মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৬ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত যোগ্য বাংলাদেশি পরিবারগুলো উইক কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের খাবার, নির্দিষ্ট ধরনের ইনফ্যান্ট ফর্মুলা এবং অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার কেনার জন্য সহায়তা পেতে পারে। গর্ভবতী নারীরা, সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মায়েরা এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর পরিবারগুলো এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশিদের জন্য নয়; যোগ্য নিউইয়র্কবাসী সকলেই আবেদন করার সুযোগ রাখেন।
নিউ ইয়র্ক সিটির সরকারি তথ্যসেবা অ্যাকসেস এনওয়াইসি জানায়, উইকে আবেদন করার সময় ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসের তথ্য চাওয়া হয় না। তবে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বসবাস, পরিবারের আয় এবং কর্মসূচির অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। শিশুর বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি অথবা অন্য প্রধান পরিচর্যাকারীও শিশুর জন্য আবেদন করতে পারেন।
উইকের সুবিধা নগদ অর্থ হিসেবে প্রদান করা হয় না। যোগ্য ব্যক্তিরা ই-উইক কার্ড ব্যবহার করে অনুমোদিত খাবার ক্রয় করতে পারেন। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবারের পাশাপাশি পুষ্টি বিষয়ে পরামর্শ এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সহায়তাও প্রদান করা হয়। কোন শিশুর জন্য কী খাবার বা ফর্মুলা পাওয়া যাবে, তা উইক অফিস কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
আবেদন বা নিকটবর্তী উইক অফিসের তথ্য জানার জন্য ১-৮০০-৫২২-৫০০৬ নম্বরে কল করা যেতে পারে। ফোনে অথবা সরাসরি সাক্ষাতের সময় ঠিক করতেও এই নম্বর ব্যবহার করা সম্ভব।
উইকের বাইরে বিনামূল্যে খাবারের প্রয়োজন হলে নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি ফুড কানেকশন কর্মসূচির ফুড প্যান্ট্রি ও কমিউনিটি কিচেনের খোঁজ পাওয়া যায় ৩১১ নম্বরে কল করে। প্রচলিত ‘NYC FOOD’ লিখে ৩০৪-৩০৪ নম্বরে টেক্সট করার নির্দেশনাটি মূলত আগের বছরের গ্রীষ্মকালীন খাবার কর্মসূচির প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমান ফুড প্যান্ট্রির অবস্থান জানার জন্য সিটি কর্তৃপক্ষ ৩১১ নম্বর ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব অব্যাহত রয়েছে। সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এর ফলে চলতি বছরে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ১০৪ জনে পৌঁছেছে।
একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩৩৯ জন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৫১৯ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২১ হাজার ৩৯২ জন।
হাসপাতাল ভর্তির চিত্র পর্যালোচনা করার পর দেখা যায়, ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬৫৫ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
মৃত্যুর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুধু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৩ জন। অন্যদিকে, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে এখন পর্যন্ত ১০১ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের মডেল মসজিদগুলোতে কর্মরত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদিম এবং নিরাপত্তা প্রহরীদের জন্য সম্মানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন ‘মডেল মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৬’-এ এসব পদের জন্য সম্মানি ও বেতন-ভাতার কাঠামো উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এনডিসি এতে স্বাক্ষর করেছেন।
নীতিমালার অধীনে, মডেল মসজিদে কর্মরত পেশ ইমামকে মাসে ২০ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিনকে ১৫ হাজার টাকা এবং খাদিমকে ১২ হাজার টাকা সম্মানি প্রদান করা হবে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর জন্য সম্মানি চুক্তিভিত্তিক নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব মডেল মসজিদের আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে, সেসব মসজিদ কমিটি ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পদে নির্ধারিত গ্রেডে বেতন-ভাতা প্রদান করতে পারবে। এই ক্ষেত্রে ইমামের বেতন গ্রেড-১০, মুয়াজ্জিনের গ্রেড-১৬ এবং খাদিমের গ্রেড-১৮ নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিব ও নিরাপত্তা প্রহরীর পদ চুক্তিভিত্তিক থাকবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, খতিবসহ মডেল মসজিদে কর্মরত জনবলকে মসজিদের আমানতদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
