মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ পি.এম
রোপা আমন মৌসুমে কৃষক পর্যায়ে সরকারি মূল্যে সার পাওয়ার ফলে শেরপুরের কৃষকরা স্বস্তিতে রয়েছেন। ডিলারদের ব্যবসায়িক মনোভাব ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির শঙ্কা কাটিয়ে এবার সরকারের নির্ধারিত মূল্যে পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন জেলার কৃষকরা। জমিতে সময়মতো সার প্রয়োগ করতে পারায় তারা ভালো ফলনের আশা করছেন। শেরপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চল এবং শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও নকলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত কয়েক মৌসুমে সারের জন্য দুশ্চিন্তায় থাকতে হলেও এবার প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সার মিলছে। অতিরিক্ত মূল্য বা কালোবাজারির শিকার হতে হচ্ছে না। তাই তারা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
কৃষকরা জানিয়েছেন, সার নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের নজরদারি আগে দেখা যায়নি। এবার মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সরাসরি সারের মনিটরিং শুরু করায় এই সুফল পাচ্ছেন তারা। স্থানীয় সংসদ সদস্যরা মাইকিং করে কৃষকদের সচেতন করে সঠিক মূল্যের বেশি দিয়ে সার না কেনার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোথাও সারের দাম বেশি চাইলে সরাসরি অভিযোগ করার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। ফলে সময়মতো এবং ন্যায্য মূল্যে সার পাওয়া নিশ্চিত হয়েছে। এতে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় ভালো ফলনের পাশাপাশি লাভেরও আশা করছেন তারা।
নকলা উপজেলার বাউশা এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘প্রতিবছর এই সময় ব্যাপক সমস্যা থাকে। এবার ডিলাররা কোন ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পারেনি কৃষি বিভাগের নজরদারীর কারণে। অনেকদিন পর সরকারি মূল্যে সার পেলাম। আমরা চাই প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকুক।’
শ্রীবরদী উপজেলার সার ডিলার বেলায়েত আলী তালুকদার বলেন, ‘সরকারি নিয়ম মেনে সার সরাসরি কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে। কৃষি অফিসের নিয়মিত তদারকি চলছে। একজন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত খাতাপত্র পর্যালোচনা করেন। আমরা কোন কলঙ্ক নিয়ে ব্যবসা করতে চাই না। কৃষকদের পাশে আছি আমরা।’
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগের মৌসুমে জেলায় ৯৩ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছিল। এবার আরও বেশি জমিতে আবাদ হচ্ছে এবং উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উৎপাদনকে লক্ষ্য করে চলতি রোপা আমন মৌসুমে জেলার পাঁচ উপজেলায় ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি, এমওপি ও অন্যান্য সার পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ করা হয়েছে। গত আগস্ট মাসে শেরপুরে ইউরিয়া ৫৪২৩ মে. টন, টিএসপি ৮০৬ মে. টন, ডিএপি ২৬৬১ মে. টন ও এমওপি ১৬৮৪ মে. টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্যে চলতি মাসের আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সারের বাজারে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ডিলার অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে বা কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অনুকূল আবহাওয়া ও সারের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে শেরপুরে রোপা আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের প্রত্যাশা, মৌসুমজুড়ে যেন একইভাবে ন্যায্য মূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত থাকে এবং বাজারে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়।’
জেলা বীজ ও সার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা জেলা কমিটি প্রতিনিয়ত গুরুত্ব দিয়ে মিটিং করছি। জেলার মোট ৪টি সারের গোডাউন থেকে সার নেওয়ার সময় আলাদা আলাদা ভাবে যার যার সার বুঝিয়ে দেবো। সাথে পুলিশ থাকবে। কয়েকজনকে একত্রে সার দেয়া হবে না।’
তিনি বলেন, ‘ডিলারদের সার উত্তোলনের সময় প্রত্যয়ন নিতে হবে। সেই প্রত্যয়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কৃষি কর্মকর্তার স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও সার বিতরণের সময় প্রতিটি ডিলারের জন্য আলাদা আলাদা ট্যাগ অফিসার ও পুলিশ সদস্য রাখা হচ্ছে। এছাড়াও শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বেশ কয়েকজনকে সাজার আওতায় আনা হয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতে কৃষকের হাতে ন্যয্য মূল্যে সার তুলে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। সেই উত্তাল সময়ের মধ্যে শেরপুরে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই সময় শেরপুর জেলা পরিষদ ডাকবাংলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে, ঘটনার দুই বছর পেরিয়ে গেলেও গুরুত্বপূর্ণ এই সরকারি স্থাপনাটি এখনো সংস্কার করা হয়নি এবং চালু করা হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকার কারণে ভবনটির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর এখানে মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে এবং নিয়মিতভাবে এখানে মাদকের আড্ডা হয়ে থাকে।
