ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্পের পরিকল্পনা


ব্রহ্মপুত্রের উপর চিনের ৬০ হাজার মেগাওয়াটের মেগা ড্যাম প্রকল্পের পরিকল্পনা

চিন তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। মেডোগ প্রকল্পের ক্ষমতা প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট, যা নিয়ে ভারত কৌশলগত ও পরিবেশগত উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। বিশিষ্ট কৌশলগত বিশেষজ্ঞ ব্রহ্মা চেলানি এবার এই প্রকল্পের বিষয়ে ভারতের কৌশল এবং চিনা বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

ব্রহ্মা চেলানি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে প্রশ্ন তুলেছেন, "ভারত যদি চিনের সীমান্তের ঠিক উপরে এমন বিশাল প্রকল্প তৈরি করত, তাহলে বেইজিং পরিবেশ, ভূমিকম্পের ঝুঁকি এবং বৈজ্ঞানিক উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক স্তরে কত বড় প্রচার চালাত, আন্দাজ করুন তো একবার?" তিনি মনে করেন, চিনের বিজ্ঞানীরা যে উদ্বেগের কথা সামনে এনেছেন, ভারতকেও তা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা উচিত।

ব্রহ্মপুত্রের উপর নির্মাণাধীন ৬০ হাজার মেগাওয়াটের প্রকল্পটি তিব্বতের মেডোগ কাউন্টিতে ইয়ারলুং সাংপো নদীর উপর তৈরি হচ্ছে। এই নদী ভারতের অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশ করার পর সিয়াং এবং পরে ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ক্ষমতা প্রায় ৬০ হাজার মেগাওয়াট বলে জানা গেছে, যা চিনের থ্রি গর্জেস ড্যামের থেকেও বেশি হবে। প্রকল্পটি এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে ইয়ারলুং সাংপো নদী নামচা বারওয়া পর্বতের কাছে বিশাল একটি বাঁক নিয়ে ভারতের দিকে প্রবাহিত হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, চিন ২০২৫ সালে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করবে। প্রকল্পটির বিশাল আকার এবং ভারতের সীমান্তের নিকটবর্তী অবস্থান এটিকে শুধুমাত্র একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; এটি নদীর জলপ্রবাহ, পরিবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়েছে।

ব্রহ্মা চেলানি তার লেখায় উল্লেখ করেছেন, মেডোগ প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে একটি চিনা ভূতাত্ত্বিক গবেষণার পর। ওই গবেষণায় প্রকল্প এলাকার নীচে একটি সক্রিয় পাইঝেন ফল্ট অর্থাৎ পৃথিবীর ভূত্বকের একটি সক্রিয় ফাটল থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চিনের সরকারি ভূতাত্ত্বিক জরিপের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলির বিজ্ঞানীরা এই গবেষণাটি করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ওই এলাকার শিলাস্তরে ফাটল রয়েছে এবং সেগুলির গঠন তুলনামূলকভাবে দুর্বল। গবেষকরা আরও সতর্ক করেছেন যে ভূমিকম্পজনিত কার্যকলাপ এবং ফল্টের নড়াচড়ার কারণে জলাধারের আশপাশে ভূমিধস ও শিলাখণ্ড সরে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

রিপোর্টে ২০১৭ সালে তিব্বতের নিংচি এলাকায় হওয়া ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ওই ভূমিকম্প একই ফল্ট সিস্টেমের সক্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। তবে এই বৈজ্ঞানিক সতর্কতার অর্থ এই নয় যে ড্যামটি নিশ্চিতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অথবা ভবিষ্যতে এটি ভেঙে পড়বেই। গবেষণাগুলি মূলত ভূতাত্ত্বিক ঝুঁকি এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার দিকে ইঙ্গিত করে।

ভারতের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু জলপ্রবাহ নিয়েও। মেডোগ প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগ শুধু ড্যামের নিরাপত্তা নিয়েই সীমাবদ্ধ নয়। প্রশ্ন রয়েছে, ব্রহ্মপুত্রের উজানে নদীর জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের ফলে চিনের হাতে কতটা ক্ষমতা চলে আসবে।

চিন এই প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর জলপ্রবাহের উপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে ভারতের কৌশলগত মহলে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বর্ষার সময় জলপ্রবাহের পরিবর্তন, হঠাৎ জল ছেড়ে দেওয়া বা জল ধরে রাখার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

ব্রহ্মপুত্র ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদী। এর জলপ্রবাহের পরিবর্তন বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং নদীতীরবর্তী মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে চিনের এই মেগা প্রকল্পকে ভারত শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প হিসেবে দেখছে না, বরং এর সঙ্গে জলনিরাপত্তা, পরিবেশ এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলের কৌশলগত স্বার্থও জড়িত রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

আরও পড়ুন: বিলবোর্ডের ছবিকে রাস্তা ভেবে সজোরে ট্রাক চালালেন চালক, অতঃপর প্রাণ হারালেন

এই পরিস্থিতিতে ব্রহ্মা চেলানির বক্তব্য হল, চিনা বিজ্ঞানীদের প্রকাশ করা ভূতাত্ত্বিক ও পরিবেশগত উদ্বেগগুলি ভারতের আন্তর্জাতিক মহলে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা উচিত। একই সঙ্গে ভারতের উচিত প্রকল্পটির সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ করা এবং ব্রহ্মপুত্রের জলপ্রবাহ ও পরিবেশের উপর এখন থেকেই নজরদারি আরও বাড়ানো।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনপ্রিয় অভিনেতা জেমস স্লোয়ান ৮৫ বছর বয়সে মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


জনপ্রিয় অভিনেতা জেমস স্লোয়ান ৮৫ বছর বয়সে মারা গেছেন

অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র ‘দ্য স্টিং’-এর অভিনেতা জেমস স্লোয়ান আর বেঁচে নেই। তিনি ২২ জুলাই তার নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৫ বছর।

পরিবারের সূত্রে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-এর মাধ্যমে।

১৯৪১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ানাপোলিসে জন্মগ্রহণ করেন জেমস। তিনি চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। তার পিতা জেমস সিনিয়র ছিলেন একজন নির্মাণ প্রকৌশলী। অভিনয় জগতে প্রবেশের আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্মিতে তিন বছর কাজ করেছিলেন। নিউ ইয়র্কের আমেরিকান একাডেমি অব ড্রামেটিক আর্টস থেকে শিক্ষা জীবন শেষ করার পর, তিনি জোসেফ পাপের নিউ ইয়র্ক শেকসপিয়র ফেস্টিভ্যালে তলোয়ার খেলার কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে আর্থার কোপিটের ‘ইন্ডিয়ানস’ নাটকের মাধ্যমে তিনি ব্রডওয়েতে প্রবেশ করেন। পরবর্তী বছর ‘দ্য ট্রাভেলিং এক্সিকিউটর’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটে।

স্লোয়ানের দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনি দর্শকদের জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। ১৯৭৩ সালে জর্জ রয় হিলের অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র ‘দ্য স্টিং’-এ ‘মটোলা’ চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। ১৯৮০ সালের মিউজিক্যাল ফ্যান্টাসি ‘জানাদু’-তেও তাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যায়। এছাড়া ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে এবিসির একটি কমেডি নাটকে (সিটকমে) তিনি জনপ্রিয় অভিনেত্রী ম্যাডেলিন খানের স্বামীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

‘স্টার ট্রেক’ ফ্র্যাঞ্চাইজির ভক্তদের কাছে তিনি সমানভাবে পরিচিত ছিলেন। নব্বইয়ের দশকে ‘দ্য নেক্সট জেনারেশন’, ‘ডিপ স্পেস নাইন’ এবং ‘ভয়েজার’ সিরিজে চারটি ভিন্ন চরিত্রে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন। পর্দার পেছনে কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও তিনি সফল ছিলেন। ১৯৮৯ সাল থেকে টানা ১৮ বছর টয়োটার বিলাসবহুল গাড়ি ব্র্যান্ড লেক্সাসের বিজ্ঞাপনের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

জেমস স্লোয়ানের দীর্ঘ টিভি ক্যারিয়ারে ‘দ্য স্ট্রিটস অব সান ফ্রান্সিসকো’, ‘কোজাক’, ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’, ‘মার্ডার, শি রোট’, ‘দ্য এক্স-ফাইলস’-এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় শোতে তিনি যুক্ত ছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে, তিনি ১৯৭৩ সালে অভিনেত্রী ডেইর্ড্রে লেনিয়ানকে বিয়ে করেন। তাদের পরিবারে ছেলে ড্যানিয়েল এবং মেয়ে সামান্থা স্লোয়ান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেছনে নিতে গিয়ে বাবার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ৬ বছরের ছেলে, অতঃপর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


পেছনে নিতে গিয়ে বাবার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ৬ বছরের ছেলে, অতঃপর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ির সামনে গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় ছয় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। নিহত শিশুর নাম প্রেস্টন। দুর্ঘটনার সময় তার বাবা টেরিক এল গুয়িন্ডি গাড়িটি পেছনে নিচ্ছিলেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার কিছু আগে টেমেকুলা শহরের ব্রুকহেভেন কোর্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় প্রেস্টন গাড়িটির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করেন। পরে শিশুটিকে উইলডোমারের ইনল্যান্ড ভ্যালি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। তবে সেদিন রাতেই তার মৃত্যু ঘটে।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টেফানি চেসব্রো শিশুটির জন্য অনুদান সংগ্রহের একটি পাতা খুলেছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় প্রেস্টন বাইরে খেলছিল। চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মায়ের পাশে থাকার সময় তার মৃত্যু হয়।

পরিবার জানিয়েছে, প্রেস্টন মাত্র গত মাসে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা শুরু করেছিল।

দুর্ঘটনার পর ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগের কর্মকর্তারা টেরিক এল গুয়িন্ডিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি স্বয়ংক্রিয় চালনা ব্যবস্থায় চলছিল না। একই সঙ্গে শিশুটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারা।

তবে গাড়ির ভেতরের কোনো সতর্কতা ব্যবস্থা চালককে গাড়ির পেছনে শিশুটির উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তদন্তকারীরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার দায় বা কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।

