ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বামীর ‘প্রভাব ও ক্ষমতা’য় মানসিক চাপের শিকার! স্ত্রী ঈশার বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই বিচ্ছেদ ঘোষণা বাদশার


স্বামীর ‘প্রভাব ও ক্ষমতা’য় মানসিক চাপের শিকার! স্ত্রী ঈশার বিস্ফোরক মন্তব্যের পরেই বিচ্ছেদ ঘোষণা বাদশার

মাত্র কিছু মাস আগে হঠাৎ করে সমাজমাধ্যমে কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে, যা দেখে অনুরাগীরা ধারণা করতে শুরু করেন যে বাদশা এবং ঈশা বিয়ে করেছেন। তবে এতদিন গায়ক এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

বেশ কিছুদিন ধরে ব্যক্তিগত জীবনের কারণে আলোচনায় রয়েছেন র‌্যাপার-গায়ক বাদশা। চলতি বছরের মার্চ মাসে পঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখীর সঙ্গে তাঁর বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। সোমবার, তাঁরা বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন। বিয়ের বেশ কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও, বাদশা এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে তেমন কিছু বলেননি। অন্যদিকে, ঈশা আগেই তাঁদের সম্পর্ক এবং বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাসের মধ্যেই সোমবার সন্ধ্যায় বাদশা নিজেই জানিয়ে দেন, ঈশার সঙ্গে তাঁর পথ আলাদা হয়ে গেছে। সমাজমাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়ে র‌্যাপার জানান, তাঁরা দু’জনেই পারস্পরিক সম্মতিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে অনুরাগী এবং সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বাদশা লেখেন, “পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে সকলের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ করছি।” এটি ছিল তাঁদের দাম্পত্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বাদশার প্রথম প্রকাশ্যে মন্তব্য। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা চলছিল। এবার সেই আলোচনা সত্যি হয়ে উঠল।

সমাজমাধ্যমে বিচ্ছেদের ঘোষণা করেন বাদশা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

এর আগে জুলাই মাসে ঈশা সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন। তাঁর সেই পোস্টের পরেও ব্যক্তিগত জীবনে সমস্যা নিয়ে আলোচনা আরও বৃদ্ধি পায়। ঈশা জানিয়েছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন ভয় এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। তাঁর স্বামীর ‘প্রভাব এবং ক্ষমতা’র কারণেই তিনি এমন পরিস্থিতির মধ্যে ছিলেন বলে ইঙ্গিত করেছিলেন অভিনেত্রী।

নীরব থাকা যে পরিস্থিতিকে মেনে নেওয়ার লক্ষণ নয়, বরং টিকে থাকার একটি উপায় ছিল— সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন ঈশা। পাশাপাশি, সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে এমন ভান না করে নিজের বক্তব্য প্রকাশ্যে জানানোর জন্য তিনি প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত করেছিলেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

বাদশা এবং ঈশার বিয়ের জল্পনা প্রথম জোরালো হয় মার্চ মাসে। ঈশার মা পুনম রিখী সমাজমাধ্যমে কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছিলেন, যেগুলি দেখে মনে হয়েছিল সেগুলি কোনো ঘরোয়া বিয়ের অনুষ্ঠানের। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে জোর আলোচনা শুরু হয় এবং খবর ছড়িয়ে পড়ে যে বাদশা ও ঈশা বিয়ে করেছেন। যদিও তাঁরা নিজেদের সম্পর্ক বরাবরই ব্যক্তিগত রেখেছিলেন।

এটি বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে জৈস্মীন মসীহের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সমাজমাধ্যমে আলাপের পর ২০১২ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। ২০১৭ সালে তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশে নিতে চায় সরকার, কুয়েটে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় ১০.৭৫ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


শিক্ষায় বরাদ্দ ৫ শতাংশে নিতে চায় সরকার, কুয়েটে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয় ১০.৭৫ লাখ টাকা

শিক্ষায় সরকারের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে জাতীয় বাজেটের ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বর্তমানে শিক্ষায় জাতীয় বাজেটের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বরাদ্দ ৫ শতাংশে নিতে চান। কুয়েটের প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য সরকারের ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। কুয়েট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি।

