রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৩ পি.এম
বাড়ির পেছনের বাগানে সাধারণ খোঁড়াখুঁড়ির কাজ করার সময় একটি বিরল ও অমূল্য রৌপ্যভান্ডারের সন্ধান পাওয়া গেছে। ডেনমার্কের রেবিল্ড এলাকায় মাটি সরানোর প্রক্রিয়ায় প্রায় এক হাজার বছর আগে ভাইকিং যুগের সাড়ে ১৮ কেজি ওজনের বিভিন্ন রুপার সামগ্রী বেরিয়ে আসে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, দেশটির ইতিহাসে এত বিপুল পরিমাণ ভাইকিং রৌপ্যভান্ডার পাওয়ার ঘটনা এটি প্রথমবারের মতো ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওই বাড়ির মালিক নিজ বাগানে টেরেস নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়ছিলেন। হঠাৎ করে মাটির নিচে রূপালি বস্তু দেখতে পেয়ে তিনি স্থানীয় প্রত্নতাত্ত্বিকদের খবর দেন। এরপর প্রত্নতাত্ত্বিক দলটি এসে মাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে, এগুলো সাধারণ ধাতব অংশ নয়; বরং দীর্ঘ সময় ধরে মাটির নিচে জমে থাকা ভাইকিং যুগের রৌপ্য নিদর্শন।
ঐতিহাসিক এই আবিষ্কারে মোট ৭০০টিরও বেশি রুপার তৈরি জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিখুঁতভাবে তৈরি রুপার দণ্ড, বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী অলংকার, প্রাচীন মুদ্রা এবং ভাইকিং পুরাণে বর্ণিত ‘থরের হাতুড়ি’র আদলে তৈরি একটি ক্ষুদ্র রূপালি প্রতিরূপ। দীর্ঘ এক হাজার বছর মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ নিদর্শনের মান বেশ চমৎকার অবস্থায় রয়েছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা জানান, ভাইকিং সমাজে রূপার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। তারা যুদ্ধ জয়, বাণিজ্য বিস্তার ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রধান নিয়ামক হিসেবে রুপা ব্যবহার করতেন। এক স্থানে এত বিপুল পরিমাণ সামগ্রী জমা হওয়ার পেছনে সে সময়ের বিশেষ সামাজিক পরিস্থিতি, বাণিজ্য সংঘাত কিংবা নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল কি না, তা নিয়ে বর্তমানে বিশদ গবেষণা চলছে।
বর্তমানে বিশেষজ্ঞ দলটি উদ্ধার করা ধাতব সামগ্রীগুলোর উৎস এবং আনুমানিক বয়স নির্ধারণের কাজ করছেন। প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এই উদ্ভাবন ভাইকিং যুগের মানুষের জীবনযাত্রা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের বিস্তৃতি সম্পর্কে নতুন ঐতিহাসিক তথ্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী রামগতির শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিএনপিতে যোগদান করেছেন। জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় এক নেতার নেতৃত্বে এই যোগদান ঘটে।
১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় আলেকজান্ডার পৌর এলাকার দিদার প্রফেসরের বাড়ির উঠানে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ধানের শীষের রাজনীতিতে যুক্ত হন।
নেতৃত্বদানকারী হাসান মাহমুদ রাসেল, যিনি রামগতি পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর একটি ওয়ার্ডের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, বিএনপিতে যোগদানের পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "বাকি জীবন বিএনপির সঙ্গে থেকে দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করে যেতে চাই।"
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী রামগতি উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুর রহিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, একাধিকবার তার মোবাইলে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিএনপি নেতারা নতুন যোগদানকারীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। তারা একইসঙ্গে আগামী দিনে দলের সব সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে তাদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
যোগদান অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা ও মেয়র প্রার্থী শাহেদ আলী পটুসহ রামগতি পৌরসভা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বসতঘর থেকে সুজন শেখ (২৩) নামের এক ভ্যানচালকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়নের হোচলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সুজন শেখ হোচলা গ্রামের মৃত শেখ আবুল হোসেনের পুত্র। পরিবারের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোররাতে সুজনের স্ত্রী হোসনেআরা বেগম ঘুম থেকে উঠে ঘরের আড়ার সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফকিরহাট মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্ত্রী হোসনেআরা বেগম বলেন, শনিবার রাতে তারা স্বামী-স্ত্রী ও সন্তান একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোররাতে ঘুম থেকে উঠে তিনি তার স্বামীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। রাতের কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে এর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রজিউল্লাহ খান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা রোধের উদ্দেশ্যে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রেম ও রোমান্সনির্ভর নাটক ও সিনেমার নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টে পরকীয়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যভিচার ও ধর্ষণের মতো বিষয়গুলোকে স্বাভাবিক ও মহিমান্বিত করে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বর্তমান চলচ্চিত্র ও নাটক শিল্পে প্রেম ও অতিরিক্ত রোমান্টিক কনটেন্টের অবাধ সম্প্রচার যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এসব কনটেন্টে পরকীয়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, ব্যভিচার ও ধর্ষণের মতো বিষয়গুলোকে স্বাভাবিকভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে যুবসমাজ ও শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং সমাজের নৈতিক কাঠামো দুর্বল হয়ে সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