এছাড়া, ঈদুল-ফিতর ও ঈদুল-আজহা উদযাপনের জন্য এ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী জনবলকে যেসব উৎসব অনুষ্ঠিত হবে তার অব্যবহিত আগের মাসের সম্মানির সমপরিমাণ উৎসব ভাতা প্রদান করা যাবে।
নতুন নীতিমালায় মডেল মসজিদ ভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সিটি, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি রাখার বিধান করা হয়েছে। মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষা, হিফযখানা এবং শিশুদের মক্তব শিক্ষার ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বের মধ্যে জুমার সালাত বা নামাজ, প্রাক-খুতবা ও খুতবা, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সালাত এবং জানাজার সালাতের আয়োজন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রমজান মাসে তারাবিহ নামাজের জন্য হাফেজ নিয়োগ ও তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কোনো শুটিং স্পটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, রোদে পুড়ে গায়ের রং তামাটে করারও দরকার নেই, পরিচালকের বকা খাওয়ার বিষয়টি তো একেবারেই উঠে আসে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে আপনার চেহারা দিয়ে তৈরি হবে অভিনয়ের চরিত্র। আর এর মাধ্যমে আপনি অর্জন করবেন মোটা অঙ্কের অর্থ। চীনের সাধারণ মানুষ নিজেদের চেহারা বা মুখাবয়বের লাইসেন্স দিয়ে এই নতুন আয়ের পথ সৃষ্টি করেছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’-এর একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনে সাধারণ মানুষ এখন বাস্তবিক অর্থে ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতাদের কাছে নিজেদের চেহারা ‘ভাড়া’ দিচ্ছেন। সেই মুখাবয়ব ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে এআই অভিনেতা-অভিনেত্রী, যাদের বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টে কাজে লাগানো হচ্ছে।
জানা গেছে, ছবি বা ভিডিও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী এর মূল্য ৫০ ইউয়ান (প্রায় ৭ ডলার) থেকে শুরু করে ১ লাখ ইউয়ান বা প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ১৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকা) পর্যন্ত হতে পারে। এই নতুন ব্যবসায়িক মডেলের মাধ্যমে মানুষ ক্যামেরার সামনে সরাসরি উপস্থিত না হয়েও নিজেদের চেহারা বা অবয়ব ‘ভাড়া’ দিতে সক্ষম হচ্ছেন।
বিষয়টি জানার পর হুয়াং নামের ২৭ বছর বয়সী এক ব্যাংক কর্মকর্তা ভাবলেন, তিনিও চেহারা ভাড়া দিয়ে বাড়তি কিছু অর্থ আয় করবেন। যে–ই ভাবা, সে–ই কাজ। অনলাইনে নিজের চেহারার স্বত্ব বিক্রির বিজ্ঞাপন দিতেই মাত্র তিন দিনে তার ডিজিটাল চেহারা সাতবার বিক্রি হয়ে গেল। কোনো খাটুনি ছাড়াই পকেটে চলে এল প্রায় ২ হাজার ৬০০ ইউয়ান বা প্রায় ৩৭০ মার্কিন ডলার।
চীনের বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এখন নিজেদের চেহারা ভাড়া দিতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সঙ্গে এআই কনটেন্ট নির্মাতাদের যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কার চেহারা কী ধরনের কাজে ব্যবহার করা হবে এবং চুক্তির শর্ত কী, তার ওপর নির্ভর করছে পারিশ্রমিকের পরিমাণ।
চীনে বর্তমানে এআই দিয়ে বানানো স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটকের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। সেখানে প্রতিটি দৃশ্যের জন্য উচ্চ পারিশ্রমিকে অভিনেতা নেওয়ার চেয়ে এআইয়ের মাধ্যমে ডিজিটাল চরিত্র তৈরি করা অনেক সাশ্রয়ী।
এআই প্রযুক্তির সাহায্যে স্টুডিওতে না গিয়েই ওই চরিত্রের পোশাক, পরিবেশ, অঙ্গভঙ্গি ও সংলাপ মুহূর্তেই বদলে ফেলা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এই সৌজন্য সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিকাল ৩টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিবসহ শীর্ষ কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিবিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ সফরের বিভিন্ন বিষয় রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বক্তব্যটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ভাষণটিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং প্রধান বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে।
তিনি আরও বলেন, এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এ সময় জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