ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চশমার কাচ মোছার ভুলে নষ্ট হতে পারে লেন্স


চশমার কাচ মোছার ভুলে নষ্ট হতে পারে লেন্স

চোখের দৃষ্টি সঠিক রাখতে অনেকেই নিয়মিত চশমা ব্যবহার করেন। তবে চশমা পরা যথেষ্ট নয়, নিয়মিতভাবে পরিষ্কার রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাচে যদি ধুলো-ময়লা জমে থাকে, তাহলে সঠিকভাবে দেখা সম্ভব হয় না। দীর্ঘ সময় ধরে এমন অবস্থায় থাকলে লেন্স পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে, যা বেশ ব্যয়বহুল।

কিন্তু চশমা পরিষ্কার করার সময় অনেকেই কিছু ভুল করেন, যার ফলে লেন্সের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা দিয়েই চশমার কাচ মুছে ফেলার অভ্যাস পরিহার করা উচিত।

জামার কাপড় দিয়ে কাচ মোছেন?

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন

অনেকে চশমার কাচ ময়লা হলে জামা বা অন্য কোনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলেন। কাপড় যতই নরম হোক, এটি দিয়ে কাচ ঘষা সঠিক নয়। কারণ পোশাকের মধ্যে থাকা ধুলোবালি কাচে লেগে যেতে পারে। ফলে ময়লা পরিষ্কার হওয়ার পরিবর্তে লেন্সে আরও ময়লা জমার সম্ভাবনা থাকে।

টিস্যু বা ন্যাপকিনও নয়

পেপার তোয়ালে, টিস্যু বা ন্যাপকিন দিয়ে চশমার কাচ পরিষ্কার করার অভ্যাস থেকেও বিরত থাকতে হবে। এসব কাগজের তন্তু কাচে আটকে থাকতে পারে। এতে কাচ পুরোপুরি পরিষ্কার না হয়ে উল্টো ময়লা জমার সুযোগ তৈরি হয়।

গরম পানি দিয়ে চশমা ধোবেন না

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ

চশমা পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব। তবে গরম পানি ব্যবহার করা উচিত নয়। বেশি তাপমাত্রার পানিতে লেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি ফ্রেম থেকে কাচ খুলেও যেতে পারে। তাই চশমা পরিষ্কারের সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি ব্যবহার করাই শ্রেয়।

সব ধরনের পরিষ্কার করার স্প্রেও নয়

চশমার কাচ পরিষ্কারের জন্য অ্যামোনিয়া বা অ্যালকোহলযুক্ত পরিষ্কার করার স্প্রে ব্যবহার করা উচিত নয়। এসব উপাদান লেন্সের ওপর থাকা বিশেষ প্রলেপের ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে রোদচশমা বা আলো অনুযায়ী রং বদলায় এমন লেন্সে এ ধরনের স্প্রে ব্যবহার না করাই ভালো।

তাহলে চশমা পরিষ্কার করবেন কীভাবে?

আরও পড়ুন: স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

চশমা পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে এক ফোঁটা হালকা বাসন পরিষ্কার করার তরল মিশিয়ে নিতে পারেন। এরপর সেই পানি দিয়ে চশমার কাচ ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

চাইলে শুধু কলের পানির নিচেও চশমা ধরে রাখতে পারেন। পানির স্রোতে কাচের ওপর থাকা ধুলো-ময়লা ধুয়ে যাবে। সবশেষে মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন।

মনে রাখুন

চশমা পরিষ্কার করার সময় জামার কাপড়, টিস্যু বা ন্যাপকিন, গরম পানি এবং অ্যামোনিয়া বা অ্যালকোহলযুক্ত পরিষ্কার করার স্প্রে এড়িয়ে চলুন। সঠিকভাবে পরিষ্কার করলে লেন্স পরিষ্কার থাকবে এবং চশমাও দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: আজ নতুন বন্ধু বানানোর দিন, পুরোনো বন্ধুত্বের গুরুত্বও তুলে ধরা হচ্ছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টে রিট নিষ্পত্তি বাড়ছে, মামলার চাপ কমবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


হাইকোর্টে রিট নিষ্পত্তি বাড়ছে, মামলার চাপ কমবে

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে চলতি বছরে নতুন রিট মামলা দায়েরের তুলনায় নিষ্পত্তির হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল মনে করেন, বিচারিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা গেলে এবং ব্যক্তিস্বার্থ বা ব্যক্তিগত বিরোধের রিট বন্ধ হলে মামলার চাপ আরও অনেক কমে আসবে।

তিনি বলেন, "বর্তমান প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আদালতে একটা শৃঙ্খলা আনার চেষ্টা করছেন। বিচারিক শৃঙ্খলা আনতে পারলে রিট মামলার সংখ্যা কমে আসবে। আমার দৃষ্টিতে আদালতে যদি শৃঙ্খলা থাকে, তাহলে প্রকৃতপক্ষে মানুষ ন্যায়বিচার পায়।"

সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরুতে হাইকোর্টে রিট মামলার সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬০টি। জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রথম ৩ মাসে হাইকোর্টে নতুন রিট মামলা হয় ৪ হাজার ১১২ টি। এই ৩ মাসে নিষ্পত্তি হয় ২ হাজার ২১৩টি রিট মামলা।

এরপর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাইকোর্টে নতুন রিট মামলা হয় ৪ হাজার ৭২৯টি। তবে এই ৩ মাসে হাইকোর্টে রিট মামলা নিষ্পত্তি হয় ৯ হাজার ৫৯০টি। অর্থাৎ এই সময়ে নতুন রিট মামলা দায়েরের চেয়ে নিষ্পত্তির হার দ্বিগুণ। জুনের শেষে হাইকোর্টে বিচারাধীন রিট মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৯৯৯টি।

হাইকোর্টে লক্ষাধিক রিট মামলা বিচারাধীন থাকার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "অনেক ক্ষেত্রে পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশনের (জনস্বার্থ মামলার) নামে ব্যক্তি স্বার্থে রিট মামলা করা হয়। যার মূল উদ্দেশ্যই থাকে আত্মপ্রচার। অনেকেই রিট মামলা করার সঙ্গে সঙ্গে মিডিয়ার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে যান। যেটি অনাকাঙ্ক্ষিত।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় মানা হাইকোর্টের জন্য বাধ্যতামূলক। আইনের অনেকগুলো বিষয় অলরেডি আপিল বিভাগ ঠিক করে দিয়েছেন যে, হাইকোর্ট কোন মামলাগুলো গ্রহণ করতে পারবে কিংবা কোনগুলো পারবে না। যেমন- প্রাইভেট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কোনো রিট পিটিশন চলে না। এটা সুপ্রিম কোর্টের অসংখ্য রায়ে থাকা সত্ত্বেও সময়ে-সময়ে বিভিন্ন হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে রিট পিটিশন গ্রহণ করছেন এবং আদেশ দিচ্ছেন। যার ফলে একটা বিচারিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। এই বিশৃঙ্খলার জায়গাটা যদি শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যায় তাহলে রিট মামলার সংখ্যা কমবে।"

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, "আমি আরেকটি প্রবণতা লক্ষ্য করছি যে, ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে রিট করা হচ্ছে। যেমন- জমি দখল, জমির সীমানা, বিল-বাঁওড় নিয়ে সরাসরি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হচ্ছে। অথচ ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে হাইকোর্টে সরাসরি রিট পিটিশন চলে না। আইন বলে ব্যক্তি এক্ষেত্রে নিম্ন আদালতে গিয়ে মামলা করে তার প্রতিকার প্রার্থনা করবেন। কিন্তু প্রচলিত পদ্ধতিটাকে অনেকে বাইপাস করে সরাসরি হাইকোর্টে এসে মামলাগুলো করছেন। ফলে হাইকোর্টে রিট মামলা বেড়ে যাচ্ছে।"

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে পাঁচ ধরনের রিট করার সুযোগ রয়েছে। সেগুলো হলো-

রিট অব হেবিয়াস করপাস: কোনো ব্যক্তিকে আইনগত কারণ ছাড়া আটকে রাখা হলে হেবিয়াস করপাস রিট করা যায়। এক্ষেত্রে বেআইনিভাবে আটক বা গ্রেফতার ব্যক্তিকে হাজির করতে হাইকোর্ট নির্দেশ দেন।

রিট অব ম্যান্ডামাস: কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের আইন অনুযায়ী যে কাজ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা না করলে হাইকোর্ট সেই কাজ করতে নির্দেশ দেন।

রিট অব সার্টিওরারি: বিচারিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল আইনবহির্ভূতভাবে কোনো আদেশ দিলে হাইকোর্ট সেই আদেশ বাতিল করতে পারেন।

রিট অব প্রহিবিশন: বিচারিক আদালত বা ট্রাইব্যুনাল যদি তাদের আইনগত ক্ষমতার বাইরে কোনো মামলা শুনতে শুরু করে, তাহলে হাইকোর্ট তাদের সেই কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।

রিট অব কো-ওয়ারেন্টো: কেউ আইনগত যোগ্যতা ছাড়া কোনো সরকারি পদে থাকলে এই রিটের মাধ্যমে হাইকোর্ট তার বৈধতা যাচাই করেন।

মহিউদ্দিন ফারুক বনাম বাংলাদেশ মামলার রায়ের মধ্য দিয়েই মূলত বাংলাদেশে জনস্বার্থে রিট মামলার আইনগত ভিত্তি তৈরি হয়। ঐতিহাসিক এই মামলার রায়ে বলা হয়, জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো ঘটনায় সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়েও যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনি প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট মামলা করতে পারেন। সেই থেকে আমাদের দেশে জনস্বার্থে রিট মামলা ভিন্ন মাত্রা পায়।