এক সময় এই ডাকবাংলোটি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানে সেই ভবনটি তালাবদ্ধ ও অচল অবস্থায় পড়ে আছে। এর ফলে, একদিকে সরকারি সম্পদ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর ডাকবাংলোটি পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। অযত্ন ও অবহেলার কারণে সরকারি ভবনটি এখন মাদক সেবীদের নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। ফলে, স্থানীয়দের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
স্থানীয় মাহিম আহমেদ বলেন, "ডাক বাংলোর ভিতরে বখাটে ছেলেদের নিরাপদ মাদক সেবনের জন্য আস্তানা গড়ে উঠেছে। তারা প্রতিনিয়ত ভবনের ভিতরে মাদক সেবন করে। এতে আশপাশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় থাকে।"
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ বলেন, "ডাক বাংলোটি সংস্কারের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ শুরু করা হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গফরগাঁও উপজেলা ও দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির পৃথক আয়োজনের মধ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাড়ে ১১টায় এমপি মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু’র নেতৃত্বে কান্দিপাড়া বাজার থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয় এবং বিকেলে গফরগাঁও পৌর শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এ সময় দুই উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার পর কান্দিপাড়া বিএনপির দলীয় কার্যালয় চত্বরে এবং পৌরসভার সংলগ্ন জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের সংসদ সদস্য এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। সভায় সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম আনসার উদ্দিন এবং গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ ইসহাক। আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন এমপির সহধর্মিণী শামীমা সুলতানা সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে। মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সভাটি সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-১ আসনের এমপি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) জহির উদ্দীন স্বপন।
সভায় দলের নেতাকর্মীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জহির উদ্দীন স্বপন বলেন, “আমরা নির্বাচনে নির্বাচিত হববার পরে দেশে হা হা কার। আমরা সরকার গঠন করার পরে আমরা পুরাতন আইন সংস্কার করাহচ্ছে। সময় উপযোগি আই করা হচ্ছে। আমরা কৃষি অর্থনিতি নিয়ে কাজ হাতে নিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, আগৈলঝাড়া উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “মাদকচক্র চিহ্নিত করে তাদের নির্মূল করতে হবে। আগৈলঝাড়ায় কোনোভাবেই মাদকের বিস্তার হতে দেওয়া যাবে না।” মাদক নির্মূলে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সঞ্চালনা করেন আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল মোল্লা, উপজেলা যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান মুন্সী, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফারহানা আক্তার সহ উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভা শেষে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরের প্রেক্ষাপটে দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনজনকে অভিযুক্ত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।
অভিযুক্ত তিনজনের মধ্যে রয়েছেন— বিসিবির সাবেক পরিচালক ও সাবেক অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুখলেসুর রহমান (শামীম), সাবেক সিকিউরিটি লিয়াজোঁ অফিসার (এসএলও) জাকির হোসাইন এবং বগুড়া জেলার সাবেক বিসিবি কাউন্সিলর ও সাবেক অডিট কমিটির সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম সানি।
বিসিবি জানায়, বোর্ডের ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে আইসিসির ২০২৪ সালের অংশগ্রহণকারীদের জন্য অ্যান্টি-করাপশন কোডের বিভিন্ন ধারার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার চেষ্টা, দুর্নীতির প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য গোপন করা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানো।
শামীমের বিরুদ্ধে কোডের ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৪ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিএলের ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা ম্যাচের অন্য কোনো বিষয় প্রভাবিত করার চেষ্টা, কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করা, দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বা তথ্য গোপন, মুছে ফেলা বা নষ্ট করার মাধ্যমে তদন্তে বাধা দেওয়া।
জাকিরের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা অন্য কোনো বিষয় অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিতে যুক্ত হতে উৎসাহ বা সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তার পরিচালিত তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগও রয়েছে।
অন্যদিকে রাকিবুল ইসলাম সানির বিরুদ্ধে ২.৪.৪ ও ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিপূর্ণ কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে অ্যান্টি-করাপশন কর্মকর্তাকে না জানানো এবং তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে।
বিসিবি জানায়, অভিযুক্ত তিনজনকেই সাময়িকভাবে (প্রভিশনালি) বরখাস্ত করা হয়েছে। নোটিশ অব চার্জ পাওয়ার পর নিজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। এরপর কোড অনুযায়ী শৃঙ্খলাজনিত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