রিটে হিন্দুস্তান টাইমস, ডেইলি সাবাহ ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বিভিন্ন গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনের উল্লেখ করে দাবি করা হয়েছে, লাগামহীন রোমান্টিক ও উসকানিমূলক সিনেমা যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং নারীর প্রতি সহিংসতা ও অপরাধ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
রিটকারী আইনজীবী যুক্তি দিয়েছেন, সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা সম্ভব। জননৈতিকতা ধ্বংসকারী এবং সামাজিক অপরাধে প্ররোচনা দেওয়া কোনো কনটেন্ট অবাধে সম্প্রচার সংবিধানের এই সুরক্ষা পেতে পারে না বলেও রিটে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সংবিধানের ২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
রিটে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন আইন, ২০২৩-এর ৫(২) ও ৮(১) ধারা অনুযায়ী পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং এর পরিপন্থী কনটেন্টের অনুমোদন বাতিল করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। এছাড়া কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬-এর ১৯ ও ২০ ধারায় শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং যুবসমাজের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষতি করে—এমন সম্প্রচার নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে বলে রিটে উল্লেখ করা হয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের আইনি ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে, যা প্রশাসনিক অবহেলার শামিল।
কেবল প্রেমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণ ও সম্প্রচার বন্ধের পাশাপাশি যুবসমাজের সৃজনশীল মেধা বিকাশ ও দেশপ্রেম জাগ্রত করতে বিজ্ঞান, শিক্ষা, ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রতিরক্ষাভিত্তিক চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণ এবং সম্প্রচারে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারির আবেদন জানানো হয়েছে।
রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে গত ২৭ আগস্ট সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে নোটিশের পরও কার্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনস্বার্থে ও জাতীয় সংস্কৃতি রক্ষায় হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার বেসরকারি চাকরিজীবীদের সুরক্ষার জন্য ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রস্তাবিত সার্ভিস রুলে অন্তর্ভুক্ত থাকবে ন্যূনতম বেতন, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি, বিভিন্ন ভাতা, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ, ছুটি এবং পদোন্নতির বিষয়গুলো।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি চাকরিজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন সার্ভিস রুলে চাকরিজীবীদের আচরণবিধি, দুর্নীতির তদন্ত, শৃঙ্খলা, আইনি সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি, শিশুশ্রম, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তার বিষয়গুলো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই সার্ভিস রুলসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ আদায়, মাতৃত্বকালীন ছুটি, স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, প্রতিবন্ধীদের চাকরি, চাকরি স্থায়ীকরণ, চাকরি থেকে অপসারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও থাকবে।
‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে সর্বশেষ গত ১০ মে একটি মতবিনিময়সভার তথ্য পাওয়া যায়।
এর পরবর্তী সময়ে আর কোনো সভা বা অগ্রগতি নিয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি। ওই সভায় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, চেম্বার এবং বেসরকারি খাতের বিভিন্ন সংগঠনের মতামত নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই সার্ভিস রুলস তৈরির জন্য ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬’ ও ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা ২০১৫’ এ প্রয়োজনীয় সংশোধন বা সংযোজন আনা হবে বলে জানা গেছে। এজন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি অনুবিভাগ) মোস্তফা জামানকে প্রধান করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, বেসরকারি চাকরিজীবীদের এই ‘নতুন সার্ভিস রুলস’ নিয়ে কাজ চলছে। পরবর্তী সময়ে আরও পর্যালোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব দেওয়া হবে, যা পরে সরকার বিবেচনায় নেবে।
বেসরকারি চাকরিজীবীরা জানান, শ্রম আইন-২০০৬ ও শ্রম বিধিমালা-২০১৫ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) দ্বারা অনুমোদিত। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনও এই আইন ও বিধিমালাকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
তবে দেশে বেসরকারি খাতের অনেক ক্ষেত্রে এসব আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে কর্মরত মানুষের সংখ্যা ৬ কোটি ৯০ লাখ ৯০ হাজার। এর মধ্যে ৪৮ দশমিক ২ শতাংশ বেসরকারি, যৌথ উদ্যোগ এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আরও ১৮ দশমিক ২ শতাংশ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত। অর্থাৎ মোট ৬৬ দশমিক ৪ শতাংশ কর্মী বেসরকারি খাতে কাজ করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