টেরিক এল গুয়িন্ডি শরীরচর্চা জগতের পরিচিত মুখ। তিনি ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে কাজ করেন। বিশ্বের শীর্ষ পেশাদার শরীরচর্চাবিদদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে এ প্রতিযোগিতার বিচারকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

এল গুয়িন্ডি অলিম্পিয়া টেলিভিশনের সঙ্গেও যুক্ত। শরীরচর্চা ও পেশাদার শরীরচর্চা নিয়ে আলোচনা করা ‘প্রাইম টাইম মাসল’ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন।

শরীরচর্চা অঙ্গনে তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও খেলোয়াড়দের নিয়ে নিয়মিত মন্তব্য করেন। ছয়বারের ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ বিজয়ী ক্রিস বামস্টেড সম্পর্কেও তিনি আগে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছিলেন। ২০২৪ সালে বামস্টেড অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এল গুয়িন্ডি তাকে শরীরচর্চার প্রতি নতুন করে মানুষের আগ্রহ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এদিকে প্রেস্টনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রেস্টন সবসময় হাসিখুশি থাকত এবং আশপাশের মানুষের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দিত।

দুর্ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরে শোক প্রকাশ করেছেন।

ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে তদন্ত করছে ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ। এখন পর্যন্ত এল গুয়িন্ডির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা বা তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ, ওয়ার্ল্ড বডিবিল্ডিং নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বিনিময়, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ট্রাম্পের শুভেচ্ছা বিনিময়, আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরা

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের ফাঁকে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই সাক্ষাতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

ড. খলিলুর রহমান তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত মতবিনিময়।’

খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে জাতিসংঘ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী প্রতিনিধিত্বের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি আফ্রিকাকে বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২ জুন ২০২৬ খলিলুর রহমান ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তার এক বছরের মেয়াদ শুরু হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূল পর্বের সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং বিশ্বনেতারা বক্তব্য প্রদান করছেন। একই দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন। অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও উপস্থিত রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে কম খরচে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ পি.এম


নিউইয়র্কে কম খরচে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি কেনা অনেকের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ মনে হতে পারে, তবে প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাওয়া যোগ্য ক্রেতাদের জন্য সরকারি সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিভাগের ‘হোমফার্স্ট’ কর্মসূচি।

এই কর্মসূচির অধীনে বাড়ির প্রাথমিক মূল্য পরিশোধ এবং বাড়ি কেনার সাথে সম্পর্কিত খরচ মেটাতে সর্বাধিক ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো—ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ম্যানহাটন, কুইন্স এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

এ কর্মসূচির আওতায় ১ থেকে ৪ ইউনিটের বাড়ি, কনডোমিনিয়াম অথবা সমবায় মালিকানার বাড়ি কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে ক্রেতার প্রধান বাসস্থান হিসেবে কেনা বাড়িটি ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, বাড়িটি কেনার পূর্বে নির্ধারিত আবাসন মানের পরিদর্শনে উত্তীর্ণ হতে হবে।

হোমফার্স্টের আওতায় পাওয়া ১ লাখ ডলার সরাসরি নগদ অনুদান নয়, বরং এটি নির্দিষ্ট শর্তে প্রদত্ত ঋণ। ৪০ হাজার ডলার বা তার কম সহায়তা গ্রহণ করলে ক্রেতাকে ওই বাড়িতে অন্তত ১০ বছর প্রধান বাসস্থান হিসেবে থাকতে হবে। অন্যদিকে, ৪০ হাজার ডলারের বেশি সহায়তা গ্রহণ করলে অন্তত ১৫ বছর সেখানে বসবাস করতে হবে।

এছাড়া, আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী বার্ষিক আয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী, এক সদস্যের পরিবারের সর্বোচ্চ বার্ষিক আয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৬০ ডলার হতে পারে। চার সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আয়সীমা ২ লাখ ৩ হাজার ৫২০ ডলার।

এক ইউনিটের বাড়ির জন্য ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে সর্বোচ্চ বাড়ির মূল্য ৬ লাখ ৬১ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। হোমফার্স্টের পাশাপাশি, নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে কনডোমিনিয়াম এবং সমবায় মালিকানার বাড়ি কেনার সুযোগও রয়েছে।

মধ্যম ও মাঝারি আয়ের পরিবারের জন্য ‘মিচেল-লামা’ কর্মসূচি রয়েছে, যার আওতায় সমবায় মালিকানার বাড়ি পাওয়ার সুযোগ আছে। তবে এই সুবিধার জন্য আলাদা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়।

অন্যদিকে, যারা নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বাড়ি কিনতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট মর্টগেজ এজেন্সির অধীনে বিভিন্ন প্রাথমিক মূল্য পরিশোধ সহায়তা কর্মসূচি রয়েছে।

তবে সরকারি সহায়তার মাধ্যমে বাড়ি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির সর্বশেষ নিয়ম ও শর্ত যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া, অনুমোদিত আবাসন পরামর্শকের পরামর্শ নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%