শিক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য মানসম্মত শিক্ষা একটি প্রধান ভিত্তি। তাই শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী কুয়েটে শিক্ষার্থীপ্রতি সরকারের ব্যয়ের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উপাচার্যের কাছে শিক্ষার্থীপ্রতি ব্যয়ের হিসাব জানতে চাইলে ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান। এই অর্থ সরকার বহন করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে একজন শিক্ষার্থীকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হতো।

শিক্ষা খাতে এই বিনিয়োগের কাঙ্ক্ষিত ফল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার ভাষায়, “একবার ভেবে দেখেন, সরকার শিক্ষাখাতে কত বড় বিনিয়োগ করছে। ১০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা একটি ছেলের পেছনে খরচ করছে। এই হিউজ ইনভেস্টমেন্টের রিটার্নটা কী? সেটা আমাদের বুঝতে হবে।”

মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন বা সুন্দর ক্যাম্পাস তৈরিই যথেষ্ট নয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা ও অ্যালামনাই কার্যক্রমকে জোরদার করে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান অর্জনের চেষ্টা করতে হবে। তার মতে, বিশ্ব প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ মেধার কারণে পিছিয়ে নেই, বরং যথাযথ প্রচেষ্টা ও ব্যবস্থার সঠিক প্রয়োগের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে।

শিক্ষার্থীদের নিজেদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আরও বেশি পড়াশোনা ও গবেষণায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, “ইউরোপ-আমেরিকার মানুষের মতো একই উপাদান দিয়ে সৃষ্টিকর্তা আমাদেরও সৃষ্টি করেছেন।” তাই গবেষণালব্ধ জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভূমিকা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাবেক শিক্ষার্থীরা কোথায় কাজ করছেন এবং তাদের কর্মসংস্থানের অবস্থা কেমন, এসব তথ্য থেকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ও অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তিনি ভালো র‌্যাংকিংয়ের জন্য শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, ন্যানোটেকনোলজি ও রোবোটিক্সের মতো আধুনিক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন মন্ত্রী। নতুন বিভাগ খোলার আগে তার প্রয়োজনীয়তা যাচাই করার কথাও বলেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি বিল্ডিং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট এবং আর্কিটেকচারের পাশাপাশি আরবান অ্যান্ড রিজিওনাল প্ল্যানিংয়ের মতো বিভাগ চালুর আগে যৌক্তিকতা পর্যালোচনার ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশকে শিক্ষা হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার ‘ক্রস বর্ডার এডুকেশন’ চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এটি চালু করা গেলে বিদেশে শিক্ষার্থীদের যাওয়ার প্রবণতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি বিদেশি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ দেশে আনার সুযোগ তৈরি হবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ক্রস বর্ডার এডুকেশনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এটা চালু করতে পারলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার অনেক সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি এর ফলে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টিও এ দেশে আমদানি করতে পারবো।”

বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো ফল করা বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে আনার ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’-এর মাধ্যমে তাদের দেশে এনে উন্নয়নের কাজে লাগানোর কথা বলেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে জিপিএ-৫ পাওয়া ১ লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে ১ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। মাধ্যমিক পর্যায়ের মেয়েদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে সাইকেল দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। অন্য এক বক্তব্যে ছাত্রীদের জন্য উপহার হিসেবে পিংক সাইকেল দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও চিন্তাভাবনার কথা বলেন তিনি।

এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিষয় জটিলতায় আটকে আছে বলে জানান এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এসব জটিলতা দ্রুত দূর করে নিয়োগ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। এ বিষয়ে শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কুয়েটের ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে একসঙ্গে দেশের চারটি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বা বিআইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়। সে সময় তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ওই সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

প্রতি বছর ১ সেপ্টেম্বর কুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করা হয়। ২০০৩ সালের এই দিনে প্রতিষ্ঠানটি বিআইটি থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। এবারের আয়োজন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ ও ২৩তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে।

দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন, প্রীতি সমাবেশ, আনন্দ র‌্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া প্রদর্শনী, বিভিন্ন বিভাগের প্রজেক্ট উপস্থাপন, ল্যাব উন্মুক্তকরণ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, সরকার সময়োপযোগী, আধুনিক ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হবে, এটাই সরকারের প্রত্যাশা।

এআইয়ের যুগে প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে প্রযুক্তির সমন্বয় করে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান হুইপ।

অনুষ্ঠানে কুয়েটের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাজাহান আলী, ছাত্রকল্যাণ পরিষদের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাসান আলী, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান আলী ও সাধারণ সম্পাদক রায়হান আহমেদ বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে ৪ খুন: আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ, রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪১ পি.এম


রংপুরে ৪ খুন: আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ, রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে পুলিশ

রংপুর নগরীতে শিক্ষক পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) তিন সদস্যের একটি দল। এই দলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী, উপপরিদর্শক মমিনুল ইসলাম এবং আবু সাঈদ বাবলা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) তোফায়েল আহমেদ। মঙ্গলবার বিকেলে আরপিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আলোচিত ফোর মার্ডার নিয়ে মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা করি, এই হত্যকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দ্বারপ্রান্তে আছি। যেহেতু এটি একটি তদন্তাধীন, তাই এখানে কোনো তথ্য গোপন করার বিষয় নাই।"

তিনি আরো উল্লেখ করেন, আসামিদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত থাকবে। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে মামলার নিষ্পত্তি করা হবে ইনশাআল্লাহ।

এর আগে, সোমবার (৩১ আগস্ট) আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে তাদের শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানায়। তবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী, দেরিতে ডোপ টেস্ট করানোর কারণে এমন ফলাফল এসেছে।

একই দিন বিকেলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। কিন্তু রংপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম দুদিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

সোমবার আরপিএমপির উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পরেও বেশ কিছু নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই এবং নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগের পর অধিকতর তদন্তের জন্য সোমবার তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল।

তিনি আরো জানান, রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়নি। তাদের পক্ষে লিগ্যাল এইডের আইনজীবীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শুনানিতে যুক্ত ছিলেন। শুনানি শেষে আদালত দুদিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

এদিকে, সোমবার একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশ নতুন তথ্য পেয়েছে উল্লেখ করে সনাতন চক্রবর্তী জানান, গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের মধ্যে ঘটনার আগে এবং পরে অনেকবার কথা হয়েছে। তিনি বলেন, "৮০ ঘণ্টায় ৮০ বার কথা বলেছে তারা। এর অর্থ ঘটনার আগে এবং পরে প্রতি ঘণ্টায় একবার; যা অস্বাভাবিক এবং এ কারণে হত্যার ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে হতে পারে।"

প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলেসহ একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকা থেকে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। বর্তমানে মামলাটি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে ন্যায্য মূল্যে সার, স্বস্তিতে কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


শেরপুরে ন্যায্য মূল্যে সার, স্বস্তিতে কৃষক

রোপা আমন মৌসুমে কৃষক পর্যায়ে সরকারি মূল্যে সার পাওয়ার ফলে শেরপুরের কৃষকরা স্বস্তিতে রয়েছেন। ডিলারদের ব্যবসায়িক মনোভাব ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির শঙ্কা কাটিয়ে এবার সরকারের নির্ধারিত মূল্যে পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন জেলার কৃষকরা। জমিতে সময়মতো সার প্রয়োগ করতে পারায় তারা ভালো ফলনের আশা করছেন। শেরপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চল এবং শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মৌসুমে সারের জন্য দুশ্চিন্তায় থাকতে হলেও এবার প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সার মিলছে। অতিরিক্ত মূল্য বা কালোবাজারির শিকার হতে হচ্ছে না। তাই তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

