তিনি।

তবে তিনি বলেন, ঘটনাটি গুরুতর হলেও সফরের আগে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় না করাটা দুঃখজনক। তার মতে, আগে থেকে সমন্বয় করা হলে সফরকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হতে পারত।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাইবেহ এলাকায় কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ওপর হামলার ঘটনায় তারা কঠোরভাবে নিন্দা জানাচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, হামলার সময় ঘটনাস্থলে তাদের কোনো সেনাসদস্য উপস্থিত ছিলেন না।

তদন্তের আগে সিদ্ধান্তে না পৌঁছানোর আহ্বান নেতানিয়াহুর দপ্তরের

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

দপ্তরের বক্তব্য, ভিডিওতে ঘটনার পুরো ধারাবাহিকতা বা ব্যক্তিগতভাবে কার দায় রয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বোঝা যায় না। ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও দায়ীদের শনাক্ত করতে ইসরায়েলি পুলিশ এবং অপরাধতদন্ত বিশেষজ্ঞরা তদন্ত শুরু করেছেন।

বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, বার্ষিক জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে ইসরায়েল ও পশ্চিম তীরের ইহুদি বাসিন্দাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সমন্বিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে উদ্বেগ রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশের আগেই চাঞ্চল্যকর শিরোনাম দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

আগের দিনও হামলার শিকার মার্কিন সাংবাদিক

ইউরোপীয় কূটনীতিকদের ওপর হামলার মাত্র এক দিন আগেই পশ্চিম তীরের অন্য একটি গ্রামে বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনি ও মার্কিন সংবাদপত্রের আলোকচিত্রী হেইডি লেভিন আহত হন।

ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। হামলার দৃশ্যকে তিনি উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। ইসরায়েলে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও এ হামলার নিন্দা জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগের দাবি জানান।

একই এলাকায় জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি সাংবাদিক ও কূটনীতিকদের ওপর হামলার অভিযোগ নতুন করে পশ্চিম তীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোয়ালে অস্ত্রোপচারের পর বার্তা দিলেন মার্টিনেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


চোয়ালে অস্ত্রোপচারের পর বার্তা দিলেন মার্টিনেজ

এভারটনের সেন্টারব্যাকের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে গুরুতর আঘাত পান এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে। মাঠ থেকে স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। পরবর্তীতে চোয়ালে ফাটল ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচার করাতে বাধ্য হন এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

সম্প্রতি, মার্টিনেজ তার ফেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে মাঠে ফেরার আশা প্রকাশ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, "যারা বার্তা পাঠিয়েছেন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা ক্লিনশিট ধরে রেখে ম্যাচ জিতেছি। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফিরব।"

অস্ত্রোপচার সফল হওয়ার খবর প্রকাশ হওয়ার পর, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্ল Claudio Tapia মার্টিনেজের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠান।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, "আমার প্রিয় দিবু, তোমার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। পৃথিবীর সব শক্তি তোমার সঙ্গে থাকুক। দূর থেকে তোমাকে অনেক বড় একটি আলিঙ্গন জানাচ্ছি। আমার কোনো সন্দেহ নেই তুমি আগের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে। ভালো-মন্দ সব সময়েই তোমার পাশে আছি। তোমাকে ভালোবাসি, বন্ধু।"

এদিকে, এভারটনের একটি ফ্রি কিক বিপদমুক্ত করার জন্য পাঞ্চ করতে গিয়ে জ্যারাড ব্র্যান্থওয়েটের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন মার্টিনেজ। ওই সময় প্রায় ১০ মিনিট মাঠে পড়ে থাকার পর স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরবর্তীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাকে একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সিটি স্ক্যানে তার ঘাড়, পিঠ ও মাথার খুলিতে উদ্বেগজনক কিছু পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষায় চোয়ালে ফাটল ধরা পড়ে, যার জন্য অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়।

আর্জেন্টাইন তারকাকে নিয়ে ভয় অনেকটাই কেটে গেলেও, সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, মাঠে ফিরতে তার প্রায় দেড় মাস পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ ফ্যাসিস্ট আমলেও জনগণের পাশে ছিল: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ ফ্যাসিস্ট আমলেও জনগণের পাশে ছিল: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিবাদের কঠোর শাসন ও প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও সামাজিক দায়িত্ব পালন থেকে পিছপা হয়নি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)। তার মতে, দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি ছিল।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক ধারার সংগঠন নয়, বরং এটি মূলত সুবিধাবঞ্চিত ও সাধারণ জনগণের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান। ফ্যাসিবাদের চরম দমন-পীড়নের সময়েও জেডআরএফ চিকিৎসা সহায়তা, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসনের মতো জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যারা আহত ও নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে সংগঠনটি।

একই সময়ে দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও রোগব্যাধি নিয়ে আলোচনা করেন বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি জানান, ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে সরকারের দিক থেকে আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন।

রিজভী আরও বলেন, প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে সরকারের নেয়া পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব নিয়োজিত কর্মকর্তাদের। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে অতি দ্রুতই দেশের এসব স্বাস্থ্য সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, সদস্যবৃন্দ, চিকিৎসক এবং বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%