০৫:১৩ পি.এম
ভারতের হায়দ্রাবাদে একটি দ্রুতগতির গাড়ির ধাক্কায় ২৬ বছর বয়সী এক নারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশের এমপি লিঙ্গামানেনি রমেশের ছেলে সঞ্জুশের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা করেছে।
নিহত নারীর নাম ভারতী মুখি। তিনি হায়দ্রাবাদের ইনঅরবিট মলের একটি পোশাকের দোকানে কাজ করতেন। গত ১৬ আগস্ট, কাজের জায়গার কাছে মাধাপুর এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময়, একটি দ্রুতগতির গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাড়িটি বেপরোয়া এবং অসতর্কভাবে চালানো হচ্ছিল। তদন্তের মাধ্যমে গাড়ির চালক হিসেবে সঞ্জুশকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের ব্যবসায়ী এবং রাজ্যসভার সদস্য লিঙ্গামানেনি রমেশের ছেলে। রমেশ, অন্ধ্রপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণের জনসেনা পার্টির এমপি।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
দুর্ঘটনায় ভারতী গুরুতরভাবে মাথায় আঘাত পান এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে যায়। পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর তাকে উক্ত গাড়িতেই জুবিলি হিলসের অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন ভারতী ও তার সহকর্মী ২৬ বছর বয়সী পূজা অশোক বেলা ১২টার দিকে দুপুরের খাবার খেতে আইটিসি কোহিনুর এলাকায় গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কর্মস্থলে ফিরে আসার সময় ভারতী ইনঅরবিট মলের সামনে রাস্তা পার হচ্ছিলেন এবং এ সময় দ্রুতগতির গাড়িটি তাকে ধাক্কা দেয়।
ভারতীর সঙ্গে থাকা পূজা পরে দোকানের ম্যানেজার অশ্বিন কুমারকে ঘটনাটি জানান। এরপর ঘটনায় পুলিশের খবর দেওয়া হয়।
এখনো সঞ্জুশকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মাধাপুরের সহকারী পুলিশ কমিশনার চি শ্রীধর জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা ধারাটি জামিনযোগ্য। এছাড়া, ওই ধারার সর্বোচ্চ সাজা সাত বছরের কম হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা
ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৬(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। এই ধারায় অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ডের পর্যায়ে না পড়া বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত কর্মকাণ্ডে কারও মৃত্যুর অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন