০৭:৪১ পি.এম
মার্কিন সিনেটর ক্রিস মারফি মধ্যপ্রাচ্যে সফর শুরু করেছেন, যার উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে দেখা। সংঘাত বন্ধে কাজ করছেন এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাও তার সফরের অন্যতম লক্ষ্য।
সফরের প্রথম অংশে তিনি কাতারে পৌঁছেছেন। পরে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়া প্রথম ডেমোক্র্যাট সিনেটর হিসেবে তিনি নিজেকে চিহ্নিত করেছেন।
মারফি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় তার সফরের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য তুলে ধরেছেন।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
তিনি উল্লেখ করেন, প্রথমত, মার্কিন সিনেটের সদস্যদের জন্য সরেজমিনে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা দেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অন্যান্য স্থাপনায় হামলার ফলে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, কাতার ও সৌদি আরবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করবেন মারফি। একই সঙ্গে সংঘাত বন্ধের প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করবেন।
তৃতীয়ত, উপসাগরীয় অঞ্চলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিষয়ে নতুন করে চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
মারফি বলেন, "যুদ্ধ যখন তীব্রভাবে চলছে, তখন দুই দলের মার্কিন সিনেট সদস্যদেরই মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকা গুরুত্বপূর্ণ।"
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনা যুদ্ধের প্রভাবের মুখোমুখি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের পরিদর্শক দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনার শত শত ভবন ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন