শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৮ পি.এম
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি উচ্চবিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর গুলির আক্রমণে অন্তত একজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মিনদানো প্রদেশের দক্ষিণ কোতাবাতোর বাঙ্গা ন্যাশনাল হাইস্কুলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।
তবে হতাহতদের সঠিক সংখ্যা সম্পর্কে স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের বক্তব্যের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। দক্ষিণ কোতাবাতোর গভর্নর রেইনালদো তামায়ো সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি হামলাকারীর পরিচয় বা সে নিহত বা আহতদের মধ্যে রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। অন্যদিকে, স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতির কারণে বাঙ্গা পৌরসভার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সকল শ্রেণি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। প্রাথমিক সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে ফিলিপাইন রেড ক্রসের একটি চিকিৎসা দল পাঠানো হয়েছে।
ফিলিপাইনের শিক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্টাফদের নিরাপত্তা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রকৃত ঘটনা উন্মোচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে শান্ত থাকার এবং যাচাই না করা তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ফিলিপাইনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানা ও ব্যবহার তুলনামূলক বেশি হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা একেবারেই বিরল। এর আগে গত জুন মাসে দেশটির মধ্যাঞ্চলের একটি স্কুলে সহপাঠীদের গুলিতে ৩ জন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, সে সময় পুরোনো বিরোধ ও বুলিংয়ের কারণে ওই হামলা সংঘটিত হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শহীদ বীর আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, রংপুরবাসী গর্বিত যে এমন একজন সন্তান তাদের জন্ম দিয়েছেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শহীদ আবু সাঈদ স্মৃতিস্তম্ভ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "আমি রংপুরে এসেছি এই বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য। যে স্থানে দাঁড়িয়ে আবু সাঈদ দুই হাত উঁচু করে সাহসের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। যা সারা বাংলাদেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের বীজ এই রংপুর থেকেই বপন করেছিলেন বীর শহীদ আবু সাঈদ।"
তিনি আরও বলেন, "আবু সাঈদ আমাদের শিখিয়ে গেছেন কীভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়। তার সেই দৃশ্য সারা বাংলাদেশের মানুষকে নাড়া দিয়েছিল এবং দেশের জন্য বুক চিতিয়ে লড়াই করার সাহস জুগিয়েছিল।"
আবু সাঈদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "রংপুরবাসী ও স্থানীয় প্রশাসনকে আবু সাঈদের পরিবারের পাশে থাকতে হবে। এই বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, আবু সাঈদের নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে লেখা থাকবে।"
বেরোবির শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাই। তাদের নেতৃত্বে এই রংপুর থেকে আবু সাঈদের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়েছিল এবং সেই লড়াই ৫ আগস্ট শেষ হয়। যে জাতি রক্ত দিতে জানে, যে জাতি মরতে জানে, সেই জাতিকে কেউ হারাতে পারে না।"
এ সময় আবু সাঈদের আন্দোলনের সময়কার ফুটেজ ধারণ ও প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "সবশেষে আমি প্রিয় সাংবাদিক ভাইদের ধন্যবাদ জানাই। যারা পুলিশের গুলির মুখে দাঁড়িয়ে সেই ফুটেজ সংগ্রহ করেছিলেন এবং প্রকাশ করেছিলেন। এই একটি দৃশ্য বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম ভূমিকা রেখেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা "ছাত্রদলের রাকিবকে অনুসরণ করুন" মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
উপাচার্য জানান, তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নয়, বরং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে অনুসরণ করতে বলেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ছাত্রদলের ওই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাকিবের কাজের প্রতি আগ্রহ, সক্রিয়তা ও কর্মনিষ্ঠার উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছিল। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা যেন রাকিবের মতো আরও দায়িত্বশীল ও কর্মনিষ্ঠ হন।
অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন আরও উল্লেখ করেন, তাঁর বক্তব্যের একটি অংশ পরবর্তী সময়ে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা থেকে মনে হয়েছে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে একজন নির্দিষ্ট ছাত্রনেতাকে অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন যে, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন।
তিনি বলেন, "রাকিবের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, তার কর্মনিষ্ঠার বিষয়টিই আমি উদাহরণ হিসেবে বলেছি।" উপাচার্যের মতে, কোনো ব্যক্তির একটি ইতিবাচক গুণের প্রশংসা করা মানেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান বা মতাদর্শকে সমর্থন করা নয়।
এছাড়া, তিনি জানান, ভালো গুণ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনের একক বিষয় নয়। ছাত্রদল, ছাত্রশিবির কিংবা অন্য কোনো সংগঠনের মধ্যে ভালো বৈশিষ্ট্য থাকলে সেটি উদাহরণ হিসেবে সামনে আনা যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তির একটি ভালো দিক অনুসরণ করার অর্থ তাঁর সব রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুসরণ করা নয়।
নিজের বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, "কোনো বক্তব্যের একটি অংশ আলাদা করে বিচার না করে সেটি কোন পরিস্থিতিতে এবং কাদের উদ্দেশে বলা হয়েছিল তা বিবেচনা করা উচিত।"
সমালোচনার বিষয়ে অধ্যাপক রইছ উদ্দীন বলেন, "দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভুল হলে গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হেয় করা উচিত নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে সবার সঙ্গে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কল্যাণকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে, গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জবি ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। ওই বক্তব্যে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রাকিবকে অনুসরণ করার আহ্বান জানানোর বিষয়টি সামনে এলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাকেরগঞ্জে রাতের অন্ধকারে খাবারের সঙ্গে বা স্প্রে ব্যবহার করে চেতনানাশক প্রয়োগের মাধ্যমে দুই পরিবারের ১০ জন সদস্যকে অসুস্থ করে একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিকাঠী গ্রামের দুটি আলাদা বাড়িতে।
অসুস্থদের উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনটি শিশু রয়েছে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে দুর্বৃত্তরা সুকৌশলে গারুড়িয়া ইউনিয়নের ভান্ডারিকাঠী গ্রামের ফারুক খান মাস্টারের ঘরে চেতনানাশক প্রয়োগ করে। এর ফলে রাত ৯টার পর থেকে এক শিশুসহ পরিবারের ৩ জন অচেতন হয়ে যায়।
অন্যদিকে, একই রাতে পার্শ্ববর্তী সুখী নীলগঞ্জ এলাকার আব্দুল খানের বাড়িতেও একই কায়দায় চেতনানাশক ব্যবহার করে দুষ্কৃতকারীরা। সেখানে পরিবারের ৭ জন সদস্য জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরদিন বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাদের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে ঘরে ঢুকে সবাইকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পান। দুর্বৃত্তরা আব্দুল খানের বাড়ি থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা, সোনার চেইন ও কানের দুলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানিয়েছেন, চেতনানাশকের কারণে রোগীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে বর্তমানে তারা আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন এবং হাসপাতালে তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং খোয়া যাওয়া মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ২০২৫ সালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এক সমাবেশের সময় গোলাপি বেগমের অসহায় জীবনযাপনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়।
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গোলাপি বেগমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্রায় এক বছর ধরে তার চিকিৎসার পাশাপাশি ঢাকায় একটি বাসায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে, তার স্থায়ী পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে নতুন একটি বাড়ি নির্মাণের নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এরই ধারাবাহিকতায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে গোলাপি বেগমের জন্য একটি নতুন বাড়ি নির্মাণ করা হয়।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ২০২৬ দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার কাছে বাড়িটি হস্তান্তর করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে গোলাপি বেগমের হাতে নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় গোলাপি বেগমকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, মুস্তাকিম বিল্লাহ, শাকিল আহমেদ ও শাহাদত হোসেন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, হাসানুর রহমান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, সমাজের অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর অন্যতম লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সংগঠনটি মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