গত কয়েক দশকে হাইকোর্টে জনস্বার্থে করা বিভিন্ন রিট মামলায় অভাবনীয় বহুমাত্রিক সাফল্য এসেছে। রিট মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের মাধ্যমেই দেশের নদীগুলো পেয়েছে ‘জীবন্ত সত্তা’র হিসেবে স্বীকৃতি।

সেই সঙ্গে দেশের বহু নদ-নদী দখলদারদের উচ্ছেদ, অবৈধ ইটভাটা বন্ধ কিংবা পাহাড় কাটা রোধ হয়েছে হাইকোর্টে করা রিট মামলার রায় বা আদেশের মাধ্যমে। এ ছাড়া জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে কিংবা দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে মানবিক ক্ষতিপূরণ প্রদান, নারী-শিশু ও প্রান্তিক মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় রিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অনেক সময় হাইকোর্টে একজন ব্যক্তির করা রিটের রায় বা আদেশের সুফল ভোগ করেন দেশের হাজারো মানুষ। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ পি.এম


অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

কুমিল্লায় কিশোর অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবি করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন।

অবরোধের সময় শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এর আগে, সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং সকাল ১১টায় গন্ধমতিতে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন করে অপ্রতিমকে সেখানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমি তারে পাইলে সুখি হতাম’ লিখে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


‘আমি তারে পাইলে সুখি হতাম’ লিখে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী আত্মহত্যা

এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে চতুর্থ শ্রেণির, কারণ ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে না পারা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত রিমা আক্তার (১৪) আন্ধারুপাড়া গ্রামের মৃত রিপন মিয়ার কন্যা। রিমার বাবা ছোটবেলায় মারা যাওয়ার পর মা জহুরা বেগম তিন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। তিন বোনের মধ্যে রিমা ছিল দ্বিতীয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রিমা একটি ব্র্যাক স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সম্প্রতি তার বিয়ের জন্য পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। তবে রিমা বিয়েতে রাজি ছিল না। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সে প্রতিবেশী এক তরুণকে পছন্দ করত। রিমার আত্মহত্যার কারণ হিসেবে একটি চিরকুটে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সে ওই তরুণকে বিয়ে করতে পারেনি।

চিরকুটে রিমা লেখে, ‘মা-তুমি আরে মাফ কইরা দিও। আমি তোমার কথা রাখতে পারলাম না। আমি চাইলে পালিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু তোমার মাথা ধরে যে আমি তোওবা কাটছি। তুমার কিছু হইলো তো আমারে কেউ ছাড়বো না, আমি মরলে কারো কিছু হয়তো না। মা-তুমি শুধু ভাবলা সম্পতির কথা, ভালো সংসার আর টাকা। কিন্তু মা-তুমি কি একবারও ভাবছিলা আমি তারে পাইলে সুখ পাবো।’

তিনি আরও লেখেন, ‘হাজারো দুঃখ-কষ্টে থাকলেও আমি শান্তি পাইতাম। কারণ তারে যে আমি ভালোবাসি। তারে ছাড়া যদি তুমরা অন্য কারো সাথে বিয়ে দিতা, সত্যি কইতাছি মরার মতো বাঁচতাম। আমারে মাফ কইরা দিও। এখানে কারো দোষ নাই। তাও যদি তুমরা তারে অপরাধী হিসাবে দোষ দেও তাইলে আমি মইরা গেলেও শান্তি পাইতাম না। ইতি, তোমার কপাল পোড়া রিমা।’

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে রিমার মরদেহ ও একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইইউসানসের পক্ষ থেকে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শুভেচ্ছা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩১ পি.এম


আইইউসানসের পক্ষ থেকে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে শুভেচ্ছা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব এন.এস. (আইইউসানস)-এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম. আবু জাফর খান শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইউসানসের সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালিব, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম রাকিব, দপ্তর সম্পাদক খাইরুল ইসলাম এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আবু জাফর খান শুভেচ্ছা বিনিময়কালে আইইউসানসের উত্তরোত্তর সাফল্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য কামনা করেন। তিনি সংগঠনের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান যে, তারা শিক্ষা, নৈতিকতা, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের সমৃদ্ধ করে দেশ, জাতি ও সমাজের কল্যাণে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করবেন।

আইইউসানসের সভাপতি আসাদুল্লাহ আল গালিব মন্তব্য করেন, অধ্যাপক ড. এম. আবু জাফর খান স্যার ঝালকাঠি এন. এস. কামিল মাদরাসার একজন কৃতী শিক্ষার্থী হিসেবে নিজ মেধা, প্রজ্ঞা ও কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রেখে আজ দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। এই অর্জন আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি বলেন, "তাঁর আদর্শ ও কর্মময় পথ অনুসরণ করে আমরাও দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করতে চাই।"

আইইউসানসের নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আবু জাফর খানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের সাফল্য কামনা করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, তাঁর নেতৃত্বে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%