কৃষকরা জানিয়েছেন, সার নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের নজরদারি আগে দেখা যায়নি। এবার মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সরাসরি সারের মনিটরিং শুরু করায় এই সুফল পাচ্ছেন তারা। স্থানীয় সংসদ সদস্যরা মাইকিং করে কৃষকদের সচেতন করে সঠিক মূল্যের বেশি দিয়ে সার না কেনার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোথাও সারের দাম বেশি চাইলে সরাসরি অভিযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। ফলে সময়মতো এবং ন্যায্য মূল্যে সার পাওয়া নিশ্চিত হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় ভালো ফলনের পাশাপাশি লাভেরও আশা করছেন তারা।

নকলা উপজেলার বাউশা এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘প্রতিবছর এই সময় ব্যাপক সমস্যা থাকে। এবার ডিলাররা কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারেনি কৃষি বিভাগের নজরদারীর কারণে। অনেকদিন পর সরকারি মূল্যে সার পেলাম। আমরা চাই প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকুক।’

শ্রীবরদী উপজেলার সার ডিলার বেলায়েত আলী তালুকদার বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে সার সরাসরি কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে। কৃষি অফিসের নিয়মিত তদারকি চলছে। একজন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত খাতাপত্র পর্যালোচনা করেন। আমরা কোন কলঙ্ক নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। কৃষকদের পাশে আছি আমরা।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগের মৌসুমে জেলায় ৯৩ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছিল। এবার আরও বেশি জমিতে আবাদ হচ্ছে এবং উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উৎপাদনকে লক্ষ্য করে চলতি রোপা আমন মৌসুমে জেলার পাঁচ উপজেলায় ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি ও অন্যান্য সার পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হয়েছে। গত আগস্ট মাসে শেরপুরে ইউরিয়া ৫৪২৩ মে. টন, টিএসপি ৮০৬ মে. টন, ডিএপি ২৬৬১ মে. টন ও এমওপি ১৬৮৪ মে. টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে চলতি মাসের আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সারের বাজারে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ডিলার অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অনুকূল আবহাওয়া ও সারের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে শেরপুরে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের প্রত্যাশা, মৌসুমজুড়ে যেন একইভাবে ন্যায্য মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত থাকে এবং বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়।’

জেলা বীজ ও সার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা জেলা কমিটি প্রতিনিয়ত গুরুত্ব দিয়ে মিটিং করছি। জেলার মোট ৪টি সারের গোডাউন থেকে সার নেওয়ার সময় আলাদা আলাদা ভাবে যার যার সার বুঝিয়ে দেবো। সাথে পুলিশ থাকবে। কয়েকজনকে একত্রে সার দেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘ডিলারদের সার উত্তোলনের সময় প্রত্যয়ন নিতে হবে। সেই প্রত্যয়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও সার বিতরণের সময় প্রতিটি ডিলারের জন্য আলাদা আলাদা ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ সদস্য রাখা হচ্ছে। এছাড়াও শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বেশ কয়েকজনকে সাজার আওতায় আনা হয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতে কৃষকের হাতে ন্যয্য মূল্যে সার তুলে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেরপুর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোটি সংস্কার করা হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


দুই বছর পেরিয়ে গেলেও শেরপুর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোটি সংস্কার করা হয়নি

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। সেই উত্তাল সময়ের মধ্যে শেরপুরে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই সময় শেরপুর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে, ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি স্থাপনাটি এখনো সংস্কার করা হয়নি এবং চালু করা হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার কারণে ভবনটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে এবং নিয়মিতভাবে এখানে মাদকের আড্ডা হয়ে থাকে।

এক সময় এই ডাকবাংলোটি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে সেই ভবনটি তালাবদ্ধ ও অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর ফলে, একদিকে সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। অযত্ন ও অবহেলার কারণে সরকারি ভবনটি এখন মাদক সেবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে, স্থানীয়দের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

স্থানীয় মাহিম আহমেদ বলেন, "ডাক বাংলোর ভিতরে বখাটে ছেলেদের নিরাপদ মাদক সেবনের জন্য আস্তানা গড়ে উঠেছে। তারা প্রতিনিয়ত ভবনের ভিতরে মাদক সেবন করে। এতে আশপাশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় থাকে।"

এ বিষয়ে শেরপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ বলেন, "ডাক বাংলোটি সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%